দলিল রেজিষ্ট্রেশন
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার ফি কোথায় কত কেউ জানে না। সরকারি সুনির্দিষ্ট ফি রেখেও অতিরিক্ত অনেক টাকা লেনদেন হয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার ফি কোথায় কত কেউ জানে না। সরকারি সুনির্দিষ্ট ফি রেখেও অতিরিক্ত অনেক টাকা লেনদেন হয়।
কিছুদিন আগে আমার মোবাইল ঘর থেকে চুরি হয় সেই মোবাইল পাওয়ার জন্য থানায় জিডি করি দুই মাস পর থানার অফিসার আমার ফোন দিয়া বলে মোবাইল পাওয়া গেছে তার সাথে দেখা করার জন্য আর কিছু খরচ লাগবে আমি যখন দেখা করতে চাই তখন বলে সাথে কত টাকা আছে আমি বললাম ৫০০ থেকে ৭০০ উনি বলেন ৫০০ আর ৭০০ টাকায় কেউ মোবাইল দিবেন না। যাই হোক পরে এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ৩০০০ টাকা দিয়া মোবাইল নিয়ে আসি
২০২০ এর ঘটনা। আমার চাকুরী স্থায়ী হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি, আনন্দিত।এই খুশিতে তারা মিষ্টি খেতে চায়।মিষ্টি খাওয়ার টাকা।দিতে চেয়েছিলাম না।তাও ১ হাজার দিতে চাচ্ছিলাম কিন্তু তাতে নাকি মিষ্টি খাওয়া হবে না।তার বড় স্যারকেই নাকি দেয়া লাগবে ২ হাজার।৫ হাজার চাইছিল। ৩ হাজারে সন্তুষ্ট হয়েছে।
আমি প্রচার তুলেছি সেখানে সরকারি ফি 120 টাকা কেন 300টাকা দিতে হবে?
পুলিশ verification করতে গিয়ে ৪০০০ টাকা দিতে হয়েছে । চট্টগ্রাম জেলা অফিস। আমাকে ভয় দেখিয়েছিল যে রিপোর্ট খারাপ দিবে।
Amamr 2 lac taka toltay giya 6500 gosh niyachay post master 3 bochorayr poro lobbanhsho
নামজারীতে জমির অংশ কম দেখিয়ে আবেদন বাতিল করার বা পুনরায় আবেদন করার জন্য ভয় দেখাচ্ছিলো।
পুলিশ বেরিফিকেশন এর সময় টাকা দিতে হয়েছিল আমাকে তা না হলে তারা বেরিফিকেশনে বেগ পোহাতে হয়
সময়টা ২০২৩. আমার ওয়াইফ ও বাচ্চার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন এ ৫০০০ টাকা দাবি করে। আমি সব ডকুমেন্ট ঠিকমতো জমা দেওয়ার পরও প্রথমবার রিজেক্ট করে দেয়। এর পর আমি বাধ্য হয়ে তিন হাজার টাকায় দফারফা করলাম।
মোটরসাইকেল লাইসেন্স করতে টাকা লাগে বাড়তি টাকা লাগিয়েছে।১১৫০ টাকা লেগেছে।
আমার সব কাগজ পত্র সঠিক ছিল। মায়ের নামের পরে আমার certificate বেগম দেওয়া ছিল না। মায়ের আইডি কার্ডে শেষে বেগম ছিল। এই জন্য আমাকে বলছে এটা ঠিক করে আনুন। ১৫০০ টাকা নিয়া বেশি দিয়া কম্পিউটারের কাছে দিলেই সব কিছু ঠিক হয়ে জায় ভুতুরে বেপার এই ঘুসের টাকার সাথে জরিত আছেন অফিসে জাদের কাছে আবেদন কাগজ জমা দেওয়া হয়।
আমাকে আমার কাগজের ভুল ধরা হয় তারপর বাইরে বের হয়ে দেখি কিছু দালাল গ্রুপ রয়েছে দাবি করে যে টাকা দিলে তারা কাজ কমপ্লিট করে দেবে তারপরে তাদের টাকা দেই তারা কাজটা উদ্ধতন কর্মকর্তার সাথপ যোগাযোগ করে কাজটা কমপ্লিট করে দেয়।টাকা দেয়ার পর আর কোন কাগজে সমস্যা হয়নি।
আমি সৌদী প্রবাসী দেশে এসে দেখি আমার স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়ে গেছে, ইসি আফিসে আছে অনলাইলে চেক করে জানতে পারি। আমার স্মার্ট কার্ড যখনি নিতে যাই তখনি বলতো এখন হবে না পরে আসেন, অবশেষে২৫০ টাকা ঘুষ নিয়ে আমাকে স্মার্ডকার্ড দেওয়া হয়।
আমার সবকিছু ঠিক থাকার পর ও আমার আবেদন গ্রহণ করা হয় নাই, যখন টাকা দেই তখন আমি ভিতরে যাওয়া ও লাগে নাই। সরকারি অফিসে সম্ভবত উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ৯৯% ঘুষ খায়। আমাদের সবাইকে এই বিষয়ে সচেতন ও তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে ।
আমি যখন বিদেশে আসার জন্য সকল কাগজপত্র রেডি করি তখন এজেন্সি জানায় বিদেশ আসার জন্য পাইজার টিকার সার্টিফিকেট লাগবে। এই সার্টিফিকেট এর জন্য সরকারি ভাবে টিকার আবেদন করি কয়েক বার কিন্তু কোনো কাজে আসে নাই। তার পর এজেন্সিতে থাকা এক জন লোক বল্লো ১০ হাজার টাকা দিলে আমাকে টিকার সাটিফিকেট মেনেজ করে দিবে। আর যেহেতু কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেছি বিদেশ এর জন্য টিকার জন্য ত আর বিদেশ দিতে পারি না।তাই ওনার সাথে দামদামি করে ৭ হাজার টাকায় পাইজার টিকার সাটিফিকেট বের করে বিদেশ আসছি
আমার বউ ধর্মান্তিরিত হয়েছিল সেহেতু তার সব জুডিসিয়াল মেজিস্ট্রেটের সব কাগজ নোটারি ডকুমেন্ট সব আছে কিন্তু এন আইডি সংশোদন কোনভাভেই করতে পারছিনা দপায় দপায় ১৬০০০০ টাকা খেয়ে নিলো ভিভিন্ন টেবিলে নিন্তু আজ পর্যন্ত এন আইডি কার্ড সংশোদন করতে পারলাম না। ।আরো কত টাকা যে লাগবে তা একনো নিশ্চিত বলতে পারছিনা।।
জমির খারিজ করতে সরকারি টাকা লাগে ১১৭০ টাকা। আমার কাছ থেকে ঘুষ নিচে সাত হাজার টাকা।
গ্রাছুইটি টাকা উত্তলন,ramganj ag office, year 2024
আমার পাসপোর্ট আবেদনের সময় স্থায়ী ঠিকানার ইউনিয়ন পাওয়া যাচ্ছিলো না সার্ভারে এরপর আমি পাশের ইউনিয়নের নাম দিয়ে দেই, কয়েকদিন পরে যখন পাসপোর্ট জমা দিতে যাই তখন পাসপোর্ট অফিসের এক কর্মকর্তার কাছে বিষয়টি জানালে সে আমার সাথে খারাপ আচরণ করে এবং বলে "আপনি খুজে পাননি এতে আমি কি করবো?" আমি তাঁকে বারবার বুঝানোর চেষ্টা করি কিন্তু সে কিছুতেই শুনতে চাচ্ছেনা এবং এক পর্যায়ে সে বলে আপনি বাহিরে যান এরপর আমি পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে চলে আসি এবং ঠিক ওই সময়ে এক দালাল এসে আমার সমস্যার কথা শুনে বলে সে এটা ঠিক করে দিতে পারবে এরপর তাঁর কথা অনুযায়ী আমি ৬০০০টাকা দিলাম এরপর কয়েকদিন পর ঠিক সেই কর্মকর্তা আমার সমস্যা সমাধান করে দিলো কোনো খারাপ ব্যাবহার ও করলো না আগের মতো।
জাতীয় পরিচয়পত্রের বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য নাগরিকত্বের সনদ প্রয়োজন ছিলো। উত্তরা ৬ নং সেক্টরে অবস্থিত সিটি কর্পোরেশনে ৫/৬ তলায় একটি পিওন চাচা বলে ৫০০ টাকা না দিলে ১ বছরেও কাজটি করা সম্ভব নয়। অফিসারের সাথে কথা বলতে গেলে সে ইশারায় বলে দেয় যে টাকা ছাড়া কাজ না করতে। অথচ, ৫ মিনিটের কাজটির জন্য বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে কাজটি করতে হয়।