নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৭,৩২৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দীর্ঘ ১ বছর ৬ মাস লাগছে তারপর ৪০০০০ টাকা দিয়েছি ৪ টা ফাইল হয়েছে কিন্তু এখনও একটা ফাইল আছে, চাকরি চলমান অবস্থায় মারা গেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কতৃক অনুদানের আবেদন এটার জন্য আবার ৩০ হাজার চাচ্ছে এখনও দিতে না পারায় এখনও ফাইল সাইন হচ্ছে না। এছাড়াও উপজেলা একাউন্স অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হয়েছে ২০ হাজার, যেই ফাইলটি আটকে আছে ওটার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসেও টাকা দিতে হবে।
হাসপাতালে ডাক্তার দেকাতে গেলাম টিকিট কাইতে গিয়ে সিরিয়াল ১ জন বললো ২০০ টাকা দেন টিকিট কেটে দিচ্ছি বহু ভোগান্তি হল, আমার পাশে ২ জনের মোবাইল চুরি হলো আনসার ও নিরাপত্তা বাহিনী কেউ কিছু করলে না। খুবই দুর্গন্ধ এবং বাজে পরিবেশ পরে পরে টেস্ট দিল ১ দালাল বললো এখানে দেরি হবে বাইরে ৮০০ টাকা দিয়ে করে দেই। আমার কাকা ভর্তি হলো পেইং বেড নিলো পরে ৩০০০ টাকা নিল ১ দিন থাকার পরে টাকা ফেরত পাওয়া যায় নাই ডাক্তার গণ সরকারি হাসপাতে চিকিৎসা দেয় কম। কিন্তু সারাদিন বেসরকারি হাসপাতালে তারা চিকিৎসা দেয়। ময়মনসিংহে শহরে শত শত বেসরকারি হাসপাতাল যারা টেস্ট বাণিজ্য করে।
মেম্বার বাসায় এসে আমার বাবাকে দেখে,, চিকিৎসক এর রিপোর্ট চায় দেওয়ার পর পরে ফোন করে বলে স্যার ৩৫০০ টাকা চাইছে না দিলে কাজ করে দিবে না,,, অনলাইনের খরচ লাগে পরে আমার কাছে দেওয়ার মত টাকা ছিল ২৫০০ তারপরে বলছে ওইটা দেন আমি করে দিবো
বহুতল ভবনের অনুমতি নেওয়ার জন্য অফিস খরচ বাবদ নিচ্ছে। আমাদের দ্রুত অনুমোদন দরকার। টাকা না দিলে ফাইল পরে থাকবে। অনেক দিন লেগে যাবে। তাই বাধ্য হয়ে টাকা টা দিলাম। আগে এক লাখের উপর দাবি করতো এখন ষাট হাজারে রাজি। এ মুহূর্তে ৩০ হাজার অগ্রীম দিয়েছি।
একটা জিডি করতে থানায় যাই প্রথমে জিডি লিখতে ৫০০ টাকা তা জমা নেয়ার সময় ৫০০ টাকা। এলাকায় পুলিশ গিয়েছিলো কল করে ৩৫০০ টাকা গাড়ির তেল খরচ হয়েছে তার জন্য। মোট ৫০০০ টাকা নিয়েও কোন সমাধান হয় নি। পুলিশ সব সময় এই কাজ টা করছে৷ প্রতিরোধ চাই
গর্ভবতী ভাতার জন্য কালিয়াকৈর পৌরসভায় গিয়েছিলাম। গর্ভবতী ভাতার দায়ীত্বে থাকা কম্পিউটারে সামনে বসা দায়ীত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বললেন ফি লাগবে ৫০০ টাকা। কিসের ফি, কেন ফি দিতে হবে এটার কোন জবাব নেই। যাই হোক ভাতাটি খুবই প্রয়োজন বিধায় উক্ত অর্থ পরিশোধ করে আবেদন করতে হয়েছে।
ন্যাশনাল হাউজিং অথরিটি ঠিকাদারের নিকট থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে
অগ্রণী ব্যাংক নতুন একাউন্ট খোলার সময় চেক বই বলে এক দেড় মাস লাগবে কিন্তু যখন ৫০০ ৬০০ টাকা দিয়ে দি তখন একদিনের মধ্যে চেক বই রেডি হয় কিভাবে
পিতার নিজ নামে সম্পত্তী আমার নামে খারিজ করার জন্য গেলে আমার ভাই-বোনের সাথে না করে ফারাজ করে আমার অংশ আমি নিজ নামে করছিলাম সেটাই আমার অপরাধ। তার কারণে আমার কাছে ১১০০০ টাকা নেও এবং চা খাওয়ার জন্য আবার ৫০০০ টাকার দাবী দিসে না দিলে আবেদন বাতিল করে দিবে
কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার নুরপুর উধুইর অফিসের ১১৭০ টাকার খারিজ ১০,০০০ টাকা চাওয়া হয়। যাহা না দিলে খারিজ হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয়। জমি খারিজের আবশ্যকতা আছে বলে টাকাটা দিতে বাধ্য ছিলাম
রাউজান থানায় সেন্ডব্যাক এ না মারার শর্তে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়েছিল এক এসআই কে ২০২৩ সালে।
আমি আমার বাবার জমির মিউটেশন করার জন্য আবেদন করি। সরকারি নির্ধারিত খরচ ছিল মাত্র ১১৭০ টাকা। কিন্তু সংশ্লিষ্ট অফিস আমাদের কাছ থেকে ৮০০০ টাকা আদায় করেছে। প্রথমে আমি এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইনি, কিন্তু বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করতে হয়েছে। এ ধরনের অনিয়ম ও অতিরিক্ত অর্থ আদায় জনসাধারণকে হয়রানির শিকার করছে। অভিযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, ঘুষ ছাড়া অভিযোগ গ্রহণ করা হয় না। ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
1000/- দিয়েছি সার্ভেয়ারকে
২৮ শতক জমি খারিজ করতে ২৮ হাজার টাকা লেগেছিলো, দলিল লেখকের মাধ্যমে তহসিলদার অফিসের মাধ্যমে কাজ করতে হয়েছিল .
আমি জমি রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকারি এবং পৌরকরের বাইরে এই টাকাটা দেয়। তারা বলে যে পৌরসভার আবাসিক জমি হইলে ৬০ হাজার টাকা দিতে হবে বাণিজ্যিক এলাকা হলে আরো বেশি! লিয়াজু মারফত ৬০ হাজার, আর ভেজাল করলে ব্যাংক একাউন্টে দিতে হবে তখন কিন্তু একটা টাকাও কম হবে না, আমার মহুরি ১৫ হাজার টাকায় একটা দফারফায় মিটমাট করে, এই টকাকাটা তারা সরকারকে দেয়নি সরকারের কোন ঘরেও যায়নি এটা তারা অতিরিক্ত ভাবে নেই, এটাতে সাব রেজিস্ট্রার, মুহরি সহ এলাকার নেতারা ভাগ নেই। আমার একজন ঘনিষ্ট মুহরি এই টাকাটা মাফ করে দিতে চাইছিলো কিন্তু একজন মুহুরির আপত্তি তা করতে পারে নি! জমির ভ্যালু ছিলো ১২ লক্ষ, পরিমাণ ৬ শতাংশ। এটা তারা হাজেরে উপড় শতকরা হিসাবে নেই!
আমি একটি নাম-জারীর জন্য আবেদন করি। 4000 টাকা দিয়ে ভূমি অফিস থেকে প্রতিবদন করানো হয়। তারপর নথী ক্যান্টনমেন্ট সার্কেল অফিসে যায়। সার্কেল অফিসের লোকজন বলে এমনিতে কাজ হবে না। এটা করতে কমপক্ষে 70000 টাকা লাগবে। তারপর দাবী প্রত্যাখান করি। তারপর দেখি আমার আবেদন না মঞ্জুর করেছে। আমি যার নিকট থেকে জমি ক্রয় করি তার নামে সিটি নাম-জারী করা ছিলো। সিটি নাম-জারী থাকে নাম-জারী হবে এবং জমিতে বহুতল ভবন আছে। আমার জমির পরিমান ছিল 0.3400 শতাংশ। কিন্তু তারা অনুমোদন দেন নাই। না-মঞ্জুর করে দিয়েছে। টাকা দিলে তারা ঠিকই মজ্ঞুর করে দিতো।
আমি জলাতঙ্ক টিকার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল আন্দরকিল্লাতে যাই,তো সেখানে টিকিট কাটি তারপর এ টিকা নিতে অন্য আরেক রুমে যাই,তো একটা নার্স আমাকে টিকা দিলো Rabies এর,তারপর হঠাৎ কোথা থেকে একটা লোক আসলো-সে ডাক্তার না আবার নার্সও না,সে বলে নাস্তা খাইতে টাকা দেন যা পারেন,সব ডাক্তার - নার্স সামনেই আছে- তারপর কিছু না বলে টাকা দিলাম।কি বলবো কারণ বলে লাভ নাই সবাই এই টাকার ভাগ পায়।পুরা দেশেই দুর্নীতি।
বিষয়: রংপুর পাসপোর্ট অফিসে অতিরিক্ত অর্থ দাবি ও অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ। জনাব, আমি একজন সাধারণ নাগরিক। আমার পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়ার পর আমি সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করি। জিডি করার পর আমার কাছ থেকে ২,০০০ টাকা নেওয়া হয়। পরবর্তীতে আমি হারানো পাসপোর্টের জন্য রংপুর পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার জন্য আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র আনতে বলা হয়। আমি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে জমা দিই। এরপর আমার আবেদনটি বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও কিছু কাগজপত্র, যেমন স্ত্রীর কাবিননামাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র চাওয়া হয়। পরবর্তীতে আমার কাছে ২,০০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ২,০০০ টাকা দেওয়ার পর আর কোনো অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়ন
চ্যানেল কোড না থাকলে প্রচুর পরিমাণে হয়রানি করা হয়। এই কোডের জন্য এই কোডের জন্য অতিরিক্ত ১৫০০-২০০০ টাকা স্বাভাবিক ব্যাপার।
শিশু ডাক্তার দেখানোর জন্য টোকেন সংগ্রহ ডাক্তারের সিরিয়াল পেতে 100+200 টাকা পরিশোধ করা লাগছে