Mutation
No way to get service without paying, bcz i applied and refused 5 times,
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
No way to get service without paying, bcz i applied and refused 5 times,
চাকরীর এনএসআই ভেরিফিকেশনের জন্য আমাকে ভয় দেখিয়ে ৫০০০ টাকা নিয়েছিল
টেবিলে যখন কাগজ রাখি তখন সে টাকা দাবি করছে।
HRIS আপডেট এর জন্য অফিস সহকারি ঘুষ দাবি করেন।
আমার নিজ জেলা শহর ঝালকাঠি জেলা থানায় আমি ২০০০ টাকা পরিশোধ করছি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য
ঘটনা টি ২০১৯ সালের। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ আমাকে কল দিয়ে দিন তারিখ দিয়ে অমুক জায়গায় দেখা করতে বলে। আমি সময়মতো উপস্থিত থাকি। ওনি হঠাৎ বাইকে আসে আর পরিচয় পেয়েই ২০০০ টাকা চায়। অনেক অনুনয় বিনয় ও অনুরোধ করে ১০০০ টাকা দিই। আসলে কিছুই করার ছিলো না।
তিন বছর আগে পাসপোর্স করতে গিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য টাকা দিছি, তা না হলে ছাড়ে না।
amar jomi record khotian update korar jonno shotangsho proti 10000 taka chay r ami dite baddohoi
অনলাইনে নিবন্ধন করতে গেলে সার্ভার ডাউন দেখায়। পৌরসভার লোকদের দিলে পরের দিন বিকালে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে দেয়।
No, Ghosh. The file remains on hold. After the bribe was paid, the registration was processed and completed within a single day.
পাসপোর্ট করতে গেছি, অফিসের লোক জন টাকা ছাড়া করে দিবেনা তাই বাধ্য হয়ে দেওয়া লাগছে
পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য গেছিলাম, জীবনের প্রথম থানায় যাই যাওয়ার পরে দুজন পুলিশ চা-নাস্তার জন্য দাবি করেন ১হাজার টাকা। পরে ৩০০টাকা দিয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পাইসিলাম।
ফাইলে জেলা শিক্ষা অফিসারের সিল স্বাক্ষর নিতে গেছিলাম। অফিস সহায়ক/ কর্মচারী টাকা চেয়েছিল।
আমি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আনতে চাইলে তারা আমার কাছে দুই হাজার টাকা দাবি করেন বলেন । এটা তাদের অফিস খরচ অর্থাৎ এই অফিসের না বিভিন্ন জায়গায় টাকাটা দিতে হয় ।
আমার হোমন্দি অনেক কষ্ট করে তিন কাটা জমি কিনেছে পিরোজপুর জেলার ভিতরে তো রেজিস্ট্রি করতে গেলে দলিল লেখক 60 হাজার টাকা নিয়েছেন যখন প্রশ্ন করি এত টাকা কেন তখন তিনি বলেন এর থেকে ১০ হাজার টাকা ম্যাজিস্ট্রেটকে দিতে হবে।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ই/ম শাখার এসিস্ট্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার... সে টাকা ছাড়া কোন ধরনের বিলের এমবি তে সিগ্নেচার করে না, এবং আউটসোর্সিং নিয়ুগে জন প্রতি ২০/৫০ হাজার করে টাকা নিয়েছে, এয়ারপোর্টের যত ইলেক্ট্রনিক কাজ আছে সবগুলো সে টাকা খেয়ে নিম্ন মানের কাজ করাচ্ছে, আর এসবের সাক্কী আছে অনেকে, আজ প্রায় ৯ বছর সে এই এয়ারপোর্টে আছে অথচ অনেকে ২/৩ বছর পর পর বদলী হয়ে যায়, কিন্তু তার কোন বদলি হয় না। আমি আমার কম্পানির পক্ষে একটা কাজের বিলে সিগনেচার করানোর জন্য গেলে বলে টাকা ছাড়া কোন বিলে সিগনেচার হবে না, দুই লক্ষ টাকা দাবি করে এবং কম্পানি সেই টাকা পরিশোধ করতে বাধ্য হয় শেষ পর্যন্ত, এসব দেখার কেউ নাই যার যেমন করে চলতে আছে কারও কোন মাথা ব্যাথা নাই, আর স্টাফদের সাথে এতো বাজে ব্যাবহার সেই ইঞ্জিনিয়ার এর
ক্রয়সূত্রে নিজ নামে ৪৮ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি দলিল আছে। তাই জমিটা নিজ নামে খারিজ করতে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাই। তখন ভূমি কর্মকর্তা ও স্টাফ বাহিরের অন্য একজনের সাথে কথা বলতে বলে। সেই লোকের কাছে গেলে সে ১২০০০ টাকা দাবি করে। কাজটি করা আমার জরুরি ছিল, তাই তাকে ১০০০০ টাকা দিয়ে কাজটি করাই।
২০২৩ সালের ঘটনা, হেড অফিস থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য SB অফিসারকে দায়িত্ব দিলে এলাকার মেম্বারের মাধ্যমে চাচাতো ভাইকে জানায় যে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য SB থেকে কল আসছিল। ছোট ভাইকে দিয়ে নাজিরপুরের SB অফিসে পাঠাই কিন্তু তার আগেই ২০০০/- দাবি করে বসে কোনো কারন ছাড়াই। কিছুই বলে নাই শুধু বলছে ২০০০/- লাগবে। এলাকায় না থাকার কারনে দিতে বাধ্য হয়েছিলাম।
ডক্টর ইউনুছের আমলে সরকার পাসপোর্ট করার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স একটা তথ্য রেখেছিল যার মাধ্যমে যারা পাসপোর্ট এর আবেদন করেছে তাদের পাসপোর্ট আবেদন কপি প্রত্যেক থানা পর্যায়ে পুলিশের কাছে পাঠানো হতো পুলিশ সে তথ্য যাচাই করত অতঃপর আমাকে তথ্য যাচাইয়ের জন্য ডাকা হল এবং বলা হলো পাসপোর্টে আমি পেশার জায়গায় প্রাইভেট সার্ভিস দিয়েছিলাম এটা নাকি একটা সমস্যা আমাকে বলা হয় এটা ঠিক করতে হবে নইলে আমার আবেদন বাতিল করা হবে আর আবেদন বাতিল না করতে চাইলে ১০০০ টাকা দিতে হবে এবং আমি আমার পাসপোর্ট এর জন্য ১০০০ টাকা দিয়ে দেই
সরকারি টাকায় ২১৫০ টাকা খরচ হলেও ঘুষ ছাড়া এদের দিয়ে কিছুই করানো যায় না। লাইসেন্সের সব কিছু ঠিক থাকার পরও হয়রানি মূলক ভুল দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছে কেরানী। সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভার প্রশাসন নিরব। ভয়ংকর ঘুষ বানিজ্যে রমরমা সিরাজগঞ্জ পৌরসভার লাইসেন্সিং বিভাগ। বাধ্য হয়েই ঘুষ দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়েছে।