অগ্রণী ব্যাংক
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
18,914 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
৫০০ টাকা না দিলে বেড দেয় না, অপরিষ্কার নোংরা ফ্লোরে থাকতে দেয়, নার্সদের টাকা না দিলে রোগীদের ঠিকমতো দেখেনা, পরিচ্ছন্ন কর্মী তাদেরকেও টাকা দেওয়া লাগে। ডাক্তারদের দালাল থাকে তাদেরকে টাকা না দিলে ডাক্তার দেখেনা, ওষুধ দেয় না।
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
আমি একটি কোম্পানির কাছ থেকে মোটরসাইকেল কিস্তিতে কিনি। কিস্তির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত সেটি কোম্পানির নামেই ছিল। পুরো টাকা পরিশোধ হওয়ার পর কোম্পানি আমাকে এনওসি দেয় এবং মালিকানা পরিবর্তন করে নিতে বলে। এই অনুযায়ী আমি ঢাকা বিআরটিএ (ইকুরিয়া) তে যাই মালিকানা পরিবর্তনের জন্য।এরপর সরকারি সকল পেপারওয়ার্ক ও ব্যাংক রিসিট নিয়ে অফিসারের কাছে দেখালে তিনি কাগজপত্রে বিভিন্ন ভুল আছে মর্মে মালিকানা পরিবর্তন করে দিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে তিনি আমাকে সরাসরিই বলেন কোন প্রভাব ছাড়া এজাতীয় মোটরসাইকেলের মালিকানা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। এরপর তিনি ২৫০০ টাকা দাবী করেন। অনেক নেগোসিয়েশন করে ২০০০ টাকা দেয়ার পরে তিনি মালিকানা পরিবর্তন করে দেন।
মেম্বার বাসায় এসে আমার বাবাকে দেখে,, চিকিৎসক এর রিপোর্ট চায় দেওয়ার পর পরে ফোন করে বলে স্যার ৩৫০০ টাকা চাইছে না দিলে কাজ করে দিবে না,,, অনলাইনের খরচ লাগে পরে আমার কাছে দেওয়ার মত টাকা ছিল ২৫০০ তারপরে বলছে ওইটা দেন আমি করে দিবো
প্রবাসীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে নিচ্ছে কিছু দালাল চক্র। তাঁরা ফিঙ্গার প্রিন্ট অফিসের নিছেই মানুষের সাথে এই জালিয়াতি করছে। দেখার মতো কেও নেই। মোটামটি সব প্রবাসী এটার ভুক্তভুগী । তাঁরা প্রবাসীদের থেকে ৬০০ টাকা থেকে ১৫০০+ টাকা হাতিয়ে নেয়
সকাল বেলা রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে কাঁচামাল নামিয়ে আসার সময় আমতল তিন পুলের মাথায় ট্রাক থামিয়ে নিষিদ্ধ সময়ের কথা বলে টাকা নিলো ৪০০। এরপর যখন নিউমার্কেট আসলাম তখন টাকা চাইলো ৪০০, বললাম আমতল মোড়ে টাকা দিয়েছি, টাকা দিতে অস্বীকার করাই ট্রাক আটক করে দিল, সদরঘাট ট্রাফিক অফিসে গাড়ি ছারাইতে নিল ৮২৫০। কিন্তু সিলিপ দিল ১২৫০। বাকি টাকার স্লিপ চাইলাম বলল তাহারা ব্যাংকে জমা দিয়ে আসবে, আমরা জানতে চাই চট্টগ্রামে ট্রাফিক পুলিশ যে অফিসে আটক গাড়ি ছারাইতে টাকা রাখে এই টাকাকে সরকারের কোষাগারা জমা হয় নাকি নিজেরা ভাগ বাটোরা করে খায়। দুদক দিয়ে তদন্ত করে খতিয়ে দেখা হোক।
বিষয়: রংপুর পাসপোর্ট অফিসে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ। জনাব, আমি একজন সাধারণ নাগরিক। আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর আমি সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করি। জিডি করার পর আমার কাছ থেকে ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি হারানো পাসপোর্টের জন্য রংপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র আনতে বলা হয়। আমি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে জমা দিই। এরপর আমার আবেদনটি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও কিছু কাগজপত্র, যেমন স্ত্রীর কাবিননামাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র চাওয়া হয়। পরবর্তীতে আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়ন
মিথ্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করিয়াছে এবং সেজন্য জামিন নেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।
টাকা না দেওয়াতে আমার কাজটি করেনি আমি উপজেলাতে গিয়ে করছি
“সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য সরকারি নির্ধারিত ফি পরিশোধ করার পরও প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হলেও সংশোধনের প্রক্রিয়ায় আমার নাম/সিরিয়াল না আসায় সিরিয়াল পাওয়ার বিষয়ে জানতে আমি বোর্ডে যাই। সেখানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মাধ্যমে আমাকে বলা হয় যে, নির্ধারিত পরিমাণ অতিরিক্ত টাকা প্রদান করলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমার নাম/সিরিয়াল আসবে এবং আমাকে বোর্ডে ডাকা হবে। সার্টিফিকেট সংশোধনটি আমার জন্য অত্যন্ত জরুরি হওয়ায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করার পরও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায়, উক্ত পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে আমি ওই অর্থ প্রদান করি। বিষয়টি আমার ইচ্ছাকৃত কোনো অনিয়মের উদ্দেশ্যে নয়; বরং জরুরি প্রয়োজনে সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদেই আমি অর্থটি প্রদান করতে বাধ্য হয়েছিলাম।”
খুলনা খালিশপুর পাউয়ার হাউজে মৃত পিতার পেনশন ভাতা উঠাতে গিয়ে বিড়ম্বনার শিকার। সেখানে ইনডিরেক্টলি টাকা চাওয়া হয়।এবং তাত্ক্ষণিকভাবে যদি টাকা না দেন তাহলে আপনার ফাইলটা দিনের পর দিন ঘুরতে থাকবে। এবং ব্যাবহার ও খারাপ করবে। টিনের চাল, মেইন গেইট থেকে সোজা গিয়ে ডান পাশের শেষ রুমটা। ওযুখানার আগের রুমটা।
অন্যের সম্পদের ভুয়া ওয়ারিস দেখিয়ে ২০১১ সালে জাল দলিল মেইক করে দেয় উকিল কমিশনের মাধ্যমে চাট খিল ভুমি অফিসের লোকজন। এতে তারা প্রায় ৩ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে অবৈধভাবে জমির জাল দলিল সাফ কবলা দিয়ে দেয়। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার ভুমিতে ভুয়া নামজারীর বিরুদ্ধে আপত্তি দিলেও জাল দলিল সাফ কবলার পরে খতিয়ান মেইক করে দেয়। এইভাবে ফুল চাটখিল ভুমি অফিস ঘূষের উপর চলে। এদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের কোন নজর নেই।
বলে ফাইল হারিয়ে গিয়েছে কিন্তু বললাম ভাই চা খাওয়াবো ফাইল একটু খুজে দেন। ২০ মিনিট পরে বলে টাকা দেন ফাইল পেয়েছি।
আমরা একটা বিনিময় দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে যায়। বিনিময় দলিলে আইন মোতাবেক উৎস কর দিতে হয় না। এখন সাব-রেজিষ্ট্রার বলতেছে আমাকে 40000 টাকা না দিলে আপনাদের বিনিময় দলিল হবে না। ৩দিন ঘুরিয়ে তারপর 40000 টাকা দিয়ে বিনিময় দলিল টি করেছি।
আমি একজন রোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাই এবং রোগীকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়ার পর কোনো বেড দেওয়া হয়নি। বরং রোগীকে নিচে থাকতে বলা হয়। এছাড়া রোগীর কোনো ফাইলও খোলা হয়নি। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বললে ৪০০ টাকা দাবি করা হয়। শেষ পর্যন্ত টাকা না দিলে কোনো উপায় নেই—এমন পরিস্থিতিতে পড়ে টাকা দিতে বাধ্য হই। টাকা দেওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাজগুলো করা হয়। এই ঘটনাটি হাসপাতালের Male Ward No. 13-এ ঘটে। একজন রোগী ভর্তি হওয়ার পরও এভাবে বেড না দেওয়া, ফাইল না খোলা এবং অতিরিক্ত টাকা দাবি করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আমি আমার স্ত্রীর নামে জমি রেজিষ্ট্রেশন করেছি, এটি করতে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কিন্তু সরকারি খরচ তে এতে টাকা না, আমরা সাধারণ জনগণ এই হয়রানির সমাধান চাই।
চট্টগ্রাম · “একটি তদন্ত রিপোর্টে দারা বাদ দয়ে সঠিক রিপোর্ট দিতে বলায় টাকার দাবি, না দিলে কেইস জটিল করে দেয়, তাই বাধ্য হয়, সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্তে এসএই রা এইসব টাকা খায়, আরো বলে যে, ওসিকে ভাগ দিতে হয় তাই কাটা বেশি লাগে”
বিষয়: পাসপোর্ট হারানোর ঘটনায় জিডি করতে ২,৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ। বরাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনাব, আমি আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর বিষয়টি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার জন্য যাই। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী জিডি করতে কোনো ফি লাগে না—এমন তথ্য আমি পরবর্তীতে জানতে পারি। বাংলাদেশ পুলিশের Citizen Charter-এও জিডি সেবা বিনামূল্যে দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু আমি যখন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানায় পাসপোর্ট হারানোর বিষয়ে জিডি করতে যাই, তখন আমার কাছ থেকে ২,৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা নেওয়া হয়। টাকা নেওয়ার পর আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জিডির কপি দেওয়া হয়নি। প্রায় ২/৩ দিন পর আমাকে জিডির কাগজ দেওয়া হয়। আমার কাছ থেকে কেন ২,৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে, তার কোনো সরকারি রসিদ বা নির্ধারিত
আমাকে বলে বেট খালি নাই। বেট মেনেজ করে দেওয়া জাবে 1500 টাকা লাগবে পরে আমি প্রত্যখান করেছি।