Renewal of Passport
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ৯৫% কেসে, টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।।।সব গুলো দালাল।।আনসার সদস্য গুলো দালালদের চেলা।।আপনার কাগজ পত্র যতোই সঠিক থাকুন না কেন, এরা কিছু না কিছু ভুল ধরবে।।ঘুস ছাড়া কাজ হয় না।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উত্তরা পাসপোর্ট অফিসে ৯৫% কেসে, টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না।।।সব গুলো দালাল।।আনসার সদস্য গুলো দালালদের চেলা।।আপনার কাগজ পত্র যতোই সঠিক থাকুন না কেন, এরা কিছু না কিছু ভুল ধরবে।।ঘুস ছাড়া কাজ হয় না।।
amar mpo kagoj submit korar jonn
আমি সিঙ্গাপুর প্রবাসী। দাঁতের প্রচণ্ড ব্যথার কারণে বাংলাদেশে এসে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাই। নিয়ম অনুযায়ী টিকিট নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়ানোর পরও আমাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি এবং কয়েকদিন ধরে ঘোরানো হয়। পরে একজন ব্যক্তি আমাকে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে নিয়ে যান এবং সেখানে আমার কাছ থেকে ১,৪০০ টাকা নেওয়া হয়। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কেন আমাকে ব্যক্তিগত চেম্বারে পাঠানো হলো এবং সেখানে কেন ১,৪০০ টাকা নেওয়া হলো—বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
পেনশন এর কাজ করে দেওয়ার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করা হয়ে ছিল
আমার বাইকের সকল কাগজ ছিল।কিছু না পেয়ে বলে পিছনের যাত্রীর হেলমেট নাই সেটাও ছিল। এরপর সার্জেন্ট সাহেব আমার কাছে ১৫০০ টাকা ঘুষ চাই। আমি বলি আমি দিতে পারবো না উনি রেগে গিয়ে আমার নামে ৩ হাজার টাকার একটা হয়রানি মূলক মামলা ডায়ের করে দেয়। এটাই চুতিয়া বাংলাদেশ।
ভাইয়ের হার্টের এনজিওগ্রাম পরীক্ষা করানোর পরে ওয়ার্ডবয় ২০০ টাকা দাবি করে, পরবর্তীতে হার্টে স্টেন্ট পরানোর সময় ঝামেলা করতে পারে ভেবে দিয়ে দিতে হলো, উল্লেখ্য সব রোগী থেকে বিভিন্ন অযুহাতে ২০০ টাকা করে নিচ্ছিলো। পরে রিলিজ দেয়ার সময় নার্সরা ছাড়পত্র বুঝিয়ে না দিয়ে আয়ার হাতে দেয়, আয়া হাসপাতাল বা সরকার থেকে কোন বেতন পায়না দাবি করে নার্সদের সামনেই ২০০ টাকা দাবি করে, ১০০ টাকা দিতে চাইলেও নেয়নি, দেখলাম সব রোগী থেকেই ২০০ টাকা করে নিচ্ছে। পুরো সিস্টেম এমনভাবে পরিচালিত হচ্ছে এখানে টাকা না দিতে চাওয়াটা যেন অন্যায়!
আমার পাসপোর্ট যখন রিনিউ করার জন্য গিয়েছিলাম, আমার ডকুমেন্ট জমা নেয়ার পরে যে ডেটে পাসপোর্ট দেওয়ার কথা ওই ডেটে না দিয়ে আমাকে ঘোরাতে থাকে, পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার তিন মাস পর আমার পাসপোর্ট আমি হাতে পাই। আমার সকল ডকুমেন্টস প্রথমে যখন জমা দিয়েছিলাম সেগুলো ঠিক ছিল, তখনও টাকা দাবি করেছিল, আমি দেইনি, তার জন্য আমার কাগজ জমা দিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগে।
আমার এমপিও ভুক্ত হতেও ডিডি অফিস মিরপুরে টাকা দিতে হয়েছে, এবং বকেয়া টাকা উত্তোলনের জন্য টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, মোট 60,000 টাকা
ঘটনাটি আরও কয়েকবছর আগের,আমার জরুরী জন্মনিবন্ধন প্রয়োজন ছিলো,তো ২৫০ টাকার বিনিময়ে করে দিবে কিন্তু সময় লাগবে সর্বনিম্ন ১ মাস বা তারও বেশি।তো এটা শুনে আমি একটু আপসেট হয়ে বসে ছিলাম কারন আমার তখন জরুরী প্রয়োজন ছিলো।তখন ঔ পরিষদের কম্পিউটার অপারেটর আমাকে সাইডে ঢেকে নিয়ে বললো ভাই ১০০০ টাকা লাগবো, আপনি শুধু ১ ঘন্টা বসবেন আমি বাংলা ইংরেজি দুইটাই অরিজিনাল বের করে দিবো।তখন আমি একটু অবাকও হই আবার রাজিও হই কারন আমার জরুরী প্রয়োজন।কিন্তু এতে দ্রুত বের করা সম্ভব আমার কল্পাতেও ছিল না।তারপর আমি টাকা দেওয়ার সে কম্পিউটারে বসে সবার কাজ রেখে আমার কাজ আধাঘন্টার মধ্য জন্মনিবন্ধন বের কে চেয়ারম্যানের সাইন নিয়ে সবকিছু কম্প্লিট করে দিলো।জন্মনিবন্ধন যে এতো দ্রুত করা সম্ভব তা হয়তো আমার মতো অনেকেই জানে না।
অনলাইনে একটি ফ্ল্যাট মিউটেশন এর জন্য আবেদন করেছিলাম, সমস্ত কাগজপত্র দলিলাদি ঠিক থাকা সত্ত্বেও দুই হাজার টাকা দাবি করেছিল এবং সেটা দিতে বাধ্য হয়েছিলাম নতুবা তারা ভূমি অফিস থেকে এসি ল্যান্ড অফিসে ফরওয়ার্ড করবে না।
সাধারণত আমি ভুমি অফিস জমি খারিজ করতে সরকারি ফি লাগে ১১৫০ টাকা,,, সেখানে ১৪ শতাংশ জমি খারিজ করতে আমার কাছে 7000 টাকা নিয়েছে।
৬ টা দলিল খারিজ করতে আমার কাছ থেকে ৩০০০০ টাকা টাকা নিছে, আথচ সরকারি ফি ১১০০ টাকা
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব শাখার কর্মচারী লিট* আর *ভ ২০২৫ সালে চা নাস্তার কথা বলে প্রায় ১৫০০০ টাকা নেয়। খুব সম্ভবত উপ সহকারী পরিচালক / সহকারী পরিচালক এর যোগসাজশে তারা এই দুর্নীতির উৎসব পালন করে।
ssc regi card e dhormo vule muslim ashe karon amar nam hindu naki muslim bujha kothin...pore bole 500tk dite hobe eita change korar jonno!!nahole change hobe na!!manlam vul hoise but amar fault ki eikhane??ami ken tk dibo oma!!
একচেটিয়া সবার জন্য নিয়ম করে নিয়েছে তারা। প্রতি ফাইল কমপক্ষে ১৫হাজার টাকা। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লক্ষ টাকাও হয়ে থাকে। যেমন পানির বোতল লাইসেন্স।
আমি যখন অনলাইনে আবেদন করি তখন ভূমি অফিস থেকে কল দিয়ে বলে তোমার নামজারি জন্য আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে তখন বলেন তোমার অরজিনাল দলিল নিয়ে আমাদের সাথে দেখা কর পরের দিন দেখা করি সবকিছু চেক দিয়ে আমাকে বলে তোমার তোমার দলিল নাম প্রত্যয়নের জন্য আমাদেরকে ২৫০০ টাকা দিতে হবে নিরুপায় হয়ে আমি পে করেছি।
আমার সকল পেপারস/ কাগজ ঠিক ছিল, কিন্ত যখন জমা দিতে যাই তখন ফিরিয়ে দেয় কাগজ পত্র ঠিক নেই বলে, বলেছিলাম কি লাগবে বলেন, তারা বল্লো বাহিরে লোক আছে দেখেন, তখন একদল দালাল চক্র তাদের থাকে পাসপোর্ট অফিসে, তাদের কাছে গিয়ে দেখি আসলে সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু তাদেরকে টাকা দিলে কাজ হবে না হয় হবে না
পুলিশ ভ্যারিফিকেশনে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভয় দেখায়
আমি নামজারি করতে গেছিলাম। ২৮ দিনে নামজারি হওয়ার কথা ছিলো। ঘুষ ছাড়া ফাইল আটকে ছিলো। ৩ মাস পরে বলেছিলো ফাইল হারিয়ে গেছে। অফিসের নিচু পদের কেউ কৌশলে টাকা চেয়েছিলো। দেওয়ার ৩/৪ দিনেই কাজ হয়ে যায়।
নতুন গাড়ি, তবুও কোথায় নাকি কার্বন আছে দাবী করে সাথে সাথে রিপোর্ট ক্লিয়ার করার জন্য প্রথমে ১হাজার টাকা দাবী করে। পরে ৫০০ টাকায় দফারফা করে। এটা কান মচলিয়ে পয়সা নেয়ার মতন। এটা খুবই কমন ব্যাপার বিআরটিএ তে। আর দালাল আছে প্রচুর, যারা এই দূর্নীতি আরও বাড়িয়েছে।