নামজারি বা মিউটেশন
নামজরি আবেদন করলে এই টাকা দিয়েই আপনাকে সেটা নিস্পত্তি করতে হবে। আপনি যেই ভাবেই চেষ্টা করেন না কেনো, আপনাকে শেষ পর্যন্ত বাধ্য করবে। এবং এটাই সিস্টেম।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৭৩ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
নামজরি আবেদন করলে এই টাকা দিয়েই আপনাকে সেটা নিস্পত্তি করতে হবে। আপনি যেই ভাবেই চেষ্টা করেন না কেনো, আপনাকে শেষ পর্যন্ত বাধ্য করবে। এবং এটাই সিস্টেম।
আমি আমার গাড়ি রেজিস্ট্রেশন করাতে যায় বিআরটি অফিস তখন অফিস সহায় আমার কাছ থেকে টাকা দাবি করে যেটা যৌক্তিক দাবি নয়, আমি সম্পূর্ণ খরচ অনলাইনে বিআরটিএ সার্ভারে জমা দিয়েছি এরপরেও কেন টাকা জমা দিতে হচ্ছে, আমার মত অনেক গ্রাহক আছে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে টাকা দেওয়ার কারনে, অন্যদিকে দিও কাকে সময় আমি আমার কাজ করাতে পারছি না ও সময় ওকাঙ্ক্ষিত কাজটি হচ্ছে না।
আমার ঘর থেকে মোবাইল ফোনটি চুরি হওয়ার পর আমি থানাতে জিটি করি তারপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা ডিউটি অফিসার আমার কাছ থেকে অর্থ দাবি করে মোবাইল উদ্ধারের জন্য সে বলে টাকা দিলে কাজ হবে টাকা না দিলে আমার কাজ করতে রাজি হয় না তাই আমি টাকা দেই কিন্তু আমার কাজ হয়নি
Amader bike atkiye dise biker ke license dekhate bolse license dekhanor por o chare nai Kane kane bolse kichu na dile jete parben na 5k chachilo oneek important kajer jonno pay kore disi tarpor tini chere dilen
লাইসেন্সের সব কাগজ পাতি জমা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু 10000 টাকা ঘুষ না দিলে লাইসেন্স এপ্রুভ দেয় নাই।
একটা এমেন্টমেন্ দিছি চা খাওয়ার জন্য ১০০ টাকা লাগে না হলে নিবে না বাধ্য হয়ে দিছি
বাসাবো সিটি করপোরেশন এ আমার নাগরিক সনদ এর জন্য ১০০ tk দেয়া লেগেসিল জা নিয়ম না এভাবে সবাই জারা সনদ নিতে গিএসিল সবার থেকে ১০০ tk নেয়া গিয়াছে
সরকারি ফি বাদে অতিরিক্ত ২০০০ টাকা দিতে হইছে।
আমাদের ১নং ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার আমার কাছ থেকে ১০০০০ হাজার টাকা ঘুস নিয়েছিল। তিনি আমার বউকে মাতৃভাতা করে দেওয়ার কথা বলে ছিলেন। কিন্তু ৩ বছর পার হইল তিনি মাতৃভাতা করে দেননি।।
বললো এখন সার্ভার বন্ধ। নামের বানান ভুল আছে। পিতা মাতার স্মার্ট এন আইডি দেওয়ার পরও বললো তাদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করতে হবে। বললাম করেন, তখন বললো তাদের বাবা মায়ের টাও অনলাইন করতে হবে। মানে আমার দাদা দাদির টা করতে হবে। দাদা দাদি অলরেডি ২০ বছর আগে মারা গেছে। নানান বাহানা দিয়ে বললো ৫০০ টাকা দেন করে দিবনি। ১ সপ্তাহ পর আসেন। কিন্তু ১ মাসেও দেয়নি।
আমাদের দেশে যারা ঠিকাদার রয়েছে, তারা একটু ওয়েটশালী এবং অন্ধকারে কাজ করা মানুষ কিন্তু তারা প্রতিদিন সরকারি অফিসের পাসর্সেন্টেজ এর যাতাকলে পিষ্ট হচ্ছে আর মানুষ দেখছে তারা ঠিকভাবে কাজ করছেনা। অনেক ঠিকাদার এর সদিচ্ছা থাকলেও যে তা করা সম্ভব হয়না সরকারী অফিসগুলোকে পার্সেন্টেজ দেয়ার কারনে তা কেবল ঠিকাদার এরাই জানে। পার্সেন্টেজ এর বাহিরে ও প্রতিটা ধাপে অতিরিক্ত অর্থ বক বখসিস দিতে হয়, যা পাবলিক ও জানে কিন্তু কেউ কিছু বলতে নারাজ বা কোন প্রতিকারও নেই। এমন অনেক রয়েছে আর টাকার অংক এখানে যেটা রয়েছে সেটা নিতান্তই তুচ্ছ বাস্তব এমাউন্ট এরচেয়ে অনেক বেশি। আমি এখানে এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল এবং রোডস হাইওয়ে এর অনেক কাজ এর বাস্তব অভিজ্ঞতা লিখতে পারবো যদি আগ্রহ থাকে তবে তার আগে জানতে হবে এখান থেকে কি কোন একশন নে
১ শতাংশ জমির খারিজ করার জন্য ৮০০০ টাকা লাগছে
prothom dofay jomir dolil talas o jayga namjari babod 15000 sudhu ghush ney . Er por court e mamlar por court e ray ase amader pokke amaderk jayga bujiye dewayr jono jhogra erate police antehobe o aro kisu khoroch ase bole aro 20,000 taka ney
আমি একজন প্রবাসী, এবং দেশে ছুটিতে গিয়েছিলাম। যেহেতু আমার আগের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছিলো।তাই আমার প্রবাসে আসতে হলে নতুন পাসপোর্ট এর প্রয়োজন ছিল। এবং আমার সব টাকা পয়সা জমা দেওয়ার পরেও। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরেও। সামান্য একটা কারণ দেখিয়ে আমাকে বলে যে হবে না। তাৎক্ষণিক আমার কাছ থেকে আট হাজার টাকা দাবি করে বলে, ৮ হাজার টাকা দিলে কোন সমস্যা হবে না সাথে সাথে কাজ হয়ে যাবে। উপাই না পেয়ে আমি আট হাজার টাকা পরিশোধ করি আবার
একাডেমিক প্রশংসা পএ নেওয়ার জন্য টাকা দাবি করেছিল
জমির মিউটেশন করার জন্য কয়রা ভূমি অফিসে কাগজ জমা দেই। এসি ল্যান্ড না থাকায় ইউএনও দায়িত্বে ছিলো। যেদিন সকাল ১০ টাতে কাগজ নিয়ে হাজির হওয়ার জন্য মেসেজ পাঠিয়েছিলো ভূমি অফিস থেকে, সেদিনই ভোর ৬টাতে মেসেজ আসে আমি হাজির না হওয়ায় আমার নামপত্তনের আবেদনটি খারিজ করা হলো। সকাল ১০ টাতে কাগজ নিয়ে হাজির হওয়ার কথা অথচ ভোর ৬টাতে মেসেজ আসলো হাজির না হওয়ায় আপনার নামপত্তনের আবেদনটি খারিজ করা হলো। কি বিচিত্র ব্যাপার!! পরে একজনের মাধ্যমে ইউএনও এর সাথে যোগাযোগ করে ইউএনও কে ৩০,০০০/ দিয়ে মিউটেশনটি করিয়ে আনি।
আমি নামজারি জন্য দুইটা আবেদন করি প্রত্যেকটা আবেদনের জন্য ১০০০০ করে নিয়েছে। ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কোনো আবেদন করে না। আমাকে বলছি যে কয়েকদিনের ভিতর কাজ হয়ে যাবে এভাবে সে আমাকে প্রায় এক বছর ঘুরাতে থাকে। যখন আমি জোর করে বলি এত দিন সময় লাগে নাকি সে বলে সার্ভারের সমস্যা নানা ধরনের সমস্যার কথা বলে। আর বলে হয়ে যাবে কিছুদিন পর। কিন্তু একটা সময় হঠাৎ করেছে ট্রান্সফার হয়ে যায়। বর্তমানে তার নাম্বারে কল দিলে কল রিসিভ করেনা হোয়াটসঅ্যাপে এসএমএস দিলে সিন করে না।
এক কলেজ থেকে অন্য কলেজ এ যাওয়ার সময় টিসি এর আবেদন এর রচিদ দিতে ঘুষ দিতে হয়ছে
একজন মুমূর্ষু রুগীর জন্য হাসপাতাল বেড ব্যবস্থা করার জন্য হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট আনসার ও আয়াদেরকে বেড বরাদ্দের জন্য টাকা দিতে হয়েছে এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লাল পোশাকধারী ব্যক্তিকেও আলাদাভাবে খুশি করতে হয়েছে।
সেবাটি হলো একটি জায়গা জমির বিচার,বিচারের শেষ পর্যায়ে এক অফিসার আমার এক আত্মীয়ের কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।