???
ঈদের দিন ঘুরতে বের হইছি,বগুড়া 7 মাথায় সব গাড়ি পার করে দিচ্ছে আমাকে আটকালো আটকিয়ে বলছে শুপারিশ করার কেও থাকলে ফোন দেও,বললাম গরিব মানুষ স্যার শুপারিশ করার কেউ নেই,বলতিছে মামলা হবে 8000 টাকার,কত দিতে পারবি পরে হাট পা ধরে 500 টাকা দিয়ে আসছি
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঈদের দিন ঘুরতে বের হইছি,বগুড়া 7 মাথায় সব গাড়ি পার করে দিচ্ছে আমাকে আটকালো আটকিয়ে বলছে শুপারিশ করার কেও থাকলে ফোন দেও,বললাম গরিব মানুষ স্যার শুপারিশ করার কেউ নেই,বলতিছে মামলা হবে 8000 টাকার,কত দিতে পারবি পরে হাট পা ধরে 500 টাকা দিয়ে আসছি
আমার চাকরির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স জন্য কোটচাঁদপুর SB Branch একজন ২০০০ টাকা নেয়
অনলাইন আবেদন করে, যখন পাসপোর্ট অফিস এ যাই ফিঙ্গার দিতে, আমার সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও, হুদই এই দোষ সেই দোষ ধরতে থাকে, এরপর চলে আসার সময়, অফিসের সামনে টং দোকান গুলোর এক লোক বলে যে এত টাকা দিলে আপনার কাজ হয়ে যাবে। আমিও দেই এবং সত্যি ই কাজ হয়ে যায়।
For filing holding TAX for the first time 55% rebate with apile = 15000 Taka After that, last rebate 25% - 8000 Taka Total 23000 taka Dhaka City Corporation Onchol: 3, Mohakhali.
ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলাম কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অনেক কষ্টে বউয়ের জন্য একটা টিকিট সংগ্রহ করি। তারপর ১০৫ নাম্বার রুমে যেতে বলে। সেখানে গিয়ে আবার সিরিয়াল দিতে হয়। সিরিয়াল নেয় যে লোকটা সে এত খারাপ ব্যবহার শুরু করে এবং সকাল বেলা যাওয়া সত্ত্বেও ৯০ নাম্বার সিরিয়াল দেয় আর বলে বেলা ১২ টার পরেও ডাক্তার দেখাতে পারবেন না বের করে দেয়। তারপর কিছুক্ষন পর একটা লোক ১০০ টাকা দাবি করে আর বলে সিরিয়াল ৩০ নাম্বারে এনে দিব। তাকে ১০০ টাকা দিলাম আর কোনো সিরিয়াল ছাড়াই আমার বউকে ডাক্তার দেখানোর সুযোগ করে দিলো। সে প্রতিটি রোগীর সাথেই এমন আচরণ করছিল।
আমি সরাসরি ভূমি অফিসে গিয়ে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করার জন্য আবেদন করি। যেই সেবাটি ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে দেওয়া যায় সেই সেবা আমি ৭২ ঘণ্টা পরও পেলাম না। তারপর নাজিরের সহকারীর সাথে যোগাযোগ করলে ১০০০ টাকা দাবি করে। সহকারীকে ৫০০ টাকা দিলে আমাকে ১ ঘণ্টার মধ্যে খতিয়ানের নকল উত্তোলন করে দেয়।
নামজারি প্রক্রিয়া দিনের পর দিন পরে ছিল কেও ফাইল ধরেনাই ধল্লা,সিংগাইর মানিকগঞ্জ,
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে কখনো শুনিনাই ঘুষ দেওয়া বাদে কেউ কৃতকার্য হয়। বাধ্য হয়ে নির্দিষ্ট চার্জ এর বাইরে অতিরিক্ত ৩০০০ টাকা দিয়ে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলো। অনেকের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ ৫০০০+
পাসপোর্টের জন্য চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট প্রয়োজন হওয়ায় সব প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আবেদন করি। কিন্তু সার্টিফিকেট নিতে ৫০০ টাকা চাওয়া হয় এবং বলা হয় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগবে। জরুরি প্রয়োজনের কথা জানিয়েও দ্রুত কোনো সহযোগিতা পাইনি। শেষ পর্যন্ত প্রায় ১১ দিন পর, অনুরোধ করে ৪০০ টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হয়েছে। আক্ষেপের বিষয় হলো, প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দেওয়ার পরও টাকা ছাড়া কাজ এগোয় না। সাধারণ মানুষের জরুরি প্রয়োজন ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ—এ ধরনের হয়রানি ও অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়টি যেন গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।
আমি ০৩/০৮/২০২৬ ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের খিলগাঁও তিলপা পাড়া অফিসে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়ে দেখলাম অনেক লোক ট্রেড লাইসেন্স রেনিউ করতে বা নবায়ন করতে এসে অফিসের দেয়া ডেট অনুযায়ী দুইবার তিনবার এসোও বারবার ফেরত যাচ্ছে। তারা বলে এখনো হয় নাই পরে আসেন। আবার কাউকে কাউকে দেখলাম সার্ভারের দোহাই দিয়ে বলছে আবার পরে আসতে। আমার জরুরী বিধায় তাদের সাথে কথা বলে অফিসের বাইরে একজন লোক গাছের নীছে দাঁড়ানো থাকে, তাকে ৫০০ টাকা দিয়ে বললাম ভাই এখন তো সাড়ে দশটা বাজে আমাকে নবায়ন করে করে দেন। সে বলল বিকাল তিনটায় আসেন হয়ে যাবে। ঘুসের টাকা দেয়ার কারণে একদিনেই নবায়ন করে দেয় অথচ যারা ঘুস দেয় নাই তাদেরকে ১০ দিন ১৫ দিন পরে ডেট দিয়ে ঘুরাচ্ছে সার্ভার নষ্ট বা বিভিন্ন অজুহাত দেখায়। ২/৩ বার না আসতে হয়।
বিএডিসি সেচ প্রকল্পের আওতায় লাইসেন্স করতে গেলে আমাকে ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দীর্ঘ আবেদন আটকে রাখে,,পরবর্তীতে খুঁজো নিতে গেলে উপর মহলের চা পানের খরচ বাবদ আমার থেকে ১৫শ টাকা নেয়।
ফাইল টা জমা নেয় না,কিছু বলাও যায় না এত খারাপ ব্যবহার তাদের,অফিস এর বাইরে যেই কয় টা দোকান আছে সব গুলা দালাল গো দোকান,দালালদের দোকানের মাধ্যমেই টাকা টা অফিস এর লোক পায়। আমার ১৫০০ টাকা দেওয়ার পর কাজ হইয়া গেসে।
ঘটনা ৩০ এপ্রিল ২০২৩। পাসপোর্ট অফিস জানায়, আমার পাসপোর্ট রিনিউ করতে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেবে এবং ১০ টাই দিতে সক্ষম না হলে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে বাকি কাগজের সাথে। পরে আমি যাই National Institute of Traumatology and Orthopaedic Rehabilitation এ, যেখানে শুরুতে আমাকে একজন গার্ড ২ ঘণ্টা ঘুরান এই বলে যে এখানে এরকম কোনো সার্টিফিকেট দেওয়া হয়না । যখন উনি বুঝেন যে আমার অনেক দরকার তখন সাইড এ নিয়ে বলেন ৫k দিলে উনি ব্যাবস্থা করে দিবেন। আর উপায় না পেয়ে ওইদিন তাই করতে হয়েছিল, তবে মনে একটা খটকা থেকেই গেল, সামান্য congenital condition এর জন্য ঘুষ দিয়ে একটি সার্টিফিকেট তোলা লাগলো! এই ছিলো ঘটনা।
খরচাপাতি হিসেবে কিছু দিতে হবে বলেছিল। কিছুক্ষণ দিতে চাইনি। পরে ৫০০ দিলেও মেনে নিচ্ছিলো না। ১০০০ চাচ্ছিল। শেষে আরও ১০০ যোগ করে ৬০০ টাকা দিতে হয়েছিল।
পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য এসআই আমাদেরকে পুলিশ অফিসে ডাকলো। আমি, আমার বাবা পুলিশ অফিসে গেলাম। সেই এসআই তিন হাজার টাকা দাবি করল পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য। আমার বাবা একজন অবসর আর্মি পারসন। তার পরিচয় দেওয়ার পরও অনেক তালবাহানা করল শেষ পর্যন্ত তারা ২৬০০ টাকাতে থামল, এবং তারা বলল এই টাকাটা আমার উপরের বস সহ অনেকেই খাবে। যাই হোক এই পাসপোর্টটা আমার অনেক জরুরী ছিল। তাই টাকাটা পরিশোধ করেছিলাম। এই ঘটনাটা আজ থেকে ১০/১১ বছর আগের।
জমির খাজনা আসছিল-৪০০ টাকা, কর্মকর্তা দাবি করেছে-১০০০ টাকা. স্লিপ ও কেটেছিল -৪০০ টাকা, বাকি ৬০০ টাকা ঐ কর্মকর্তার পকেটে গেছে।
ই-নামজারি করার লক্ষ্যে আমার কাছে অভিযোগ চেয়েছিল, আমি আমার কাজটি করার জন্য দিতে বাধ্য হয়েছি।
খুলনা বি,আর,টি এ লাইসেন্স নবান অথবা গাড়ির কাগজ রিনিউ করতে গেলে, অতীতেও ছিল এবং বর্তমান বিদ্যমান আছে, গাড়ি চালিয়ে লাইসেন্সের জন্য দেখানোর পরেও যদি ৩০০০ টাকা ইন্সপেক্টর সাহেব কে পরিশোধ করা না হয় তাহলে পাস হবে না,! ঠিক এরকমই গাড়ির ফিটনেস বা অন্যান্য কাগজ রিমু করানোর জন্য গেলে, ফিটনেস এর জন্য ৩০০০ , নতুন নাম্বার প্লেট উত্তোলনের জন্য ১০০০ এছাড়াও যেকোনো কাজে বিআরটিএ গেলেই অর্থ ছাড়া কোন কাজ হয় না, সারা জমিনে ঠকিয়ে দেখলে সবকিছুই বুঝতে পারবেন,!
আইডির কপি তুলতে গিয়ে হুদাই টাকা নিস। ২০-৩০ টাকা নিলেই যা হয়ে যায়।
আমি প্রথমে দিতে চাইনি যার জন্য আমাকে ৩ মাস ঘুরতে হয়েছে এর পরে সে মুখ ফুটে বলে ফেলল টাকার কথা। আমি আর ২ বার চিন্তা করি কারণ ৩ মাস আমকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল তাই।