নতুন পাসপোর্ট
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
টাকা অতিরিক্ত আদায় করেছে দালাল দিয়ে ঘটনা ২০২২ সালে
extra 1500 tk dite hoice
I applied online for a Police Clearance Certificate and paid the official ৳1,500 fee. About a week later, someone claiming to be from Patiya Police Station called and asked me to visit the station. I went there with all the documents listed on the official website. He said that a Chairman Certificate was mandatory, although it was not mentioned on the website. After some discussion, he agreed to process my clearance. He then demanded ৳1,000, claiming it was his “fixed rate.” He charged the same amount to everyone who was present there for police clearance at that time. As I urgently needed the certificate, I paid the money.
আমি ২০২২ সালে আমার আম্মু কে নিয়া সিলেট এম জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ নিয়ে ভর্তি করি নিউরো সার্জারি বিভাগে,,ভর্তি হওয়ার পর আমাদের কে বেডের নিচে ফ্লোরে সিট দেওয়া হয় তখন আমার আম্মার অবস্থা খুব খারাপ ছিল, তখন একটা বেড দরকার ছিল তার পর আমি একজন ওয়ার্ডবয় কে বেডে স্থানান্তর করার কথা বলি উনি আমার কাছে ৫০০ টাকা চায় আমি প্রথমে দিতে চাইনি,, কিন্তু মায়ের অবস্থা দেখে শেষ মেষ ৫০০ টাকা দিতে বাদ্য হই, তার পর যখন বিছানার নতুন চাদর চাই আরো ১০০ টাকা দিতে হয়েছিল,সেটা ছিলো মেডিকেলের , পুরান বিল্ডিং ৪ তলা ৬ নাম্বার ওয়ার্ডে,,নিউরো সার্জারি বিভাগ,,,
আমার ওয়াইফের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম । সেখানে যা যা ডকুমেন্ট দরকার সবকিছু দেওয়ার পর ফরম উঠানো হয় এবং সবকিছু দেওয়া হয়। ডকুমেন্ট সবকিছু সাবমিট করার পরে তারা আমাকে জানায় সার্ভারের সমস্যা আজকে হবে না কালকে আসেন। পরদিন গেলে জানাই আজকে চেয়ারম্যান নাই কালকে আসেন। এরকম প্রায় ৮ থেকে ১০ দিন আমাকে ঘুরিয়েছে। কি আর করার প্রতিদিন গিয়ে তিন-চার ঘন্টা বসে থেকে চলে এসেছি । কোন কিছুতেই কোন কিছু হচ্ছিল না তারপরে পাশের দোকানের ওখানে এক লোকের সাথে শেয়ার করার পরে সে আমাকে জানায় কাজ করা যাবে কিন্তু টাকা লাগবে আমি আর ধৈর্য না ধরতে পেরে রাজি হই প্রথমে ৭০০ টাকা নিয়েছিল তারপরে তার কাছে ডকুমেন্ট দিলাম তার এক মাস পরে আরো ৮০০ টাকা দিয়ে তার থেকে জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপিটা নিলাম
আমার বাড়ি পরিবর্তনের জন্য ৩১০০০ টাকা পাই। পুরো টাকা তুলতে ঘুষ দিতে হয়েছে ৭০০০ টাকা।
লাইন ছাড়া দ্রুত ফাইল চেক করা ও ছবি তোলা ।
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিস যেনো ঘুষের মহাস্বর্গ। সেখানে পাসপোর্ট আবেদন করতে গেলে একজন আবেদন গ্রহনকারী সব কাগজ নিরীক্ষণের ভিড়ে বিশেষ কিছু ছিলের খুঁজে ব্যস্ত থাকেন। কাগজে দালালের ছিল নেই মানে আবেদন গহণ হবে না। সব কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্তেও আবেদন গ্রহণ হয় নি। বিশেষ কিছু এজেন্টের মাধ্যমে ২৫০০ টাকা অতিরিক্ত পেমেন্ট করায় পরবর্তিতে সাথে সাথে আবেদনটি গ্রহনযোগ্যতা পায়। প্রসাশন আর দালালরা মিলে মিশে ঘুষ খাচ্ছেন নির্ভিঘ্নে।
জন্ম নিবন্ধন, পাঁচটির জন্য ৭৫০ টাকা আমার কাছ থেকে নিয়েছে,
2 bar tk chara liscence er jonno try korsi but oai nai. Ora tokhon thekei tk dabi korsilo. 3rd time na pere disi and bikalei message paisi je hoyea gese.
দালালের কাছে ড্রাইভিং লাইসেন্স এ ১০০০০/- ও গাড়ির নাম বদলাতে ৩০০০০/- পরিশোধ করতে হয় ।
আমার মা ও বাবার পেনশনের টাকা উত্তলনের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস জেলা শিক্ষা অফিস ও ট্রেজারী অফিসে প্রায় ৮০০০০ টাকা দিতে হয়ে ছিল। মসজিদের মাইক কেনার জন্য কিছু টাকা রেখেছিলাম, তার থেকেও সেই সময় আমাকে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা না দিলে এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজ লাগবে বিভিন্ন তালবাহানা দিয়ে সময় নস্ট করত। ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ১ বছর ঘুরাঘুরি করে কোন সমাধান না পেয়ে এক রকম ব্যাদ্ধ হয়ে টাকাটা দিতে হয়েছে। টাকা দেবার পরে কোন সমস্যা ছাড়াই বা মার পেনশনের টাকা টা পেয়ে যাই।
আমার দাদার জমির খাজনা বকেয়া থাকায় আমি দিতে গেলে তারা অনেক টাকা জরিমানা দাবি করে । তারপর তাদের পরামর্শে খাজনা পরিশোধ ও জরিমানার বদলে তাদের খুশি করতে বলে । তখন তারা টাকা দাবি করে ।
বিচারিক কার্যক্রম সংক্রান্ত একটি কাজ সম্পন্ন করার জন্য আমাকে ৯০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা কাজটি সম্পন্ন করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছে অবৈধভাবে অর্থ দাবি করেন। প্রয়োজনীয় বিচারিক সেবা পাওয়ার জন্য বাধ্য হয়ে আমি ৯০,০০০ টাকা প্রদান করি। উক্ত অর্থ কোনো বৈধ সরকারি ফি হিসেবে নয়, বরং অবৈধভাবে দাবি করা হয়েছিল। এর ফলে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়েছি।
আমার সব আছে,ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরসাইকেলর লাইসেন্স, টেক্স টোকেন মেইন কপি সাথে ছিল না,কিন্তু সব ডকুমেন্টস মোবাইলে ছিল, কেস দিলে আমার ক্ষতি হবে তাই ১০০০ টাকা দাবি করে,আমার ক্যাশ ছিল না,তখন তারা পাশের একটা বিকাশ এজেন্টের নাম্বার দিয়ে বলল এখানে দিতে,দেয়ার পর একজন সাথে সাথে হিসাব দিল আজ কত জমা পড়েছে।
আমি যখন ভোটার হওয়ার জন্য সব কাগজপত্র জমা দিই সব ঠিক আছে কিন্তু ভোটার বাছাই পর্ব দিন এলাকার প্রতিনিধি থাকেন। সন্ধার সময় দফাদার সাহেব ফোন দিয়ে বলেন আমার ঠিকনা বান্দরবান এর লামায় আমার ববার ঠিকানা ওকিয়া টেকনাফ আমি বাদ পড়ে গেছি, ঐখানে গিয়ে ভোটার হইতাম। তখন আমি নতুন ব্যাবসা শুরু,ব্যাবসা খুব ভালো চলতেছে ঐ সুযোগে তারা আমাকে বলে ওকিয়া গিয়ে ভোটার হইতে অনেক টাকা খরচ হবে মিনিমাম ১০দিন সময় লাগতে পারে মিনিমাম দশ দিনে ১০হাজার টাকা খরচ হবে দশ দিনে নাও হতে পারে তাই তাই আমাদেরকে ৭০০০টাকা দাও আমরা নিরবাচন অফিসে কথা বলে ভোটার করিে দিতে পারব আমি ও নিরুপাই দিয়ে দিলাম তারপর আমি বললাম না হলে কি হবে ওরা বলতেছে হবে ১০০% তারপর আর বুঝার বাকি রইল না
জমি সংক্রান্ত মামলা দাখিল করার সময় টাকা নিয়েছে। উকিল বললেন টাকা নাদিলে ঠিক মতো মামলা এন্ট্রি করবে না। অহেতুক কাগজের ভুল ধরবে এবং সময় নষ্ট করবে
আমি ডাক্তার দেখানোর জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যখন যাই তখন আমাকে দেখার পর ডাক্তার বিভিন্ন রকম পরীক্ষা দেন তার মঝে ছিল আল্ট্রাসাউন্ড আমি ডাক্তার সাহেব আমাকে বলেন ১৫ নং ওয়ার্ডে যাওয়ার জন্য যাওয়ার পর যখন টিকিট কাটার জন্য যাই আমাকে টিকিট না দিয়ে ওই খানে অবস্থানরত একজন আয়া কে দিয়ে টেস্টের জন্য পাঠান । অনেক খন বসার পর টেস্ট করানো হয় । করানোর পর আমার কাছে ৩০০ টাকা চাওয়া হয় আমি তখনো যানতাম না যে টেস্টের দাম ২২০ টাকা পরে ৩০০ টাকা দিয়ে আসার পর অন্য একজন এর কাছে শুনতে পাই টেস্টের দাও মাত্র ২২০ টাকা।
আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী আমার জিপিএফের সুদ মুক্ত স্টেটমেন্ট নিতেও ১০০০ টাকা দাবি করেছে আমার বদলি হলে প্রতিবার চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৫০০ এবং ঢাকা সেগুনবাগিচায় এক হাজার দিতে হয়েছে। শুধু আমার না প্রতিটা সরকারি চাকরিজীবীকে বদলি হলেই সংশ্লিষ্ট জেলা বা মহানগর হিসাবরক্ষণ অফিস টাকা না দিলে বেতনের শেষ প্রত্যয়ন পাওয়া যায় না।
আমার পেনশনের টাকা আটকে দিয়েছিলো। টাকা না দিলে পেনশন হিসেবে গড়মিল হবে বলে হুমকি দেয়। এই ঘটনা ঘটে সামরিক বাহিনীতে (বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট) । এইটা দিতে হয় এবং এখনও চলছে। ক্যান্টনমেন্ট এর মধ্যে বসে সেনা সদস্যের কাছ থেকে নিচ্ছে।