জমির সংশোধনী দলিল
বলেছিল ৩০০০০ টাকা লাগবে সলশোধনী দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে, অন্যথায় আদালতে মামলা করে আসো।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
বলেছিল ৩০০০০ টাকা লাগবে সলশোধনী দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে, অন্যথায় আদালতে মামলা করে আসো।
টাকা না অনেক দিন ঘুরায়
কলকাতায় বেড়াতে গিয়ে, একটি নুডুলস মেকার এবং একটি মিট গ্রাউন্ডার মেশিন কিনে লাগেজে ভরে দেশে ফেরার পথে পেট্রাপোল কাস্টমস লাগেজ চেকিংয়ে আটকে দেয়, পরবর্তীতে দাবী বেশি থাকলেও রিকোয়েস্ট করে ১৫০০ টাকা ঘুষ দিয়ে মেশিন দুইটা নিয়ে আসি।
একটি এনজিও এর নাম ও গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করে দিবে ৭ দিনের মধ্যে। এই জন্য সরাসরি ৪০,০০০ টাকা ঘূষ দাবি করেন। নতুবা হবে না। তাই টাকা দিয়ে কাজটা করি। সময়মত কাজ হয়েছে।
আমার আম্মুর অপারেশনের আগে সব রিপোর্ট ডকুমেন্টস ডাক্তারকে দেখাবো তাই সিরিয়াল দিছি, কিন্তু আমাকে পিওন সাহেব ডুকতে দিচ্ছে না, টাকা চায়
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন BADC তে টেন্ডার পাওয়ার পর বিল নেওয়ার আগে প্রকৌশলীদেরকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে, ৯০% প্রকৌশল ডিপাটমেন্টে প্রকাশ্য ঘুষ লেনদেন চলছে
২০২০ সালে নতুন লাইসেন্স করাতে টাকা দেওয়া লাগছে খরচের চেয়ে ৩০০০ টাকা বেশি
ফায়ার লাইসেন্স করে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা নিয়েছে
khul dhortechilo time diye o kaj kortechilo nah.. tai taka dichi 1 hour ai kaj shes hoyeche..
অগ্রিম ইনক্রিমেন্টের বেতন নির্ধারনী ২০০০০/- দাবী করে, বুঝিয়ে ১৩০০০/-দিয়েছি।
২০২৪ সালে চাকরি পাওয়ার আড়াই বছর পর জিপিএফ খুলতে গেলে হাটহাজারী হিসাবরক্ষণ অফিস এই টাকা নেয়।
আমি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভাগনা ভর্তি করাতে গেলে আমাকে বেশ কয়েকদিন পোড়ানোর পর বলে সিট পাইতে গেলে ১০০০ টাকা দিতে হবে। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার ভাগনাকে সিট দেওয়া হয় ও ভর্তি করানো হয়।
৮ হাজার টাকার নিচে নামজারি হবে না অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নাম জারির জন্যে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে এটা হয়েছে ১৬ হাজার টাকা দিতে যাব
ডি সি আর নিতে গিয়ে ২ বছর আগে আবেদন করেছিলাম এবং বলেছিল সময় লাগবে না টাকা টা ও দিয়ে যান আমি কেটে রেখে দিব। সেই টাকা দিয়ে আসলে পার হয়ে যায় ১.৫ বছর। এর মাঝে প্রায় ২৭-২৮ বার তাদের কাছে গিয়েছি। গেলে বলে কাল আস, আজ সার নেই,আজ কাজের চাপ। এই সেই। পরে সারভেয়ার পরিবর্তন হয়ে নতুন সারভেয়ার আসেন এবং সে নতুন করে আবার খেলা শুরু করে দিয়েছে। বলতেছে সব কিছুর নির্ধারিত ফি বেড়েছে। আপনার যে খরচ আসবে তা কমায় লিখে দেব আপনি আমাকে এই টাকা দিবেন এই সেই সাত সতেরো।
মোক্তারের মাধ্যমে বন্টননামা দলিল করার জন্য উপজেলায় গিয়ে সকলে সাক্ষর দেয়। সাক্ষর দিতে গিয়ে পুরা নাম না লেখে পেচিয়ে সাক্ষর করা হয়। তারপর সময়ক্ষেপণের পর শুনায় অফিসার ডিউটির সময় শেষ ও এই সাক্ষর চলবে না। পরে টাকা দাবী করলে দিতে বাধ্য হয়। সাক্ষরের পাশে সকলে পুরো নাম লেখতে বলে। ঘুষ দেওয়ার পর সব ঠিকঠাক। মাশাল্লাহ
আমি ভূমি অফিসে অনলাইনে খাজনা আদায় করার সময়। আমার খাজনা দেওয়ার সফটওয়্যার লক থাকে। এই লক ছুটানোর জন্য ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার কাছে অনৈতিকভাবে কোন সরকারি ফিস ছাড়া জমিপ্রতি ৩০০+৩০০+২০০ টাকা আদায় করে।
নামজারি করাতে গিয়ে টাকা চেয়েছে৷ আমি বাধ্য হয়েছি
ব্যাংক লোনের জন্য জমির সার্চ সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিলাম উক্ত অফিসের নকলনবীশ উক্ত পরিমাণ টাকা দাবি করে
Daring licences er junno
ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসের লোকজন একবার এটা ভুল ধরে একবার ওটা ভুল ধরে শেষে বাইরে দাঁড়ানো দালাল পুলিশকে টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে গেলো ৫ মিনিটের মধ্যে। 2500 টাকা নেয়।