Trade license renewal
Trade license renewal
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Trade license renewal
সার্ভেয়ার — এর বিরুদ্ধে। যত ফাইল ভূমি অধিগ্রহণ এর সব কাজ তার কাছে। আমার প্রশ্ন আর সার্ভেয়ার কি নাই। সে শুধু গুড়ায়। আজ না কাল করে। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা — তিনিও —কে কিছুই বলেন না। আমার কাজটি ২০২৩ সাল ধরে ময়মনসিংহ ভূমি অফিসে এদিক সেদিক গুড়ছে।
টিএ বিল উত্তোলন থেকে শুরু করে নতুন পে ফিক্সেশন, জিপিএফ ফান্ড খুলতে গেলেই কমিশন দিতে হয়। এভাবে একেকটি খাতে ২০০০-৩০০০ টাকা অবশ্যই দিতে হবে। মানে টাকা ছাড়াই কোন কাজ নেই। তাছাড়া পেনশনে গেলে শুরুর এককালিন প্রাপ্য অর্থ থেকে আপনাকে অবশ্যই ৫% দিতেই হবে।
নামজারি মামলার পিটিশন।
নতুন জমি কেনা এবং পরবর্তী নামজারি -দালাল এর মাধ্যম ছাড়া ভুমি অফিসে গ্রহন করে না , তাদের নির্ধারিত রেট অনুযায়ী টাকা দিয়ে সকল কাজ করাতে হয় নয়ত সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকলেও হয়রানি করতেই থাকে একের পরে এক ।
এল জি আর ডি এর অধীনে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের ঠিকাদারি করতে গেলে দেখা যায় বিল।উত্তোলনের সময় প্রত্যেক টেবিলে ঘুষ দিতে হয়। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ১.৫% জেলা ইঞ্জিনিয়ার ২% নগদ টাকা প্রদান পূর্বক বিল অনুমোদন হয়। এটা সবার ক্ষেত্রে ওপেন সিক্রেট।
৯৯৯ এ ফোন দিলে কোন সরকারি এম্বুলেন্স পাওয়া যায় না
নতুন পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন থানা থেকে হয়। থানার লোক দাবী করে। জোরারগঞ্জ থানা ২০২৪ সালে
Rate limit test canary RL2
Rate limit test canary RL1
Mass assignment test canary MA99
২০০৬ সালে একটা জমি কিনেছিলাম । নিজে নিজে ওইটার নামজারি খতিয়ান অনলাইন করার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছি । পরবর্তীতে অনলাইন করার জন্য করতে আশুলিয়া ভূমি অফিসের কর্মকর্তা এবং ডেভেলপার কোম্পানির লোক আমার কাছ থেকে এই টাকা ঘুষ নিয়েছে ।
আমি যখন পেশাদার হালকা লাইসেন্স করতে যাই তখন এক অফিসার আমাকে বলে ১৫০০০ টাকা না দিলে ফেল করে দিবে তখন আমি দেই নাই সব পরীক্ষা ঠিক মত দিলাম তার পর ও ফেল আসে | পরবর্তীতে তার সাথে কন্টাক করি আমার আর যাইতে হয় নাই পরীক্ষা দিতে লাইসেন্স হয়ে গেছে |
আমাকে বলা হয়েছিল মেশিনে নাকি আমার গাড়ির ফিটনেস ফেইল করেছে। আমার গাড়ির নাকি হ্যান্ড ব্রেক ঠিক মত কাজ করে না। চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে, এক দালাল বললো "স্যার লাভ হবে না, এইটা অনেক বড় সিন্ডিকেট". ফিটনেস ফেইলের মামলার ভয়ে টাকাটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
Passport renewal extra money 2000/-
নিজে ই-পাসপোর্টের আবেদন করে পরের দিন দুপুর ১:৩০-এ মূল ও ফটোকপি ফাইল নিয়ে অফিসে যাই। অপেক্ষা করতে বললেও কাউকেই না পেয়ে সরাসরি দুই তলার ডকুমেন্ট ভেরিফায়ার রুমে ঢুকে পড়ি। সেখানে অফিসার আমার এনআইডি, সার্টিফিকেট ও স্টুডেন্ট আইডি চেক করার পর জিজ্ঞাসা করেন, "আপনাকে কে পাঠিয়েছে?" "কেউ পাঠায়নি" বলা মাত্রই তিনি অজুহাত দেখানো শুরু করেন। দেখতে দেখতে দুপুর ২টা বেজে গেলে বলেন, ২টার পর নাকি ফাইল নেওয়া হয় না, তাই কাল আসতে হবে। অফিসের বাইরে বের হয়ে বাধ্য হয়ে দালালের মাধ্যমে ভেতরে যাই। আশ্চর্যজনকভাবে, সেই একই লোক এবার কোনো প্রশ্ন ছাড়াই সব কাজ নিমেষেই শেষ করে দিলেন!
দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য, সরকার অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করেছে। তার পরেও সরাসরি গিয়ে দেখা করে ব্যবসা ভেদে টাকা দিতে হয়। টাকা না দিলে ,তাঁহার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন ভুল ধরার চেষ্টা করে। যদি কিছু নাও পায়, তখন আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কত স্কারফিট আছে সেইটা মাপামাপি করে। যদি বাথরুমের কার্নিশ বাদ যার, তার জন্য বাড়ি ভাড়া ট্যাক্স ফকির মামলা দিবে। ঢাকাতে যত কাস্টমস অফিস আছে, ১-১৫ তারিখে গেলে বুঝা যায়। কি পরিমাণ ঘুষ খাচ্ছে তারা।
আমাকে লাইসেন্স এ দেওয়া হাই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অফিস মোহাম্মদপুরে যাই। সেখানে দায়িত্ব রত্ন অফিসার আমাকে একজন লোক দেখিয়ে দেয় সে নিজে কথা বলে না। ছেলে তোমাকে বলে সরকারি হিসাবে অনুযায়ী ১২০০ টাকা জমা দিতে হবে। কিন্তু অফিস ফরজ বাবদ আর অতিরিক্ত ২৫০০ টাকা দাবি করে। এরফলে সে কোনভাবেই করে দিতে পারবে না। পরবর্তীতে অনেক দর কষাকষির পর তিন হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই
নির্বাচন কমিশন। এনআইডি ভেরিফিকেশনের জন্য সরকারি ফি জমা দিয়েও গত ১০ মাস থেকে ধরনা দিয়েও সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি সরকারিভাবে না করে ব্যাক্তিগত ভাবে কাজ করে দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে।
জমির নামজারির জন্য টাকা নিয়ে আংশিক কাজ করে দিছে।