অনলাইন ট্রেনের টিকেট
আমি অনলাইন থেকে ৪ টি টিকেট কেটেছিলাম এবং টিকেত এর সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও স্টেশন এর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা টিকেট কে কালোবাজার থেকে কেনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ঘুষ দাবি করেন।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি অনলাইন থেকে ৪ টি টিকেট কেটেছিলাম এবং টিকেত এর সবকিছু ঠিক থাকা সত্ত্বেও স্টেশন এর দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা টিকেট কে কালোবাজার থেকে কেনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং ঘুষ দাবি করেন।
নিজে নিজে আবেদন করছিলাম, ফাইল স্ক্যানিং আটকে রেখেছিল, ২০০০ টাকা চেয়েছে, ১৮০০ টাকা দিয়ে সাথে সাথেই কাজ হয়েছিল,
পাসপোর্ট করতে ১১০০০ টাকা চাই
পাসপোর্ট করার জন্য নাগরিক সনদ করতে দিয়েছিলাম, সেখানে ফরম পূরনের জন্য ৫০ টাকা, এরপর তদন্ত প্রতিবেদন বলে ৪৫০ টাকা দিতে বলে।সবাই দিচ্ছে আমি নিরুপায়। আমি প্রতিবাদ করলে কেউ কি এগিয়ে আসতো
২০১৮ সালে আমি নিয়ম মেনে ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদন করি। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি খিলক্ষেত জোয়ার সাহারায়। সেখানে লিখিত ও ভাইভায় পাস করি। পরে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলে ২০০টাকা ঘুষ দাবি করে। আমি না দেওয়ায় পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হয়। ফলে আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স নেওয়ার বিষয়ে নিরুৎসাহিত হই।
আমি ট্রেড মার্ক এর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে ট্রেড মার্ক এর জন্য ৫০,০০০টাকা ঘুষ চায়, এবং আমার জানা মতে ঘুষ ছাড়া কেওই ট্রেড মার্ক নিবন্ধন করতে পারছেন না।
আমার সঠিক এইসএসকোড কে পরিবরতন করে জরিমনা আদায় করতে চেয়েছিল। ১৫ দিন পর ৫,০০,০০০ টাকা দিয়ে মালামাল ছাড় করিয়েছি।
৪০০০০ টাকা চেয়েছে, মিউটেশন ও খাজনা পরিশোধ করতে, সর্বমোট খাজনা হয়েছে ৯০০০ টাকা।
একটি জমির নামজারি করতে সরকারি ফি দিতে হয় ৭৫০ টাকা এবং আবেদন করতে খরচ হয় ,১০০/২০০ টাকা । সেখানে দাবি করে ৭০০০ টাকা।
আমার বাইকের স্মার্ট রেজিষ্ট্রেশন কার্ড মানিব্যাগ সহ চুরি হয়ে গিয়েছিল । BRTA হালিশহর শাখায় যোগাযোগ করলে উনারা ঘুষ দাবি করেন।
আমি অনলাইনে আবেদেন করে আবেদন কপি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ জমা দেয়ার সময় 150 টাকা দাবি করে। অথচ শুধু নাম সংশোধন করার জন্য সরকার নির্ধারিত ফি 50 টাকা। এরপর আমি বাধ্য হয়ে 150 টাকা প্রদান করি কিন্তু রশিদ দেয় নি। অতপর উপজেলায় ইউনু অফিসে যেয়ে আরো 50 টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
জমি খারিজ করতে সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলেও তারা অতিরিক্ত ঘুষ দাবি করেন ঘুষ ছাড়া এখানে কোন কাজ হয় না তারা বিভিন্ন ধরনের কাগজপত্রের সমস্যা দেখান অনেক আইন নিয়মকানুন দেখান কিন্তু তাদের কাঙ্খিত অর্থ প্রদান করলে কাগজপত্র সব অটোমেটিক ঠিক হয়ে যায় আইনের সহজ হয়ে যায় তাই টাকা দিতে বাধ্য হয়। আমরা ছয় মাস ঘুরে ঘুরে পরে ৪০ হাজার টাকা বিনিময়ে কাজ করিয়ে নেই। এবং এই টাকাটা নিয়েছেন পাবনা সদর তফসিল অফিস এর পিয়ন লিয়াকত
হেড লাইট ভাঙ্গার জন্য ১৫০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ঢাকা শহরের সকলেই জানে যে, ট্রাফিক পুলিশের দায়ের জন্যই ঢাকা শহরে জ্যামের প্রধান কারণ। তারা লোকাল বাসের সাথে আতাত করে চলে। অথচ অহেতুক কারণেই মোটরসাইকেল কে নানাবিধ কারণে ভয় ভীতি দেখিয়ে অবৈধ ভাবে ঘুষ দাবি করেন। ট্রাফিক পুলিশের সংশ্লিষ্ট সকলেই এই অবৈধ ঘুষ বাণিজ্যে লিপ্ত। ট্রাফিক পুলিশকে নিয়ন্ত্রন করা গেলেই ঢাকা শহরে ৭০ % জ্যাম কমে যাবে।
আমার জন্মনিবন্ধন এ ভুল ছিলো আমি নিয়ম অনুযায়ি কম্পিউটার এর দোকান থেকে জন্মনিবন্ধনের আবেদন করে ইউনিয়ন পরিষদ এ যাই আবেদন কপি জমা দিতে সে আবেদন বাতিল করে এবং পরে দেখা করতে বলে পরে দেখা করতে বলে পরে দেখা করলে সে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ১০০০ টাকা দাবি করে যেহেতু কাগজ টা আমার খুব জরুরি তাই অনেক বলার পর সে ৮০০ টাকায় রাজি হয় এবং আমাকে টাকা কাজের আগেই দিতে হয় তারপর সে কাগজ নিয়ে অনেক ঘুরাঘুরি করার পর ৩ সপ্তাহ পর কাগজ টা আমার কাছে দেয়৷
দিতেই হবে না দিলে জরিমানা হবে এবং বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে
I applied for new electricity meter 4kw. They want 14000 taka/ meter. Last year I tried without bribe, but 17 month they are holding my application, they informa me without bribe you will never get new meter. Finally I paid the money. Without brive DPDC never do any work.never give any connection any meter.
জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে বাচ্চার জন্মসনদ ফ্রি থাকা সত্ত্বেও আমি ১০ দিনের মাথায় আমার বাচ্চার জন্মসনদ করতে গেলে তারা ১৫০ টাকা চায়। বাইরের টাঙানো ফ্রি এর কথা বললেও তারা শুনেনাই। আমার খুব জরুরি দরকার থাকার কারণে এই ১৫০ টাকা দিয়ে করিয়ে নিতে হয়েছে। এছাড়াও যেকোনো জন্মসনদ বা প্রত্যয়ন পত্র করতে তারা ৩০০ এর নিচে কাজে হাত দেয়না। কোরাম বানিয়ে নিয়ম করে ফেলেছে। র্যান্ডম কেউ ইন্সপেকশনে গেলে র্যান্ডম সার্ভিস চেয়ে দেখবেন, টাকা ছাড়া ১ টা কলমও তারা নাড়াবেনা।
প্রথমে ইচ্ছামত ইনফো নিয়ে ধোয়া দেয়, যেগুলা কোন ম্যাটার না। খুবই র্যুড বিহেভ করে, এরপর বলে ৫ হাজার টাকা না দিলে রিজেক্ট করে দিবে, এরপর অনেক কষ্টে মানি ব্যাগ এ যা আছিলো দিয়ে আসতে হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এর অফিস সহকারী নিলুফা টাকা ছাড়া কোন ফাইলের কাজ করেন না। টাকা দিলে সব কাজ হবে না দিলে ফাইনাল হারিয়ে যায়।।
ফায়ার সার্ভিসের লোক আমার বাড়িতে আগুন নিভিয়ে ৫০০ টাকা নাস্তা করার জন্য দাবি করে এবং আমি তা পরিশোধ করতে বাধ্য হই