বেতন স্কেল নির্ধারনী।
অগ্রিম ইনক্রিমেন্টের বেতন নির্ধারনী ২০০০০/- দাবী করে, বুঝিয়ে ১৩০০০/-দিয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
অগ্রিম ইনক্রিমেন্টের বেতন নির্ধারনী ২০০০০/- দাবী করে, বুঝিয়ে ১৩০০০/-দিয়েছি।
ফায়ার লাইসেন্স করে দেওয়ার জন্য কর্মকর্তা ২০ হাজার টাকা নিয়েছে
২০২৪ সালে চাকরি পাওয়ার আড়াই বছর পর জিপিএফ খুলতে গেলে হাটহাজারী হিসাবরক্ষণ অফিস এই টাকা নেয়।
আমি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভাগনা ভর্তি করাতে গেলে আমাকে বেশ কয়েকদিন পোড়ানোর পর বলে সিট পাইতে গেলে ১০০০ টাকা দিতে হবে। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা পরিশোধ করি। পরে আমার ভাগনাকে সিট দেওয়া হয় ও ভর্তি করানো হয়।
৮ হাজার টাকার নিচে নামজারি হবে না অনেক ঘোরাঘুরির পরে দুইটা নাম জারির জন্যে ১৬০০০ টাকা দিতে হয়েছে এটা হয়েছে ১৬ হাজার টাকা দিতে যাব
ডি সি আর নিতে গিয়ে ২ বছর আগে আবেদন করেছিলাম এবং বলেছিল সময় লাগবে না টাকা টা ও দিয়ে যান আমি কেটে রেখে দিব। সেই টাকা দিয়ে আসলে পার হয়ে যায় ১.৫ বছর। এর মাঝে প্রায় ২৭-২৮ বার তাদের কাছে গিয়েছি। গেলে বলে কাল আস, আজ সার নেই,আজ কাজের চাপ। এই সেই। পরে সারভেয়ার পরিবর্তন হয়ে নতুন সারভেয়ার আসেন এবং সে নতুন করে আবার খেলা শুরু করে দিয়েছে। বলতেছে সব কিছুর নির্ধারিত ফি বেড়েছে। আপনার যে খরচ আসবে তা কমায় লিখে দেব আপনি আমাকে এই টাকা দিবেন এই সেই সাত সতেরো।
মোক্তারের মাধ্যমে বন্টননামা দলিল করার জন্য উপজেলায় গিয়ে সকলে সাক্ষর দেয়। সাক্ষর দিতে গিয়ে পুরা নাম না লেখে পেচিয়ে সাক্ষর করা হয়। তারপর সময়ক্ষেপণের পর শুনায় অফিসার ডিউটির সময় শেষ ও এই সাক্ষর চলবে না। পরে টাকা দাবী করলে দিতে বাধ্য হয়। সাক্ষরের পাশে সকলে পুরো নাম লেখতে বলে। ঘুষ দেওয়ার পর সব ঠিকঠাক। মাশাল্লাহ
আমি ভূমি অফিসে অনলাইনে খাজনা আদায় করার সময়। আমার খাজনা দেওয়ার সফটওয়্যার লক থাকে। এই লক ছুটানোর জন্য ভূমি অফিসের কর্মচারী আমার কাছে অনৈতিকভাবে কোন সরকারি ফিস ছাড়া জমিপ্রতি ৩০০+৩০০+২০০ টাকা আদায় করে।
নামজারি করাতে গিয়ে টাকা চেয়েছে৷ আমি বাধ্য হয়েছি
ব্যাংক লোনের জন্য জমির সার্চ সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিলাম উক্ত অফিসের নকলনবীশ উক্ত পরিমাণ টাকা দাবি করে
Daring licences er junno
এলজিইডি অফিসের তালিকাভুক্তকরণ এর নবায়ন ফি ভ্যাটসহ ২৩০০/- হলেও ৪০০০/- নিয়েছে। অফিস সহকারি ও অফিস সহায়ক , নাটোর সদর অফিস। গতবছর প্রতিবাদ করছিলাম। অনলাইনে ছিলো আবেদন সেজন্যে অফিসে ফাইল ভুল ধরে হ্যারেজমেন্ট করা হয়েছে। এবছর অনলাইনের আবেদন করার সিস্টেম উঠিয়ে দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র ঘুষ খাওয়ার জন্য। এবছর বাধ্য হয়ে অফিসে গেলে ওরা আগের বছরের প্রতিশোধ স্বরূপ এবছর সবার কাছে এক্সট্রা ৫০০/- ঘুষ নিলেও আমার কাছে এক্সট্রা ১৭০০/- নেয়া হয়। যা আমাকে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।
ছোট ভাইয়ের পাসপোর্ট করাতে গিয়ে পাসপোর্ট অফিসের লোকজন একবার এটা ভুল ধরে একবার ওটা ভুল ধরে শেষে বাইরে দাঁড়ানো দালাল পুলিশকে টাকা দিলে সব ঠিক হয়ে গেলো ৫ মিনিটের মধ্যে। 2500 টাকা নেয়।
পৈতৃক সম্পদ নামজারি করার জন্য দুইবার আবেদন করেছি। টাকা না দেওয়ায় বাদ তবে টাকা পরিশোধের পর দিন নামজারি হয়ে গেছে। আপনারা এই দূর্নীতি ও ঘুষ থেকে নবীনগরের সকলকে বাচান
Driving licence er jonno mamlar voy dekhiye 10000tk chaicilo,, 3000tk diye chute asci
আমার পাসপোটে আগে নাম চিলো mohamude সেটা আরো ৮ বছর আগে তারাই করচিলো আমার আইড়ি কার্ড় দেখে এখন নাম সংখেপে md দিতে হবে এটার জন্য প্রথমে বলে সব ঠিক করে আনাও ইউনিয়ন পরিশদ থেকে আইড়ি জন্মনিবন্ধন সব পরে টাকা ২০০০ দিলাম আর কোনো ভুল নাই নামে সব ঠিক আমার পাসপোট ও হাতে পেয়ে গেচি
২৫ শত টাকা নবায়নের জন্য চাওয়া হয়। আমি শুধু সরকারি ফ্রি দিতে চাইলে অর্থাৎ ১৫০০ টাকা দিতে চাইলে তারা নানান অজুহাত সৃষ্টি করে এবং সময় অনেক বেশি লাগবে বলে জানায়। তাই আমি বাধ্য হয়ে ২৩০০ টাকা অর্থাৎ অতিরিক্ত ৮০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ এসেছিল সে ৫০০ টাকা দাবি করেছে। ১০ দিন পূর্বে
কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা থেকে আসা স্পেশাল ফোর্স ব্রাহ্মণপাড়া থানা তে রেজিস্ট্রেশন করা গাড়ি থানায় নিয়ে যায় এবং কুমিল্লা শহরে মালিকদের নিয়ে টাকা আদায় করে । সরকারি কোন রিসিভ দেওয়া হয়নি। প্রায় 50 টা মোটরসাইকেল ও 15 পিকআপ আটকায়। 10000/15000 টাকা+ করে নিয়েছে 31.8.2026।
জমা খারিজ খতিয়ানটি করতে হলে ১০ হাজার টাকা দিতে হবে