অনলাইন জন্ম নিবন্ধন
ফী হিসেবে আমি ১০০০ টাকা দিয়েছিলাম ৪ টি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য কিন্তু সরকারি ফী মাত্র ২০০ টাকা ছিল
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফী হিসেবে আমি ১০০০ টাকা দিয়েছিলাম ৪ টি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য কিন্তু সরকারি ফী মাত্র ২০০ টাকা ছিল
অভিযোগ: ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটের নিয়মিত যাত্রী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশন থেকে লোকাল ট্রেনে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা না দিলে অনেক সময় সিট থাকা সত্ত্বেও সিট দেওয়া হয় না। আজ ২/৯/২০২৬ তারিখে মহুয়া ট্রেনের নির্ধারিত ভাড়া ৯০ টাকা, কিন্তু সিটসহ টিকিটের জন্য ১২০ টাকা দিতে হয়েছে। মাঝে মাঝে এর চেয়েও বেশি টাকা নেওয়া হয়। বিষয়টি তদন্ত করে নির্ধারিত ভাড়ায় টিকিট ও সিট প্রদান নিশ্চিত করার অনুরোধ করছি। অন্য কাউন্টারেও কমিউটার ট্রেনের একই অবস্থা। গফরগাঁও স্টেশন থেকে ঢাকা ভাড়া ৪৫ টাকা,এখানে ৭০/৮০ /১০০ টাকা দিয়ে সিট সহ টিকেট নিতে হয়।
আমি নতুন পাসর্পোট করতে গিয়ে তিন বার আমার ফাইল রিজেক্ট করে দে, এবং পরে তাদের দালাল মারফত দাতের চাহিদা অনুযায়ী বাড়তি 7000 হাজার টাকা দিলে আমার পাসর্পোট হয়| এটা শুধৃু আমার বেলায় না আমার মতো হাজার মানুষ আমি সেখানে তথা কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসর্পোট অফিসে দেখতে পেয়েছি, এমন কি এই কাজে উপর মহল থেকে শুরু করে সবাই জড়িত
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গেলে লাঞ্চ টাইম ১:২০ বাজতেই দায়িত্বরত কর্মকর্তা চলে যাচ্ছিল। আমার অপেক্ষার ফলাফল জানতে চাইলে বলে আজ আর হবে না। কাল আসুন। যেহেতু আমার উপ্জেলা থেকে জেলা শহরের বেশ দুরত্বে থাকায় আমি বার বার অনুরোধ করলে ইশারা দিয়ে একটি লোক দেখিয়ে বলেন আপনি উনার সাথে কথা বলেন। উনি চলে গেলেন। আমি অফিসারের দেখানো লোকের সাথে কথা বলার পর অই লোক আমার কাজটা করে দেয়ার নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু নির্ধারিত টাকার চেয়ে ৬০০০ টাকা বেশিচায়। যেহেতু আমি এর আগেও দুদিন ঘুরে গেছি একা একা কিছুই করতে পারিনি সেহেতু আমিও আজকে সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি। তাই একান্ত বাধ্য হয়েই ৬০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলাম। অই লোক অফিসের কেউ না। উনি আয়মান হোন্ডা দোকানে আমাকে নিয়ে গেলেন। আশ্চর্যের ব্যপার অই কর্মকর্তা অই শোরুমে বসেই আমার আবেদন
নোয়াখালীর চৌমুহনী ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করার জন্য যথারীতি অনলাইন আবেদন করি। অনলাইন আবেদনটি অনুমোদন এর জন্য চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিস এ গেলে সেখানের কর্মকর্তা ও সহযোগীরা নানা রকমভাবে বলতে লাগলো এখানে অনুমোদন দিলে প্রায় ৪০০০০ টাকা আসবে। নানারকম ভাবে তারা ইশারা ইঙ্গিতে বোঝালো অন্যভাবে আসেন! অগত্যা তৃতীয় ব্যক্তি সেটা ৩০০০০ নিয়ে অনুমোদন দিলো, দেখা গেল খাজনা রশিদ ১২০০০+ দিয়েছে। এই হলো এদেশের সরকারি সেবাখাতগুলোর সেবাদানের নমুনা। সরকারি যত সেবা কার্যালয়ে আমাদের যেতে সর্বত্রই কতগুলো ঘুষখোর চোর ছ্যাঁচড় বসে আছে।
২০২৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ প্রাপ্ত হই। ভেরিফিকেশন করার জন্য পুলিশ বাসায় আসলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু পরে আমি 5000 টাকা বাধ্য হয়েই দেই ।
Ttc বাট ট্রেনিং সেন্টার সেখানে কিছু সংশোধন করতে গেলে সবার কাছ থেকে সরকারি মূল্য থেকেও ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে প্রতি সপ্তাহে এক ব্যাচ করে ট্রেনিং নিতে আসে প্রতিটি ব্যাচে কমসেকম ৪০-৫০ জন থাকে তিনদিনের ট্রেনিং শেষ করার পর প্রতি ব্যাস থেকে থেকে এক্সট্রা ২০ থেকে ৫০ ১০০ টাকা বকশিশের নামে দাবি করা হয় ১০ টাকা দিলে তারা নিতে চায় না আরো বেশি কথা বলে আমরা কি ভিক্ষা করতে আসছি নাকি এ ধরনের কথা মন্তব্য দেই আর অনেক সময় দেখা যায় যে এমনও কথা বলে যে তোমরা সার্টিফিকেট পাবা না এ ধরনের কথা বলে আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে অনেক সময় হচ্ছে আমরা সরকারি মূল্য তালিকা দিয়ে আমরা ফর্মটা পূরণ করার পরে আমরা সার্টিফিকেট হাতে পায় না সার্টিফিকেটটা নিতে গেলে আরো বিশ টাকার দাবি করা হয়
কোন ভাবে সমাধান হয় না পরে টাকা দিয়েছি ( নতুন হোল্ডিং নাম্বার এর জন্য আবেদন করছিলাম)
বাতসরিক চাদা হিসেবে পাচ সেট প্যান্ট এর পিস গিফট দেওয়া হয়ছে।
ভূমি উন্নয়ন কর 10000 টাকা ছিল সেখানে আমার কাছে 30000দাবি করা হয় , সেখানে আমি 20000টাকা পরিশোধ করি, আমাকে 10000 টাকার চেক প্রদান করেছে এবং10000 ঘুষ হিসাবে নিয়েছে।
নামজারী করার জন্য আবেদন করি এসিল্যান্ড অফিস অনেক দিন ঘুরিয়ে ২০০০০ টাকার বিনিময়ে পাস করেন।
সিলেট কারিগরি ট্রেন সেন্টারে যুব উন্নয়নের অধীনে সরকারি ভাবে ড্রাইভিং শিখতে ভর্তি হই। এরপর লাইসেন্সের জন্য পরীক্ষা দিতে গেলে ৩০০০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে ৩য় পক্ষ যারা সরকারি কোনো চাকুরীজীবি নয় তবে সরকারি চাকরিজীবী যিনি আছেন তার অধীনস্থ হয়ে কাজ করে যাতে সরাসরি ঘুষে তার নাম না আসে। বিনা ঘুষে বা দালাল ছাড়া পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করলে অকৃতকার্য দালাল বা ঘুষ দিয়ে পরীক্ষা দিলে কৃতকার্য। তাদের এই অপকর্মের কারণে আজ রাস্তায় এতশত দূর্ঘটনা আর অকালে জড়ে পরে কত হাজার প্রাণ। আমাদের দেশের মানুষ কি কখনো ভালো হবেনা, তারা এসব দূর্নীতি বাদ দিবে না।
জমি দখল করায় জেলা কোর্টে কেচ করা হয়েছিলো সেখান থেকে পুলিশ নোটিশ দিতে এসেছিলো তখন ১০০০ টাকা নেয় এবং সে জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা পরও জমি তে নির্মাণ কাজ করতে থাকায় থানায় সেই পুলিশ এর কাছে গেলে সেখানে ২০০০ টাকা জোর করে নিয়ে নেওয়ার মতন করে নিয়েছিলো। মোট ৩০০০ টাকা। তবে কাজের কাজ কিছুই করেনাই।
অতিবৃষ্টি বা লোড শেডিং এর জন্যে প্রায় কারেন্ট যায় আসে কোন এলাকায় ফাইবার বা অন্য কোন কিছু নষ্ট হয়ে গেলে তারা সহজে আসেনা তাদের অনেক কাজ আছে বলে জানায় আবার অন্যজায়গায় কাজে আছে বলে জানায় শেষ হলে আসবে কিন্তু যখন গাড়ি নিয়ে তারা আসে তখন কাজ শেষ হলে টাকা চায় না দিলে লেইট করে কাজ করেনা না টেম্পোরারি করে দেয় আবার নষ্ট হয়। কিন্তু টাকা দিলে সব শেষ হাসিমুখে করে দিয়ে যায়।
বেতনের কাজ করার জন্য। আমার নতুন চাকরি বেতন কাঠামো নির্ধারন করানোর জন্য ২ মাস ঘুরাইছে। পরে ৫০০।দিলাম
সেবা নয় বরং আমার কাছে সরাসরি মিথ্যা মামলায় না জড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে ১০ হাজার টাকা দাবী করেন। অনেক চেষ্টা করেও আত্মসম্মানের ভয়ে ৬ হাজার টাকা দিয়ে নিজেকে বাঁচাতে বাধ্য হই।
বাইক নাম পরিবর্তন , টাংগাইল বিআরটিএ অফিস থেকে টাকা নিয়েছে
অলংকার উদ্ধার করে দিবে
আমি এর আগে নির্বাচন অফিসে দুইবার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছিলাম, রিজেক্ট হয়েছে দুইবার তৃতীয়বার ৩৫০০ টাকা দিয়ে আমি সরাসরি সাতদিনের মধ্যে আইডি কার্ডের ফটো এবং ফিঙ্গার দিয়েছি, এভাবেই একজন দেশের নাগরিক হয় আমি টাকা দিয়ে নিজের দেশের নাগরিকত্ব অর্জন করেছে ( ধন্যবাদ বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থাকে)
সম্প্রতি লাকসাম রেল স্টেশনে ঢাকাগামী দুটি টিকিটের মূল দাম ৬৭০ টাকা হলেও কাউন্টার থেকে অন্যায্যভাবে ৭০০ টাকা রাখা হয়। কোনো রশিদ ছাড়াই কাউন্টার মাস্টাররা এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে যাত্রীপ্রতি ১০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নিচ্ছেন। দেশের অধিকাংশ স্টেশনে প্রতিদিন শত শত সাধারণ যাত্রী এই চাঁদাবাজি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।