ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন
লাইসেন্স নবায়ন কপি প্রিন্ট চাইলে টাকা চায় ১০০ টাকা
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
লাইসেন্স নবায়ন কপি প্রিন্ট চাইলে টাকা চায় ১০০ টাকা
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার এক সুনামধন্য মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমরা ৮ একত্রে যোগদান করি। যোগদানের সময় আমাদের মাদ্রাসা প্রধান বেশ নমনীয় ছিল।এমপিওভুক্তির পর তিনি আমাদের সকলের নিকট ১৫০০০ টাকা করে মোট ১২০০০০ (এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন। তা না দিলে আমাদের চাকরি করতে দিবেন না। তার শ্বশুরমশাই এর প্রতিষ্ঠান। পরবর্তিতে তাকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে মিমাংশা করা হয়েছে। প্রতি বছর তার শ্বশুরের মৃত্যুবার্ষিকী এবং শালা বাবুর মৃত্যুবার্ষিকীর জন্য আমাদের বেতন থেকে চাঁদা নেয়। এবং তা দেয়া বাধ্যতামূলক। প্রতিষ্ঠানে তার বংশের অনেকেই চাকরি করছে নকল এমপিও দিয়ে।
আমার কাছে সময় কম ছিল তারাতারি পাসপোর্ট করা লাগবে পরে একজন পাসপোর্ট এর দালাল ধরি তারাতারি করার জন্য সে প্রথমে ৭০০০ টাকা চাইল সময় ১ মাস লাগবে। তারপর আমি বললাম আমার ১৫ দিনের মধ্যে লাগবে পাসপোর্ট। পরে বলল করে দেওয়া যাবে তবে কিছু টাকা লাগবে আরো বাড়তি। আমি বললাম টাকা ত নিচ্ছেন ই সে বলে উওঠল তারাতাড়ি বলে কথা। তারপর আমার ভিসা চিন্তা করে তাকে তারাতাড়ি করার জন্য আরো ৫০০০ টাকা দেওয়া লাগছে।
১০ শতাংশ কান্দা জমি খারিজ করতে গিয়ে ছিলাম নেত্রকোনা, মদন উপজেলায় কিন্তু টাকা ছাড়া খারিজ করতে পারিনি।
বাড়ির টেক্স আর জমির খাজনা বাবদ মন গরা টাকা চায় আমি জিগ্গেস করলাম সরকারি ফ্রিস কতো সে মনগরা একটা বলে দেয় এতো টাকা লাগবে পরে জানতে পারলাম সরকার এর ফ্রিস আর ও অনেক কম তাই পরে জখন বললাম সরকার এর যত টাকা নির্ধারণ করছে এক টাকা বেশি দিবোনা সে ভয় বিতি দেখায় এই হয়ে জাবে সেই হয়ে জাবে কি আর করার গ্ৰামের মানুষ এটা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি না ৫০০০টাকায় লফাদফা করা হয় যেখানে এর লাগতো ২০০০টাকার মতো
আমার ৬ বছর বয়সী মেয়ের জন্ম নিবন্ধনের অনলাইন কপি জমা দিয়েছিলাম, ওরা বলছে যে ইউনিয়ন পরিষদের যে হাতে লেখা কপিটি জমা দিতে হবে, আমরা দালাল না ধরে নিজে নিজে পাসপোর্ট জমা দিতে গেছিলাম, ওরা জমা নিচ্ছিল না পরে চার হাজার টাকা দিলে জমা নেবে বলছিল, আর না হলে গ্রাম থেকে গিয়ে ওই চেয়ারম্যান থেকে হাতে লেখার জন্মসনদ নিয়ে আসতে হবে.
আমার জমিনে মামলা চলছে এই জন্য দাখিলা কেটে জমিন ক্রয় করতে হবে তাড়াতাড়ি এইজন্যে বিশ হাজার টাকা নিয়েছে
ঢাকা জেলা জজ আদালত এ সিভিল কোর্ট কমিশনার হিসেবে তালিকা ভুক্ত হয়েছি। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী আদালত হতে আমাদের আইডি কার্ড ও অনলাইনে যুক্ত করার জন্য 10000 টাকা দাবি করছিল,তা এখনো দেই না।
রাস্তা ঢালাই হলে তাকে ২০০ টাকা দিতেই হবে।
আমি একটা মামলা খেয়ে গ্রেফতার হই। পরে হাইকোর্ট থেকে জামিন করাতে গেলে কোর্টে চার্জশিট বা জবানবন্দির মূলকপি চায়। কিন্তু আমাকে গ্রেফতার করা এসআই চার্জশিট আটকে দেয়। এবং আমার জামিন হতে দুই মাস দেরি হয়। তারপর টাকা দিয়ে চার্জশিট ছাড়িয়ে জাবিনে বের হই।
আমি সৌদি আরবে আসার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন এর জন্য সরকারি ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারপর থানা থেকে একজন ফোন দিয়ে আমার কাছে ২০০০ টাকা দাবি করে প্রথমে আমারে টাকা দিতে আপত্তি জানাই তার পর তারা বলে যে টাকা না দিলে ভেরিফিকেশন খারাপ রিপোর্ট দিবে, যদিও আমাদের নামে থানায় অথবা অন্য কোথাও কোন প্রকারের অভিযোগ ছিল না, তারপর নেগোসিয়েশনে করে পনেরশো টাকা দিয়ে ভেরিফিকেশনটি নিয়ে আসতে হয়
নতুন পাসপোর্ট বানাতে গিয়েছিলাম টাংাইল। আমার সব কাগজ পত্র ঠিক ছিল। তার পরেও বলে এইটা লাগবে ওইটা লাগবে। পরে আমি অফিসের দালাল কে ২০০০ টাকা দেই। আমার পাসপোর্ট হয়ে যায়।
২০১৮ সালে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছিল midwife সে পরীক্ষা ২০২১ সালে হয় এবং ২১ সালের নিয়োগ হয় সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগের জায়গায় ১৪০্১ একজন নিয়োগ হয় সরাসরি সেখানে শুধু পরীক্ষা হয় কোনটাই হয় না করোনা মহামারী কারণে তখন মোটামুটি ২২৪৬ জন সেখানে তারা পিলি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়, সেখানে ১৮৪৭ জন নিয়োগ হবে হবে মোটামুটি সবাই শিওর ছিল তাদের সরকার চাকরিটা হয়ে যাবে কিন্তু দুর্নীতি কারণে ঘুষ লেনদেনের কারণে , তারা জরুরী ভিত্তিতে বিপিএস ৫ পেপার সহ সকল সার্টিফিকেট এবং জরির কাগজপত্র সনদ ফার্স্ট ক্লাস অফিস জমা দিতে বলেন তখন করোনা কারণে কোন গাড়ি-ঘোড়া চলতেছিল না সবাই প্রাইভেটকার সিএনজির হিসাব নিয়ে ঢাকায় এসে কাগজপত্র জমা দেয় কিন্তু তারা কাগজপত্র জমা দেওয়ার তিন দিনে মাথায় ফাইনাল শিট রেজাল্ট দিয়ে
হোল্ডিং টেক্স দিতে গিয়ে লোক পাওয়া যায় না। থাকলে ৯১৫ টাকা হলে ১০০০ টাকা দিলে অবশিষ্ট ৮৫ টাকা ফেরত দিতে চায় না। এখনও হাতে ও রিসিপ্ট কাটা হয় যার কোন দালিলিক প্রমাণ থাকে না। অথচ ঢাকা উত্তর অনেক আগে থেকেই অনলাইনে হোল্ডিং টেক দেওয়া যায়। দক্ষিণে কেনো এটা হয় না?
আমি প্রথমে ভূমি অফিসে গিয়েছি আমার পরিচিত লোকের সাথে খারিজ এর বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, সে আমাকে খারিজ প্রক্রিয়া বলে দিলো এবং অফিসিয়াল প্রসেসে কাজ করলে অনেক দেরি হবে বলে তারা জানায়, কত দিন লাগবে তা সে বলতে পারবে না। যদি অতিরিক্ত কিছু টাকা প্রদান করা হয় তাহলে দ্রুত কাজ হয়ে যাবে এবং আমাকে বার বার অফিসে আসতে হবে না, তারাই আমাকে কাজ শেষ করে কল দিবে বলে জানায়। সরকারি ফি বাদ দিয়ে 8000 টাকা পরিশোধ করিলাম।
আমার স্ত্রী দিরাই উপজেলা থেকে জামালগঞ্জ উপজেলায় অনলাইনে বদলির আবেদন করেন। সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন যাওয়ার পর ত্রুটি দেখিয়ে বদলি আটকে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে অফিস সহকারীর মাধ্যমে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জন্য ৬০,০০০ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়। বদলির পর দিরাই উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়পত্রের জন্য আরও ১২,০০০ টাকা নেন। পরে জামালগঞ্জে যোগদানের সময় আবার বাধা সৃষ্টি করে অফিস সহকারী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার জন্য আরও ১৬,০০০ টাকা নেওয়া হয়। এভাবে একটি অনলাইন বদলি সম্পন্ন করতে মোট ৮৮,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
টাকা তারাতাড়ি তুলে দিয়ায়র জন্য দাবি করে টাকা।। টাকা না দিতে চাইলে অনেক খারাপ ব্যবহার করে,,,।।। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়া লাগে
চারঘাট,,, রাজশাহী পরিসংখ্যান অফিস এক পিয়ন ৫০০০০ হাজার টাকা দাবি করে।। কাজ তারাতারি করার জন্য।। আমার নানার প্রভিডেন্ট ফান্ড টাকা তারাতারি তোলার জন্য
টিসিবির ডিলারশিপ নিতে বাধ্য করা হয় নতুবা ডিলারশিপ দিবেনা।আমি একজনের পক্ষ হয়ে রিপোর্ট করতে বাধ্য হলাম।আমি নিজে ওই প্রতিষ্ঠানে একসময় কর্মরত ছিলাম।
আমি ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টা থেকে ১১:৩০ টার মধ্যে দক্ষিন সিটি করপোরেশন এ যায় নতুন ট্রেডলাইসেন্স করার জন্য। যখন বললাম নতুন করব তখন এক লোক বল্ল কি কি লাগবে আর ফর্ম পুরন করতে হবে আমি বললাম ঠিক আছে করেন কাগজ পত্র সব দিলাম তারপর উনি ফরম পুরন করল। এখন হল আসল ঘটনা তারপর বল্ল সরকারি ফি এত টাকা আর খরচ পাতি ৩ হাজার টাকা আমি বললাম সরকারি ফি ঠিক আছে যত টাকা আসে দিব কিন্তু খরচ পাতি কি ফি ছাড়া আবার কি এটা বলার পর উনি আমাকে আরেক রুমে পাঠালেন ওখানে দেখি আরেক বাটপার বসে সে ও আমাকে এটা লাগবে ওটা লাগবে বল্ল তারপর সেও সরাসরি ৩ হাজার টাকা চাইল তাকেও আমি জিজ্ঞেস করলাম কিসের টাকা তার কথা ও একই খরচ পাতি আছে এই হল অবস্থা