জমির দাগ নাম্বার ভুল সংশোধন করার জন্য ৫০,০০০ ঘুষ দাবি ।
জমির দাগ নাম্বার ভুল সংশোধন করার জন্য ৫০,০০০ ঘুষ দাবি করে। পরে অনেক কষ্ট করে, অনুনয়-বিনয় করে ১৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাই।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
জমির দাগ নাম্বার ভুল সংশোধন করার জন্য ৫০,০০০ ঘুষ দাবি করে। পরে অনেক কষ্ট করে, অনুনয়-বিনয় করে ১৫,০০০ টাকা দিয়ে কাজ করাই।
আমার কাছে ই টাকা চাওয়া হয়েছে
ভুমি কর দিতে গিয়ে ২০২৪ সালে বলা হয় ত্রিশ হাজার টাকা বকেয়া।বিশ হাজার দিলে হবে।পরে তিন হাজার টাকার অনলাইন রশিদ পাই।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিকেশন এর জন্য কল দিয়ে ডিএসবি অফিসে নিয়ে জায়। তারপর বলে এই ভুল সেই ভুল।।এগুলা ঠিক করতে টাকা লাগবে নাহলে হবে না। জিগ্যেস করলাম কত বললো ৩ হাজার। আমি বললাম স্যার আমার কাছে টাকা নাই। তখন উনি বললো যে আচ্ছা ঠিকাছে আমি ফাইল জমা দিয়ে দিতেছি পরে পাসপোর্ট কিন্তু হবে না। আমি তখন বললাম স্যার আমার কাছে সত্যিই টাকা নাই। বললো কত আছে আমি বললাম ৫০০ টাকা আছে। বললো এতে হবে না। আমি কি আর করবো আরও ২০০ এড করে মোট ৭০০ টাকা দিলাম আর বললাম আমার কাছে বাসায় জাওয়ার জন্য আর মাএ ৫০ টাকা আছে। এইটা নেন নিয়ে কাজটা করে দেন প্লিজ।। তারপর সব ঠিক ঠাক।।। এরা ঘুষ নেয়ার সময় ছোট বড় এমাউন্ট দেখে না ঘুষ নেয়াই যেনো এদের লক্ষ।
ইউনিয়ন পরিষদের একজন সচিব উনি। উনাকে টাকা না দিলে উনি রিপোর্ট দেয়না।। ৫৭৫ টাকা ব্যাংক এ জমা দেয়ার পরেও উনাকে ২০০ টাকা না দিলে উনি প্রিন্ট করে দেয়না। জন্ম নিবন্ধম নিতে গেলে ২০০ টাকা ১০০% দিতে হবে।। এমন কোন কাজ নাই ক উনি টাকা ছাড়া করেনা।।
Protibotshor garir kagoj renew kore amra sorak ke tax dibo socheton nagirik hishabe Bank e gele aap diye lock kora thake seita chutanor jonne 2000 taka gush dite hoi per gari almost every year eki kahini lock chutanor 2 hajar taka tao computer lock Lock chutanor pore fitness er jonne court e gele Step e step 3000-4000 taka nibe protita officer ar low class clark soho nahole tader drawer e thakbe din er pore dine garir kagoj roj ghurabe taka gushbna dile kagj dibe na Protita sector e eto haram kaj iccha na thaka sorteo korte hocche Gush dibo na kaj hobe na din er por din boshai rakhbe Ei desh kon din thik hobe
আমি প্রথমে দিতে চায়নি কিন্তু তারা আমাকে বেশ কয়েক কর্ম দিবস ঘুরাই বলে গাড়ির পেপার সঠিক নাই আর অনেক সমস্যা আছে এই কাগজ করা যাবে না এমন কি তারা বলে আমার গাড়ীর পেপারস নকল পরে নিরুপায় হয়ে আমি তাদের সাথে যোগাযোগ করে ৪০০০ টাকায় কাজ টা করে দেয়।টাকা দেওয়ার পরে আর কোন সমস্যা ছিল না।
নামজারি করার জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি করছে আমি ৮ হাজার দিয়োছি।টাকা না দিলে নামজারি হবে না কাগজ সমস্যা ইত্যাদি।
অগ্নি নির্বাপন যন্ত্র শোরুমে রাখার জন্য রেজিস্ট্রেশন খরচ বাদে ১০০০০ টাকা বেশি নিয়েছে। লাইসেন্স করার জন্য
সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউট। শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য সরকার থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে ২০০০ টাকা কিন্তু সেখানকার কর্তৃপক্ষ তাদের কাছ থেকে ২৪২০ টাকা ও অতিরিক্ত নিয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম চার্জ এর নাম অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে। আমাদের একটি ম্যাডাম অবসর নিবেন সেই জন্য নাকি তাকে সোনার কানের দুল এবং সোনার চেন বানিয়ে দিতে হবে। সেই অর্থ আমাদের কাছ থেকে চাঁদা উঠিয়ে নিয়েছেন। ২০২৬ সালে এই যে লাইসেন্স পরীক্ষা হবে সেই লাইসেন্স পরীক্ষা দেওয়ার পরে, সাতক্ষীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটে এসে আমাদের ৫০০০ টাকা জমা দিতে হবে, না হলে নাকি কোন সার্টিফিকেট বা কাগজপত্র দিবেন না। আমাদের সিনিয়ার আপুরাও টাকা দিয়েছে। এই সকল কাজের সাথে ইনস্টিটিউটের ইনচার্জ ম্যাডাম যুক্ত রয়েছে।
আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছিল ঘুষ না দিলে ভুল রিপোর্ট নেগেটিভ দিবে তাই বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ও অনলাইন সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন সংক্রান্ত একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকারি/নির্ধারিত ফি প্রায় ১,৫০০ টাকা হলেও সংশ্লিষ্ট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মোট প্রায় ১১,০০০ টাকা দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, এই অতিরিক্ত প্রায় ৯,৫০০ টাকা কোনো সরকারি ফি, কর বা বৈধ সার্ভিস চার্জ নয়; বরং অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘুষ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। আরও গুরুতর অভিযোগ হলো, অনলাইন ট্রেড লাইসেন্স ব্যবস্থায় সাধারণ নাগরিকের জন্য সরাসরি “Renewal/নবায়ন” অপশন যথাযথভাবে পাওয়া যাচ্ছে না বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা সরিয়
কুমিল্লার দাউদকান্দি আঞ্চলিক কর অফিসে কর দিতে গেলে সবাইকেই ঘুস দিয়ে করতে হয় এইটা ওপেন সিক্রেট,যদি কেউ TIN ট্যাক্স /ভ্যাট রিটার্ন দিতে যায় তাহলে তাদের সার্ভিস চার্জ নামক ঘুস দিতেই হবে, আমিও গিয়েছিলাম ৩০০০ হাজার টাকা রিটার্ন দিতে তারা আমার কাছে দাবী করেছে রিটার্ন ৩০০০+ আর ঘুস ৪০০০হাজার টাকা, পরে তা ২০০০ হাজার টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়।
আমার স্বামী মারা যায় 2024 সালের শুরুর দিকে, আমার ছেলেরা বাড়ির বাইরে থাকে তাদের কাজের জন্য। তাই আমি নিজেই কাগজ পত্র তৈরী করার জন্য নেমে পরি। যাদের কাছে কাগজগুলোর জন্য যাই তারা ঠিকই আমাকে সেগুলো ভালোভাবে কোন বাধা ছাড়াই বানিয়ে দেয়, কিন্তু যখন তাদের কাছে যাই তখন তারা বলে এগুলোতে হবে না, ওরকম ভাবে লাগবে। এইভাবে প্রায় 4মাস ঘোরানোর পরে আমি হতাস হয়ে তাদেরকে বলি আপনারাই বলে দেন আমি কী করবো। তাও তারা বলে না। রাগ করে চলে আসি বাড়িতে। তখন আমার প্রতিবেশী একজনকে সাহায্যের জন্য তাদের কাছে পাঠালে তার কাছে টাকা দাবি করে এবং পুরনো একটা ফাইলের কপি ধরিয়ে দিয়ে বলে এভাবে করে আনবেন। আমি হতাশা থেকে বাচতে রাজি হয়ে যাই। এবং তার পরবর্তী 20 দিনের মধ্যে আমার কাজ করে আমাকে ফোন করে বুঝিয়ে দেয়।
আমার সন্তানের জরুরী ভিত্তিতে জরুরী ভিত্তিতে জন্ম নিবন্ধন দরকার ছিল। আমি আমার ছেলে এবং মেয়ে ও আমার জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বলে অন্তত ২০ দিন সময় লাগবে । তখন আমি তাড়াতাড়ি চাইলে বললেই হবে না । তখন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে ৩ হাজার টাকা দিলে কালকেই পাবে । তখন আমি ২৬০০ টাকা দিয়ে করিয়ে নিয়েছি। ঘটনাটি আরও এক বছর আগে।
ঝালকাঠী অফিসে পাসপোর্ট এর আবেদন করতে গেলে নিজের এন এআইডি কার্ডের তথ্য দিলেও পিতার আইডি কার্ডে নাম, মাতার আইডি কার্ডে নাম, স্বামীর আইডি কার্ডে নাম, হোল্ডিং নাম্বার, কাবিন নামার কপি ইত্যাদির অজুহাত দিয়ে এবং এনআইডির ভেরিভাই কপিতে যে পেশা আছে বর্তমানে সেই পেশা না থাকে আবেদন বাতিল করতে হবে। অথচ পাসপোর্ট অফিসে পাশে একটি কম্পিউটার দোকানে গিয়ে সমস্যার কথা বললে সেই বাতিল হওয়া আবেদন কপিতে কলম দিয়ে ছোট একটি সংকেত দিয়ে নগদ 3000 হাজার টাকা নিয়ে পূনরায় অফিসে গেলে সেই একই অফিসার ঐ সংকেত দেখে আবেদন গ্রহন করে।
আমার বাবার এঞ্জিওগ্রাম করার জন্য ৫ হাজার ৫০০ টাকা চায়,হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাবে কর্তব্যরতরা, এটা এঞ্জিওগ্রাম খরচ, আমি রাজী হই, তারপর ও কবে করবে তার কোন সঠিক তারিখ দিচ্ছিলো না, পরে একটা লোক আমাকে বললো এক্সট্রা কিছু টাকা দিয়ে দাও করে দেবে, আমি বাবা অস্স্থুতার কথা চিন্তা করে রাজী হই। এবং সাড়ে হাজার টাকায় এঞ্জিওগ্রাম করাই, করানোর পরে যে সরকারি রশিদ পেয়েছি তাতে ২ হাজার ৫০০ টাকা উল্লেখ করা, আজ দেড় মাস হলো আমি রিপোর্ট হাতে পাইনি আরো টাকা দেইনা বলে। যে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে সে এন্জিওগ্রাম যেখানে করে সেইখানে ডাক্তাদের সাথে থাকে নাম সো,,,,ল, সেই ব্যক্তি ঘুষ লেনদেন করে, টাকা দিলে রিপোর্ট দেয় নয়তুবা রিপোর্ট আটকে রাখে, ঠিক আমারটার মত।
ঘুষ নিয়েছে ৬২০০০ টাকা, আপনার অ্যাপে ড্রপ সিস্টেমে কেন? যেন সরাসরি অংকে ও কথায় লেখা যায়, সেটা তৈরী করেন। জমির খারিজ সংক্রান্ত আমার বড় ভাইয়ের কাছে ৬২০০০, বাষট্টি হাজার টাকা নিয়েছেন। ভাইয়ার দাবি তার এক তাবলীগের সহকর্মীর সাথে অফিরে লোকের অনেক ভালো সম্পর্ক এর কারনে এত কম, না হলে তাদের ১০০০০০ এক লক্ষ টাকার কমে কাজ করে দিতেন না, সুতরাং আমাকেও ১/৩ অংশ টাকা বহন করতে হয়েছে। আমি বলেছি নির্ধারিত ফি এর বাইরে এক টাকাও দেবো না, সে বলেছে তাহলে খারিজ হবে না। আরও কি কি যেন অযুহাত দেখিয়ে বার বার শুধু টাকা নেয়, এর আগে একবার ২০০০০ বিশ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি তো বাড়িতে থাকি না, তাই এসবের প্রতিবাদ করারও সুযোগ নেই্ । আমার বড় ভাই অনেক সত মানুষ তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নাই, এলাকার সবাই তাকে সেভাবেই জানে ও মানে...
টাকা না দিলে ফেল করায় ২ মাস পর ডেট দিচ্ছিলো। প্রথম বার হয়রানীর স্বীকার হই
ট্রেড লাইসেন্স করতে গেছিলাম আমাকে অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা দিতে হয়েছে।