নবায়ন
ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারাএকপ্রকার অসহায় করে ফেলে বিভিন্ন কাগজের নামে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ফরিদপুর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারাএকপ্রকার অসহায় করে ফেলে বিভিন্ন কাগজের নামে।
দালাল না ধরলে ড্রাইভিং লাইসেন্স হবে না।তাই টাকা দিয়ে দালাল ধরে করে নিছি
আমার জন্মনিবন্ধন পূর্ব থেকেই অনলাইন করা।কিন্তু ইংরেজি কপিটা ছিলো না।ইংরেজি কপি সংগ্রহের সময় আমি বাসা বাড়ির ট্যাক্স পরিষোদ করেছি।কিন্তু তারপরও তারা আমার কাছ থেকে ৩০০ টাকা নিয়েছে।শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন বের করা বাবদ।আর ফ্যামিলি সার্টিফিকেট এর কোনো ফর্মই ইউনিয়ন পরিষদে ছিলো না।আমি নিজে সব ফর্মেট বানিয়ে তাদের প্যাডে জাস্ট প্রিন্ট করেছি,তারপরও আমাকে ২০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমার নানির আমার মাকে জমি লিখে দিয়েছিল তার ন্মজারি কারাতে গেলে আমার কাছে ১০০০০ চায়া হয়
বাবার পেনশনের টাকা তুলতে ৮৭,০০০ হাজার টাকা দিয়ে তুলতে হয়েছিলো দুই লক্ষ টাকা,মা জীবিত থাকা অবস্থায় এই টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
চট্টগ্রাম ইপিজে থানার যত পুলিশ আছে তারা রাতে যখন টহলে বের হয় বিভিন্ন দোকানের কাছে গিয়ে তারা নিজেরাই চাঁদা তুলে গাড়ি রাস্তায় থামিয়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠানো হয় দোকানে গিয়ে গিয়ে সে বলে আসে বাড়ি দাঁড়িয়ে আছে যাইয়া দিয়ে আসো এরপর দোকানদাররাও গিয়ে গিয়ে তাদের হাতে টাকা দিয়ে আসে তারা নিজ হাতে টাকা গ্রহণ করে না বরং টাকা তোলার জন্য একজন ব্যক্তি নির্ধারিত আছে
আমার একটি জমি মিউটেশন এর জন্য সরকারি অনুমোদিত ১১৫০ টাকার বিপরীত এ ৫০০০ টাকা দিয়েছি ।আমার কোন কাগজ এর সমস্যা ছিল না।
এমপিও আবেদন উপজেলা হতে ছাড়ার জন্য ৫০০ টাকা নিয়েছিল। বকেয়া বেতন পাওয়ার আবেদন ছাড় দেওয়ার জন্য ১০০০ টাকা নিয়েছিল।
প্রতিমাসে সকরকারী ভ্যাট অনলাইনে জমা দেওয়ার পর, ভ্যাট চালানে সাইন করার জন্য ১১০০০/- টাকা ঘুষ দেওয়া লাগে। যা একটা কোম্পানীর জন্য খুব কষ্টের। শুধু আমি না, আমার মত হাজার হাজার লোক সরকারী লোকের কাছে জিম্মি।
পাসপোর্ট এর জন্য পুলিশ বেরিপিকেশন করার জন্য দিতে হবে,, তাই দিলাম
নতুন জন্ম নিবন্ধন করতে গিয়ে
ট্রেজারী অফিস ৫০০ আর হিসাব সহকারী ৫০০ এই টাকা না দেওয়া পর্যন্ত ভাতা দেয় না।
Tader kicu agent thake , jader file a specific agent der signature and seal thake na tader gula gohon kora hoy na . Jekono problem dekhai Bahir kore de.
টাকা না দিলে ফাইল ঠিক নেই বলে প্রথম দিন ফিরিয়ে দিয়েছিলো। পরেরদিন চ্যানেল ধরে অতিরিক্ত ৫ হাজার টাকা দিয়ে গাজীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট করিয়েছিলাম।
সরকারি ফি এর বাহিরে আট হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে ।
সকল সরকারী ফি দেয়ার পরও বাড়তি দানি
Koyjon bollo vai tk na dile jevabei howk fail korabe..Amar emergency dekhe ekjon dalal k 3 hajar tk dichi kaj hoye giyece...
Required a vat clearance cerficate for an official purpose. I had to pay Tk.15000 whereas my vat retutn submission was updated !
পাসপোর্ট করতে ঘুসের শিকার। দুইবার
বাণিজ্যিক বিদ্যুত সংযোগের জন্য বিদ্যুৎ অফিসে যাই। তারা নতুন সংযোগের অনুমোদন পেতে অনেল দেরি হবে বলে জানায়। তবে ১৫০০০ টাকা দিলে উক্ত কর্মকর্তা দ্রুত সংযোগ দেয়া হবে বলে জানান। প্রথমে টাকা দেইনি। সংযোগের অনুমোদনও হচ্ছিল না। পরে টাকা দেয়ার ৭ দিনের মধ্যেই বিদ্যুতের সংযোগ পেয়েছি।