Driving Licence
Hotath license fees bere gele tokhn ami license korte hai. kaj ti druto lorar jonni o exam e fail na koranor jonni 10 hajar tk doua lagcilo.
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
Hotath license fees bere gele tokhn ami license korte hai. kaj ti druto lorar jonni o exam e fail na koranor jonni 10 hajar tk doua lagcilo.
একটা জমি নামজারি করার জন্য ৭০০০ টাকা নিয়েছে। আমাদের নামজারি করা দরকার ছিল তাই করে নিয়েছি। জমির কাগজপত্র সব একদম ঠিকঠাক ছিল।তারপরেও এত টাকা নিয়েছে একটা জমি নামজারি করতে।
Driving licence BRTA not approved 😪
বেতন চালু করার জন্য এই টাকা দিতে হয়েছে
মালিক এর মৃত্যুর পর তার ভাই জালিয়াতি করে আমদের জমি (মঝিনা গ্রাম) বিক্রি করে ফেলায় গত দেড় বছর আগে নারায়ণগঞ্জ এর রূপগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে মিসকেস করা হয় তখন সেখানের দায়িত্বরত কর্মচারীরা জানাই 20000 টাকা দিলে তারা আমদের কেস দ্রুত সমাধান করে দিবে কিন্তু ঘুষ না দেয়ায় তারা কোনো সমাধানে যায় নি এখন ও তারা সেই টাকা দাবি করে এবং শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেয় ।
পাসপোর্ট অফিসের কম্পিউটারের দোকানিরা মুল অফিসার যিনি সই করে পাঠায় যার কারণে ছবি তোলা যায় পরবর্তীতে। তার সাথে যুক্ত কাগজ পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও নানাভাবে হয়রানি করতে থাকে। এভাবে অনেক মানুষের থেকে ঘুস নেয় । ইনাদেরকে চেনাতে অফিসের গার্ড হেল্প করে।
থানা শিক্ষা অফিসে তারা প্রতি সার্টিফিকেট সংশোধনের জন্য ৫০০ টাকা চায়, এটা নাকি তাঁদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যাওয়ার ভাড়া, এই টাকা তাঁদের সরকার দেয় না। সরকারের দেওয়ার কথাও না কারণ এটা সংশোধন থানা শিক্ষা অফিসার নিজেই করবেন, এই সার্টিফিকেট প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে কোনদিনই যায় না। আমি টাকা দেইনাই বইলা আমারটা ১০ মাস ঘুরাইসে, যা কিনা ১ মাসেই করা সম্ভব ছিল।
Amar last 4 year holding tax due chilo, bolese tax komiye dibe ebong kichu taka dabi kore
10 year er passport korte 5700 tk lage but dalal chara kora jay na. Dalal odr sathe linked up.extra tk dile sob kora jay
আমার বাবা-মায়ের পাসপোর্ট করতে গিয়ে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। NID নম্বরের তথ্যে অসঙ্গতি দেখিয়ে বারবার ঘোরানো, আবার নতুন করে টাকা দিয়ে আবেদন করতে বলা এবং শেষ পর্যন্ত একজন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে সমস্যার সমাধান হয়। পরে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় ইউনিফর্ম/পরিচয়পত্র ছাড়া একজন বাইরে দেখা করে টাকা নেন। এছাড়া অফিসের বাইরের দালালরাও টাকা নিয়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। শেষ পর্যন্ত পাসপোর্ট পেলেও পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল বেশ হয়রানিমূলক ও প্রশ্নবিদ্ধ।
আমি পীরগাছা ভুমি অফিসে নকল দলিল তুলতে গেছিলাম। সরকারী হিসেবে ৬০টাকা হলেও ২০০০ টাকার নিছে এখানে দলিলের নকল পাওয়া যায় না। প্রতি সপ্তাহে ১০০-৩০০ দলিল উত্তোলন হয়। সবাই টাকা দিয়েই করে। না হলে নকল উঠানো যায় না।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডে নাগরিক সনদ, পারিবারিক সনদ নিতে গেলেই ওরা প্রতি দফায় টাকা নেয়।গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে আমার মায়ের ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে পারিবারিক সনদ চায়,সেটা করতে গিয়ে ওয়ার্ড অফিসে সচিবকে টাকা দিতে হয় গাড়ি ভাড়া দিতে হয়, এভাবে ২/৩দফায় ১০০০টাকা দিয়েছি।
কয়েক বছর পরপর বিদ্যালয়ে মন্ত্রণালয়ের অডিট হয়। আমার বিদ্যালয়ে তখন আমি নতুন যোগদান করেছি। এর মধ্যে শুনি অডিট আসছে। অডিট শেষে অডিটের প্রধান সব শিক্ষক-কর্মচারীর ১ মাসের বেতন দাবি করল না হলে নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে বলেছিল। পরে তা দেওয়া হয়। এবং একটা ওপেন সিক্রেট বিষয়।
ওয়ারিশন সনদ এর জন্য ৬০০০টাকা দাবী করে এবং কম নিতে বলায় পেপার ছুড়ে টেবিলে ফেলেছেন । প্রায় ১.৫ মাস সময় নিয়ে ৮-১০ বার অফিসে গিয়ে তারপর কাগজ হাতে পাই।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর একাউন্টস অফিসে মেডিকেল বিল,এরিয়া বিল করতে গেলেই টাকা দিয়ে কাজ করাতে হয়।গত বছরের শেষের দিকে ৩৮,০০০টাকার একটা বিল করতে ৬০০০টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। নাঙ্গলকোট উপজেলা শিক্ষা অফিস এর পিয়নরা ঘুষ নেওয়ার জন্য বিখ্যাত।
নিজে নিজে বহু ঝামেলার পরেও ৩ বার পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন আসে আমার থানায় এসবি শাখায়,পুলিশ আমার কাছে ১৫০০ টাকা দাবি করে আমি দিতে রাজি হয়নি সে কাগজ জেলায় রিটার্ণ পাঠিয়ে দেয়, জেলা এসবি অফিস থেকে কয়েকবার যোগাযোগ করা হয় তবুও আমি রাজি ছিলাম ঘুস দিতে এদিকে আমার পাসপোর্ট জরুরী হওয়ায় অপারগ হয়ে জেলা এসবি অফিসে ১০০০ টাকা দেওয়াই লেগেছে।
বাইকের ডিজিটাল নাম্বার প্লেট এবং স্মার্ট রেজিস্ট্রেশন কার্ডের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট
সংশোধন করা যাচ্ছিলো না, টাকা দেয়ায় করে দিছে
বিদ্যুতের লোড বৃদ্ধিতে সরকারি খরচ ৪৮৩ টাকা কিন্তু ডিপিডিসি ঢাকা আজিমপুর বিদ্যুত অফিসের একজন উপসহকারী প্রকৌশলী আমার কাছে ৫০০০ টাকা দাবি করে।আমি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমাকে কয়েকদিন ঘুরাই পরে বাধ্য হয় টাকা দিয়ে লোড বাড়াই।
ফাইল ফরওয়ার্ড জিম্মি