খাজনা
জমির খাজনা ছিলো ১৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৫০০ টাকা
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির খাজনা ছিলো ১৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে ৫০০ টাকা
অডিটররা টিএডিএ, পেনশন, শ্রান্তিকালীন ভাতাসহ সকল বিল পাস করতে ঘুষ নিয়ে থাকে। তাদের হাত থেকে সেনাবাহিনীর সামরিক, অসামরিকরাও রেহাই পায় না। বিল পাশ করাতে ২০% ঘুষ নিয়ে থাকে, সঠিক প্রক্রিয়ায় বিল বানানোর পরেও টাকা দিতে হয়। আমি তার নিজেও ভুক্তভোগী।
টাকা না দিলে পাসপোট হবে না বিভিন্ন কাগজ ভুল ধরে টাকা দেলে সব ঠিক
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য থানায় গেলে বলে যে সরকারি ফি ১৫৫০ টাকা তবে বাড়তি খরচসহক্লিয়ারেন্স দিবে ২৮০০ টাকা লাগবে।যখন বলছি ১৫৫০ টাকায় হবে না? তখন বললো বাইরে কম্পিউটার এর দোকানে গিয়ে আবেদন করতাম আর তাদের সাথে কথা বলতাম।তারা ২৮০০ টাকা ই লাগবে বললো নাইলে এটা অনেকদিন যাবত ঘুরাবে তাই বাধ্য হয়েই করতে হল।(অবশ্য কোন মামলা নাই)
জমি খারিজ করার জন্য ১৪৫০ /- সরকারি ফি থাকলেও ৬০০০/- ছাড়া কাজ হয় না। সব স্যার দের কে ভাগ করে দিতে হয় এই টাকা না হলে জমি খারিজ হবে না অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয় যা আমার পক্ষে করা সময় সাপেক্ষ নয় আমি চাকুরী করি তাই ৬০০০/- টাকা দিয়েই জমি খারিজ করতে বাধ্য হয়েছি। নিজেকে অসহায় এর মত মনে হয়েছে আসলে ঘুস এর বিরুদ্ধে দেখার কেও নাই বাংলাদেশে।
ঘটনাটি অনেকদিন আগের,, জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে আমার বোনের একটি কন্যা সন্তান হয়,, সন্তান জন্মদানের পরে নার্স রা ঘুষ দাবি করে,, দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকে। পরে দিতে বাধ্য হই।
একটা ইমপোর্ট ডকুমেন্ট, যেখানে একটা আইটেম উল্লেখ করা হয়েছে। কাস্টম অফিসার এটার ক্যাটালগ দাবি করেছিল। কিন্তু মূলত এই ক্যাটালগটা সহজে হয় না, কারণ এটা এমন কিছু কিছু অংশ বাইরে থেকে কিনে তারপর একসাথে করা হয়। অফিসার দাবি করছে এটা ডিউটি দিতে হবে যার মূল্য প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার মত। আবার ইমপোর্টার এই পণ্যটি শুল্কমুক্ত হিসেবে পায়। কোনভাবে কাস্টমার অফিসার কে বোঝানো যাচ্ছে না যে, যেভাবে ক্যাটালগ চাচ্ছে সেভাবে হয় না। তবে উনাকে একটা ক্যাটালগ বানিয়ে দিয়েছিল কিন্তু সেটাও মেনে নিচ্ছে না। যার কারণে দুই লাখ সত্তর হাজার টাকা প্রদান করতে হয়েছিল।
২০২৫ সালের জুন মাসে পাসপোর্ট তৈরির জন্য পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা কাগজপত্র আনতে বলে। আর যদি বাইরে তাদের কম্পিউটারের দোকান থেকে আবেদন করি তাহলে শুধু নিজের এল আইডি কার্ড দিয়ে আবেদন করলেই হয়ে যাবে এইদিকে বাইরের কম্পিউটারের দোকানে সরকারি ফি থেকে ২০০০ টাকা বেশি দাবি করা হচ্ছিল অন্যথায় তা যদি না করি আমার পাসপোর্ট তৈরি করতে অনেক লেট হতে পারে এইগুলা বলে।পরে কাজটি দ্রুত করার জন্য কম্পিউটারের দোকান থেকেই করি
গত কয়েক মাস আগে ফুটবল খেলে আমার পায়ে সমস্যা হয়েছিল, তারপর সন্দেহজনক আমি সরকারি হসপিটালে যায় x-ray করার জন্য, সরকারি ফি হচ্ছে ২০০ টাকা, আরো ৪০ জনের মতন আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম তাদের লিমিট বলে শেষ বলতেছে,পরে সবাই চলে যাওয়ার পর আমি তাকে ১০০ টাকা দেই পরে ওই লোক আমাকে সিরিয়াল দিয়ে দেয়,আমার কথা হচ্ছে লিমিট শেষ হলে আমার সিরিয়ালটা আসলো কোথায় থেকে 😅 সরকারি হসপিটালের প্রত্যেকটা জায়গা প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেন হচ্ছে।
মা বাবার নাম আমার আইডি কার্ডের সাথে একটু বানান ভুল ছিল তাই তাদেরকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে
গাড়ির নাম্বার প্লেট এর জন্য, সরকারি অফিসে দালাল বসে কাজ করে এটা আমার ভিষণ খারাপ লেগেছে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য ৳12000 পেয়েছে
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং চাকরি নবায়নের জন্য আমি সহ আমার সহকর্মীদের কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে ঘুষ চাই না দিলে চাকরি থেকে বের করে দিবে এমন কথা আমাদেরকে বলেছে তাই আমরা বাধ্য হয়ে তাদেরকে টাকা দিয়ে দিছি।
If you want birth certificate then you have to pay extra money.For making them happy.
বছরের শুরুতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি বই বিতরণের সময় প্রত্যেক স্কুল থেকে ৪০০ টাকা কৌশলে টিও নিয়েছেন।
২০১৯ সালে কলেজের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি, কিন্তু উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমার কাছে ৩০০০০ টাকা দাবি করে , টাকা না দিলে বেতনের আবেদনের ফাইল রিজেক্ট করার হুমকি দেয় ,আমাকে চাপে ফেলে টাকা আদায় করে।
জমির খাজনা দেওয়ার জন্য আমি ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম। অনেক ঘুরাঘুরি করেও তারা আমার কাজ করে দেয় না। পরে তারা আমার কাছে খাজনা দেওয়ার জন্য 100000 টাকা দাবি করে। বলে যে এই টাকা দিলে খজনা হবে না দিলে হবে না। অনেক কথা বলার পর 50000 টাকায় রাজি হয়েছে। এবং শেষে 50000 টাকা নেওয়ার পর আমাকে মাত্র 500 টাকার রশিদ প্রদান করে। অফিসের কাছে একটি কম্পিউটারের দোকান আছে ওনাকে 100000 টাকার কথা যখন জানালাম তিনি আমাকে আস্বাস প্রদান করে। এবং হেল্প করার কথা বলে। পরে তিনি আমাকে নিয়ে অফিসে গেলেন এবং আমার হয়ে অফিসে অনেক কথা বলে ঘুষের পরিমান 50000 টাকা করলো। এবং এই কাজের জন্য তিনি আমার কছে 10000 টাকা চাইলেন। কোভাবেই মানতেছিলনা পরে তাকে 9000 টাকা দেই। পরে জানতে পারলাম দোকানদার ওদের সাথে শেয়ার আছে। আমার সামনে সুধু অভিনয় করলো।
আমি যখন মালয়েশিয়াতে পড়তে যাই, তখন কর্তব্যরত ইমিগ্রেশন অফিসার কোনো কিছু ছাড়াই আমার কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা দাবি করে। পরে আমি তাদেরকে দেই, কোনো ঝামেলা হবে এটা আমি চাই না। তাই তাদেরকে দিয়ে আমি মালয়েশিয়া যাই।
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রতি মাসে ৮৫০ টাকা করে সরকারি ভাবে দেয়া হয়। কিছু কাজ জমা দিতে হয় আমি দিয়ে ছি। চেয়ারম্যান বলে ৩ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়েছি। আমি এবং আমার বউ চাকরি করি Echotex. Echotex থেকে সেই কাজ টা করে দিয়েছে। Echotex কোন রকর টাকা নেয় নি অথচ চেয়ারম্যান ৩০০০ টাকা নিয়েছে কিন্তু টাকা আর ফেরত দেয় না।
গর্ভবতী কার্ড করে দিবে বলে ৩০০০টাকা নেই বলে টাকা না দিলে কার্ড হবে না পরে কষ্ট করে টাকা দেই এখন কার্ড হইছে কিনা তাও জানিনা