লাইসেন্স নবায়ন করতে
আমি আমার লাইসেন্সটি রিনিউ করার জন্য আবেদন করি কিন্তু তা হচ্ছে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাতিল করছিলো তারপর একজনের সহায়তায় ৪০০০ টাকা দিয়ে তা করতে সক্ষম হয়েছি।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি আমার লাইসেন্সটি রিনিউ করার জন্য আবেদন করি কিন্তু তা হচ্ছে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বাতিল করছিলো তারপর একজনের সহায়তায় ৪০০০ টাকা দিয়ে তা করতে সক্ষম হয়েছি।
আমি একা ৩ টা নামজারি মামলার শুনানি করতে গেছি। আমার ৩ জন ভিন্ন ভিন্ন মক্কেল এর। কানুনগো অফিসার বলল আপনি অন্য কার ও প্রতিনিধি হয়ে শুনানি করতে পারবেন না। মক্কেল নিয়া আসেন। ফেরত এসে বাহিরে অন্য এক লোকের কাছে আলোচনা করতেই সে বলল আমার কাছে ৬০০০ টাকা দেন করে দেই। তাতপর ঠিক আমার কাজ হয়ে গেল
পাসপোর্ট রি-ইসূ করতে বর্তমানে যে কোনো জেলা থেকে করা গেলেও আমার কাগজ জমা নিচ্ছিলো না। আমার পাসপোর্ট এক জেলার আর রি-ইসূ করতে দিয়েছিলাম অন্য জেলায়। পরে দালালের মাধ্যমে করিয়েছি।
একটি শালিস বৈটকে চ্যায়ারম্যান বলে আমাদের সমস্যা নাকি থানার ওসি অবগত হয়েছে। এখন সম্পর্ণ বিষয়টি ও হেন্ডেল করবে। বিষয়টি ছিল একটি ছেলে মেয়ে রিলেশনের সমস্যা ছেলেটির বয়স নি এবং মেয়ের বাবা এই বিষয়ে দিতে তেমন আগ্রহ না কিন্তু চ্যায়ারম্যান বিষয়টি গোলাটে করে টাকা ঘুষ গ্রহণ করে।
monthly 2 Month deyaoar por akhon r dichina but always pressor diche
আমার মায়ের ও ভাগিনার পাসপোর্ট জমা দিতে গিয়ে জমা গ্রহণকারি যখন ফাইল গুলো দেখল দালালের মাধ্যমে হয়নি তখন তিনি ফাইল গুলো ফেরত দিয়ে দিল, পরে যখন বাহিরে এসে একজন দালালের মাধ্যমে গেলাম তখন ৩:৩০pm মানে ২টার পরে কাউন্টার বন্ধ হয়ে গিয়েছে জমা নিবে না, দালাল যখন টাকা নিয়ে ঐ একই জমা কারিকে কল দিয়ে আমাদেরকে পাঠাল ও ৩ তালাই অফিসে সাথে আমাদের রিসিভ করে কাজ করে দিল, আমার মা বয়স্ক বলে আমার টাকা দিয়ে দিতে হল
এন আই ডি কার্ড নাম সংশোধনের জন্য অনলাইনে এপ্লিকেশন করি।অ্যাপ্লিকেশনের ২০ থেকে ২৫ দিনের ভিতরে এনআইডি কার্ড সংশোধন হয়ে যাওয়ার কথা।সে ক্ষেত্রে মেসেজ আসার কথা মোবাইলে।দুই মাস চলে যাওয়ার পরও মেসেজ আসেনি।পরবর্তীতে আমি নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করি।অফিসে গিয়ে দেখি অফিস টাইমে কর্মচারীগণ উপস্থিত নেই।কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে একজন ম্যাম আসেন।উনাকে আমার সমস্যার কথা বললে উনি আমাকে বলে প্রসেসিং এ আছে হয়ে যাবে আমাকে বলল আপনি চলে যান কিছুদিনের মধ্যে হয়ে যাবে। কিন্তু ওখানে একজন পিয়ন ছিল যে আমাকে পাশে ডেকে নিয়ে বলল আপনার কাজ আমি এখন করে দেবো আমাকে কিভাবে সম্মান করবেন।আমি ওনাকে চা নাস্তা খাওয়ার জন্য ৫০০ টাকা দিবে বলেছি।শেষ পর্যন্ত নিয়ে ১০০০ টাকায় রাজি হল। এবং সাথে সাথে আমার কাজ করে।
জমি খারিজ করার জন্য গেছিলাম আমার কাছ থেকে আট হাজার টাকা নিয়েছে
আমি গুলিস্তানে অল্প কিছু রাস্তা প্রায় ১০ গজ হবে উল্টা পথে আসি। তখন একজন ট্রাফিক পুলিশ হাসি মুখে বললেন উল্টা পথে আসলে কেন? তখন আমি বলি ঐ দিক দিয়ে আসলে তো অনেক ঘুড়তে হয়। তখন উনি বললেন কাগজপত্র ঠিক আছে? আমি সব দেখালাম। তার পর তার সহযোগী একজন এসে বললেন উল্টাপথে আসলেন। আমি বললাম হ্যা। উনিও কিন্তু ট্রাফিক পুলিশ ছিলো। তারপর লোকটি বললো মামলা দিলে ২০০০ টাকা লাগবে। আমি বললাম আজকে মাফ করে দেন আর হবে না। তখন ট্রাফিক পুলিশটি আস্তে করে বললো অল্প কিছু দিয়ে মিট করে নেন। তখন পাশে একজন ওভার মোটরসাইকেল চালক আমাকে আস্তে করে বলে ২০০ হাতে ধরিয়ে দেন। তারপর আমি ২০০ টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিদ্রুপ : আমার গাড়িটি মোটরসাইকেল ছিলো।
ঘটনাটি ঘটে ৩১/০৮/২০২৬ এ এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় একজনকে মারধর করলে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার ভর্তি দেয় এবং মামলা করার জন্য পরামর্শ দেয়। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি ডাক্তার কেন মামলার পরামর্শ দিবে। পরে আমি মেডিকেল রিপোর্ট চাইলে ওখানের কর্মরত একজন আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়। নানান বাহানা দিয়ে পরে ৫০০ টাকার বিনিময়ে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে রাজি হয়। ঘটনাটি ঘটে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে, জরুরি বিভাগে। ওখানে কয়েকজন কর্মরত ছিলেন, তাদের নাম এবং পদবি আমি জানি না।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়ে পুলিশ এলাকায় ভেরিফাই করে আসে। সব তথ্য ঠিক ছিল। তবে আমার জমির খতিয়ান ছিলনা। তার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সত্যায়িত ভূমিহীন সনদ ও প্রদান করি। তারপর ও তিনি বলেন হবেনা। ৫০০০ টাকা দিতে হবে। ভিসা প্রসেসিং দ্রুত করতে আমার পাসপোর্ট দরকার ছিল। পরে আমি দিতে বাধ্য হয়।
চায়না থেকে আগত ব্যবসায়িক মালামাল রিলিজ করার জন্য
আমি ২০২৫ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার এক রোগী কে দেখতে যাই। কিন্তু বাইরে থাকা আনসার বলে রোগী এখন দেখা যাবে না। আমি বললাম কেন দেখা যাবে না।ওনি বললেন এখন দেখার সময় নাহ। আর যদি দেখতেই হয় তাহলে কিছু লাগবে। আমি বললাম কিছু লাগবে মানে কি লাগবে, বললো ৫০০ টাকা দিলেই হবে। আমার সময় না থাকার কারনে বাধ্য হয়ে টাকা টা দিতেই হয়েছে।
VAT Return নগদ টাকা তার পরে কাজ করে দিয়েছে
ফী হিসেবে আমি ১০০০ টাকা দিয়েছিলাম ৪ টি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য কিন্তু সরকারি ফী মাত্র ২০০ টাকা ছিল
কর অঞ্চল চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ সিডিএ। প্রতিষ্ঠান টি তে একটা নোটিশ নেওয়ার জন্য কল দিলে সেই কাগজ টা যখন আনতে যাওয়া হয় তখন ঐই পদে থাকা ব্যক্তি (২০ গ্রেড, নোটিশ সার্ভার) প্রদান করেন তিনি বেনসন সিগারেট এবং চা নাস্তা বাবদ ১০০০ টাকা দাবি করেন। তাঁকে যখন ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয় তখন তিনি অফিসের বাইরে নিয়ে গিয়ে খুবই বাজে ব্যবহার করেন এবং কাগজে সমস্যা আছে এখন দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেন। পরবর্তী তে তার মোবাইলে কল দিলে তিনি আগ্রাবাদ সিজিএস কলোনীতে দেখা করতে বলেন এবং আগে টাকা দাবি করে । পরে তাঁকে অনুরোধ করি টাকা কমায় নেওয়ার জন্য তখন তিনি বলেন এটা অফিসারকেও ভাগ দিতে হবে, কম দিলে তার ভাগে কিছু থাকবে না। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় তাঁকে ১০০০ টাকা। এরপর তিনি কাগজ বুঝায় দেন।
অভিযোগ: ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটের নিয়মিত যাত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা না দিলে অনেক সময় সিট থাকা সত্ত্বেও সিট দেওয়া হয় না। আজ ২/৯/২০২৬ তারিখে মহুয়া ট্রেনের নির্ধারিত ভাড়া ৯০ টাকা, কিন্তু সিটসহ টিকিটের জন্য ১২০ টাকা দিতে হয়েছে। মাঝে মাঝে এর চেয়েও বেশি টাকা নেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট ও সিট প্রদান নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। অন্য কাউন্টারেও কমিউটার ট্রেনের একই অবস্থা। গফরগাঁও স্টেশন থেকে ঢাকা ভাড়া ৪৫ টাকা,এখানে ৭০/৮০ /১০০ টাকা দিয়ে সিট সহ টিকেট নিতে হয়।
আমি নতুন পাসর্পোট করতে গিয়ে তিন বার আমার ফাইল রিজেক্ট করে দে, এবং পরে তাদের দালাল মারফত দাতের চাহিদা অনুযায়ী বাড়তি 7000 হাজার টাকা দিলে আমার পাসর্পোট হয়| এটা শুধৃু আমার বেলায় না আমার মতো হাজার মানুষ আমি সেখানে তথা কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিসে দেখতে পেয়েছি, এমন কি এই কাজে উপর মহল থেকে শুরু করে সবাই জড়িত
কোন ভাবে সমাধান হয় না পরে টাকা দিয়েছি ( নতুন হোল্ডিং নাম্বার এর জন্য আবেদন করছিলাম)
বাতসরিক চাদা হিসেবে পাচ সেট প্যান্ট এর পিস গিফট দেওয়া হয়ছে।