নামজারি খতিয়ান
নামজারি খতিয়ান সৃজনের জন্য কানোনগো অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, ফাইল আটকে রেখে তা আদায় নিশ্চিত করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজারি খতিয়ান সৃজনের জন্য কানোনগো অতিরিক্ত টাকা দাবি করে, ফাইল আটকে রেখে তা আদায় নিশ্চিত করে।
Dhaka shiksha board a daily ghush newa hoy atar sathe onk a e jorito officer der piyon ra agula handle kore ,last 2022 shal a amar emergency certificate sottayon proyojon cilo jodi o sob kicu thik thak cilo takar jnno amake onk hoyrani kore last stage a jokhon ami taka ta dei tokhon kaj ta kore dey
জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম বলে ৫০০০ টাকা দিতে হবে না হলে হবে না।।।
NICU শিশু বাচ্চার খুজ নিতে,বা আপডেট নেওয়ার জন্য
ফোন দিয়ে ঘুষ চাওয়া হয়েছিল।
আমি লানার ঠিক ক্যানসেল করার জন্য বললাম উনারা বলল সেটা ক্যানসেল করার জন্য এই আবেদন করা লাগবে ওই আবেদন করুন কিন্তু ক্যানসেল হলো না পরে আমি আবার একটি দালালের মাধ্যমে জানতে পারলাম টাকা না দিলে এটি ক্যান্সেল হয় না তখন আমি ওই দালালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করলাম তারপর এখন বিআরটিএর ওয়েবসাইটে থানা থেকে অঞ্চল করা হয়েছে এরকম তথ্য দিচ্ছি ক্যানসেল হয়েছে
আমার পরিচিতো একজনের পাসপোট নামের আগে md ছিলোনা অনেক আগে করা ছিলো পাসপোট কিনতুbmet করতে গেলে বলে md নাই আমার id + পাসপোট একোই ছিলো আমি বল্লাম যেহেতু আইডি+ পাসপোট ঠিক আছে তাহলে আপনি md ছারাই করেন কিন্তু ওনি রেজিষ্ট্রেশন করবে না টাকা না দিলে আমি বাধ্য হয়ে টাকা দিছি
এদের এখানে ভ্যাটের কাজ স্বাক্ষর করানো জন্য গেলে টাকা দিতে হয়। সবাই এক ধরনের টাকা দেয় না। আমি দেই 2,000 টাকা এরকম অনেকেই আছে যারা 1,000 টাকা বা 2,000 টাকা এরও বেশি দিতে হচ্ছে।
কুমিল্লা মুদাফফরগন্জ চেয়ারম্যান অফিসে জন্মতারিখ সংশোধন করতে গিয়েছি। সরকারী খরচ যেখানে ৫০-১০০ টাকা। তারা আমার থেকে ১২০০ টাকা রেখেছে। এ কাজে সরাসরি ডিল করেছে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ। সাথে ইউনিয়ন পরিষদ সচিবও জড়িত।
Passport verification e present & parmanent addres er jonne police verification er jonne Ghush chawa hoy 2000tk. Kichu kom rakhte bolleo tara na kore dey je er kome hobena eta fixed. Application joma dite gele sob documents thik thakar poro return koro dey lame excuse diye then Dalal ke 1000 tk dile tara papers e symbol diye dewate oita jomaa niye ney.
আমার নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছিল।অভিযোগের তদন্তে এসে থানার এসআই আমাকে জিজ্ঞেস করার নাম দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে বলে এখন নিয়ে গিয়ে কোর্টে চালান করে দেব। এই বলে তদাক্ষনাধ নিয়ে যাওয়ার জন্য অর্ধেক পথ নিয়ে যাওয়ার পর ২০০০০/-টাকা নিয়ে ছেড়ে দিল।
কুমিল্লা পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট করতে গেছি,,বিভিন্ন অজুহাতে প্রতিদিন ফিরিয়ে দিয়েছে। দাড়িওয়ালা ৪০ বছর বয়সী এক লোক। ৪ ঘন্টা দাড়িয়ে থাকার পর প্রতিদিন ফেরত এসেছি। তারপর এক চাকমা পুলিশ ১০০০০ টাকা নিয়ে পাসপোর্ট করে দেওয়ার চুক্তি করে। তারপর ঝামেলা ছাড়া পাসপোর্ট করতে পেরেছি।
Paribarik pension ar jonno direck 3000 taka cheyeche
Police verification korte ashcilo amar passport er apply er por. Shob sese boltese mishti khawabana? Ami na bolsi but ek porjay e jokhon uni threat dicchilo j verification reject kore dibe. Tokhon baddho hoye dite hoise. 2022 er ghotona
রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী মডেল থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করে কাগজপত্র দিতে গেলে৫০০/- করে টাকা নেয়া হচ্ছে।
অবশ্যই, ছোট করে আবেগটা রেখে দিলাম: পাসপোর্টের জন্য নিজেই সব কাগজপত্র ঠিকঠাক করে ফাইল রেডি করেছিলাম। কিন্তু জমা দিতে গিয়ে একের পর এক অযৌক্তিক ভুল ধরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হয়রানি করা হলো। অথচ দালালের মাধ্যমে আসা লোকদের একই ফাইল কোনো প্রশ্ন ছাড়াই গ্রহণ করা হলো। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে একজন দালালের সাহায্য নিলাম। টাকা দেওয়ার পর একই ফাইল নিয়ে গেলে আর কোনো প্রশ্নই করা হলো না! আল্লাহ যেন এসব অন্যায়ের বিচার করেন। সাধারণ মানুষকে আর কত হয়রানি সহ্য করতে হবে? 😔
আমি পাসপোর্ট করার জন্য গিয়েছিলাম,,সিরিয়ালে ছিলাম,,কাউকে এক্সেপ্ট করছিল,কাউকে ফেরত দিচ্চিল। যাদের হচ্ছিল তারা নাকি আগে থেকেই দালাল ধরে এসেছে,তাই তাদের হয়ে যাচ্ছে। পরে আমরা যারা বাদ পরেছিলাম,,তাদের কাছে আনসার আসলো বললো হয়ে যাবে,,১৫০০/- করে লাগবে,,অপেক্ষা করলাম কি হয়,,অবশেষে ১৫০০/- করেই সবার কাছে থেকে নিয়েছে পরে। আমাদের ছবিতোলা ফিংগার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। টাকাগুলো আনসার সদস্য এর চিপায় সংগ্রহ করছিল,,,আর একটা সংখ্যার কাগজ ধরিয়ে দিয়েছিল,,যেমন :১২০৩। এর সংখ্যা একটি দিয়েছিল আমার কাছে আরেকটি,,সিরিয়ালে যুনি চেক করছেন তার কাছে।
আমার মেয়েকে অন্য স্কুলে ট্রান্সফার করার জন্য ট্রান্সফার সার্টিফিকেট চেয়েছিলাম, ৩০০০ টাকা প্রধান শিক্ষক চেয়েছিল, পরে দুই হাজার টাকা দিতে বাধ্য হই , এই স্কুলের অনেক কিছুতে দূর্নীতি হয় সবাই নিরব, কারন প্রধান শিক্ষক খুবই প্রভাবশালী, অনেক নেতাদের চাঁদা দেয় ।
আমি ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের সদর রেকর্ড রুমে কর্মরত আছি। এখানে কাজ করা নকলনবিশ যারা আছে তারা সরকার নির্ধারিত পাতা প্রতি ৩৬ টাকার বাইরে নকলের পারিশ্রমিক প্রতি পাতা ১০০-২০০ টাকা করে নেয় এবং এই টাকা এখানে কর্মরত দলিল লেখকদের জিম্মি করে নেওয়া হয়। শুধু রেকর্ড রুম থেকেই প্রতিদিন ১৫ লাখ টাকার বেশী ঘুষ আদায় করে এই নকলনবিশরা
ঠাকুরগাঁও সদর ভূমি অফিসে জমির নামজারি করতে গেলে ঘুষ না দিলে কাজ হয় না। একবার জমির নামজারি করার সময় সবকিছু ঠিক থাকা সত্বেও আমাকে ৭০০০ টাকা দিতে হয়েছে। যদিও নামজারির জন্য খরচ হওয়ার কথা ১১৭০ টাকা।