পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন
আমার পাসপোর্টে ওয়ার্ড নাম্বার সঠিকভাবে আসেনি বলে সরাসরি ঘুষ দাবি করে। ঘুষ না দিলে পাসপোর্ট ভিরেফিকেশন সম্পন্ন হবেনা বলে সরাসরি জানিয়ে দেয়।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার পাসপোর্টে ওয়ার্ড নাম্বার সঠিকভাবে আসেনি বলে সরাসরি ঘুষ দাবি করে। ঘুষ না দিলে পাসপোর্ট ভিরেফিকেশন সম্পন্ন হবেনা বলে সরাসরি জানিয়ে দেয়।
Last time i need a police clearness from thana police , when i paid 500 to sonali bank i sunmit it to golapgonj thana office , that time the officer ask me 2500/- extra money for office cost. i refused than i visit sylhet bandor bazar SP office , here i show sonali bank slip for PCC but same results . bondor bazar office person ask 3000/- and he treat if i do not pay i never get PCC. i refused and come bank golapgonj thana and i paid 2500/- for PCC
ব্রাহ্মণবাড়িয়া BRTA অফিসে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে দেখা যায়, সরাসরি BRTA-এর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় কাজ করা বেশ কঠিন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৯৫% মানুষকে BRTA-এর কিছু অসাধু কর্মকর্তা/কর্মচারী বা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা ব্যক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করাতে হয়। মোটরসাইকেলের লাইসেন্সের সরকারি খরচ প্রায় ৬,০০০ টাকা হলেও যোগাযোগের মাধ্যমে করতে গেলে প্রায় ১৩–১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। ফলে সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত টাকা দিয়ে লাইসেন্স করতে বাধ্য হচ্ছে।
আমি সরকারি চাকুরী করি, সে লক্ষ্যে আমার ঢাকা থেকে সিলেট পোস্টিং হয়। সরকারি আদেশ অনুযায়ী পোস্টিং হওয়ার ১-২ মাসের মধ্যে বেতন কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। কিন্তু আমার প্রায় ৫ মাসের অধিক সময় হয়ে যাওয়ার পরেও বেতন হচ্ছিলো না। অতঃপর আমি সিলেট হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি তারা আমাকে জানায় যে আমার ফাইল টি এখনো ঢাকা থেকে আসে নাই। অতঃপর আমি ঢাকা হিসাব রক্ষক অফিসে যোগাযোগ করি। তারা আমাকে বলে যে আমার ফাইলটি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবে আরও এক থেকে দুই মাস অতিবাহিত হয়। আমার নিম্ন আয়ের মাধ্যমে আমার সংসার চলত। প্রায় সাত মাস বেতন বন্ধ থাকার পরে বিভিন্ন জায়গা হতে ঋণ করতে হয়েছে। অতঃপর আমি আমার সহকর্মী কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করি, তারা আমাকে বলে যে কিছু টাকা অর্থ প্রদান করলে আমার বেতন হয়ে যাবে। অবশেষে আমি ন
২.৫ বছর যাবৎ ১৫ থেকে ২০ বার স্বাভাবিক ভাবে আবেদন করে ও বদলি হতে পারিনি,,, শেষে বাদ্য হয়ে শিক্ষা ভবনের ডিজি এবং ডিডিরা,,, টিচারের মাধ্যমে,, পিউনের মাধ্যমে,, অন্যান্য শিক্ষক প্রতিনিধির মাধ্যমে টাকা নেওয়া হয়,,, আমি ২.৫ লক্ষ টাকা দিয়ে বদলি হতে বাদ্য হয়েছি,,, কারণ আমার নিজ জেলা থেকে ৯ ঘন্টা লাগে কর্মস্থলে যেতে।
বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসর ও কল্যান এর ভাতার জন্য আবেদন করার পরে ৩০০০০ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে টাকা পেয়েছি।
রাজধানি মার্কেটের পাশে যে ভুমি অফিস সেখানে খাজনা দিতে হইলে প্রথম অনলাইনে আবেদন করা লাগে, কিন্ত নিজে গিয়ে টাকা না দিয়ে আসলে তারা অনলাইনের রিকুয়েস্ট গ্রহন করে না। তারপর খাজনা শোধ করতে গেলে এক্সট্র ১ হাজার টাকা নেয় জোড় করে
প্রথমেই বলে নেই শিক্ষা অফিসে সরাসরি কোন টাকা দেই নাই।হেডমাস্টার বাধ্য করেছে। যেহেতু অপশন ছিলো না কাজেইএই অপশন চয়েস করেছি।হেড মাস্টার ম্যানেজিং কমিটির যে সমন্বয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আছে তার জঘন্যতম আচরণের বহিঃপ্রকাশ হলো ঘুষ।এরা নিজেরা অযোগ্য বলে যোগ্য লোক কেন টাকা ছাড়া চাকরি পাবে, মানতে পারে না।একরকম ঘাড়ে পাড়া দিয়ে টাকা আদায় করেছে ম্যানেজিং কমিটি আর হেড মাস্টার।বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল কলেজগুলোতে এ অত্যাচার অসহনীয়।
আমার জন্মনি বন্ধন এর নাম correction এর জন্য 5000 tk দেয়া লেগেসিল না দিলে ৫ অথবা ৬ মাস দরাদরি করা লাগত tk দেয়াতে ৩ দিন এ দিএসে তাও tk না দিলে ৬ মাস এ পেতাম নাকি sure na. এভাবেই আমার হইরানির শিকার হতে হএসে
খতিয়ান অনুযায়ী জমির দাগ অনুসন্ধান করতে আনুষ্ঠানিক ভাবে টাকা দাবি
জমির মিউটেশন করার জন্য বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হইছে
ঘুষ ছাড়া কাজ করেনা কালা দরাপ ইউনিয়ন ভুমি অফিসে
Land register korar jonno tk chay...
আমার সব ডকুমেন্ট ঠিক তাও তারা 4000 টাকা দাবী করে আমার নাকী ফাইল এ প্রভলেম
নাম সংশোধনের জন্য আবেদন করার কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তার টেবিলে যায়। কিন্তু তিনি আমার কথা না শুনে বার বার বাইরে যাওয়া আসা করে! পরে উনার এক সহকারী কাজের বিনিময়ে ২০০০ টাকা মিষ্টি খেতে চান। যা আমাকে বাধ্য হয়ে পরিশোধ করতে হয়।
জমি খারিজ করার জন্য গিয়েছিলাম ৫০০০ টাকা ঘুষ নিছে।
TK 2000 was asked and needed to pay to the investigate officer for my passport verfication. The police was corrupted. Zanjira thana
বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় সরকারি ফি খুবই কম হলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে লাইসেন্স পেতে ঘুষ ছাড়া কাজ এগোয় না, ফলে প্রকৃত খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করা জরুরি, যাতে সবাই ন্যায্য ফি দিয়ে স্বচ্ছভাবে লাইসেন্স পেতে পারে।
আমার ২ ছেলে ১৪বছর আর ৯বছর, সাথে আমার স্ত্রীর পাসপোর্ট করতে যাই। শুরুতেই verification, অনেক লম্বা লাইন।২ ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে যখন দিলাম,ঐ অফিসার বলে Nid সাথে মিল নাই।বের হতেই আনসার বলে ৬০০ টাকা দেন আমি ৫ মিনিটে করে দিচ্ছি। আমার স্ত্রী বলে কিপ্টামি করিও না, এইখানে টাকা ছাড়া কিছুই হবে না। টাকা দিলাম কাজ হয়ে গেছে। এবার গেলাম ৪০৫ নং রুমে একি অবস্থা। আনসার কে১৬০০ টাকা দিলাম,২ ছেলের টা ওকে করল, ছবি এবং Fingers জন্য লাইনে দাড়াতে বলে আর স্ত্রী টা বলে পরেরদিন আস্তে। এইবার শুরু হল ২ ছেলের ছবি তোলার লাইন। ঘন্টা খানেক পর ছবি তোলার ম্যাডামের কাছে আসলাম। কাগজ পত্র চেক করল। শেষ মূহুর্তে বলে কাগজপত্র ঠিক নাই। Cancel করে দিল। টাকা,সময়,কস্ট সবই মাটি।রাগ করে বের হতেই, আবার সেই আনসার,বলে এই ভাবে হবে আপ।
আমি স্কুলে জয়েন করতে গিয়েছিলাম, প্রধান শিক্ষক প্রথম দিনে ১ লক্ষ্য টাকা চায়, বলে যে টাকা ছাড়া তোমার ফাইল জাবে না পাঠাবো না, পরে বাধ্য হয়ে কিছু টাকা দিতে হয়।