পাসপোর্ট আবেদন
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় এবং পরবর্তীতে একটু উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুষ দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে ।।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৮,৯৮২ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও আমার আবেদন বাতিল করে দেয় এবং পরবর্তীতে একটু উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘুষ দিলে পাসপোর্ট আবেদন গ্রহণ করে ।।
আমি নিজে ঘুষ, হাদিয়া হারাম উপার্জন করি না। সুদ লেনদেন করি না। তারপরও ভ্রমণ ব্যয়বিল উত্তোলনের সময় ৫% তাদের দেওয়া লাগে।
আমি আমার মা এর সাথে সঞ্চয় পত্র করতে হাজীগঞ্জ পোস্ট অফিস এ যাই। সেখানে পোস্ট মাস্টার প্রথমে 8000 টাকা চেয়েছিল পরে 5000 টাকা দিয়ে সঞ্চয় পত্র করা হয়।
আমার কাছে টাকা চেয়েছে
Office of the Registrar of Joint stock companies and firms. অডিট রিপোর্ট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর পকেট খরচ না দিলে জীবনে পাশ হয় না।
ডিফেন্স সাইড এ দেখা যাই যারা রিট্যার্ড করেন তাদের পেনশন এর টাকার জন্য ৫০০ -২০০০০+ ঘুষ প্রদান করা হয়। যদি না দেওয়া হয় তাহলে কাজ গুলো প্রক্রিয়াধিন থেকে যাই। বি: দ্র: মানুষ তার নিজের কাজ টা বেতন এর বাহিরের টাকা ছাড়া কবে থেকে করবে??
ইউনিয়ন অফিসে চেয়ারম্যান একটা স্বাক্ষর জন্য গ্রাম পুলিশকে দিতে হয়েছে মারিয়া ইউনিয়ন অফিস
অনেক বছর খাজনা দেইনা তাই। খাজনা বাবদ ১৫০০ আসছে কিন্তু চেয়েছে ৫০০০ বাধ্য হয়ে দিতে হইছে
ট্রেড লাইসেন্স করে দিয়ে ২০০ ঘুষ যাকে বকসিস বলে
আমি একজন বাংলাদেশী এবং সিংগাপুর প্রবাসী, গত 2020 সালে আমার ডিজিটাল পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আমি চিন্তা করি নতুন করে , ই পাসপোর্ট করতে আমাদের মুন্সিগঞ্জ জেলার পাসপোর্ট অফিস এ যাই এবং আমার সকল ডকুমেন্ট ফাইল জমা দিলে বলে সেখানে র একজন দায়িত্ব রত অফিসার যে আপনার পাসপোর্ট নবায়ন হবে না যদিও জিঙগেস করেছিলাম কি কারণে হবে না, কোনো সুদূর উত্তর দেননি, কিন্তু যদি আপনার আর্জেন্ট হয় তাহলে আমাকে 17000হাজার টাকা দেন আমি করে দিতে পারি, না হলে আপনাকে চাপাইনবাবগঞ্জ যেতে হবে কাগজ ঠিক করতে, যখন আরেক অফিসার কে বললাম আমার টা কেনো হবে না সে বলে আমাদের জুনিয়র অফিসার যা বলে তাই করেন আপনার সাথে এতো কথা বলার সময় নাই, শেষ পর্যন্ত 17000 হাজার টাকা দিয়ে ই পাসপোর্ট নবায়ন করি
আমার আব্বাকে গত 1/9/2026 সকাল ১০ ঘটিকায় ফ্যাক্টরিতে কাজ করা অবস্থায় বাম হাতের দুইটা আংগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, থানা সদর হসপিটালে ইমার্জেন্সি থেকে রেফার্ড করে সিরাজগঞ্জ সরকারি মেডিকেল কলেজ হসপিটালে রেফার্ড করে, তাদের ইমার্জেন্সিতে ৫ ঘন্টা বসিয়ে রেখে সময় ক্ষেপন করে ডাক্টার আসবে আসতেছে এমন করে ষ্টাফ কর্তৃক ১০০০ টাকা ঘুষ আদায় ও ১২৬০ টাকার মত টেষ্ট মত করেও রিপোর্ট ও সার্জারী পেতে পেতে সন্ধ্যা হবে বলায় ,রোগিকে তাদের দেখানো পার্শ্ববর্তি বেসরকারি মেডিকেলে ১৫০০০ টাকায় অপারেশন করানো হয়... কিন্তু দেরি হওয়ায় বিচ্ছিন্ন আংগুল আর জোড়া দেওয়া সম্ভব হবে না বলে ডাক্তার জানায়। যদি এটাই কারন হয় তবে কেন ৬ ঘন্টা রক্ত পরা অবস্থায় রোগিকে ৬ ঘন্টা বসিয়ে রাখা হলো?
বিষয়: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ এবং অনলাইন নবায়ন অপশন পুনরায় চালুর দাবি আমি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের Citizen Charter অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত ফি আদর্শ কর তফসিল অনুযায়ী গ্রহণ করার কথা এবং অনলাইন নবায়নের ক্ষেত্রে Rocket ও T-Cash-এর মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। নবায়নের নির্ধারিত সেবা সময় ২ কার্যদিবস। কিন্তু বাস্তবে আমার অভিজ্ঞতা/অভিযোগ অনুযায়ী, একটি ট্রেড লাইসেন্স নবায়নের জন্য মোট প্রায় ১১,০০০
বলেছিল আপনাদের বকেয়া বিল করতে হলে ৫% দেওয়া লাগবে। না দিলে বিভিন্ন হয়্রানি করবে এবং পরবর্তীতে অনেক জামেলা করবে।
জেলা প্রাইমারি অফিস হতে প্রথমে ফাইল বিভাগে পাঠানো হয় কিন্তু বিভাগ থেকে আর ফাইল পাশ হয় না। এভাবে নয় মাস পর দফারফা হয়।
শতকরা ৫% ঘুষ না দিলে কোন বিল পাস হয় না
একটা ক্রয় কৃত জমি পরবর্তীতে খতিয়ানে "ভেস্টেড প্রপার্টি" হিসেবে খতিয়ানের মন্তব্য কলামে লিপিবদ্ধ থাকায় নামজারি/জমাখারিজ করে খতিয়ান বা রেকর্ড সংশোধনের জন্য নিয়েছে।
জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে আনসার কর্তৃক। টাকা গ্রহণ করা হয় এবং পাসপোড প্রদান করা হয়। এবং পুলিশের ভেরিফিকেশনের জন্য মোট টাকার পরিমান দিছি।
আমি ৩৮ সেন্ট জমি খারিজের জন্য ভূমি অফিসে গেলে কাগজ পত্র যাচাই করে সঠিক আছে বলে জানান। তিনি খরচ পাতি হিসাবে ৭০০০ টাকা দাবি করেন। আমি বললাম সরকারি ফি ১১০০ লাগে।আপনি ৫০০ টাকা বকশিস নেন। তিনি বললেন কানুন গো এবং এসিল্যান্ড অফিসে টাকা না দিলে কাজ হয়না। তারপর ৬৫০০ টাকা নিলেন।
জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার সময় আমার হাতে লেখা জন্ম সনদ ও সারটিফিকেটে জন্ম তারিখের মিল না থাকার কারনে ঘুষ দিতে হয়েছে। ঘুষ দিলে কাজ হবে, না হলে কাজ হবে না।
অভিযোগ ভিত্তিতে আসামির বাড়ি যাওয়ায় পুলিশ আসা যাওয়ার খরচ বাবদ টাকা দাবি করে কমপক্ষে ২০০০। অথচ সরকারি পুলিশের গাড়ি দিয়ে ১ কিমি এর ভেতর গিয়েছে।