পচা উত্তোলন
পরচা নম্বর দেখে তথ্য জানতে চাইলে শুধু মাত্র ফোন এ বা ওয়াটচাপ নাম্বারে ফটো আকারে আনতে প্রতি পরচা নাম্বারের জন্য কমপক্ষে ২০০ বা তার বেশি টাকা দিতে হয় না দিলে তথ্য সংগ্রহ করে দেওয়া হয় না
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯১৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পরচা নম্বর দেখে তথ্য জানতে চাইলে শুধু মাত্র ফোন এ বা ওয়াটচাপ নাম্বারে ফটো আকারে আনতে প্রতি পরচা নাম্বারের জন্য কমপক্ষে ২০০ বা তার বেশি টাকা দিতে হয় না দিলে তথ্য সংগ্রহ করে দেওয়া হয় না
সেবাটি নাম জারি ছিল ক্যাশে টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল পরিশোধ করার পরে এখনো পর্যন্ত কাজ ঠিক করে দেয়নি বলে আরো টাকা লাগবে
১৮ শতাংশ জন্য ২,৭০,০০০/- ১০ শতাংশ জন্য ৪,০০,০০০/- ৯.৬৯ শতাংশ জন্য ২,০০,০০০/- ৬ শতাংশ জন্য ২,৫০,০০০/- টাকা ছেয়েছে, এখন পর্যন্ত ৩,২০,০০০/- টাকা দিয়েছি, টাকার জন্য এখনো ঘুরাচ্ছে
চাকরির জন্য পুলিশ একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং স্থায়ী ঠিকানা ভেরিফাই করতে গিয়ে দায়িত্বরত এস আই মিষ্টি খাওয়ার টাকা চেয়ছিল। আমি টাকা না দিয়ে তাদের জন্য মিষ্টি কিনে দিতে চাইলে তারা সেটাকে ঘুড়িয়ে পেচিয়ে টাকা দেয়ার জন্যই চাপ দিচ্ছিল। শেষে নিরুপায় হয়ে আমি ১০০০ টাকা বের করে দিলে তারা সেটাকে ঘুড়িয়ে পেচিয়ে আরো বেশি দাবি করে। অবশেষে আমি আরো ৫০০ টাকা দিয়ে থানা থেকে চলে আসি আমার কর্মস্থলে। তারা পরেরদিন আবারো আমার ঠিকানা অনুযায়ী বাড়িতে গিয়ে আব্বা আর আম্মা কে ভয় দেখায় যে ভেরিফাই ঠিক মত না হলে চাকরি চলে যেতে পারে এই বলে সাথে ৫০০০ টাকা দাবি করে আব্বা ভয় পেয়ে কোনপ্রকার উপায় না পেয়ে আরো ১০০০ টাকা দিয়ে তাদেরকে বিদায় করার চেষ্টা করে তবুও তারা আরও টাকা চেয়েছিলেন। শেষে এলাকার একজন মুরুব্বির কথায় তারা চলে যায়।
amr dadar jomi kha topsil vukto hoyese.. ami seita obomuktir jonno 2 bochor age apply kori kintu sirajganj sador vumi office a amr kase 7 hajar tk chay..ami onek hate paye dhore 4 hajar tk diyechilam amay bolechilo 3 diner vetor kagoj peye jabe..kintu 6 mash par howar poreu amay kagoj deyni akhono..ajke na kal..kalke na porshu korei jacche..onar name ta mone nei..kintu Uni hindu onar basha sirajganj shohorer dhanbandhi alakay .. ami er akti sothik bichar chai..jani apnara korte parben na..kintu ami allahr kase chai er bichar
ফুলকোচা বিদ্যুৎ অফিসে কারেন্টের মিটার নামানোর জন্য ৩,০০০ টাকা চাওয়া হয়েছিল। কাজটির জন্য ৩,০০০ টাকা দেওয়া সত্ত্বেও গত ৩ মাস ধরে মিটার নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে না এবং শুধু ঘোড়ানো হচ্ছে।" দালাল চক্রের অবাব নেই প্রকাশ্যে
১৫ হাজার টাকা দিয়ে দিছি নয় মাস আগে, এখনো অনুমোদন পত্র হাতে পায়নি, আজকাল করে করে ঘোরাচ্ছে।
একটি আবাসিক মিটার নামানো জন্য অফিস খরচের বাহিরে ৫০০টাকা ঘুষ ভাবদ দিতে হয়েছে।
সঠিক বিচার করার নামে ঘুষ নিয়েছে।
সাধারণ ডায়েরি করার জন্য উৎকোচ হিসেবে নিয়েছে ১৩০০ টাকা অদ্যবতি কোন কাজ করেনি
বাৎসরিক খাজা দিতে গেছি , দেখি আরেকজনের নামে জমি খারিজ হয়ে আছে। পড়ে গেলাম বিপাকে তারপর ভূমি অফিসে যে কর্মকর্তা ছিল তাদের সাথে কথা বললাম বলল যে আপনারা জমি বিক্রি করে দিয়েছেন এই জন্যই তো আরেকজনের নামে খারিজ হয়েছে এটা মিস কেস করতে হবে। এবং অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। আর বিশেষ করে তারা টাকা খাওয়ার জন্য আমাকে কোন হেল্প করতে চাচ্ছিল না এবং দিনের পর দিন শুধু ঘুরাচ্ছিল। একটা কথা বলে রাখি তারা নিজেরাই ইচ্ছা করে এগুলো গন্ডগোল বাধিয়ে রাখে যেন সাধারণ মানুষের থেকে টাকা খাওয়া যায়। তারপর আর কি করার আছে ২২ হাজার টাকার বিনিময়ে নথিপত্র ঘাটাঘাটি করে কিছুক্ষণের মধ্যে সবকিছু কমপ্লিট করে দিল। শুধু শুধু হয়রানি এবং ২২ হাজার টাকা ঘুষ এর মাধ্যমে আমার কাজটি কমপ্লিট করি। আর ওদের ব্যবহার অনেক খারাপ ছিল ।
আমরা মোট ৭৬ জন ছিলাম। সবার কাছে ৩২০০ টাকা করে ঘুস নিয়েছে। শুধু পরীক্ষায় পাশ করবাবে বলে। ঘুস না দিলে অবধারিত ফেল। তাই বাধ্য হয়ে দিয়েছি।
কলেজের শিক্ষকদের বকেয়া বিল করতে উনি ৩.৫% টাকা দাবি করেন এবং কলেজের শিক্ষক গন সকলে মিলে টাকা দিয়েছেন।তাছারা প্রত্যেক বিলের পিছনে টাকা দিতে হয়
আমি সরকারি ফি প্রদান করেছি ১৫০০ টাকা।পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্ন।কিন্তু আমার সব কিছু ঠিক ছিল।পুলিশ আমাকে কল দিয়ে থানায় ডেকেছে।তারপর ৫০০ টাকা পুন্দে দিয়েছে।কিন্তু বেশি চায়নাই।৫০০ ই চেয়েছিল😂
পুলিশের পুলিশ ক্লিয়ারেনস জন্য ৫০০ টাকা নিছে
কলকারখানা অধিদপ্তরের ডিআইজি একজন মহিলা পরিদর্শকে একজন এডিশনাল ডিআইজিসহ কারখানা ভিজিটের নাম করে টাকা তোলার জন্য পাঠায়। কারখানায় একেক বার একেক ইন্সপেক্টর আসে। যেই আসে টাকা চায়। এছাড়াও তারা লাইসেন্স করার নামে আমাদের কাছ থেকে ২০,০০০/- দাবি করে। টাকা না দিলে নোটিশ করে । মামলা দেওয়ার কথা বলে।
সিরিয়াল/হোল্ডিং খোলার জন্য আমি ভুমি অফিসে যাই। অফিসের কর্মকর্তা আমার কাছ থেকে ৪০০ টাকা চাইলে আমি রশিদ দিতে বলি। তাতেই সে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। আমি খাজনা দিতে গিয়ে দেখি আমার জমির দাগ নং ভুল হয়েছে। পরবর্তীতে আমি আবাও সে অফিসরে কর্মকর্তার কাছে যাই এবং সে আমার কাছে ১০০০ টাকা দাবী করে। আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিই এবং জমির দাগ নং সঠিক করি। আমার খতিয়ানে জমির দাগ নং সঠিক ছিল।
আমার মামলামামলা নাকি খারিজ করে দিবে বাকি আসামি দের জাবিন দিবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে
আমি গাড়ি চালাতে পারি তাও আমাকে ফেল করে দেওয়া হয়, এরপর ৩০০০ টাকার চুক্তিতে পাস করে দেয় দালাল। তেজগাঁও বি আর টি এ ঘটনা।
নামজারি করার সময় টাকা না দিলে হবে না