Customs
Port for Relase the goods.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Port for Relase the goods.
আমাদের একটি জমি সংক্রান্ত বিষয়ে, মিটমাট করে দেওয়ার জন্য,
কল্যানতহবিলে চিকিৎসা ভাতার জন্য আবেদন করেছিলাম
দলিল তালাশি ও দলিলের কপি
গাড়ি নাকি ওভার লোড তাই মামালা নিতে হবে
Faka highway diye jauyar pothe police dhore checkup kore kisu na peye bole overspeeding er mamla dibe..kothar ek porjaye bole amk kisu dile chere dibo
বয়স সংশোধন পেনশনের জন্য দ্রুত প্রয়োজন,অথচ টাকা নিয়েও কাজ করে দিচ্ছে না।আরো টাকা চাচ্ছে
ওমরা করার জন্য পাসপোর্ট করেছিলাম এই পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশের কাছে আসে পুলিশ আমাদেরকে ফোন দিয়ে বলে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এবং এনআইডি কার্ড এবং সাথে এক হাজার টাকা নিয়ে আসতে
বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সে আমার দোকান আছে। আমি সেখানে নিয়ম মেনে ভ্যাট দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভ্যাট অফিসের লোক আমার কাছে ঘুষ দাবি করে এবং বলে আমাদেরকে টাকা দিলেই হবে সরকারকে টাকা দেয়া লাগবে না। এমনকি তারা সকল সোনার দোকান এবং সকল দোকান থেকে নিজেরাই টাকা সংগ্রহ করে নিজেরাই রিটার্ন দেয়।
SB অফিসে ভেরিফিকেশন এর জন্য কাগজ জমা করতে গেলে পুলিশ অফিসার কাগজ হাতে নিয়ে সরাসরি ১হাজার টাকা দাবি করছে। বি:দ্র: বর্তমানে পুলিশ ভেরিফিকেশন বন্ধ হওয়াতে একটু সুবিধা হয়ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া নির্বাচন অফিসে এনআইডি স্লিপ থাকা স্বত্তেও বলে যে কার্ড খুজে পাচ্ছে না। । টাকা দেওয়ার পর খুজে পায়।আমি আর্মির লোক হয়ে ও আমাকে ঘুস দিতে হয়েছে
আমি ২০ বছর সৌদি আরব। আসতে হাতে লেখা পাসপোর্ট ছিলো। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক হয়েছে পাসপোর্ট। মায়ের নামের সাথে NID অমিল।কিন্তু বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও পাসপোর্ট সংশোধন করতে পারিনি। ঘুস দিয়ে পাসপোর্ট বের করে সৌদি ছলে আসলাম ২০২৩ সালে নতুন ভিসায়। আসলে শিক্ষত লোকেরা লেখা পড়া করে মা বাবার মূখ উজ্জ্বল করেনা।বরং ৩৫ বছর সরকারি চাকরী করে ৩৫ বছরই প্রায় সরকারী কর্মকর্তারা মা বাবা কে গাল মন্দ শুনাই।
আমাদের দুইটা খতিয়ানের জমির কর এবং নামজারি বাবদ ৫৪ হাজার টাকা নিয়েছে কিন্তু শুধুমাত্র নামজারীর ১১০০ টাকার রশিদ দিয়েছে আর কোন কিছু দেয় নাই, আমাদের তিন অংশীদারির নামে নাম জারি করে দিয়েছে । টাকা নিয়ে কর দেওয়ার কোন রশিদ অথবা টোকেন দেয় নাই, এখন অনলাইনে দেখতে পাচ্ছি কর পরিষদ করা হয়নি।
এটা হর হামেশাই হয়ে থাকে,। ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কাছ থেকে জোর করে আউটারে যাওয়ার নামে, পিকনিক করার নামে। ইফতার পার্টি করার নামে। পরিচালকেরা প্রতি কোম্পানি থেকে কম করে লাখ টাকা দাবি করেন। (বড় কোম্পানি থেকে আরো বেশি) টাকা না দিলে ডাক্তারদের সাথে দেখা করা ভিজিট করা বন্ধ থাকে। এই ঘুষ বন্ধ করার সাধ্য কার??? আওয়ামী লীগের সময় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। এখন বিএনপির সময় ড্যাব। কারো নাম বলে কাউকে ছোট করছি না।
ঘটনাটি ঘটে ৩১/০৮/২০২৬ এ এলাকায় তুচ্ছ ঘটনায় একজনকে মারধর করলে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। ডাক্তার দেখানোর পর ডাক্তার ভর্তি দেয় এবং মামলা করার জন্য পরামর্শ দেয়। প্রথমে আমি বুঝতে পারিনি ডাক্তার কেন মামলার পরামর্শ দিবে। পরে আমি মেডিকেল রিপোর্ট চাইলে ওখানের কর্মরত একজন আমার কাছে ১০০০ টাকা চায়। নানান বাহানা দিয়ে পরে ৫০০ টাকার বিনিময়ে মেডিকেল রিপোর্ট দিতে রাজি হয়। ঘটনাটি ঘটে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে, জরুরি বিভাগে। ওখানে কয়েকজন কর্মরত ছিলেন, তাদের নাম এবং পদবি আমি জানি না।
সমাজ সেবায় চিকিৎসার জন্য যে টাকা হয় সেটার জন্য সমাজ সেবা অফিসের কর্মচারী আইডি কার্ড নেয়, যা যা কাগজ লাগে সব তিনিই পূরন করেন, পরবর্তীতে বলেন যে ব্যাংক একাউন্ট লাগবে, একাউন্ট না থাকলে খুলতে হবে, যখন টাকা আসে তখন বলে তোমার কাজটা এখনো হয় নাই তবে এই নামে অন্য একজনের টাকা আছে, তবে ঔ লোক মারা গেছে, ঔ লোকের টাকাটা তুলে দিতে হবে, যেহেতু একই নাম তাই, তবে এ কাজের জন্য ৫০০০/- টাকা দিবো, পরবর্তীতে জানা যায়, ঔ টাকা (৫০,০০০)আমার নামেই ছিলো, আমার কিছু করার ছিলো না, আমি নিরূপায়, এমটা অনেক লোকের সাথেই ঘটেছে, তা এখনো চলোমান।
পাসপোর্ট অফিসে চরম হয়রানি ও অব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা সম্প্রতি পাসপোর্ট আবেদন করতে গিয়ে আমাকে চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই যেন সেবা পেতে পারি, সেজন্য আবেদনের প্রয়োজনীয় সকল মূল কাগজের পাশাপাশি সম্ভাব্য অতিরিক্ত কাগজপত্রও আমি সাথে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমাকে নানা অজুহাতে সারাদিন ঘুরানো হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছে আমার "তথ্য সঠিক নয়"। পুরো প্রক্রিয়াটিতে যেসব অব্যবস্থাপনা আমার চোখে পড়েছে: ১. দালাল চক্রের প্রভাব: সাধারণ আবেদনকারীদের প্রতিটি পদে আটকানো হলেও, যারা দালালের মাধ্যমে আসছে তাদের কাজ অনায়াসে সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে—যা আমি নিজে প্রত্যক্ষ করেছি। ২. অহেতুক দেরি ও লাইন থেকে বের করে দেওয়া: পাসপোর্ট অফিসের সেবা প্রদানের গতি অত্যন্ত ধীর। তার ওপর ব
আমি প্রবাসী পাচপোর্ট নবায় করা জরুরি ছুটি মাত্র একমাস।আমি আর্জেন্ট করার জন্য দিয়েছি। কিন্তূ আমার টাকা জমা দেয়া হলো নরমাল ২১ দিনের জন্য পাচপোর্ট পেলাম চার দিনে কিভাবে সম্ভব হলো সরকারি টাকা কে খেলো,পাচপোর্ট আর্জেন্ট কি ভাবে দিলো কিছু ই বুজলাম না
বেতন কাঠামো নির্ধারন করার জন্য। নতুন সরকারি চাকরি জীবী বেতন কাঠামো ঠিক করার জন্য এজি অফিস ২ মাস ঘুরাইছে। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ দিলাম।পরে কাজ হয়েছে
Amar passport e thikana vul chilo ei thikana thikana korar jonno officer sorasori step ney ni, ulta bairer ekjon dalal k diye tk chay nahole thikana change korano hobe na jehetu joruri chilo passport tai baddho hoyei tk dewa lagse. Jekhane thikana change korar jonno office e chithi likhlei kaj hoy sekhane barti 1500 tk dabi kora hoy.