Registration
For land registration
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
For land registration
যশোরের বাঘারপাড়া সাবরেজিস্টার অফিসের আওতাধীন ৯৩ নং মহিরন মৌজার ২১ শতাংশ ও ৪ শতাংশ জমি যথাক্রমে আমার মা ও আমি আমার বোনকে হেবা দলিলের মাধ্যমে ২২/০৭/২০২৬ তারিখে জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে জৈনক দলীল লেখকের মাধ্যমে পঁচিশ হাজার টাকা এ-চালানের অতিরিক্ত নগদ ঘুস দাবি করেন। আমরা ঘুস দিতে রাজি না হয়ে সরাসরি সাব-রেজিস্টার মহোদয়ের নিকট গেলে উনিও দলীল রেজিষ্ট্রেশন করতে এরুপ খরচের কথাই বলেন। আমরা হেবা-দলীল রেজিষ্ট্রেশন করতে না পেরে ফেরত চলে আসি।
আমি ২০২৪-২৫ এর ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিয়েছিলাম কিন্তু সার্টিফিকেট টা অনলাইন থেকে পাই নি ।তাই কর ২৫ অঞ্চল , সার্কেল ৫৩৭ স্কাউট ভবন অফিসে গিয়েছিলাম । আমার কাছ থেকে ২০০০ টাকা নিয়েছে
আমি একটা কম্পিউটার দোকানে ১০০ টাকা দিয়ে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করি। কিন্তু ওই সার্টিফিকেটে ভুল ছিল। তাই অফিস থেকে ভুলটা সংশোধন করতে ৫০০ নিয়ে নেয়।
DCT tax file charbe na . Expense disalow kore dibe. Income bariye dekiye aditional tax claim korbe. 7 lac dct + 3 lac back office era naki shob fixed kore dbe. So 10 lac dite hoece and kaj hoece. Baal er ek desh . M******** ra BCS cader , taka khay miskin dar moto haat paita.
ইউপি সচিব ও সদস্য, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মালিকে দিয়ে আমার বাচ্চার টিকার কার্ড থাকার সত্বেও আমার কাছে ঘুষ দাবি করে এবং আমাকে ইইপি সদস্য হুমকি ধামকি দিয়ে দিয়েছিলেন। পরে চেয়ারম্যানের কাছে গেলে উনি এটার কোন প্রতিকার না করে উনি পুনরায় ওয়ার্ড সদস্যের কাছে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। তার মানে বুঝা গেলে ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও সচিব মিলে যোগসাজশে মিলে মিশে টাকা খায়। পরে বাচ্চার জন্মনিবন্ধন জুরুরি থাকায় টাকা দিয়ে করিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছি।
The desk Office (second Secretary-International Tax of NBR take out me in a secret room and indicated indirectly for additional payment. Later on, he was giving different excuse and delaying the certificate issuance. after almost 3 months, he called and asked me to go to NBR and said that file is in member-International Tax and without money, he will not sign the file. based on this he asked me to give 10 lac. However, later on, it has been settled at 4 lac. after taking money second Secretary-International Tax approved the file and issued the certificate immediately.
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফাইল জমা দেওয়ার সময় ১০০০ সাথে দিতে হয়,তা না হলে ফাইল যাইতে সময় লাগে,
জরুরি বিভাবে রোগী নিয়ে গিয়েছিলাম, তারপর রোগীকে যখন বেড এ নিয়ে যাবে তখন হুইল চেয়ারে করে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ১৫০ টাকা চার্জ চেয়েছিলো, পরে টাকাটা দিতে হয়েছিলো বাধ্য হয়ে।
আমি যখন নামজারি করতে জাই তখন তহশিলদার বলে যে ভূমির ট্যাক্স পরিশোধ করতে হবে অন্যান্য কাগজপত্র সংগ্রহ বাবদ আমার কাছ থেকে ২৫০০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করেছি। তারপর আমি দেখলাম যে আসলে কোন কিছুই সে করে নাই কিন্তু আমার টাকা নিয়েছে।
নামজারি করাতে গিয়ে হয়রানি। এর আগেও আবেদন করা হয়েছিল তখন টাকা দেইনি বলে নামজারি হয়নি।
৪০০০ টাকার খাজনা আসে কিন্তু সেখানে তারা ৩০০০০ টাকা দাবি করে
Police verification of government job and passport.
জমি খারিজের সরকারি ফি ১১০০ টাকা। নাজির আমার কাছে ১১০০০ টাকা ঘুষ চায় । আমি দেইনি। আমার পিতার নামের জায়গায় আইডি কার্ডে মোঃ আছে, পৌরসভা অফিস থেকে প্রাপ্ত জন্মনিবন্ধন কার্ডে মোঃ নেই। এইজন্য ঘুষ চেয়েছেন।
জমি মর্টগেজ করতে জাওয়ার পর রেজিষ্ট্রেশন অফিসের সহকারি বলল ৫০০০০ টাকা না দিলে এই মর্টগেজের কাজ জলহবে না। তাই বাধ্য হয়ে চাশ টাকা দিলাম।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের লাইসেন্স শাখায় আমার Freight Forwarding লাইসেন্স নবায়নের জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান যে, গত দুই মেয়াদে লাইসেন্স নবায়ন না করায় আমার কাছ থেকে ৫,০০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হবে। তারা স্পষ্টভাবে বলেন, এই টাকা না দিলে আমার লাইসেন্স নবায়নের কাজ তারা করবেন না। পরবর্তীতে আলোচনার পর তারা ৪,৫০,০০০ টাকা চূড়ান্তভাবে দাবি করেন এবং জানান যে, এর চেয়ে কম টাকা দিলে তারা আমার লাইসেন্স নবায়ন করবেন না। আমি বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনতে চাই এবং অনুরোধ করছি, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
দরপত্রের মাধ্যমে ২০০০০০ পিস বস্তা সরবরাহের কার্যাদেশ পাওয়ার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ শাখার উচ্চমান সহকারী তাজুল ইসলামকে প্রতি পিস বস্তায় ২ টাকা করে ঘুষ দিতে হয়। তিনি উক্ত টাকা দিয়ে নাকি সবাইকে ম্যানেজ করেন। বিল নেওয়ার সময় তাকে ১ লাখ পিস বস্তার বিলের জন্য ১২০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এই অভিযোগে তাকে একবার বদলি করা হলেও ৫ আগস্টের পর পরিচালক স্যার তাকে আবার নিয়ে আসেন। এরপর সে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। গোপ্নে কোন নতুন লাইসেন্স দিয়ে কাজ মেরে তাজুলের সাথে যোগাযোগ করলে সত্যতা পাওয়া যাবে। আর কাজ পেলে বিল করলে বিলের ঘুষের সত্যতা মিলবে।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলার ৫ নং ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন করতে ৩৬০ করে নেওয়া হয়, ৩৬০ টাকার কম দিলে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া হয় না, জন্ম নিবন্ধন করতে টাকাটা নেয় পরিসদের কেরানি, — ও ইউনিয়নের সচিব... —। জন্মনিবন্ধনের ফরম দিতে এই টাকা নেওয়া হয়, কেরানির কাছে টাকা জমা কম্পিউটার অপারেটর মুলত কাজ করে দেয়, কেরানির কাচে টাকা জমা দিয়ে ফরমে পরিষদের স্বাক্ষর করে দেয়, পরে ফরম নিয়ে কম্পিউটার অপারেটরের কাছে গেলে জন্ম নিবন্ধন করে দেওয়া হয়, কম্পিউটার অপারেটর মুলত টাকা নেয় না, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ার পরিষদের কোন দিন আসে না, স্বাক্ষর তার বাড়িতে গিয়ে নিয়ে আসতে হয়।
বিষয়টি ২০১২ সালে।ইনকাম ট্যাক্সের ফাইল সাবমিট করার পর , ২ লক্ষ টাকা দাবি করা হয় না দেওয়াতে যত টাকা ট্যাক্স দেওয়া হয়েছে সমপরিমাণ নতুন করে ট্যাক্স যোগ করে মামলা দিয়ে দেওয়া হয়। যার সমাধান পরবর্তীতে বিভিন্ন ধাপে করা সম্ভব হয়নি আমাদের ছোট মূলধনী কোম্পানি হওয়ায় আমরা বাধ্য হয়ে ২০১৭ সালে তা বন্ধ করে দেই। বন্ধ করে দেওয়ার পর তার আগের তিন বছরের ফাইল নতুন করে মামলা করে দেয়। পরের মামলা তিনটির সমাধান হয়েছে কিন্তু প্রথম মামলাটি এখনো সমাধান হয়নি যা বর্তমানে হাইকোর্টে রয়েছে। 2 লক্ষ টাকার ঘুষ চাওয়ার মামলা এই পর্যন্ত কম করা হলেও আমাদের ১৫ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে সাথে তো হয়রানি হয়েছিই।
টাঙ্গাইল জেলার রাজস্ব শাখার প্রধান সহকারী একজন প্রধান সহকারী, পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস এর নামে ভূতাপেক্ষ অনুমোদন ও নামজারির অনুমতি প্রদানের ফাইলটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পাঠানোর জন্য ২০,০০০/- টাকা দাবি করলে আমি তাকে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে থাকি কিন্ত সে ফাইল এখনো তদন্তের জন্য উপজেলায় প্রেরন করেননি। উনি আরো ৩০,০০০/- টাকা দাবি করতেছেন।