নামজারী
আমার সব ঠিক আছে ২বোন ২ ভাই থেকে জায়গা অংশ মূলে ২ ভাই বিক্রি করেছে। কিন্তু তাদের অংশ মূলের কাগজটি আমার কাছে নাই ওরা লন্ডন তাই আমার নামজারী আটকে ২০০০০ দিতে হয়েছে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার সব ঠিক আছে ২বোন ২ ভাই থেকে জায়গা অংশ মূলে ২ ভাই বিক্রি করেছে। কিন্তু তাদের অংশ মূলের কাগজটি আমার কাছে নাই ওরা লন্ডন তাই আমার নামজারী আটকে ২০০০০ দিতে হয়েছে
আমার মেয়েটাকে নিয়ে আসি ভর্তি নেয়ার পরে কর্তব্যরত ডা: ওয়াডে দেয় সেখানে অক্সিজেন লাগাতে টাকা নেয় একটি ছেলে শুধু তাই না নিচ থেকে উপরে নিতে ২০০/- নেয় এক মহিলা বলে আবার টাকা না দিলে নিবেনা (বাচ্চার বয়স ২দিন চলে)
আমি আমার ফুফুর চেক হারানোর ফলে আমি ত্রিশাল থানায় একটা জিডি করতে যাই।জিডি শেষে সেখানের কর্মকর্তা আমার কাছে ২০০ টাকা ঘুষ দাবি করে পরবর্তীতে আমি তা দিতে না চাইলে সে বলে সে আমাকে জিডির কপি দিবেনা।যেহেতু আমার ফুফু বুড়ো মানুষ তাই তাকে নিয়ে আরেকদিন সেখানে আসা সম্ভব ছিলোনা তাই বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা ঘুষ দিয়ে আমাকে কাজটি করাতে হয়
আমি আমার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম। এর জন্য অনেক কাগজপাতি ও বিভিন্ন দপ্তরে স্বাক্ষর নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল এবং নানা জটিলতা দেখানো হয়েছিল। কিন্তু টাকা দেওয়ার পরেই সব ঠান্ডা হয়ে গেল! সহকারী লাইসেন্স পরিদর্শক টাকা নিলেন এবং মাত্র ২ দিনেই কাগজ হয়ে গেল। এখন প্রতিবছর শুধু তাকে ফোন করে টাকা দিলেই কাজ হয়ে যায়।
নাটোর জেলার, সিংড়া উপজেলার, কলম ইউনিয়নের প্যানেল চেয়াম্যান ও মহিলা মেম্বার মিলে প্রতিবন্ধি নয় এমন অনেক মানুষকে টাকার বিনিমইয়ে কার্ড করে দিছে। বিধবা ভাতার কার্ড করে দিতেও অনেক টাকা নেয়।
আমি কোর্টে একজন নিরপরাধ ব্যক্তির জামিনের ব্যাপারে বলেছিলাম।ওরা প্রথম তারিখে টাকা না দেওয়ায় জামিন হয়নাই ।পরে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা চাইলো। দিলে জামিন হয়ে গেলো।
জমি খারিজ করতে দিয়েছি খারিজ করতে লাগে ১১৭০ টাকা দাবি করেছেন ৬০০০ পরে ৪৫০০ দিয়েছি। উপায় ছিল না
আমাকে আইডি কার্ড করে দিবে, এবং করে ও দিয়েছে। আমার কাছ থেকে ৭০০০ হাজার টাকা নিয়েছে।
এখানে এক বছরের হিসাব আছে, প্রতিমাসে ভ্যাটি টান সাবমিট করতে হলে প্রত্যেক কোম্পানিকে ভ্যাটি ARO কে ১৫০০ টাকা এবং অফিস খরচের জন্য সিল দিতে আরো ৫০০ টাকা দিতে হয় । এর আগে আমরা সাভার ভ্যাট অফিসে ভ্যাট জমা দিতাম সেখানেও একই সিস্টেম, প্রত্যেক রিটার্নের জন্য ২০০০ টাকা করে লাগে । টাকা না দিলে অডিটের ভয় দেখায় ।
মোটরসাইকেলের নাম্বার প্লেট সংগ্রহের জন্য জনপ্রতি ১০০/- টাকা করে দেওয়া লাগে।
আমি রাস্তার পাশে যেখানে অন্য কয়েকটি মোটর সাইকেল ছিল। উনার গাড়ি ছিল।ওখানে রেখে জরুরি ঔষধ নিতে ফার্মেসি তে গেলাম,আসার পর উনি কাগজ পত্র দেখতো চাইলো দেখালাম। তারপর টাকা চাইল না দিলে পার্কিং এর মামলা দেবে। বললাম আমি বেআইনি হলে তো অন্যান্য মোটরসাইকেল ও বেআইনি ভাবে রাখছে।আমাকে ধমকি দিয়ে গা তেড়ে আসলো।
পাস পোর্ট বানাতে গিয়ে ৮২০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানানো হয়েছে। পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে সকল কম্পিউটার এর দোকানদার দালাল।
আমি আইআরসি করতে গেছিলাম পঞ্চাশ লাখ টাকার ডকুমেন্ট তৈরি করেছি যার সরকারি ট্রেজারি চালান ছিল 27500/ টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।
ডকুমেন্টস জমা দিতে গিয়ে অফিসের পিয়ন ১০০ টাকা চায়, এবং এডমিট কার্ড গ্রহণ করতে যাওয়ার পর জনপ্রতি ২০-৫০ টাকা করে চেয়েছেন। সবাই দিচ্ছিলো আমি প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম, পরে আমার ফ্রেন্ড বললো কিছু না বলে দিয়ে দেয় নয়তো ইনকোর্স পরীক্ষায় মার্ক না দিলে বা হয়রানি করলে কি করবি।
ঢাকার ভাটারা তহসিল অফিসে নামজারির ভুল সংশোধনের জন্য দুই লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। সরকারের ফি ছিল মনে হয় কয়েক শত টাকা।
আমার কাবিননামা চায়তেছে বলতেছে কাবিন নামা ছাড়া হবে না৷ তার পর ২ হাজার টাকা টুপ দিলাম বলে লাগবে না 🤣
লাইসেন্স অনলাইনে নবায়ন করা যায়, গতো বছর করেছি যখন ইউনুস সরকার ছিল কিন্তু এই বছর আর ঐ নবায়ন লিংকে বার বার চেষ্টা করেও ঢুকতে না পেরে, সিটি কর্পোরেশনে গেলে সরাসরি বলে, আমি করে দিচ্ছি, ৩০০ টাকা লাগবে, আমি বললাম আমি কেন করতে পারছিনা, বলল তা তো জানিনা, অথচ পাসওয়ার্ড ও ইউজার নাম লাগে, কিছুই নিলোনা কিন্তু নবায়নের আবেদন করে দিলো, ৫০০ চেয়েছিল ৩০০ দিয়েছি।
কিশোরগঞ্জ ফিঙ্গার অফিসে প্রতিটি লোকের কাছ থেকে বাধ্যতা মুলক ভাবে ৫০ টাকা করে নেওয়া হয়। এই পুরা টাকা ঘুষের টাকা।হিসাব করলে প্রতিদিন ৫০০ লোকের যাতায়াত এই অফিসে।।যা ৫০ টাকা করে নিলে বছরে এই টাকার পরিমাণ দারাই নব্বই লাখ টাকা(৯০,০০০০০)।। কি পরিমাণ দূর্নীতি হচ্ছে এই ছোট খাটো অফিসে একটু চিন্তা করেন।।
ইউনিয়নের খাতায় নথিভুক্ত আছে এবং পাসপোর্ট অনুযায়ী টাকা না দিলে সংশোধন করা যাবে না
আমি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়েছিলাম নামজারি করার জন্য ৷ আমার কাছে থেকে ৮,০০০/- টাকা চাওয়া হয়েছিলো ৷ আমি প্রথম দিকে কোনো টাকা দিতে রাজি হইনি ৷ এবং আমি নিজে নিজেই অনলাইনে আবেদন করেছিলাম ৷ কিন্তু ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে রিপোর্ট দিয়েছিলো আমার জমির মালিকানা প্রমাণিত হয়নি ৷ এরপর এসি ল্যান্ড শুনানির জন্য তারিখ দিয়েছিলো ৷ আমি শুনানিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু আগের সকলে খারাপ রিপোর্ট দেওয়ায়, নামজারি আবেদন নামঞ্জুর করে দিয়েছিলো ৷ পরবর্তীতে আবার নামজারির আবেদন করে নিজে নিজেই অফিসে ঘুরে ঘুরে ৪৫৭০/- টাকা দিয়ে নামজারি করিয়ে নিয়েছি ৷ ৪৫৭০/- টাকার মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ১৫০০/- দিয়েছি এবং এসি ল্যান্ড অফিসে ৩০৭০/- ( অরিজিনাল সরকারি ১১৭০/- টাকা সহ) টাকা দিয়েছি ৷