জমির দলিল
দলিল সম্পাদন,২৫০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে দলিল সম্পন্ন হবে না,আর এই টাকা সাবরেজিস্ট্রার সরাসরি নেন না,নেন দলিল লেখক মহরিলদের মাধ্যমে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দলিল সম্পাদন,২৫০০ টাকা অতিরিক্ত না দিলে দলিল সম্পন্ন হবে না,আর এই টাকা সাবরেজিস্ট্রার সরাসরি নেন না,নেন দলিল লেখক মহরিলদের মাধ্যমে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার পরে তার প্রিন্ট কপি বা ডিজিটাল কপি নিতে দিতে হয়েছে।
কমলাপুর রেলস্টেশনে লোকাল ট্রেনে জামালপুর কমিউটার এ অসুস্থ রোগীর জন্য সিট দরকার ছিল। পরে, টিকিট মাস্টারকে সিট আছে কিনা জিজ্ঞাস করা হইছিলো। তারপরে সে সিট নাই বলে না করে দেয়। পরে যখন পাশের ভাইটা বলল : ভাই,টাকা বারায়ে দিব, তখন স্টেশন মাস্টার বলল,সিট কয়টা লাগব? ওই ভাইটা তারপরে ২ টা সিট এর কথা বলে ৩০০ টাকা দিয়ে সিট নিল। রেগুলার ভাড়ার দিগুন পরিমান টাকা দিতে হয় সিট ভাড়ার জন্য শুধুমাত্র বসে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য। আমার প্রশ্ন হইলো, অতিরিক্ত টাকা দিলে সিট পাওয়া যায়, আর ঘুষ না দিলে সিট পাওয়া যায় না। তাইলে এই সিটগুলা বরাদ্দ কাদের জন্য করা থাকে? যারা তাদের ঘুষ দিতে পারবে তাদের জন্য নাকি? হ্যা?
উক্ত কলেজের অফিস কক্ষে ডিগ্রি ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের ফরম ফিলাপের সকল কাগজপত্র যথাযথভাবে পূরণ করে জমা দিতে গেলে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রত্যেক আবেদনকারীর নিকট ৫০ টাকা করে দাবি করা হয়। আমাকে জানানো হয় যে, প্রত্যেক আবেদনের বিপরীতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫০ টাকা নির্ধারণ করেছেন। আমি উক্ত ৫০ টাকা প্রদানের জন্য রশিদ চাইলে অফিসে দায়িত্বরত ব্যক্তিরা জানান যে, এই টাকার কোনো রশিদ দেওয়া হয় না। বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সেখানে উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষার্থীদের দেখানো হয় এবং বলা হয়, তারাও ৫০ টাকা প্রদান করে আবেদন জমা দিচ্ছেন। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আর কোনো ধরনের বিরোধে জড়াইনি। কারণ, আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে বা কর্তৃপক্ষ আমার আবেদনটি বাতিল করে দিতে পারে।
হাত ভাঙ্গা রুগী নিয়ে হরিরামপুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়,, সেখান থেকে বলে আগে এক্সরে করে নিয়ে আসেন.. হসপিটালের বাহির থেকে এক্সরে করায় পরবর্তীতে এক্সরে রিপোর্ট নিয়ে দেখালে, তারা বলে ব্যান্ডেজ করতে হবে, বা প্লাস্টার। ১০০০ টাকা দিন, আমি তাদের জানায় কিসের টাকা, তারা বলে যাবতীয় খরচ বাইরে থেকে সব জিনিসপত্র কিনতে হবে প্লাস্টার করার জন্য, আমি নিরুপায় হয়ে তাদের সাথে আর কথা বাড়ায়নি,, ইমারজেন্সিতে আসা প্রত্যেকটা রোগের সাথে এই হসপিটালে এমন ব্যবহার করা হয়..
kono prokar jhamela chara passport kore debar jonno amar kach theke 10000 taka dabi korecilo,ami onk dama dami kore 5000 taka te koriyeci. er jonno amak kono ling maintain korte hoy ni.
kisui korar silo na, amr driving license lagtoi, e jnno baddho hoye diyesi,
টাকা নাদিলে পাসপোর্ট পাব না কখনো
মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটায় অবস্থিত সরকার অধিগ্রহণকৃত সাইলো প্রকল্পের জমিতে আমাদের কিছু অংশ সরকার অতি গ্রহণ করে এবং তার বিনিময়ে মোট যে টাকা দেওয়ার কথা সেখান থেকে ডিসির অফিস প্রায় ১৫ পার্সেন্ট টাকার কেটে রাখে এবং সেই অফিসের অফিসার আমাদের কাছ থেকে উত্তর টাকায় গ্রহণের জন্য আরো ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। একরকম বাধ্য হয়েই সেই টাকা দিতে হয়।
আমি একটি থানায় জিডি করেছিলাম কিন্তু পুলিশ এএসআই আমাকে বাধ্য করলো ২৫০০ টাকা না দিলে সত্য তদন্ত রিপোর্ট আদালত সাবমিট করবে না।ফলে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছিল কারণ আমি তখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম।
বাস্তব অভিজ্ঞতা : পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে প্রথমে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। কিন্তু কাউন্টারে যাওয়ার পর নানা জটিলতা ও নিয়মের অজুহাত দেখিয়ে বলা হলো, এগুলো সমাধান করতে অনেক সময় লাগবে। বাধ্য হয়ে একপর্যায়ে অফিস থেকে বের হয়ে আসি। বাইরে একটি দোকানে কথা বলতেই একজন পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে সব ঠিক করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। টাকাটা দেওয়ার পরই দৃশ্যপট পুরোপুরি বদলে গেল—ভেতরে ঢুকতেই কোনো রকম ঝামেলা ছাড়া সরাসরি ডাক পড়ল, চটজলদি ছবি তোলা হলো এবং চোখের পলকে কাজ শেষ হয়ে গেল। যেখানে নিয়ম মেনে চলতে গেলে সাধারণ মানুষকে পদে পদে হয়রানি হতে হয়, সেখানে বাড়তি টাকা ফেললেই সব অসম্ভব মুহূর্তেই সম্ভব হয়ে যায়। সাধারণ সেবাপ্রত্যাশীদের জিম্মি করে পুরো ব্যবস্থাটাই যেন এই ঘুষের সিন্ডিকেটের ওপর চলছে।
আমি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর একজন শিক্ষার্থী । আমাদের সরকারি কলেজে ছাত্রদলের নামধারী একটি রাজনৈতিক দল হল দখল করে রেখেছে। তারা প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে এবং বাধ্যতামূলকভাবে হলের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রোগ্রামে নিয়ে যাচ্ছে। প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ না করলে শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। এছাড়া, হলে আসন বরাদ্দের দায়িত্বে থাকা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষকদের কাছে সহায়তা চেয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তারা কোনো তথ্য দিয়ে সহযোগিতা না করে শিক্ষার্থীদের এড়িয়ে চলছেন, যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জোরপূর্বক সুবিধাভোগী বড় ভাইদের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হচ্ছে। আমি নিজেও এর ভুক্তভোগী । হলে তো উঠছি মিছিলে না গেলে সমস্যা ।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ সরকারি হাসপাতালে নিয়োজিত ট্রলি বহনকারী আমার রোগীকে ইমারজেন্সি থেকে ওয়ার্ডে নিয়ে যায় এবং আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করেন ভাষাটি ছিল স্যার বিদায় করেন /কিছুদেন।না দিতে চাইলে গালাগালি করেন এবং আমি দিতে বাধ্য হই।
ট্রাফিক পুলিশ ঘুষ নিতে দেখেছি
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ পেতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ — লাকসাম থানা দপ্তর: লাকসাম থানা, বাংলাদেশ পুলিশ সেবা: পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (PCC) স্থান: লাকসাম, কুমিল্লা আমি একজন সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিক। গত প্রায় আট বছর আমি প্রবাসে ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অপরাধ বা কোনো ধরনের ক্রিমিনাল অভিযোগ নেই। আমার একটি জরুরি প্রয়োজনের কারণে দ্রুত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে জমা দেওয়া প্রয়োজন ছিল। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য সরকারি ফি মাত্র ১,৫০০ টাকা, কিন্তু আমার কাছ থেকে এই সরকারি ফি-এর বাইরে ১৬,০০০ টাকারও বেশি অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। আমি স্বেচ্ছায় এই অতিরিক্ত অর্থ দিতে চাইনি। কিন্তু আমার পুলিশ ক্লিয়ারেন্সটি জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন ছিল এবং নির্ধারিত সময়ে
জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি passport application যাচাই - বাছাই করেন, সব ধরনের কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও application জমা নিচ্ছিল না এভাবে টানা ৩ দিন শুধু rejected করছিল এবং ৪ নম্বর দিন 1700 টাকা ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে passport application বিশেষ চিহ্ন করা তখন কোনো ধরনের কাগজপত্র ছাড়া আমার passport application জমা নিয়েছে, মানে ঘুস এবং বিশেষ চিহ্ন ছাড়া তারা কোনো application জমা নেয় না, জামালপুর পাসপোর্ট অফিস যিনি আবেদন পত্র যাচাই বাছাই করেন আমি তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ গুলো করছি।
আমাকে বলে অনেক সমস্যা কাগজে ভেজাল এই সেই বলে প্রায় তিন মাস গুরিয়েছে তারপর এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকা দিয়েছি কাজ হয়েছে
আমার এবং আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য ৩০০০ টাকা দাবি করে না দেওয়ায় ২!দিন ঘুরায় আবেদন ও ফিঙ্গার নেয় না বিভিন্ন কারণ দেখায় । তারপর ৩য় দিন বাধ্য হয়ে ২২০০ টাকা দেই । @গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিস এ টাকা ছাড়া কোনো পাসপোর্ট রেডি করা ইম্পসিবল হয়ে গেছে ।
আমি পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে আমাকে সিরিয়াল না দিয়ে সে এক হাজার টাকার বিনিময়ে সে আমাকে ও তাই মোবারক হয়ে যাওয়ার পরেও সে আমাকে জমা দিয়ে ছবি তুলেছে
আমি মাতৃত্বকালীন ভাতার একটি কার্ড করবার জন্য গয়হাটা সরকারি হসপিটালে যাই । সেখানেই ঘটনা ঘটে । বলা হয়েছিল মাতৃত্বকালীন কার্ড অনলাইন করতে হয় । সেই জন্য কিছু টাকা পয়সা খরচ হয় । আমি বললাম কত টাকা । মহিলা ম্যাডাম তিনি বললেন ৫০০ টাকা । আমি বললাম ৩০০ টাকা রাখেন । উনি এক টাকাও কম রাখেনি ।