চিকিৎসার জন্য ছুটি নিতে
সরকারি বহিঃবাংলাদেশ ছুটির আবেদন এর জন্য রংপুর বিভাগের পীরগাছা শিক্ষা অফিসের পিওন যারা এই ছুটির ফাইল গুলো সাথে সম্পৃক্ত তার টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
সরকারি বহিঃবাংলাদেশ ছুটির আবেদন এর জন্য রংপুর বিভাগের পীরগাছা শিক্ষা অফিসের পিওন যারা এই ছুটির ফাইল গুলো সাথে সম্পৃক্ত তার টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না।
প্রতিটি বিলের ৫% হারে যেমন কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভ্রমন বিল, অফিস আনুষাঙ্গিক, বিভিন্ন মেরামত বিল ইত্যাদি। ৫% না দিলে বিল আটকিয়ে দেয়। বাধ্য হয়ে ৫% হার দিতে হয়েছে।
আমার ছোট ভাইয়ের জন্ম নিবন্ধন করা হয়নি ভাই পঞ্চম শ্রেণীতে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য জন্ম নিবন্ধন প্রয়োজন জন্ম নিবন্ধন করতে ইউনিয়ন পরিষদে গেলে তারা বলে আমরা আপনাকে তৈরি করে দেবো সকল কাজ করে দেব আপনি আমাদেরকে ১৫০০ টাকা দিবেন আমি তাদের সাথে কথা বলে ২০০ টাকা কমিয়ে ১৩০০ টাকা দিয়ে আসি।
আমার আব্বু রিটায়ার্ডের পরে পেনশনের টাকার জন্য সব কাগজপত্র জমা দেয়ার পরেও এটা অনেকমাস যাবত আটকে থাকে। পরে আমি নীলক্ষেতের ব্যানবেইস ভবনে এক অফিসারের কাছে গেলে বিভিন্ন ভুল আছে দাবি করে ফাইল আটকে রাখে। পরে দশ হাজার টাকা ঘুষ নিয়ে ফাইল ছাড়ে।
ভিসা ও টিকিট কাটা সম্পন্ন, ২০ দিন ফ্লাইট, হঠাৎ ব্যাক হাড়িয়ে পাসপোর্ট হাড়িয়ে ফেলি। পরে আর কি, গেলাম কম্পিউটার উপারেটর কিছু করতেই পারবে না, সাইডে কথা বলতে হবে, পুলিশ এই সেই জামেলা দেখাইলো, ভেতরের অফিসার এর সাথে দেখা করলাম, ওনার একি মন্তব্য সময় লাগবে, নয়তো ব্যবস্থা করুন।। দরজার সামনেই ইসারা, গেলাম টাকা লাগবে ৪৫০০০ হাজার সময় ৭ দিন।। কিছ্ছু করার নেই, দামাদামি করলে আরো টাকা বাড়বে।। বাদ্য হয়ে বোনের গয়না বন্ধক দিয়ে, টাকা দিতেই হলো।। তবে পাসপোর্ট এনে দিয়েছে ১১ দিন পর।।
আমার পাসপোর্ট করার দরকার ছিলো। প্রথমে অনলাইনে আবেদন করে পাসপোর্ট অফিসে যাই। উনারা প্রথমে বললো বিদ্যুৎ বিলের কপি লাগবে,তারপর বললো চেয়ারম্যান এর সনদ লাগবে। ৩ দিন ঘোরার পর দালাল ধরলাম। তারপর দালাল আবেদনের ছবি তুলে পাসপোর্ট অফিসের লোকের হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাই দিলো আর আমাকে বললো ১০৪ নাম্বার রুমে গিয়ে কাগজ দেন আর কিছু লাগবে না। আমি তো অবাক, যেনারা এতদিন কাগজের কথা বলে ৩ দিন ঘুরাইলো আবেদন জমা নিলো না।তারাই কোনোরকম কাগজ বাদেই আবেদনটা জমা।নিলো। মুলকথা, দালাল ধরলে কোনো বাড়তি ডকুমেন্টস চাবে না, আর দালাল না ধরলেই দিনের পর দিন ঘুরাবে।
প্রিয় স্যার, আসসালামু আলাইকুম! আশাবাদী ভাল আছেন। দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে ভাল রাখেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ পাই নি। তবে বিবেকের তাড়নায় লিখাটা লিখেছে বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষিতে। আপনার সুনজর একটি সুন্দর নিয়ম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিবে এই আশা করে লিখাটা লিখলাম। আপনার আশু ব্যবস্থা ও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচানোর জন্য। NBR এর লোকজন প্রাইভেট কোম্পানি গুলোকে যেভাবে অভিযান পরিচালনা করে ঘুষ খাওয়ার জন্য অপ্রয়োজনীয় অফিসে হয়রানি করে যার ফলে কর্ম পরিবেশ নষ্ট হয়, তার বিরুদ্ধে সরকারকে নতুনভাবে নীতিমালা প্রনয়ণ করা উচিৎ। NBR এর অফিসার রা ডিসি সহ প্রাইভেট কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে অফিসের বিভিন্ন টেবিল থেকে নিজ হাতে কাগজপত্র এবং ডকুমেন্
নামজারির আবেদন করেও কাজ হচ্ছিল না ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। পরে পরিচিত একজন কে সাথে নিয়ে গেলে তিনি জানান 5000 টাকা দিলেই 5 দিনেই কাজ হবে। টাকা দেওয়ার পরে 5 দিনেই তা হয়েছে।
আমি প্রথমে সরাসরি অফিসে গিয়ে ফাইল জমা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু HSC সার্টিফিকেট সঙ্গে না থাকায় তারা আমার ফাইল জমা নেয়নি। পরে বাইরে এসে একজন দোকানদারের মাধ্যমে ১,৫০০ টাকা দেওয়ার পর, HSC সার্টিফিকেট ছাড়াই তারা সঙ্গে সঙ্গে আমার ফাইল জমা নিয়ে নেয়।
সোনালী ব্যংকে যখন কাস্টম শুল পরশোধের পে - অডার জমা করা হয়। ব্যাংক কমকর্তা ইইচ্ছাকৃত ভাবে সময় নস্ট করে। ১০০টাকা নগদ ঘুষ দিলে ১ ঘন্টার মধ্য দিয়ে দেয়,২০০টাকা দিলে ৩০মিনিট,টাকা না দিলে তাহাদের যখন খুশি
We were at the National Cardiac Hospital, where my brother got his treatment. First of all full report of testing was wrong at first, we were told to give the sample in a 3rd floor of the hospital and pay for the report, but the authorities told us to give some money so that they can give the report easilly, same goes again in the 2nd time report testing.
টাকাটি পরিশোধ করার পর অল্প দিনের মধ্যেই আমার কাগজপত্র রেডি হয়ে যায় এবং আমি সেটা হাতে পেয়ে যাই।
কাগজপএ সব ঠিক ছিলো কিন্তু স্যার বল্লো চেয়ারম্যান এর পরিচয়পএ অনলাইন করা নাই পরে কি করবো আমার বাসা অনেক দুরে আসা জাওয়া একটু ঝামেলা পরে বাহিরে অনেক লোক দারায় আছে কাগজ হাতে দেখলেই জিগায় কোনো সমস্যা থাকলে ১৫০০ টাকা দেন সমাধান করে দিবো প্রথমে করতে চাইনি পরে কি করবো বাসা ও অনেক দুরে জে জন্য টাকা দিয়ে করাইছি বি: দ্র: আমার কথা হচ্ছে চেয়ারম্যান এর পরিচয়পএ ছারা পাসপোর্ট জদি না ই হয়। তাহলে টাকা দেওয়ার পরে কাগজ টা ই লাগলো না কেনো
ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা জরুরি ব্যবসা শুরু করার জন্য কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী সব ডকুমেন্ট প্রদান করা হলেও নানান অসংগতি এবং ভিজিট করার সময় ক্ষেপণ করে ঘুষ দাবি করে।
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফাই করাতে গিয়ে ১০০০ টাকা পুলিশ ঘুস নিছে,,,
one Dr. asked 2000 taka for given my father's death certificate :(
প্রধান শিক্ষকদের টি এ ডি এ বিল আটকে রেখে ১০০০ টাকা দাবি করা হয় এবং বিদ্যুত বিল আটকে রেখে তিন হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে এ দাবি পরিশোধের পর টিএডিএ ও বিদ্যুত দেওয়া হয়
আনুমানিক ৪ বছর আগে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার পদে চাকুরির জন্য এক ব্যাক্তি আমার কাছে ১৫ লক্ষ অর্থ দাবি করে। আমি চাকুরির আশায় তা দিয়ে দেই।
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মহরি জিনি দলিল লিখে সেই সরকারি কর সাড়ে ৭ % বলে উনি দাবি করেন কিন্তু আমার কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকার জমিতে উনি ১৮ হাজার টাকা দাবি করেন, আমি প্রশ্ন করার পর উনি বললেন কম হবে না এই টাকা এদিক সেদিক হয়,, কিছু করার নেই,,এক পর্যায়ে উনি বলেন আমাদের এখান থেকে কোন বেতন দেওয়া হয় না,, পার্সেন্ট অনুযায়ী তারা টাকা নিয়ে থাকেন,,আমি নিজ চোখে আরো দেখেছি প্রতিটি মানুষের থেকে লাখে আড়াই থেকে তিন পার্সেন্ট বেশি টাকা তারা নিয়ে থাকেন..এই টাকার ভাগ অনেক জন কে তারা দেয় কথায় উঠে এসেছে,,এটা প্রতিনিয়ত ঘটছে. যে কোন কাজে অনেক ঘুস তারা নিয়ে থাকেন,আমার দেখায় নাম জারি করতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেয় যা সরকারি খরচ ১১০০ টাকার মতো,
এনআইডি কার্ড এর জন্য গেছিলাম সব ঠিক ছিল প্রথম বার করে নাই । দ্বিতীয় বার চা- পানি বলে ২০০০ টাকা দিছি সঙ্গে সঙ্গে করে ফেলছে । এর আগে অনেকবার তড়িঘড়ি করছে।