জন্মসনদ সংশোধন
কক্সবাজার জেলা মাতামুহুরি উপজেলা ভেওলা মানিক চর ইউনিয়ন পরিষদ দফাদার জন্মসনদ সংশোধন ১০০০টাকা দাবি করে,মানুষভেদে আরও বেশি দাবি করে
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০০১ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
কক্সবাজার জেলা মাতামুহুরি উপজেলা ভেওলা মানিক চর ইউনিয়ন পরিষদ দফাদার জন্মসনদ সংশোধন ১০০০টাকা দাবি করে,মানুষভেদে আরও বেশি দাবি করে
একটি নাম জারী মামলা শুনানি ও কানুনগো রিপোর্টের জন্য।
ভোটার আইডর নাম পরিবর্তন করতে গেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসে স্থানীয় দালাল ঘুষ দাবি করে। তৎকালীন নির্বাচন অফিসারের প্রশ্রয়েই সেটাব হয়েছে। অথচ টাকা দেয়ার পরও বছরের পর বছর ঘুরিয়েছে। যদিও ফরিদপুর জোনাল অফিসে যাওয়ার পর কোনো ঘুষ ছাড়া একদিনেই কাজ হয়ে গেছে।
Ttc বাট ট্রেনিং সেন্টার সেখানে কিছু সংশোধন করতে গেলে সবার কাছ থেকে সরকারি মূল্য থেকেও ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছে প্রতি সপ্তাহে এক ব্যাচ করে ট্রেনিং নিতে আসে প্রতিটি ব্যাচে কমসেকম ৪০-৫০ জন থাকে তিনদিনের ট্রেনিং শেষ করার পর প্রতি ব্যাস থেকে থেকে এক্সট্রা ২০ থেকে ৫০ ১০০ টাকা বকশিশের নামে দাবি করা হয় ১০ টাকা দিলে তারা নিতে চায় না আরো বেশি কথা বলে আমরা কি ভিক্ষা করতে আসছি নাকি এ ধরনের কথা মন্তব্য দেই আর অনেক সময় দেখা যায় যে এমনও কথা বলে যে তোমরা সার্টিফিকেট পাবা না এ ধরনের কথা বলে আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে অনেক সময় হচ্ছে আমরা সরকারি মূল্য তালিকা দিয়ে আমরা ফর্মটা পূরণ করার পরে আমরা সার্টিফিকেট হাতে পায় না সার্টিফিকেটটা নিতে গেলে আরো বিশ টাকার দাবি করা হয়
২০২৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুপারিশ প্রাপ্ত হই। ভেরিফিকেশন করার জন্য পুলিশ বাসায় আসলে ১৫০০০ টাকা দাবি করে কিন্তু পরে আমি 5000 টাকা বাধ্য হয়েই দেই ।
নোয়াখালীর চৌমুহনী ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করার জন্য যথারীতি অনলাইন আবেদন করি। অনলাইন আবেদনটি অনুমোদন এর জন্য চৌমুহনী পৌর ভূমি অফিস এ গেলে সেখানের কর্মকর্তা ও সহযোগীরা নানা রকমভাবে বলতে লাগলো এখানে অনুমোদন দিলে প্রায় ৪০০০০ টাকা আসবে। নানারকম ভাবে তারা ইশারা ইঙ্গিতে বোঝালো অন্যভাবে আসেন! অগত্যা তৃতীয় ব্যক্তি সেটা ৩০০০০ নিয়ে অনুমোদন দিলো, দেখা গেল খাজনা রশিদ ১২০০০+ দিয়েছে। এই হলো এদেশের সরকারি সেবাখাতগুলোর সেবাদানের নমুনা। সরকারি যত সেবা কার্যালয়ে আমাদের যেতে সর্বত্রই কতগুলো ঘুষখোর চোর ছ্যাঁচড় বসে আছে।
আমার বাবা ভূমি অফিস অফিসের কাগজ সমাধান করতে গেছিলো এবং তারা জমির সঠিক কাগজপত্র দাবি করে এক সপ্তাহ পর আমরা তাকে কাগজপত্র দেখাতে সক্ষম হয় তারপর ভূমি অফিসার আট হাজার টাকা চায় খরচের সাথে কিন্তু সরকারি কোন খরচ নেই ওই কাজের জন্য তিনারা বলে এই জমির কাগজ ডিস্ট্রিকে পাঠানোর কিছু টাকা দিতে হবে আমরা তাদের কথা মত টাকা দেয়ই
নামজারীর আবেদন নিয়ে ভুমি অফিসে যাই ভূমি অফিসের নায়েব সাহেব আমার কাছে টাকা দাবি করে টাকা না দিলে নামজারি হবে না তাই আমি টাকা দিতে বাধ্য হই।
গ্রামের বিভিন্ন ছোট ছোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিছু সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত মাসিক চাঁদা আদায় করে আসছে এবং নিরুপায় হয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সেই টাকা পরিশোধ করছে
নামজারি করার জন্য ডৌহাখলা ভুমি অফিসের নায়েব কে দিতে হয়েছে।
আমার ছোট ভাই এবং আমার বাবার জমি নামজারি করার জন্য আমার মা প্রায় ছয় মাস যাবৎ তহশিল অফিস ও ভুমি অফিস এ ঘুরছে। শেষমেশ ১৩০০০/- টাকায় সেটেল্ড হয়। এর মধ্যে ১০০০০/- টাকা দেওয়া হয়েছে
টাকা দেওয়ার পর তারা পাসপোর্ট ঠিক করে দিয়েছে, পাসপোর্ট এর বাবার নামে অক্ষ মিল ছিলো না সেই জন্য
khazna deposit korar jonno. amer jana silo na je khazna joma deteo ghush lage.
নামজারি জন্য টাকা নেওয়ার হয়েছে
tax file korar jonne 80000 tk ghush chai. 3 month doura douri kore pore baddho hoye ghush dewa lagse
I have a Software Development organisation and My all documents is ok . I was try to enlisted tax exempted organisation from NBR but they demand 120000 tk . I was try to manage several way without speed money finally I was fail and pay those amount.
ঢাকা সিলেট তামাবিল প্রকল্প সরকারি স্থাপনার ক্ষতিপূরণের টাকা উঠাতে ঘুষ আমার থেকে 3th পার্টি চেক নিয়ে যায় পরে আমি তা পরিশোধ করি।আমার মতো সবাই তাই করসে ওরা 6% বা 7% করে টাকা নেয়
আমি পাসপোট করতে যায় ২০২৫ সালে আমার স্থায়ি ঠিকানা যেটা ছিল আইডি কার্ডে এখানে আমরা তখন ছিলাম না তাই পুলিশ আমাকে ফোন করেছে বিদুৎ বিলের কপি নিয়ে এসপি অফিসে দেখা করতে বর্তমানে যে বাসায় ছিলাম সেটার বিদুৎ বিলের কাগজ নিয়ে দেখা করি তার পর পুলিশ বলে এটাতে হবে না যে ঠিকানায় আগে ছিলেন এটা লাগবে আমি বললাম এটাতে নাই আমার কাছে বাসা বিক্রি করে দিয়েছি পুলিশ বলে তাহলে আপনার পাসপোট হবে না তখন সে ১০০০০ টাকা দাবি করে অনেক বলে কয়ে ৫০০০ টাকাতে রাজি করে আমি পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ করলাম
আমি অফিসের সকল ফর্মালিটিস শেষ করে মিটার প্রাপ্য হই। কিন্তু মিটার লাগাতে এসে বলে ৩০০০ টাকা না দিলে মিটার স্থাপন করবে না। অনেক ঝামেলা হয়, মিটার না লাগিয়ে ফিরে যায়। পরে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে মিটার স্থাপন করি।
আমি সবকিছু করার পর প্রাকটিকালে ফেল করিয়া দিয়ে টাকা দিলে পাশ কর দেয়