Toli vara.. Kebin vara
চিয়ারে নিয়ে গিয়ে ১০০ টাকা ভাড়া। গেট পাশ বাবদ ৪০ টাকা রাখা।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চিয়ারে নিয়ে গিয়ে ১০০ টাকা ভাড়া। গেট পাশ বাবদ ৪০ টাকা রাখা।
কাবিন নামা নেই বলে ফিরিয়ে দেয়, পরে কম্পিউটার এর দোকানে কথা বলি,তারা বলে ১৫০০ টাকা দিলে হবে, আমাকে পরের দিন আসতে বলে, পরের দিন ১৫০০ টাকা দিলে কাবিন নামা ছাড়া ফাইল জমা নেয়।
কোন সরকারি কর্মচারী ডাক্তার সঠিক টাইমে আসে না ৯ঃ০০ টার সময় আসার কথা কোনো ডাক্তারি নয় টার সময় পাওয়া যায় না দশটা এগারোটা পর থেকে পাওয়া যায় এবং যে রিপোর্ট ৫ টাকা করে নেয় সেটা সরকারের নেয়ার কথা হলো তোর টাকা সেটা তিন টাকা বেশি নেয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল সরকারি, কি আমার কথা হল কেন তিন টাকা বেশি নিবে, ডাক্তারটা সঠিক নিয়মের অফিসও করে না আর সঠিক নিয়মে থাকে না পার্সোনাল ভাবে প্রাইভেটে যায় রোগী দেখে
নতুন বা নবায়ন করা জন্য বেশি টাকা দিতে হয়, দালাল আছে।
আমি ভূমি অফিসে গিয়েছি আমাকে দেখে একজন পিয়ন বলে ভাই আসেন, কাজ কাম নাই বসে আছি, কাগজপত্র দেন দেখি, আপনার মিউটেশন করিয়ে দেব ৬০০০ টাকা দিয়েন, বোঝেন তো সাররা টাকা ছাড়া কথা শোনে না। শত শত মানুষ টাকা দিয়ে এভাবে মিউটেশন করাচ্ছে, কোন পিওনের সাথে যোগাযোগ না করে আমি একবার আবেদন করেছিলাম খতিয়ানের অনলাইন কপি নেই বলে আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছিল
আমি ২০২৬ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ভাইবা দেওয়ার সময় জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আমাকে বলে ভাইবার নাম্বার তারা দিয়ে দিবে।বিনিময়ে তাদেরকে ৯০০০০ টাকা দিতে হবে আমি যেহেতু তাদের সাথে যোগাযোগ করি এবং আমার এডমিটকার্ড তাদের কাছে দিয়ে দেই তাই চিন্তা করি যেহেতু তাদের সাথে আলাপ করেছি এখন যদি টাকা না দেই তখন তারা যদি আমাকে ফেল করিয়ে দেয় তাই ভেবে টাকাটা দিয়ে দেই। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার চাকরিটা হয়নি। হয়তো আমি অবৈধ পথে যাওয়ায় তার হয়নি।তাই মনে কষ্ট নেই। কিন্তু আমি আর আমার টাকাটা ফেরত পায়নি। আমি হয়ে টাকা দিয়েছি তার প্রমাণ আছে। এখন আমি কি করতে পারি।
আমার নানা একজন মুক্তিযোদ্ধা সে মারা গিয়েছে, এখন আমার নানী এবং আমার মা ব্যাংকে গিয়েছে লোন তোলার জন্য ফুলবাড়ী উপজেলা সোনালী ব্যাংকে। সেখানে তারা ৫ লক্ষ টাকার লোন ব্যাংকের কাছে চায়। সবকিছু পেপার সঠিক থাকা সত্ত্বেও তারা ৫০০০০ টাকা ঘুষের জন্য দাবি করে। এই ঘুষ যদি তাদেরকে না দেওয়া হয় তাহলে তারা নানান প্রকার ভাবে হয়রানি করে হাওয়া কাজও তারা ঢিলে করে দেয় এবং ঘুষ দেওয়ার পরে কাজটি তাৎক্ষণিকভাবে করে তারা।
গাড়ি ভাড়া করে বাসায় যাওয়ার পথে হঠাৎ ট্রাফিক পুলিশ সায়েন্স ল্যাব মেইন রোডে গাড়ি থামিয়ে গাড়ির ও ড্রাইভারের কাগজপত্র ও ইঞ্জিনের নম্বর চেক করেন। কিছু না পেয়ে গাড়ির প্লেট নম্বর ডিজিটাল না দাবিতে চালান দিয়ে দেন। দাবি করেছিলেন ১২০০৳। মূলত আমি নই যেহেতু ভাড়ার গাড়ি তাই ড্রাইভারই পরিশোধ করেছিলেন
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির জন্য ৬০০০ টাকা নিয়েছে। অথচ নামজারির ফি ১১৭০ টাকা।
আমি প্রতিবন্ধী ভাতা করতে চেয়েছি আমার কাছে 3000 হাজার টাকা চেয়েছে একপর্যায়ে কথা বলার পর 2000 হাজার টাকা ঠিক হয় তারপর আমাকে সমাজসেবা কার্যালয় নিয়ে যায় সেখানে যাওয়ার পর ডাক্তার দেখানোর জন্য টাকা লাগবে তার পর ওখানে 500 টাকা নেয়
আমার ফ্যাক্টরির উৎপাদিত পণ্যের মূল্য ঘোষণা করার জন্য VAT অফিস এ ৫০,০০০ টাকা দিয়েছি। অন্যথায় আমার উৎপাদিত পণ্যের মূল্য তারা বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছিল। অর্থাৎ আমি আমার পণ্য বিক্রি করি ১০০ টাকা। VAT ১৫ টাকা। কিন্তু তাদের দাবি আমি আমার পণ্য বিক্রি করি ২০০ টাকা। তাই আমার VAT হবে ৩০ টাকা। ১৫ টাকা VAT কে ১৫ টাকা রাখার জন্য এই ঘুষ।
এমপিও ফাইল এর আবেদন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের করার কথা কিন্তু উনি না করে ওটা একজনের কাছে পাঠিয়ে দেন তাকে আবার ৩ হাজার টাকায় কন্টাক্ট করা লাগে তারপর ফাইল আবেদন করার জন্য,পরে এটা আর অনুমোদন হয় না উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় থেকে এবং রিজেক্ট করে দে পরবর্তীতে যার মাধ্যমে আবেদন করেছি তার সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে শিক্ষা অফিসার কে দুই হাজার টাকা দিতে হবে, বাধ্য হয়ে দুই হাজার টাকা দিয়ে এবং এইবার উপজেলা অফিস থেকে ফাইল এপ্রুভ হল। টাকাটা আমি সশরীরে সসম্মানে প্যাকেটের ভিতর দিয়ে আসি।
আমার পিতার মৃত্যুর পর নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড হতে যৌথ বীমা 300000 টাকা পাবার কথা কিন্তু সব কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমার আবেদনের ডায়েরী নাম্বার পড়ে না। অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করলে যিনি এ বিষয়ে কাজ করেন তিনি বলেনে এনআইডি কার্ড অনলাইন নাই, ভুল আছে। সব ঠিক করলে 10000 টাকা লাগবে। আমি বাধ্য হয়ে টাকা দেই। পরে তিন দিনের মধ্যে সব হয়ে গেছে।
আমি BRTA এর অধিনে ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য পরিক্ষায় সব কিছু ঠিক ঠাক দিলেও ওয়েব সাইটে রেজাল্ট চেক করে দেখি আমাকে ইচ্ছা করেই ফেইল দিয়ে দেয়। তারপরে সেখানের কর্ম রত এক ব্যাক্তি আমার কাছে থেকে ৪ হাজার টাকা নেয় লাইসেন্স পরিক্ষায় পাস দেওয়ার কথা বলে। টাকা দেওয়ার পরে আমাকে পাস দেওয়া হয়
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে এটা লাগবে, নইলে বার বার ফেল করানো হবে। এমনটাই বলা হয়েছিল।
নাম জারি করার সময় আমার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছে।
আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে এমপিওর ফাইল আটকে দিয়েছিল এক ব্যক্তি। আমাদের ফাইলে কোন ভুল ত্রুটি না থাকা সত্ত্বেও সে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ধরেছিল। সেই বাহানায় আমাদেরকে অনেকদিন যাবত ঘুরিয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাকে টোটাল ২০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে আমাদের এমপিওর ফাইল ঢাকা পাঠানোর জন্য।
মোটরসাইকেলে ফগ লাইট জ্বালানো ছিল এই অপরাধে ২০০০ টাকা ঘুষ প্রদান করা হয়েছে,, এবং একটা সরাসরি এক এসআই নিয়েছে,, নয়তো পাঁচ হাজার টাকার মামলা দিবে,,, আরো অনেক ঝামেলা করবে,, বিভিন্ন ইস্যু দাঁড় করিয়ে মামলা দিবে বলছে
আমি ২০২৩ সালে NTRCA এর মাধ্যমে হাইস্কুল এ সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশ প্রাপ্ত হই।MPO করার সময় উপজেলা শিক্ষা অফিস ১০০০০ টাকা দাবি করে সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও। আমি যেহেতু NTRCA সুপারিশ প্রাপ্ত আমার কাগজ পত্রে কোন সমস্যা ছিলনা। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মিষ্টি বাবদ ১০০০০ টাকা দাবি করে আমি অপরাগতা প্রকাশ করলে আমার ফাইল আটকে রাখে।পরে উপায় না পেয়ে ৫০০০ টাকা দিলে ফাইল জেলায় পাঠায়। জেলা শিক্ষা অফিসার কোন টাকা নেয়নি উনি বিভাগে ফাইল পাঠায় কিন্তু বিভাগের তত্কালীন ডিডি ফাইল অনুমোদন ও দেয়না রিজেক্ট ও করেনা পেন্ডিং রাখে এমপিও মিস হয়ে যায়।৫ মাস পর ১০ হাজার টাকা দালাল এর মাধ্যমে ডিডিতে দেওয়ার সাথে সাথে ফাইল অনুমোদন হয়ে এমপিও হয়ে যায়।এই সমস্যা সমাধানে সরকারের অটো এমপিও চালু করা উচিত।
MPO আবেদন করার পর তা সাভার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়নি। পরবর্তীতে আমরা তিনজন শিক্ষক ১০০০ করে মোট ৩০০০ টাকা দেওয়ার পর ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে পাঠায়।