ব্যবহারিক পরীক্ষা
এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় আমার শিক্ষকেরা আমাদের প্রত্যেকের নিকট ৫০/১৫০ টাকা দাবি করেন এবং জানান, টাকা দিলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর দিবেন।
18,531 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় আমার শিক্ষকেরা আমাদের প্রত্যেকের নিকট ৫০/১৫০ টাকা দাবি করেন এবং জানান, টাকা দিলে ব্যবহারিক পরীক্ষায় ভালো নম্বর দিবেন।
আমার নিজ নামে জমি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তক অধিগ্রহণের জন্য চুরান্ত নোটিশ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আমি যথাযথভাবে আবেদন করি। কিন্তু আমার আবেদনে ও কাগজে নানানভাবেই ভুল বের করার চেষ্টা করা হয়। অবশেষে কোন ভুল না পাইলে আমাকে বলা হয় কোন মিডিয়া বা মাধ্যম তথা দালাল ধরতে। আমি কোন দালালের আশ্রয় না নিলে অবশেষে তারা আমাকে আমার দাবিকৃত অর্থের 4% ঘুষ দিতে বলে। আবেদনের ছয়মাস অতিবাহিত হলেও আমার ফাইল বগুড়া ভূমি অফিসের এল এ(LA) শাখায় আছে।
৩য় ব্যক্তি দ্বারা নিয়েছে। আর নিজে সরাসরি করতে গেলে বলে অনেক ভুল আছে এটা করা যাবে না এখন। ওগুলো ঠিক করে আনেন, জিডি করেন। ভোটার সংশোধন করেন, নানান বাহানা।
নামজারি করার জন্য অতিরিক্ত টাকা চেয়েছিল আমার কাছে। অতিরিক্ত টাকা না দেওয়ার কারণে তারা আমাকে প্রায় এক বছর ঘুরাইয়েছে।
নামজারি করার জন্য সব ডকুমেন্ট থাকার পরও বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে কাজ হবে না বলায় হ্যারেসমেন্ট থেকে এবং সময় বাঁচাতে ঘুষের টাকা পরিশোধ করি।
আমি ০৪ নং গোসাইবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবার জন্য যাই। সেখানে একটি জন্ম সনদ ও একটি ওয়ারিশিয়ান সনদ উঠাতে চাইলে সেখানকার চেয়ারম্যান মহোদয় আমার কাছে ১০০০/- টাকা দাবি করে। আমি বিষয়টি নিয়ে তাকে প্রশ্ন করায় সে আমার উপর রেগে যায় এবং বলে লাগলে এই ফি দিতে হবে ।আরও বলে এইটা নাকি সরকারী ফি।এই টাকা নাকি সরকারের একাউন্টে জমা দিতে হয়।
দুটি মিথ্যা মামলা। মামলার বাদী তদন্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আগেই অর্থ দিয়ে রেখেছিলেন। পরবর্তী সময়ে প্রকৃত ঘটনা প্রতিবেদনে তুলে ধরার অনুরোধ করা হলে, তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলা দুটির জন্য যথাক্রমে ২২,০০০ ও ৩৫,০০০ টাকা নিয়ে সত্য ঘটনা উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেন।
অযাচিত অপরিকল্পিত উন্নয়নের নামে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফান্ড খালি করে শিক্ষার্থিদের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট ও শিক্ষক কর্মকর্তাদের বেতন বকেয়া, কম বেতন ইত্যাদি সমস্যা জিইয়ে রাখা দেখতেছি। কিছুই করার নাই আমার। বিল আসে বিল পরিশোধ করি, এই দেখি ফান্ডে টাকা আছে এই দেখি আরেকটা উন্নয়ন বাজেট বেতন দেয়ার টাকা থাকে না। নতুন অবকাঠামো তৈরীর পরই তা ভেঙ্গে আরেকটা। বকেয়া বেতন যেখানে পাওয়া দুষ্কর সেখানে নতুন বেতন স্কেল দাবি নিয়ে চাকুরী করছি।
বাবার মৃত্যূ পরবর্তী সময়ে তার নমিনি আমার আম্মার চিকিৎসা ভাতা বাবদ বকেয়া পেনশন এর অর্থ উত্তোলন এর জন্য আমরা জনতা ব্যাংক মতিঝিল এর প্রধান শাখা তে ব্যাংক ১.৫ বছর ঘুরেছি কিন্তু তাদের নানা বাহানায় (আমার বাবার প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র হারিয়ে গিয়েছে এই মর্মে ) অর্থ উত্তোলন 'করতে পারিনি পরে ফোন করে অতিরিক্ত দাবি করা হয় , সেই অর্থ প্রদান পরবর্তী দুইদিনের মাঝেই অর্থ প্রদানের অনুমতি প্রদান করা হয় , যা খুবই বিব্রতকর।
যার ৬০% সাব রেজিস্ট্রার, কেরানী ২৫%, মোহরারগণ-৫% (৩) জন করে নিয়ে থাকেন। আবার দলিলের বিভিন্ন প্রকার ভেদে সাব রেজিস্ট্রার আলাদা করে ঘুষ নিয়ে থাকেন। সাব রেজিস্ট্রার —, কালেকশন করেন —। প্রতিদিন সন্ধ্যার সময়। সাব রেজিস্ট্রার এর বাসা ভাড়া পর্যন্ত অফিসের ঘুষের টাকা থেকে যায়। উনার বাবার বাড়িতে ঘর বানিয়েছেন। স্বামীর নামে মৌলভীবাজারে রিসোর্ট এর জন্য জায়গা ক্রয় করছেন।
আমাদের হাসপাতালের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের লাইসেন্স আবেদন করেছিলাম। ৭ বছর হয়রানি করেছে। সাত বছর ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে দেরী করার অজুহাতে। তারপর নগদ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে লাইসেন্স দিয়েছে। আবার পিছনের যে সময়ে তারা লাইসেন্স দেয়নি সেই সময়ের জন্য লাইসেন্স ফী বাবদ চালানের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা দিয়েছে।
সরকারি কর্মচারী/কর্মকর্তা সকলকে এবং সরকারি কেনাকাটার ৫% হারে জেলা বা বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে ঘুষ দেওয়া লাগে। এটি অনেকটা ওপেন সিক্রেট, সবাই জানে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার।
DPDC 1 Kilowatt addition
জমির নাম যাদের জন্য বিভিন্ন তালবাহানা করে টাকা পয়সা ধান্দা করতেছে
বিটাক, ঢাকার, অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা), প্রধান কার্যালয়, বিটাক ও প্রকল্প পরিচালক (৬ বিটাক শীর্ষক প্রকল্পে সংযুক্ত) অফিস: বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) ইমেইল: [redacted] ফোন : +৮৮০১৮১৬৮৮৮০৫৪ (৬ বিটাক শীর্ষক প্রকল্পে সংযুক্ত) প্রকল্পে উনি ২ কোটি টাকা অসৎভাবে উওনার পছন্দের কনট্রাকটর কে দিয়েছেন ওই কনট্রাকটর এর সাথে জোগসাজসে বার বার এই অবৈধ কাজ করছেন ।
রেল লাইনের জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলন, আবেদন ফরম সত্যায়িত করার জন্য এবং কানুঙ্গ অফিসার এর সহকারী কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে উক্ত টাকা তুলতে মোট টাকার উপর ৩% টাকা ঘুষ হিসেবে দাবি করা হয় , আমি তা প্রত্যক্ষণ করেছি, কিন্তু তারা আমাকে বলেছে সব টেবিলে টাকা দিতে হবে না হলে আপনার টাকা আপনি তুলতে পারবেন না তাই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে যাচাই করার জন্য আবেদন করছি আশা করি গুরুত্বের সাথে আমি যা বললাম টাকা তদন্ত করা হোক
আমার চাচা, একজন প্রবাসী তিনি যখন দেশে আসে পাসপোর্টটাকে রিনিউ করার জন্য, পাসপোর্ট অফিসে যাই, এবং ইউনিয়ন পরিষদে যায়,তখন তাকে বিভিন্নভাবে বলে যে এটা এই এই সমস্যা, অনেক সমস্যার কারণ উল্লেখ করে, অনেক কিছু বলে যে এখন এটা করা সম্ভব না, ইত্যাদি। কিন্তু এখানে সমস্যা ছিল শুধু একটা সেটা হলো তার মাতার নামের সমস্যা, এই একটা সমস্যার সমাধান করতে সে চেয়েছিল, না হলে তার পাসপোর্ট রিনিউ। কিন্তু সরকারি নিয়মে এটা আবেদন করলেই খুব দ্রুত সংশোধিত হয়ে যায়, কিন্তু সংশোধনের বিভিন্ন উসিলা দেখিয়ে টাকা দিতে বাধ্য করেছে, যেহেতু তিনি প্রবাসী এবং তার ছুটি বেশি সময় না, এবং তাকে NID সংশোধন করে আবার পাসপোর্ট সংশোধন করতে হবে এবং পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে, এই কারণে তিনি বিভিন্ন ঝামেলা এড়াতে তাকে টাকা দিতে সে বাধ্য হয়েছে।
একটি ভোটার আইডি কার্ডের নাম আংশিক পরিবর্তনের জন্য দিতে হবে ৫০০ টি টাকা হাজার হাজার মানুষ জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন, ভাতার কাট, নাগরিক সনদ ইত্যাদি নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছেন। নাম —, অনেক বড় লিংক তার।
ভুমি অফিস গুলোতে শুধু আমি না , সবাইকেই বেশি টাকা দিতে হয়, এটা ৫০০০ টাকা থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজারও হয়। অথচ সরকারি রেট ১১৭০ টাকা। সবাই বলে মিউটেশন বা নামজারিতো অনলাইনে হয় সো ঘুষ কেন দিতে হবে । আসল সমস্যা হলো, আপনি বা আমি অনলাইনে আবেদন করলেও সেই আবেদন এপ্রুভ করার দায়িত্ব কিন্তু সেই ভূমি অফিসের লোকেরই। ওরা তখন এপ্রুভ করে না । মাসের পর মাস ফেলে রাখে। তখন বাধ্য হয়ে আপনি অফিসে যাবেন। তখন আপনাকে সরাসরি বলবে টাকার কথা, কারণ অনেককে নাকি ভাগ দিতে হয়। আপনাকে আপনার কাজ করায় নিতে হলে ওদের তাকা দিয়েই কাজ করাতে হবে। নাহলে বছরকে বছর ঘুরতে হবে। সো আপনার প্রয়োজনে আপনাকে জিম্মি করে এরা টাকা আদায় করে নিবেই।
আয়কর ফাইলে ভৌতিক ব্যবসা প্রদর্শন পূর্বক বিক্রয় প্রাক্কলন করেন ১৪ কোটি টাকা। নীট আয় ১কোটি ৪০ লক্ষ টাকা। যার আয়কর নির্ধারণ করা হয় ৩৫ লক্ষ টাকা। উপরি প্রদান সাপেক্ষে সম্পূর্ণ অংশ বাতিল করে দেন।