নামজারী
আমি অনলাইনে নামজারি আবেদন করি সেখানে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয় পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে নানান সমস্যা দেখায় , তারপর একটা পর্যায় টাকা বিনিময় করতে হয় ,এ ছাড়া কোনো সামান্য প্রয়োজন সেবা নিতে ৫০০ , ১০০০ টাকা দিতে হয়।
20,447 bribery reports filed by citizens — search, filter, and switch between list and grid.
আমি অনলাইনে নামজারি আবেদন করি সেখানে আমার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয় পরে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে নানান সমস্যা দেখায় , তারপর একটা পর্যায় টাকা বিনিময় করতে হয় ,এ ছাড়া কোনো সামান্য প্রয়োজন সেবা নিতে ৫০০ , ১০০০ টাকা দিতে হয়।
চাঁদপুর brta পরীক্ষা যতই ভালো দেই না কেন ফেল করব বলে। পরে ৫০০০ টাকা দিলে সব ক্লিয়ার আর পরীক্ষা দিতেই হয় নি। লিখিত আর ফিংগার দিয়েছি শুধু 😁😁😁
গাড়ির ফিটনেস নবায়ন করতে গেছি, সেখানে আমার গাড়ির সব ঠিক ঠাক থাকার পর ও গাড়িতে ফিটনেস ঠিক নাই বলা হয়েছে। পরে ঘুস চাইছে ২০০০ টাকা, টাকা দেওয়ার পর গড়ির ফিটনেস ওকে।
সদরে যতগুলা লোক নামজারি কাজ করে তারা সবাই তার হাতে নাকি দরা আগে ৫ হাজর এর মধ্যে হতো এখন ৮ ছাড়া হয় না । এই ৩ হাজার নাকি তার, বাকি 5000 টাকা মধ্য় ভাগ পায় ইউনিয়ন ভুমি অফিস , এসিলেন্ড অফিস এর কানুগো ,আর একজন আছে তার পোস্ট জাননি না , আর বাকি টাকা নেয়ে যে লোক আবেদন করে সেও দালাল জড়িত ।
দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে নবনিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশাসনিক কার্যক্রম, যেমন Pay Fixation, Biometric নিবন্ধন, Face Punch সক্রিয়করণ এবং Government Data Update-এর মতো সেবা প্রদানকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও অবৈধ অর্থ দাবির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব সরকারি কাজ সম্পন্ন করার জন্য কোথাও কোথাও ৫০০ টাকা, ২,০০০ টাকা বা ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থ দাবি করা হয়। এছাড়া অর্থ প্রদান না করলে কাজ বিলম্বিত করা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা সৃষ্টি করা বা হয়রানির অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। যদি এসব অভিযোগের সত্যতা থাকে, তবে তা সরকারি সেবার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হচ্ছে।
থানায় বলল যে এখন হচ্ছে আপনার জামাতের এমপি হয়েছে এখন তার ঘুষ নিতে পারবো না হাদিয়া দেন টাকা ছাড়া কাজই করল না পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হলো
মাতৃত্বকালীন ভাতার কাড করতে নিয়েছে । হয়েছে কি না তা টাকা আসলে জানা যাবে।
চাকুরি স্থায়ীকরন ফাইলে স্বাক্ষরের জন্য টাকা চাওয়াহয়েছে। সরকারি আলাওল কলেজ, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।
Police Super office Coxs Bazar, i came to this place for police clearance, Passport purpose. The duty officer asked me 1500tk to sign the papers of clearance. I have given 1000tk after negotiation. Ask anyone from coxs bazar who have gone through police super office for clearance.
আমি প্রতিবারের মতোই ভ্যাট আফিসে গিয়ে আমার দোকানের ভ্যাট জমা দেই ভ্যাট অফিসে গিয়ে,কিন্তু তারা ভ্যাট বাড়ানোর জন্য বলেছেন আমি বারিয়েছি এরপরেও ভ্যাট দেওয়ার পরে আমার কাছে তাদের খরচের টাকার কথা বলে ৫০০টাকা চান এবং আমাকে দিতে হয়,নাহলে উনারা যেকোনো উপায়ে জরিমানা লাগিয়ে দিতে পারেন যেটা পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক
খসরা খতিয়ান করে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে হয়রানি
আমরা ৩ জন কনস্টেবল ও ১ জন এস আই মিলে রাস্তায় নিয়মিত চেকপোস্ট এ ডিউটি করতেছিলাম। একটা সি এন জি তে চেক করে আমরা ১,০০০ পিছ ইয়াবা পাই। ১,১৬,০০০ টাকায় এস আই মাদক কারবারি কে ছেড়ে দেয় এবং আমাদের কে নিষেধ করে ওসি স্যার কে না জানাতে। বিনিময়ে জনপ্রতি ২৫০ পিছ করে ইয়াবা অথবা সমপরিমান টাকা দেওয়ার কথা দেয়। কথা অনুযায়ি জন প্রতি ৬২,৫০০ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও ২ দিন পর শুধু মাত্র ৪০,০০০ টাকা দেন তিন জনকে। মানে জনপ্রতি ১৩,০০০ টাকা। আমি এই টাকা নিতে না চাইলে এবং ওসি স্যার কে বলে দেওয়ার কথা বললে ওনি কিছুটা নমনিয় হন কিন্তু বাকি দুই জনকে ৪০,০০০ দিয়ে দেন এবং আমাকে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু ৫ দিন এর ভিতর আমার নতুন করে বদলির আদেশ আসে খাগড়াছড়ি যেখানে আমি মাত্র ২৭ দিন আগে সোনারগাও বদলি হয়ে আসছিলাম ।।
জমি খারিজ করতে ঘুষ ছাড়া কাজ হয় না, কাগজ পত্র যতো ঠিক থাকুক, তারা প্রবলেম বের করবেই বা তা না হলে টালবাহানা করবে। ঘুষ থেকে মুক্তির উপায় নেই কি? বাংলায় কথা বলে ঘুষ খাওয়ার সুযোগ আছে কিন্তু ঘুষ খায় না এমন লোক পেলে সালাম দিতাম।
প্রথমে বলল আমার এনআইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ তারপরে বৌয়ের নামের ভুল ধরল আমি বললাম যা যা করার একবারে বলেন আমি করে নিয়ে আসি তারা বলল তা হবে না কিন্তু টাকা দিলে সব সম্ভব টাকা দেওয়ার পরে আমার আর একটু দেরী হয়নি কাজ হয়ে গেল
আমার একটি পণ্যের বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স এর জন্য সরকারি ফি এর বাইরে অতিরিক্ত আরও ৫০০০০ টাকা দাবী করেন। আমি এখনো পরিশোধ করি নি। তবে না দিলে ফি বাড়িয়ে ধরবেন বলে হুমকি প্রদান করেছেন।
আমার কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি/
ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য কথা বলা হয়েছে। মোটরসাইকেল ড্রাইভিংয়ের জন্য দাবিকৃত টাকা ৯৫০০৳ লাইট লাইসেন্স করিয়ে দিবেন বলে ১১০০০৳ টাকার কথা উল্লেখ করেছেন।
আমি নাম জারি জন্য অনলাইনে আবেদন করি তা বাতিল করে দেয় পরে আমি দালাল দিয়ে করি ৬০০০/- টাকা হয়ে যায়
“বাহিরে আবেদন করার পর যখন ভেতরে গেলাম টাকাত জমা দেওয়ার শেষে তখন তারা বলল এইটা দিয়ে হবে না কারণ আমার মায়ের নামে একটু সমস্যা বাইরে কম্পিউটার দোকানে 1500 টাকা দেয়ার পর না দেখেই সব ওকে”
ঘুষ ছাড়া পাসপোর্ট নবায়ন করবে না, বিভিন্ন রকমের ভুল ইত্যাদি ইত্যাদি কারণ দেখিয়ে পাসপোর্ট নবায়ন বাতিল করেছে, পরবর্তীতে ঘুষ দিয়ে করতে পেরেছি