Licence
2 bar tk chara liscence er jonno try korsi but oai nai. Ora tokhon thekei tk dabi korsilo. 3rd time na pere disi and bikalei message paisi je hoyea gese.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৪৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
2 bar tk chara liscence er jonno try korsi but oai nai. Ora tokhon thekei tk dabi korsilo. 3rd time na pere disi and bikalei message paisi je hoyea gese.
দালালের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ১০০০০/- ও গাড়ির নাম বদলাতে ৩০০০০/- পরিশোধ করতে হয় ।
আমার মা ও বাবার পেনশনের টাকা উত্তলনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস জেলা শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারী অফিসে প্রায় ৮০০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল। মসজিদের মাইক কেনার জন্য কিছু টাকা রেখেছিলাম, তার থেকেও সেই সময় আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজ লাগবে বিভিন্ন তালবাহানা দিয়ে সময় নস্ট করত। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ১ বছর ঘুরাঘুরি করে কোন সমাধান না পেয়ে এক রকম ব্যাদ্ধ হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা দেবার পরে কোন সমস্যা ছাড়াই বা মার পেনশনের টাকা টা পেয়ে যাই।
বিচারিক কার্যক্রম সংক্রান্ত একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ৯০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় বিচারিক সেবা পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ৯০,০০০ টাকা প্রদান করি। উক্ত অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়েছি।
আমার সব আছে,ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরসাইকেলর লাইসেন্স, টেক্স টোকেন মেইন কপি সাথে ছিল না,কিন্তু সব ডকুমেন্টস মোবাইলে ছিল, কেস দিলে আমার ক্ষতি হবে তাই ১০০০ টাকা দাবি করে,আমার ক্যাশ ছিল না,তখন তারা পাশের একটা বিকাশ এজেন্টের নাম্বার দিয়ে বলল এখানে দিতে,দেয়ার পর একজন সাথে সাথে হিসাব দিল আজ কত জমা পড়েছে।
আমি যখন ভোটার হওয়ার জন্য সব কাগজপত্র জমা দিই সব ঠিক আছে কিন্তু ভোটার বাছাই পর্ব দিন এলাকার প্রতিনিধি থাকেন। সন্ধার সময় দফাদার সাহেব ফোন দিয়ে বলেন আমার ঠিকনা বান্দরবান এর লামায় আমার ববার ঠিকানা ওকিয়া টেকনাফ আমি বাদ পড়ে গেছি, ঐখানে গিয়ে ভোটার হইতাম। তখন আমি নতুন ব্যাবসা শুরু,ব্যাবসা খুব ভালো চলতেছে ঐ সুযোগে তারা আমাকে বলে ওকিয়া গিয়ে ভোটার হইতে অনেক টাকা খরচ হবে মিনিমাম ১০দিন সময় লাগতে পারে মিনিমাম দশ দিনে ১০হাজার টাকা খরচ হবে দশ দিনে নাও হতে পারে তাই তাই আমাদেরকে ৭০০০টাকা দাও আমরা নিরবাচন অফিসে কথা বলে ভোটার করিে দিতে পারব আমি ও নিরুপাই দিয়ে দিলাম তারপর আমি বললাম না হলে কি হবে ওরা বলতেছে হবে ১০০% তারপর আর বুঝার বাকি রইল না
আমার পেনশনের টাকা আটকে দিয়েছিলো। টাকা না দিলে পেনশন হিসেবে গড়মিল হবে বলে হুমকি দেয়। এই ঘটনা ঘটে সামরিক বাহিনীতে (বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট) । এইটা দিতে হয় এবং এখনও চলছে। ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে বসে সেনা সদস্যের কাছ থেকে নিচ্ছে।
জমি সংক্রান্ত মামলা দাখিল করার সময় টাকা নিয়েছে। উকিল বললেন টাকা নাদিলে ঠিক মতো মামলা এন্ট্রি করবে না। অহেতুক কাগজের ভুল ধরবে এবং সময় নষ্ট করবে
আমি ডাক্তার দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যখন যাই তখন আমাকে দেখার পর ডাক্তার বিভিন্ন রকম পরীক্ষা দেন তার মঝে ছিল আল্ট্রাসাউন্ড আমি ডাক্তার সাহেব আমাকে বলেন ১৫ নং ওয়ার্ডে যাওয়ার জন্য যাওয়ার পর যখন টিকিট কাটার জন্য যাই আমাকে টিকিট না দিয়ে ওই খানে অবস্থানরত একজন আয়া কে দিয়ে টেস্টের জন্য পাঠান । অনেক খন বসার পর টেস্ট করানো হয় । করানোর পর আমার কাছে ৩০০ টাকা চাওয়া হয় আমি তখনো যানতাম না যে টেস্টের দাম ২২০ টাকা পরে ৩০০ টাকা দিয়ে আসার পর অন্য একজন এর কাছে শুনতে পাই টেস্টের দাও মাত্র ২২০ টাকা।
আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী আমার জিপিএফের সুদ মুক্ত স্টেটমেন্ট নিতেও ১০০০ টাকা দাবি করেছে আমার বদলি হলে প্রতিবার চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৫০০ এবং ঢাকা সেগুনবাগিচায় এক হাজার দিতে হয়েছে। শুধু আমার না প্রতিটা সরকারি চাকরিজীবীকে বদলি হলেই সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগর হিসাবরক্ষণ অফিস টাকা না দিলে বেতনের শেষ প্রত্যয়ন পাওয়া যায় না।
আমি এক মসজিদের ইমাম ,আমার মসজিদে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর গণশিক্ষার কেন্দ্র আনার জন্য উপজেলায় আবেদন করি । কেন্দ্র আনার ব্যাপারে দুই ধাপে নয় হাজার টাকা নেয়। আমার কেন্দ্রের বয়স দুই মাস উপজেলা থেকে এক মাসের বেতন চাইছে
আমার বাবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকুরীরত অবস্থায় মারা যান। বাবার পেনশনের টাকা তোলার জন্য নিজ জেলা ব্রাক্ষনবাড়িয়ার বিভিন্ন অফিসে ঘুরে আমাকে বিভাগীয় উপ-পরিচালকের কার্যালয় (প্রাথমিক শিক্ষা)- চট্রগাম(নন্দন কানন), যেতে হয়। সেখানে পেনশনের কাজ ক্লিয়ার করে দেয়ার জন্য অফিস থেকে ১০ হাজার টাকা চাওয়া হয়। আমার কাছে ১০ হাজার টাকা না থাকায় আমি কান্নায় ভেঙ্গে পরি। আমাকে জানানো হয় টাকা না দিলে কাজ হবে না। আমি বাধ্য হয়ে ৫ হাজার টাকা ক্যাশ প্রদান করি এবং বাকি ৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাব বলে রাজি হই। প্রবর্তিতে বিকাশে বাকি ৫ হাজার টাকা পাঠানোর পর আমার কাজ করে দেয়া হয়।
রিনিও পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, ভিবিন্ন কারন দেখিয়ে ৩৫০০ টাকা চেয়েছিলো,প্রথমে দেইনি,আবার সপ্তাহ খানেক পর যোগাযোগ করলে তারা বলেছিলো আগামি সপ্তাহে এসে পাসপোর্ট নিয়ে যাইয়েন।তারপর সপ্তাহ খানেক পর মুবাইল থেকে চেক দিয়ে দেখলাম আগে যেমন ছিলো তেমন অবস্থাতেই পেন্ডিং এ আছে।তার পর অফিসে গেলাম,যাওয়া পর বলতেছে বাসার কারেন্ট বিলের কাগজ লাগবে,পিতা মাতার চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগবে ইত্যাদি।শেষে অপারগ হয়ে পাশের দোকানে নাকি এধরনের সমস্যা সমাধান করা হয়,এই কথা শনে দোকানে গেলাম,তারা চাইলো ৩৫০০ টাকা, উপায় না দেখে ৩০০০দিয়ে করাতে বাধ্য হয়েছি,fuck Bangladeshi system 🖕
বাসের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে চাইলে জাস্ট কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়।এটাই নাকি কাগজ! আর কিছুই লাগে না। এভাবেই নাকি হয়ে যায়। তারাও কোনো শব্দ করে না।
আমি দালাল এর মাধ্যমে জমি খারিজ করার জন্য দিয়েছিলাম কিন্তু জমির সরকারি খারিজ মূল্য ১১০০ টাকা হলেও এগারো হাজার টাকা দিয়ে খারিজ করতে হয়েছে । আমি যেনে বুঝেই দালাল আর অনলাইন করতে টাকা দিতে রাজি আছি কিন্তু সরকারি কর্মকর্তারা কেন টাকা খাবে তারা তো সরকারি বেতন গ্রহণ করে । দালাল + কম্পিউটার করতে = 2500 সরকারি ফী = 1100 সরকারি কর্মকর্তা ঘুষ = 7400
২০১৪ সালে প্রথম বারের মত ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করি। পুরো প্রসেস শেষ হবার পরে অদ্ভুত এক ঘুষের টাকা দিতে বাধ্য হই, যেইদিন বায়োমেট্রিকের জন্য ফিংগারপ্রিন্ট আর ছবি তুলতে যাই। ছবি তোলা শেষ হলে, আমাকে এক কাউন্টারে পাঠানো হয়, হাতে লেখা একটা স্লিপ দিয়ে। সেখানে যাওয়ার পরে কাউন্টারের ভদ্রলোক হাত থেকে স্লিপ নিয়ে বলে, "২০০ টাকা দেন।" আমি কিছু জিজ্ঞেস না করেই দিয়ে দেই। সে এরপরে আমার হাতে ধরায় দেয়, দুইটা ২০ টাকা দামের লটারীর টিকেট (সেটারও অলরেডি ড্র শেষ হয়ে গিয়েছে এমন এক্সপায়ার্ড টিকেট)। আমি জিজ্ঞেস করলাম, "এইটা কী দিলেন? লটারীর টিকেট আমি কেনো নিবো? তারউপর এটার ড্র হয়ে গেছে মাস দুয়েক আগে"। আমাকে উনি বললো, "ভাই, ঝামেলা করেন না, আমরা ছোট চাকরী করি।" সেই অফিসে প্রতিদিন কম করে হলেও ৫০০০ মানুষ যায়।
২০২০ সালের শুরুর দিকে করোনাকালীন সময়ে আমার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আমাদের পাঁচ বোন ও মায়ের নামে জমি হেবা দলিলের মাধ্যমে আমাদেরকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।উক্ত হেবা দলিল রেজিষ্ট্রেশন করতে হাটহাজারী সাব-রেজিস্ট্র অফিসে ৭০০০০/- প্রদান করতে হয়েছে।
জমির নামজারী করার জন্য ৫০০০ টাকা দাবি করে। নয়তো দলিলে বিভিন্ন বানানের ভুল বলে আবেদন বাতিল করে দেয়। তো আমাকে ৫০০০ টাকা দিয়ে নামজারী করাতে হয়েছে।
আমি পাসপোর্ট নবায়ন জন্য জেদ্দা পাসপোর্ট অফিসে যায়। তারা আমাকে বলে গত পাঁচ বছর আগে ভূলে দুইটি পাসপোর্ট ইস্যু হয়েছে যা আপনি একটি ব্যবহার করতেছেন অন্যটি আমাদের অফিসে পড়ে আছে অনেক বছর। আমার কি করতে হবে।তখন তারা বলে একটা cancel করতে হবে তাহলে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হবে। তখন আমি আবেদন করি cancel করার জন্য। অনেক দিন হয় কিন্তু হয়নি। অফিসে গেলে বলে ৪০০০ সৌদি রিয়াল লাগবে। আমার একামা নবায়ন হচ্ছে না পাসপোর্ট জন্য। তখন আমি বাধ্য হয়ে ৩০০০ রিয়াল দিয়ে cancel করি পরে আমি নতুন পাসপোর্ট পায়।
প্রতি বছর আমাদের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়, তারই ধারাবাহিকতায় এ বছরও ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়েছে। গত বছর ঘুষ নিত ২০,০০০/- বিশ হাজার টাকা করে নবায়ন করার সময় এই বছর ঘুষের পরিমাণ বাড়িয়ে ২৫,০০০/- করেছে। আমাকে বাধ্য করা হয়েছে পঁচিশ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য যদি ময়মনসিংহ কলকারখানার DIG কে টাকা না দেই তাহলে লাইসেন্স নবায়ন হবে না। ময়মনসিংহের সকল কারখানা থেকে এই ডিআইজি সবার উপর জুলুম করে প্রতি বছর এভাবে ঘুষ নেই। ঘুষ না দিলে দিলে কারখানার নামে উল্টাপাল্টা রিপোর্ট দিয়ে কারখানা বন্ধ করে দিবে এ রকম হুমকি দিয়ে ঘুষ আদায় করে। শুধু তাই নয় প্রতি ঈদে কারখানায় এসে বোনাস সরুপ বিশ হাজার করে পার লাইসেন্স এ ঘুষ নিবে উনি যেভাবে অত্যাচার শুরু করেছে মনে হচ্ছে অচিরেই উনার জন্য ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দিতে হবে🥲