নামজারি
নামজারিতে 20000 চায়ষ
18,886 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
নামজারিতে 20000 চায়ষ
This is general demand from every passport applican't, otherwise they raise issue. Though those are not relevant.
They claimed 7000bdt since my bike was old model (2019). Per year 1000bdt for delaying. Though there is no charge or fees in this scenario by Government. Firstly I declined to bribe, the canceled my registration request. Then I have to pay this amount to complete registration.
নামজারি, একবার অন্য একজন দিয়ে করে ৫০ হাজারের মত দিয়েছি। পরে নিজে করতে গিয়ে ৮০০০ টাকা দিয়েছি
তিনটা খতিয়ান এর ছবি তুলে হটসএপে দিয়েছে ৩০০/- দিতে হয়েছে
নামজারি আবেদন করার জন্য | নরমালি তারা ফাইল এর কাজ শুরু করতে সময় নেয়
পাসপোর্ট এপ্লাই করার সময় আমার নামে একটু ভুল হয়েছিল এর জন্য তারা দুই হাজার টাকা দাবি করেছে এবং আমি পরিশোধ করতে বাধ্যক আমি কারণ আমি একজন প্রবাসী আমার হাতে অতটা সময় ছিল না তাই তারা এটাই সুযোগ টা কাজে লাগিয়েছে
নতুন পাসপোর্ট এর জন্য ঢাকা মোহাম্মদপুর এ। বার বার অফিসে গিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়েছি, বিভিন্ন ধরনের কাগজ আনতে বলে। পরে দালাল দিয়ে সহজেই করে ফেলি।
Amar garir name transfer er somoy dalal soho 8k gesilo
টাকা দিলে সেবা দেয় না দিলে হয়রানি করে
৩ টা জমির নামজারী করতে গেছিলাম। এইজন্য ৬০০০০ টাকা চেয়েছে! চেয়ারে যে বসে ছিল সে সম্ভবত বাইরের লোক। আইডি কার্ড দেখাতে বললাম, নাম,পদ জিজ্ঞেস করলাম বলতে চাইলো না। বাইরের লোক ভিতরে চেয়ারে বসে কিভাবে?
ভূমি রেজিস্ট্রেশন বাবদ দলিল লেখক দের সিন্ডিকেট আছে। তারা সবার কাছে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা অবৈধভাবে নেয়। ব্যাংক ড্রাফট এর নাম করে ৩০০০০ টাকা নিয়ে ব্যাংক ড্রাফট স্লিপ দেয় ২৯০০ টাকার। দলিল লেখক থেকে শুরু করে সাব রেজিস্ট্রার জড়িত।
জামালপুর জেলা পাসপোর্ট অফিসে কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে হয়রানি। টাকা দিলে সবই মানি।
মাদারবোর্ড ঘুষ খাইছে
পরশুরাম উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের অডিটর কিবরিয়া,জুনিয়র অডিটর সুব্রত ঘুষ ছাড়া কোন কাজই করেনা। যেকোন বপতন বিল,টিএডিএ ভাতা,এলপিসি সনদ পাশ করতে হলে ওনাদের ঘুষ দিতে হয়।যেটাকে ওনারা অফিসের ভাষায় বলে 'সমন্বয়' করা। আমার বিভিন্ন কাজে বারবার অনুরোধ করলেও ওনারা সমন্বয় না করে কোন ফাইল ছাড়ে না।
পাথরঘাটা জোনের বিদ্যুৎ অফিসে(অফিস রেয়াজুদ্দীন বাজার) প্রধান প্রকৌশলী ও ডিভিশণাল প্রকৌশলীরা মিলে হরিলুট করছে জনগণের। টাকা দাবি করেছে ১লাখ টাকা তাদের অথরাইজ কিছু এজেন্ট(—, —) আছে তাদের মাধ্যমে। তারা এমনভাবে কথা বলবে তারা ১টাকাও নেয় না। কিন্তু বাস্তবতা হল প্রধান প্রকৌশলী একটু হাই লেভেলের কাজ করার জন্য ৫০হাজার-৩লাখ এর নিচে কোন কাজে হাত দেয় না।
আমার স্ত্রীর এন আইডি কার্ড করার জন্য গিয়েছিলাম। তারা কাগজপাতির নানান ইস্যু তৈরি করে বলে কাজ হবে না। আমার জানামতে সব ঠিক ছিল কিন্তু তাদের নাকি সমস্যা আছে।এরপর একটু রিকুয়েষ্ট করার পর ৫০০ টাকা দাবি করে।তাৎক্ষণিকভাবে আমার রাজি না হওয়া ছাড়া উপায় ছিলনা। তাদের আমি মোবাইল ব্যংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা দিতে চেষ্টা করি কিন্তু নেয়নি। অফিসে সিসি ক্যামেরা আছে কিন্তু মনে হয় পুরো অফিস এই সিস্টেমের সাথে জরিত।পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার পর আমার কাজ করে দেওয়া হয়।
১৫০০ টাকা দিতে হয়।তারা টার্গেট করে বিশেষ করে যারা একটু অশিক্ষিত তাদেরকে বা যারা কম বোঝে।এমনি একটা ভুল ধরে বলে যে এইটা ঠিক করতে হবে।এইটা নিয়ে আসলে আরেকটা ভুল ধরে।মানে ১৫০০ টাকা নিবেই।এবং দুপুর দুইটর পরে তারা এই কাজ গুলো করে থাকে যখন সবাই চলে যায়।এবং পাসপোর্ট অফিসের দিজি নিজেই জড়িত এইটার সাথে। উনি উপরে বসে থেকে এগুলো করায় এবং একটা মহিলা এগুলো সাহায্য করে।
একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য টাকা চেয়েছে ১,৮০,০০০। তার মধ্যে সরকারি ফি প্রায় ৩০,০০০ বাকি ১,৫০,০০০ টাকা ঘুষ
প্রথমে স্বাভাবিকভাবে উল্লেখিত ডকুমেন্টস নিয়ে যাই জকা দিতে, তারা নেয় না, বিভিন্ন কারন দেখায়। অথচ গাইডলাইনে যা উল্লেখিত ছিলো সবই আনার সাথে ছিলো। পরবর্তীতে, বের হয়ে আসি, গেট এর বাহিরে লোক দাঁড়ানো ছিলো, আমাকে দেখে সমস্যা জিজ্ঞাস করে। খুলে বললে বলে ৩০০০ টাকা দিতে হবে সব ওকে হয়ে যাবে। জিজ্ঞাসা করলাম আমার তো ডকুমেন্টস চাচ্ছে আরো অনেক কিছু, সেগুলা তো নাই। বলে সমস্যা নাই শুধু টাকা দিবেন সব ওকে। পরে উপায় না পেয়ে রাজি হই। আমাকে বলে ডকুমেন্টসগুলা ২০২২ এ যেয়ে বলবেন ১২০৭ অথবা ৩০০৪ এই টাইপের একটা নাম্বার বলতে বলে। যেভাবে বলে, বলি। এবার সেই একই কর্মকর্তারা আমার ডকুমেন্টস চেইক দেয় কিন্তু কোনো প্রশ্ন নাই। শুধু বললো নাম কি? বললাম পুরা নাম বল্লো ওকে। পরের দিনই পাসপোর্ট রেডি।