পাসপোর্ট বানাতে
আমার জরুরি পাসপোর্ট করা দরকার ছিলো যার কারণে তারা আমার কাছে ১৮হাজার টাকা ডিমান্ড করে আর আমি তখন এমন পরিস্থিতিতে ছিলাম আমার ওদের চাহিদা অনুযায়ী দিতে বাধ্য হতে হয়েছে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার জরুরি পাসপোর্ট করা দরকার ছিলো যার কারণে তারা আমার কাছে ১৮হাজার টাকা ডিমান্ড করে আর আমি তখন এমন পরিস্থিতিতে ছিলাম আমার ওদের চাহিদা অনুযায়ী দিতে বাধ্য হতে হয়েছে।
শ্রান্তি বিনোদনের ভাতা উত্তোলন এর জন্য অফিসে গিয়ে সারাদিন এক দরজা থেকে আরেক দরজায় গিয়েছি, দায়িত্বরত অফিসার বলে আজকে হবে না, বড় স্যার ছুটিতে আছেন। ২/৩দিন পর আসেন, তারপরও কাজ হবে কিনা সিউর না, অনলাইন আবেদন করতে হবে, এই করতে হবে, সেই করতে হবে, এরপর টাকা পেতে প্রায় ১/২ মাস লেগে আবে। সারাদিন এই দরজা ওই দরজায় ঘুরাঘুরির পর ১জন এসে বলল, ৫০০০টাকা দিন, দেখি কিছু করা যায় কিনা। পরে আমার সাথে ৩০০০ টাকা ছিল, সেটা দেই। টাকা দেয়ার ৫ মিনিটের ভিতর ওই অফিসার কাজ শেষ করে দিল, বলল আর কিছু করতে হবে না, আপনার ভাতা ২দিনের ভিতর পেয়ে যাবেন।
আমার বাবা মারা যাওয়ার পর তাঁর পেনশনের টাকা মায়ের নামে ট্রান্সফার করার জন্য প্রায় ৬–৮ মাস বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেও কাজটি সম্পন্ন করতে পারিনি। পরে নওগাঁর একজন স্থানীয় পরিচিত ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে SP অফিসের পেনশন সংক্রান্ত কাজ যিনি দেখেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলি এবং পেনশনটি মায়ের নামে ট্রান্সফার করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। তিনি কাজটি করে দেওয়ার কথা বললেও পরবর্তীতে এ কাজের জন্য তিনি আর কোনো টাকা নেননি। তবে ট্রেজারি অফিসে ফাইল ছাড়ানোর জন্য প্রায় ২–৩ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। এছাড়া পেনশন বই তোলার সময় আরও প্রায় ১ হাজার টাকা দিতে হয়েছিল বলে মনে আছে।
শরীয়তপুর জেলার রাজগঞ্জ ব্রিজের সামনে থেকে একজন ট্রাফিক পুলিশ আমার বাইক থামায় এবং কাগজপত্র না থাকায় ঘুষ চেয়েছে। তা না হলে গাড়ি থানায় নিয়ে যাবে উপায় না পেয়ে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম আমি একজন ভুক্তভোগী আমার পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য আবেদন করেছিলাম প্রায় দুই বছর আগে কিন্তু আমি কোন দালাল ধরি নাই দুই মাস পরে পরীক্ষার তারিখ হলে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমি ময়মনসিংহ বি আর টি এতে যায় উনারা আমাদেরকে একটি হল রুমে নিয়ে যাই নিয়ে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলছে আমি মনে করেছিলাম যাইহোক দেশটা মনে হয় অনেকটা ভালো হয়ে গেছে কিন্তু বক্তব্য দেওয়ার শেষে আমাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয় খাবার শেষ করার পর আমরা মাঠে পরীক্ষা দিতে যাই পেকটিকেলে পরীক্ষার শেষে আমাকে জিজ্ঞেস করা হলো কার মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদন করেছি কিন্তু আমি বলি যে আমি নিজেই আবেদন করেছি আমার এ কথাটা যেন তাদের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল আমি এটা বুঝতে পারি নাই আমার এডমিট কার্ডে লেখা ছিল পাস
সারাদিন বসে থেকো এই কাগজের সমস্যা ওই কাগজের সমস্যা।আপনি আগামীকাল আসেন । এরকম টাকা নেয়ার জন্য তালবাহানা শুরু করছে। পরে ওই জায়গার লোকেরা টাকা নিয়ে করে দিছে।
রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম
এনআইডি কার্ড সংশোধনের জন্য, ১ব্যাক্তি টাকা গুলো নিয়েছেন ওনি কম্পিউটার দোকান করে থাকেন বর্তমানে।
আমি পাসপোর্ট জমা দিতে গেলে আমাকে,হয়রানি করে ফেনী পাসপোর্ট অফিসের কর্ম কর্তারা,যারা এজেন্সি রেফারেন্স এ গেছে তাদের কোন হয়রানির শিকার হতে হয়নি,আমি নিজে ফাইল পুরন করে গেছি আর তারা হয়রানি করছে,খুব দেরি করছে আমার পাসপোর্ট দিতে,বিভিন্ন ধাপে ধাপে পাসপোর্ট আটকিয়ে কয়েকবার পাসপোর্ট অফিসে যাওয়া লাগছে।
Amar wife er passport ante gele 2000 ghush dite hoi. ekhane officer theke dalal sobai ghush khai. Officer sathe dalalder jogajog age theke ache, ansar ,security sobai ghuser sathe jorito.
পাসপোর্ট এর ছবি তুলতে গেলে বলা হয় আপনার আবেদনে ভুল আছে। পুরাটাই বাতিল হবে। বাতিল হলে সমস্যায় পড়ে যাব বুঝতে পেরে, আমাকে পাঠানো হলো পাসপোর্ট ডেলিভারী দেয়া হয় তার রুমে। সেখান থেকে পাশের রুমে নিয়ে গিয়ে বললেন ১০৮০ টাকা দিতে। কেননা সে রুমে ক্যামেরা সম্ভবত ছিল না। দেয়ার পর আমার আবেদনের উপর লিখলেন IP. এটাই মূলোতো ছিলো সংকেত। পরে যিনি ছবি উঠাবেন সেই অফিসারের রুমে গেলে তিনি বললেন আপনার আবেদনের ভুল টি আসলে ভুল নয়। এটি থাকলেও সমস্যা নেই। বলে তিনি তা রেখে দিলেন। পরে মনে হলো আসলে আমাকে হয়রানী আর ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যেই ছিলো সেই টাকা টা নেয়া।
আমার স্ত্রী ১৮ আগষ্ট উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষক বদলীর আবেদন করি। এর গত ৩০/০৮/২০২৬ তারিখে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম থেকে আমাকে ফোন করে বদলী আদেশ নিতে বলে। আমি বদলীর আদেশ নিতে গেলে শিক্ষা অফিসের বড়বাবু, ছোটবাবু অফিস আদেশ তৈরী করতে খরচ হয়েছে মর্মে টাকা দাবী করেন। অনেক কথা বলার পর ৫০০ টাকা দিতে চাইলে তিনি প্রত্যাখান করেন। এরপর ১০০০ টাকা নিয়ে ছোট বাবুকে দেয়। তারপর আমার বদলীর আদেশ আমাকে দেয়।
সব কাগজ পত্র ঠিক থাকা সত্য,, নানা ভুল দরে ফেরত দেয়,, পরে বাহিরে কম্পিউটার দোকানে ঘুষের টাকা জমা দিলে বিশেষ এক ধরনের সাইন দেয়,, পরে অফিসে গেলে আর কোনো ভুল দরেনা ফাইল জমা নিয়ে কাজ করে দেয়।
অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন এর সকল প্রক্রিয়া শেষে ফেনী অফিসে গেলাম ছবি উঠাতেও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে। সেখানে গিয়ে দেখি বিভিন্ন দরবেশ আমাদের অপেক্ষায় রয়েছেন যেনো একেকটা মুরগী ধরবেন, আর জবাই করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও আমার ফাইল রিজেক্ট হলো। তো সমাধান খুঁজতে গিয়ে জানতে পারলাম "আমার ফরমে নম্বর/সীল লাগানো হয়নি। তো কোথায় লাগাতে হবে? তাদের মনোনীত ট্রাভেল এজেন্সিতে যোগাযোগ করতে হবে। গেলাম ট্রাভেল এজেন্সিতে। তো নম্বর লাগাতে কি লাগবে? ১৫০০ টাকা। বাধ্য ছেলের মতো দিয়ে দিলাম। কারন, না দিলে পাসপোর্ট আর দেখা লাগবেনা। এটাকে বলে সিস্টেম।
প্রথমবার আমি পরীক্ষা দেওয়ার সময় আমাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল করানো হয়েছে কেননা তারা টাকা ব্যতীত কোন লাইসেন্স এর পাশ দেয় না। তিনটি পরীক্ষা থাকে তিনটি পরীক্ষার মধ্যে দুইটি সম্পন্ন লিখিত মুখিত পাস করার পর ফিল্ড টেস্টে ওনারা রাতের দশটার পর শুধু চারা উদার থেকে টাকা দেয় তাদেরকে পাস দেয় টাকা দেয় না তাদেরকে ফেল করিয়ে দেয়। আমাদের গাড়ি থাকে অনেক একেবারে খারাপ যাতে করে কেউ পরীক্ষা দিতে না পারে।
আমি জানি নামের ভুল সংশোধন করতে সরকারি ফি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে সংশোধন করা যায় কিন্তু উকিল কেই দিতে হয়েছে ৫০০০ হাজার টাকা কোর্টে এফিডেভিট করতে।
১বছর আগে গ্রামে মারামারি হয়। তারপর মামলা, সে মামলায় ৭জনকে আসামি করা হয় কয়েকজনকে অজ্ঞাত নামা রেখে,১বছর পর আয়ু জানায় টাকা দিলে আর নতুন কোন নাম দেবে না, এই ভয়ে গ্রামের অনেকে মিলে ৭৫০০০হাজার টাকা উনাকে দেন।তবে মজার বিষয় chargesheet পাঠানোর সময়, বাদির কাছ থেকে ২লক্ষ টাকা নিয়া ২জনার নাম দিয়ে দিছে
আমার SSC রেজিস্ট্রেশনে আমার নামের বানান সামান্য ভুল রয়েছে। উক্ত নামের ভুল সংশোধন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে যোগাযোগ করলে তিনি/তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা (ঘুষ) দাবি করেন। টাকা না দিলে নাম সংশোধনের কাজ করে দেওয়া হবে না বলে জানান। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আমি চাই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোনো অতিরিক্ত অর্থ প্রদান ছাড়া আমার নামের ভুল সংশোধনের ব্যবস্থা করা হোক।
দালাল রাই বলেছিল যে এই পরিমান টাকা দিলে ২ দিনে পাসপোর্ট করা যাবে। তাই সবাই রাজি হয়। আবেদন ফরম এ তারা একটি বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দেয় ফলে কোন রকম ঝামেলা ছারাই পাসপোর্ট করে ফেলেছিলাম
জমি খারিজ করতে গিয়ে ৭০০০ টাকা দাবি করে। পারে টাকা পরিশোধ করি