জন্মনিবন্দন
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
ফেনী জেলার ১০ নং ঘোপাল ইউনিয়ন এ জরুরি জন্মনিবন্দন করতে গেসি অফিস টাইম এ সচিব — আমাকে বলে সার্ভার ডাউন এখন হবে না পরে যাওয়ার টাইম এ এক আনসার বলে ১৫০০ টাকা দেন এখন করে দিচ্ছি
আমি ঢাকা উত্তর সিটিকর্পোরেশন মিরপুর ১০ নাম্বার এ ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা চাইল। আমি দেইনি।
they are telling my papers have problem all page are not included then computer man ask for his expense for this service , first time i didn't pay (demand was 3000) anything then the reject my application , then 2nd time i pay the computer man,
এটা নাকি দেয়াই লাগবে, ১৭ দিন ঘুরাইয়া তারপর ৮০০০ টাকা খেয়ে ১২০০ টাকার ট্রেড লাইসেন্স করে দিসে!
ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক আবু সালেহ পাটোয়ারি, সে একজন মুফাসসির, কিন্তু কোন ঘুষ ছাড়া কাজ করেনা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর কলঙ্ক এই অফিসার
আমি ৩ বার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স নিয়েছিলাম। একবার বাইরে আবেদন করতে যাওয়ার আবেদন করতে আরেকবার আবেদন এক্সেপ্ট হওয়ার পরে। আরেকবার ভেরিফিকেশনে। ৩ বারে মোট ৮৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। যদিও তখন পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে সরকারী আবেদন ফি ৫০০ টাকা ছিলো।
জরুরী ভিত্তিতে একটি ১৫ শতাংশ জমির নামজারি করার প্রয়োজন হয়। এমতাবস্থায় ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা দাবি করে অন্যথায় নামজারি করার জন্য লম্বা সময় ধরিয়ে দেয়। জরুরী অবস্থার বিবেচনায় সর্বমোট ২৭,০০০ টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে।
ট্রান্সফার। এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে (প্রাইমারি স্কুল) ট্রান্সফার।
নরসিংদী ট্রেজারির — এবং আরেকটা লোক পেনশনের বই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেটা আবার চালু করার নামে 20000 টাকা দাবি করেছে। সেই টাকা পরিশোধের পরও কয়েকমাস ঘুরাইয়া তারপর কাজ করে দিছে।
সেবাটি ছিল জেলা স্বাস্থ্য অফিস। চাকরির পরীক্ষার জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দরকার হয়। সে সার্টিফিকেটের জন্য সরকারিভাবে ১০০ টাকা ফি জমা দিতে হয় , সাটিফিকেট তৈরি হলে শেষ মুহূর্তে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দাবি করেন,দিতেই হবে এইটা বলেন।
Cumillar, Burichong sub register a, khotiyan related akta kajer jonno atto tk cay.
আমার মামার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগতো, পুলিশ আমার মামাকে ফোনে বলেছে ০৩ হাজার টাকা সহ পাঠাতে। আমি গিয়ে ০২ হাজার দিলেও মানতে নারাজ। উল্টো আমাকে হুমকি দিয়েছিল নেগেটিভ রিপোর্ট দিবে। ঘটনাটি ২০২১ সালের, সেসময় এতোটা প্রতিবাদী ছিলাম না আবার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স টাও লাগতো বিধায় বাধ্য হয়ে দিয়েছিলাম জীবনের দ্বিতীয়বার ঘুষ, প্রথমবার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন ০১ হাজার টাকা।
এজেন্সি / অ্যাম্বাসি যেটিকে সমস্যার কাতারে ফেলে না, সেটিকে বড় ইস্যু বানিয়ে ঘুষ চাওায়া হয়। এমনকি পাসপোর্ট অফিস থেকেই হচ্ছাকৃত ভাবে ভুল তথ্য সাবমিট করা ইয়। নিজেরা সরাসরি ঘুষ নেয় না বরং কম্পিউটার/ ফটোস্ট্যাট এর দোকানিদের সাথে আতাত করে রাখা হয়।
চাঁদপুর পাসপোর্ট অফিসে নতুন পাসপোর্ট এর আবেদন করার পর জমা নেয় নাই ডকুমেন্ট এর সমস্যা বলে। অনেক্ষন চেষ্টা করার পরেও নেয় নাই। কোন কর্মকর্তা কথা শুনতে চায় না। শুধু বলে কাউন্টারে যাইতে। পর বর্তিতে বাহিরের কম্পিউটার দোকানে গেলে বলে প্রতি পাসপোর্ট এ ২০০০ টাকা করে লাগবে এবং এইটাই জমা নিবে। আমার অনলাইন পেমেন্ট থাকায় নিরুপায় হয়ে পরিশোধ করি। পরবর্তীতে একই ফাইল কোন কিছু না দেখাই জীনের মাধ্যমে জামা নিয়ে নেয় 🥲 দুই পাসপোর্ট এ আমার থেকে ৪০০০ টাকা নিছে শুধু জমা দেওয়ার জন্য।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, বন্দর কিংবা ICD-তে কাজ করেন এমন আমদানি ও রপ্তানিকারকরাই সবচেয়ে ভালো জানেন, কাস্টমসের কার্যক্রমে কী পরিমাণ হয়রানি ও অনিয়মের মুখোমুখি হতে হয়। সবচেয়ে বড় অভিযোগগুলোর একটি হলো, অনেক কাস্টমস কর্মকর্তা ঘুষ ছাড়া ফাইল বা পণ্য সংক্রান্ত কাজ এগিয়ে নিতে অনীহা দেখান। নানা অজুহাতে কাগজপত্র আটকে রাখা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করা কিংবা সময়ক্ষেপণের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এরপর দ্রুত কাজ শেষ করতে অনেক ক্ষেত্রেই ঘুষ দিতে বাধ্য হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। রপ্তানিকে দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি বলা হয়। অথচ একজন রপ্তানিকারককে পণ্য সময়মতো জাহাজীকরণ করতে গিয়ে যদি কাস্টমসের অনিয়ম ও ঘুষের কাছে জিম্মি হতে হয়, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জাহাজের নির্ধারিত সময় চলে গেলে ডেমারেজ ও
আমি SA CS RS BS/CITY SURVEY উঠাতে যাই.. আমাকে প্রথমে বলে ৪৫০০ টাকা লাগবে.. কারণ একগুলো করাতে লোকদের টাকা দিতে হবে.. আমি তাকে দলিলের ফটোকপি দি.. এবং দলিলের সাথে খতিয়ানও দি.. কিন্ত সে বলে প্রেন্টগ্রাফ লাগবে.. এর জন্য ৫০৮০ টাকা দিবেন.. এটা ছাড়া খতিয়ান দেয়া যাবে নাহ... পরে বলি কাজ হওয়ার পর দি , বলে নাহ... এখন.. কোথায় যাব আমরা দালাল ছাড়া করাতে গেলাম.. দেখলাম ভিতরেরই তারা নিজেরাই দালাল
At first I was thinking to make the E passport as per government rules and regulations. I did eventually everything and made proper paperworks but When I submitted it to the counter, they had to verify the paperworks and after 2 hours of waiting, they handedout my paperworks and said there were mistakes in the form and I should fix and submit again, I did and the next day same thing happened again, another mistake but it's not really a mistake, they were searching for a special mark that changes everyday and the marks comes from verified Dalals, they doesn't ask for Ghush directly, so if u dont want the hassle for like 7-8 days, you go to the dalals and they will make your life hasslefree
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে বলে আপনার দোকান অনেক আগে কিনেছেন, এখন কেনো লাইসেন্স করতে আসছেন, আপনার পুরোনো লাইসেন্স ছাড়া নতুন লাইসেন্স করলে পুলিশ ঝামেলা করতে পারে। আমাদের ৪০০০ টাকা দিন আমরা পুরোনো লাইসেন্স দেখিয়ে নবায়ন করে দিবো। পরে লাইসেন্স করার পর দেখি ৮০০ টাকা লাগছে টোটাল, বাকি টাকা ফাও খাইছে। কথা হচ্ছে আমি এখানে পুরোনো লাইসেন্স দেখিয়ে লাইসেন্স নিছি যেনো মনে হয় এটা আগে করা হয়েছিলো, কিন্তু সরকার কেনো এমন সুযোগ রাখলো। এটা তো দূর্নীতি করার অন্যতম মাধ্যম। লাইসেন্স কেউ পরে করলে বৈধ ভাবে জরিমানা করতে পারে, যেটা সরকারের খাতায় জমা হবে, কোনো কর্মকর্তার পকেটে যাবে না। উল্লেখ্য ওই কর্মকর্তার ছেলে/মেয়ে নর্থ সাউথে পড়ে।
সরকারি চাকরিজীবী মৃত্যুর পরে ওনার স্ত্রী , সন্তান উপজেলা একাউন্টস অফিসে অবসর ভাতা চালুর জন্য গেলে এ পরিমাণ টাকা দাবি করা হয় ও দিতে হয়। সরকারি চাকরিজীবী হয়ে মৃত্যুর পরে যদি সরকারি অফিসে ঘুষ দিতে হয় , এর চেয়ে হয়রানি আর কি হতে পারে ?
এনজিও ব্যুরোর অনুমোদিত প্রকল্পের প্রত্যয়নপত্র প্রাপ্তির প্রক্রিয়া ও বাস্তব চিত্র এনজিও ব্যুরোর অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র (Completion/Certification) সংগ্রহ করতে হয়। এ জন্য সাধারণত আবেদনপত্র জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। আবেদনটি পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা বা অন্যান্য দপ্তরে মতামতের জন্য প্রেরণ করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মতামত সংগ্রহ করে প্রত্যয়নপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৪,৫০০ থেকে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়।