Passport
পাস্পোর্ট করাতে গেলে বিভিন্ন অযাচিত ভুল তুলে এনে হয়রানি অরে ফাইল জমা নেয়না। কিন্তু ওদের মননিত দালালের মাধ্যমে ঘুস দিলে সেই ভুলই হয়ে যায় ঠিক।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
পাস্পোর্ট করাতে গেলে বিভিন্ন অযাচিত ভুল তুলে এনে হয়রানি অরে ফাইল জমা নেয়না। কিন্তু ওদের মননিত দালালের মাধ্যমে ঘুস দিলে সেই ভুলই হয়ে যায় ঠিক।
১৯৯০ এর ভূমি জরিপের সময় আমাদের কিছু ভূমি ১২ শতক অন্য জনের নামে রেকর্ড হয়। আমাদের বাবা মৃত- আর তখন আমরাও ছোট ছিলাম। তাই রেকর্ড -জাযগা জমির বিষ আমরা তেমন কিছুই বুঝতাম না। কিন্তু পরবর্তী তে চলতি বছর মার্চ-২০২৬ ইউ ভূমি অফিসে গিয়ে বিস্তারিত বিবরনের পর- ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা জখন জানতে পারেন আমি একজন প্রবাসী,,তখন উনি বিষয়টা সমাধান করে দিবেন কোন রকমের মামলা ব্যাতিত, সেই মর্মে আমার নিকট ৭০০০০ টাকা দাবি করেন। আমার যেহেতু ছুটি ১ মাস,,দীর্ঘ সময় দিতে পারবো না, তাই ৫০০০০ টাকায় বিষয়টা সমাধান করে দিবেন বলে রাজি হন। পরবর্তী তে ৫০০০০ টাকার বিনিময়ে আমাদের খতিয়ান সংশোধন করা হয়।
আমরা একটা সরকার আবেদনের জন্য ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট দরকার ছিল।আমি নিজে নিজে আবেদন করি। যে সার্টিফিকেট করতে আবেদন করেছি সেটা জন্য সর্বোচ্চ ৩ দিন লাগার কথা।কিন্তু তারা আমাকে মুন্সিগঞ্জ শাখায় যেতে বলে আমি যায়। সেখানে গেলে তারা আমাকে আনারপুরা শাখায় পাঠায় সেখানে আমাকে বলে তাদের নতুন অফিসার নিয়োগ হয়েছে এখন ওয়েবসাইটে লগিং করা পাসওয়ার্ড পাইনি এই সেই।বলে ১০ ১৫ দিন লাগবে। কিন্তু যখন আমি ৫০০০ টাকা দেয় এর পরে দিন সার্টিফিকেট পেয়ে যায়।
সৌদি আরব এর সুনামধন্য কম্পানি আলমারাই। এখানে কর্মী নেয় একদম ফ্রি ( ভিসা, মেডিকেল, বিমান ভারা, ইন্টারভিও এর যাতায়াত ভারা, ইন্টারভিউ এর দিন লান্স এর টাকাও কম্পানি দিয়ে দেয় এজেন্সি কে) । কিন্তু এজেন্সি এর লোক বলে বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় এ ঘুষ না দিলে ভিসার অনুমোদন দেবে না। এবং আমি টাকা দেওয়ার পর তার একটি স্টাম্পে সাক্ষর করায় যে আমি এজেন্সি কে কোন টাকা দেই নি। এই সাক্ষর টি না করলে তারা পাসপোর্ট টিকিট ভিসা সব আটকিয়ে রাখে। এটা সুধু আমার গল্প নয় এটা সকল প্রবাসির গল্প
বাবা সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় মারা যাওয়ার পর ১বছর পর পেনশন কাজ শুরু হয়।১ দিন ঘাটাইল রেকর্ড থেকে ফোন আসে তারা 1লাখ টাকা দাবি করে অন্যথায় পেনশন পেতে অনেক সময় লাগবে।এমনকি 1-2 বছরো লাগতে পারে। অবশেষে তারা ৫০ হাজার টাকায় রাজি হয় এবং সেই টাকা পরিশোধ করতে হয়। (প্রায় প্রত্যেক সেনাবাহিনীর কর্মীদের অবসর এর পর পেনশন এর কিছু অংশ দিতেই হয় অন্যথায় তারা কাকে নানা সমস্যা ও বিলম্ব দেখিয়ে কাজটিকে আরও জটিল করে তোলে)
মসজিদ এবং গোরস্থানের জন্য সরকারি ফান্ড থেকে টাকা এসেছিলো সেই টাকা তুলতে ডিসি অফিসকে ঘুষ দিতে হয়েছে।
আমি আমার গাড়ির কাগজ কই রাখছি গাড়ি তে মনে করতে পারতেছিলাম না আমি ৫ মিনিট সময় চাইছি কাগজ খুজার জন্য দেয়নাই ১০০০ টাকা ঘুস নিছ্র।
পাসপোর্ট এর আবেদন জমা দিলে অফিসার বলে কি করো, আমি বললাম প্রাইভেট অফিসে চাকরি করি, পাসপোর্ট এর আবেদন ফর্মে পেশা দিয়েছিলাম প্রাইভেট সার্ভিস কিন্তু অফিসার বললো এটি হবেনা। চেঞ্জ করে নিয়ে আসো বলে ফাইল আটকে দিলো, পরে দালাল দরে ২০০০টাকায় সব সমাধান।
Forreceive the pension money check of primary headmaster. The person is my grand father who is already dead. I have paid 10K to receive the money from shikkha bhaban which is located near to press club.
প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ড করে দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েছিলো
টাকা না দিলে কাজ হবে না
main line thaka nutral chile gachilo ,,, ata complain kora hole bola hoy kokhon hobe jana nai... 1 din o lagte are 2 din o late pare.... pore 2300 onader office thaka offer kore tahole akhone gea thik kore debe.... line thik kore delaw .. ac kaj kora bondho kore dai .... atar jono next day office gea kotha bolte bollaw tara abar gush chai ... tai baire thaka korai neachi ... sob batpar govt. office pawa jai ...
নামজারি করাতে সরকারি ফি ১১৭০৳ কিন্ত আমাদের ৩ টা ফ্ল্যাটের জন্য ৬০ হাজার টাকা দিতে হইসে হইসে
আমার খতিয়ানের নাম ভুল থাকায় 8000 টাকা দাবি করে ।
আমরা রেগুলার কর পরিষদ করি প্রতি মাসে। আমরা প্রতি মাসে কর আদায় করি এবং আমাদের কাছে জমা দেওয়ার রশিদ আছে তারপরও অফিসার আসছিল আমাদের কাছে বাড়তি টাকা নেওয়ার জন্য আমরা না দেওয়াতে আমাদের মামলা করার জন্য হমকি দেয় । তারপর ওনাদের মধ্যে আরেকজন অফিসার আমার ম্যানেজার সাথে গিয়ে আলোচনা করে এবং ১০ হাজার টাকা দিলে মামলা করবেনা বলে । আমার বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয় ।
৩০০০০ টাকা ঘুস নেয় নামজারি করে দিবে বলে
আমার বাবা স্কুলে দপ্তরি ছিলো, রোড এক্সিডেন্ট মারা যায়।তখন আমার মা ওই এক্সিডেন্ট মাতায় সমস্যা হয়। ব্যংকে আমার বাবার পেনশনের টাকা দিতে চাই নি।এর পর কোটে একটা মামলা করি ওই টাকা পাওয়ার জন্য। প্রায় এক বছর মামলা পরিচালনা করি। তার পর রায় আসে, আর সেই রায়ের কপি আনার জন্য (পেশকার ৫ হাজার দাবি করে ৩ হজার টাকা) দিই
বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়ার আবেদন বাবদ আমার কাছে 500 টাকা দাবী করলে আমি তা দিতে বাধ্য হয়েছি। কারণ ওরা আমাকে বলেছে: ”আপনি যদি না দেন তবে অন্যকে এটা দিয়ে দিব।”
১১৭০ টাকার নামজারি ৬০০০ টাকায় করাইতে হইছে। এই রকম দুইটা নামজারি করাইছি।
নামজারি করাতে গেলে টাকা দাবি করে টাকা না দিলে নামজারি হয়না বিধায় বাধ্য হয়ে টাকা দেয়া।