হোল্ডিং ট্যাক্স
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব শাখার কর্মচারী লিট* আর *ভ ২০২৫ সালে চা নাস্তার কথা বলে প্রায় ১৫০০০ টাকা নেয়। খুব সম্ভবত উপ সহকারী পরিচালক / সহকারী পরিচালক এর যোগসাজশে তারা এই দুর্নীতির উৎসব পালন করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব শাখার কর্মচারী লিট* আর *ভ ২০২৫ সালে চা নাস্তার কথা বলে প্রায় ১৫০০০ টাকা নেয়। খুব সম্ভবত উপ সহকারী পরিচালক / সহকারী পরিচালক এর যোগসাজশে তারা এই দুর্নীতির উৎসব পালন করে।
একচেটিয়া সবার জন্য নিয়ম করে নিয়েছে তারা। প্রতি ফাইল কমপক্ষে ১৫হাজার টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লক্ষ টাকাও হয়ে থাকে। যেমন পানির বোতল লাইসেন্স।
আমি যখন অনলাইনে আবেদন করি তখন ভূমি অফিস থেকে কল দিয়ে বলে তোমার নামজারি জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে তখন বলেন তোমার অরজিনাল দলিল নিয়ে আমাদের সাথে দেখা কর পরের দিন দেখা করি সবকিছু চেক দিয়ে আমাকে বলে তোমার তোমার দলিল নাম প্রত্যয়নের জন্য আমাদেরকে ২৫০০ টাকা দিতে হবে নিরুপায় হয়ে আমি পে করেছি।
আমার সকল পেপারস/ কাগজ ঠিক ছিল, কিন্ত যখন জমা দিতে যাই তখন ফিরিয়ে দেয় কাগজ পত্র ঠিক নেই বলে, বলেছিলাম কি লাগবে বলেন, তারা বল্লো বাহিরে লোক আছে দেখেন, তখন একদল দালাল চক্র তাদের থাকে পাসপোর্ট অফিসে, তাদের কাছে গিয়ে দেখি আসলে সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু তাদেরকে টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না
পুলিশ ভ্যারিফিকেশনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভয় দেখায়
আমি নামজারি করতে গেছিলাম। ২৮ দিনে নামজারি হওয়ার কথা ছিলো। ঘুষ ছাড়া ফাইল আটকে ছিলো। ৩ মাস পরে বলেছিলো ফাইল হারিয়ে গেছে। অফিসের নিচু পদের কেউ কৌশলে টাকা চেয়েছিলো। দেওয়ার ৩/৪ দিনেই কাজ হয়ে যায়।
নতুন গাড়ি, তবুও কোথায় নাকি কার্বন আছে দাবী করে সাথে সাথে রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য প্রথমে ১হাজার টাকা দাবী করে। পরে ৫০০ টাকায় দফারফা করে। এটা কান মচলিয়ে পয়সা নেয়ার মতন। এটা খুবই কমন ব্যাপার বিআরটিএ তে। আর দালাল আছে প্রচুর, যারা এই দূর্নীতি আরও বাড়িয়েছে।
আমি গেছিলাম একটা জমি রেজিস্টার করতে, তো আমার কাগজ সব ঠিক ছিলো কিন্তু একটা কাগজ সাদাকালো ছিলো এর জন্য আমার জমি রেজিস্টার করতে চায় নি। পরে মেজিস্টেডের সাথে একটা লোক থাকে সে ৩৫০০ টাকা চায় তা না হলে সে দললি পাস করবে না। তো আমি বাদ্য হয়ে দিছি, যদি না দিতাম তাহলে জমি ওয়ালা ঝামেলা করতো, আর পরবর্তিতে আমার দলিল লেখক কেও সে হুমকি দেয় তার আর কোন কাজ করবে না। তাই আম বাধ্য হয়েই দিতে হয়। আর এখনো এগুলা করে অন্য লোকের সাথে। আর সেখানে আরো অনেক রকম ঘুষ লেনদেন করা হয়।যেমন জমির নকল উঠাইতে গেলে ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকা নেওয়া হয়
এখানে প্রতি বিল অফ এন্ট্রি করতে টাকা প্রদান করতে হয় ডাটা এন্ট্রি অপারেটর দের টাকা না দিলে তারা নানা ভাবে কাজের সময় খ্যাপন করেন ।
নাম জারি করাতে গিয়ে আমার এই অভিজ্ঞতা হয়েছে তাদের আশেপাশে প্রচুর দালাল থাকে তারা সরকারি চেয়ারে বসেই ঘুষ দাবি করে বলেই ফেলে সরকারি খরচে তে পারেন সে ক্ষেত্রে কতদিন সময় লাগবে বলতে পারছিনা হতে পারে ছয় মাস কিন্তু আপনি যদি আট হাজার টাকা দেন সে ক্ষেত্রে আপনাকে এক সপ্তাহের মধ্যে করে দিতে পারব। বাধ্য হয়ে মানুষ তিক্ততায় পড়ে সরকারি অফিসের কর্মকর্তাকেই দিতে বাধ্য থাকে তাদের শক্ত একটি দালাল চক্র সব সময়ই আশেপাশে থাকে। এই টাকা ভূমি অফিসের সকলেই এমনকি এসিলেন্ড সহ তারা খায়। এটা শুধু আলেকজান্ডার রামগতি থানার লক্ষ্মীপুরে নয় সারা বাংলাদেশে একি কাহিনী। সুতরাং মন্ত্রণালয় মূল্যায়ন কর্তৃক এটা কে শক্তভাবে হস্তক্ষেপ না করলে প্রত্যেকটি মানুষকে তারা এইভাবে বাধ্য করে অর্থ আত্মসাৎ করেই যাবে।
আমার মামার সৌদিতে যাবার জন্য ফিঙ্গার অফিসে গেলে, কম্পিউটার অপারেটর জনাব (M) & (F) ও পিওন (S) নামের ৩ জন্য ব্যক্তি, আমার কাছে মোফার কপি না থাকার কারনে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। পরবর্তিতে ৩ হাজার টাকায় তারা রাজি হয় এবং ফিঙ্গার দেয়। কিন্তু মজার বিষয় হলো ফিঙ্গার দিতে শুধু পাচপোর্ট লাগে এবং ২০০ টাকা দিয়ে bmet রেজিট্রেশন লাগে, তারা মোফার কাগজ নামের নাটক সাজিয়ে জনগনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
আমি গত ২৪ তারিখ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করি। ২৫ তারিখ রাত১১:৩০এ বাগেরহাট সদর থানা থেকে কল করে একজন পুলিশ কর্মকর্তা। আমি ২৬ তারিখ সেই কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করি। সে আমার সকল তথ্য যাচাই করে বলে সব ঠিক আছে। তার পর বলে অফিস খরচ দিতে হবে ১২০০ টাকা। আমি বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ৬২৫-৬৩০ টাকার মতো দিয়ে ডিল করি। আমি কর্মকর্তার নাম আর কন্টাক নাম্বার প্রকাশ করলাম না
নামজারি করতে সকল ডকুমেন্টস সাবমিট করার পরও টাকা না দিলে নামজারি হবে না। জিজ্ঞেস করলাম এত টাকা দিতে হবে কেন,বলল ভাই টাকা কি আমি নিবো যতগুলো টেবিলে এই কাগজ যাবে সাবাইকে কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে,আর না দিলে কাগজ টেবিলে পরে থাকবে,কাজ হবে না,আমি আপনার কাজটা করে দিবো আমার কিছু খরচ আছে না।পরে দিলাম। নামজারি টা অবশ্যই হযেছে আমার কে কিছুর জন্য আর ডাকে নি।উল্লেখ যে ভুমি অফিস ইউনিয়ন অফিস যে কোন কাজেই জন্যই যাই সরকার যেসব কাজ ফ্রি করেছে তার জন্য কিছু না কিছু টাকা দেওয়া লাগে দিলে কাজ সাথে সাথে হয়,না দিলে দারি কমা নিয়েও হয়রানি হতে হয়,আর এই হয়রানির ভয়ে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়।কারন এর প্রতিবাদ করার কেউ নেই।
আমার বাবার হজে যাবে বলে পাসপোর্ট এর আবেদন করি। আমাকে বলে এটা করতে হবে ওইটা করতে হবে এই কাগজ নিয়ে আসেন এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসেন অনেক ঝামেলা, কি পেশা ইত্যাদি আরোগ্য সমস্যার কথা আমাকে জানাই। পরে আমি বললাম আমার বাবা হজে যাবে এজন্য কাজটা করে দেন যাতে আপনাদের সওয়াব হবে। আমাকে বলেছে সন্ধ্যার পরে দেখা করবেন আমার নাম্বার নিয়ে যান। করে সেই লোকের নাম্বার নিয়ে সন্ধার পরে দেখা করে এবং ফোন দেই সে আমাকে বলে যে ১২০০ টাকা ছাড়া আপনার এটা করা যাবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন আছে প্রচুর সমস্যা। যে তোর বাবা হজে যাবে আমিও ছোটখাটো একটা ব্যবসার সাথে জড়িত সময় দিতে পারি না তাই বাধ্য হয়ে ১২০০ টাকার মাধ্যমে কাগজগুলো জমা দিতে সক্ষম হয়। করে পাসপোর্ট হয়ে আসে। হজের যাত্রীর থেকে টাকা খায় তারা বিষয়টা খুবই দুঃখজনক
ভুমি অফিসের নায়েব, সে আমাকে আমার জমি খারিজ করে দিবে খসড়া তৈরি করে দিবে, যদি তাকে টাকা দেই আর যদি টাকা না দেই তাহলে সে বাতিল করে দিবে, এবং AC Land ভূমি অফিসে পাঠাবে বাতিল হিসেবে যেকোনো ভুল বানায় বাতিল করে দিবে
পিটিআই তে যাবার জন্য আমার নাম উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে এসেছিল।নাম কাটার জন্য কাম কম্পিউটার অফিস সহকারী আমার কাছে টাকা দাবি করে।পরবর্তীতে দেই।কিন্তু এ কাজ দুবার করেছে। আমার নতুন নিয়োগ হওয়ায় বুঝতে পারিনি। যে কোনো ছোটো বিষয় নিয়ে গেলেও ঘুষ (টাকা) দাবি করে। সরাসরি চায় না কিন্তু না দিলে কাজ হয় না।
বরিশাল সদর হাসপাতালের ইমারজেন্সি কক্ষে যত আত্মীয় স্বজনকে হাত পা কেটে যাওয়া রোগি নিয়ে গেছি প্রত্যেকের ব্যান্ডেজ/ক্লিনিং করার পর প্রতিবার ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার স্ত্রীর মাতৃকালীন ভাতার আবেদন করতে গেলে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অফিসার( চরফ্যাশন পৌরসভার নিচ চলায় বসে) আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও ১৫০০ টাকা নেয়। অথচ এটি সম্পূর্ণ সরকারি ফ্রি সেবা। আমি যানতে পারি ঐই অফিসার নিয়মিত এমন ঘুস নিয়ে থাকে।
জমি নাম্পত্তন করতে গিয়ে ভূমি অফিস থেকে অন্য অফিস কিসু সাইন করতে পাঠায় ।সেখানে গেলে আমার কাস থেকে ১০০০ টাকা কা ।জানতে চাইলে বলে এটা সবাই দেই ।ডকুমেন চাইলে বলে লাগবেনা ।আমি আর বাড়াবাড়ি করলামনা ভয়ে যদি আমর পেপারে সাইন না করে।তখন ধরে নিলাম এই টাকাটা সবার কাস থেকে নেওয়া হয়।এটা প্রতিনিয়ত চলছে ।আমি ধারণা করি এই টাকার ভাগ উপরের সবাই পাই।তাই কেউ বাধা দেই না
Income tax office doing an investigation on my tax file. they blocked my bank account, to release the back account i need to pay 6000 taka as GUSH