বকেয়া বেতন তোলা
আমার বকেয়া বেতন ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা তুলতে গেলে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতনের ২% মানে ২হাজার টাকা দাবি করে। এবং নানা টালবাহানা করে। অবশেষে আমাকে দিতেই হয়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৩৪ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বকেয়া বেতন ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা তুলতে গেলে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতনের ২% মানে ২হাজার টাকা দাবি করে। এবং নানা টালবাহানা করে। অবশেষে আমাকে দিতেই হয়
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ/হাসপাতাল: হাসপাতালে একটি বেড দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স আমার কাছে ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থায় বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকা ভ্যাকসিনের জন্যও প্রতি ভ্যাকসিন ২০০ টাকা করে দাবি করা হয়।
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান ট্রাস্ট এ সাধারণ চিকিৎসার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম।অফিস সহকারীকে বিনিময়ে ১০০০ টাকা নিবে।
Passport baniye deyar jonno ghush chaise
একটি নামজারির ক্ষেত্রে ভূমি অফিসের নির্ধারিত সরকারি ফি বাইরে লেখা থাকে মাত্র ১,১০০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে নামজারি সম্পন্ন করতে গেলে প্রায় ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এই অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনোভাবেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। উপজেলা ভূমি অফিসের আশেপাশে একটি সিন্ডিকেটের মতো ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিরাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকে বলে মনে হয়। কেউ যদি নির্ধারিত অতিরিক্ত টাকা দিতে না চায়, তাহলে তার ফাইল দীর্ঘদিন পড়ে থাকে এবং কোনোভাবেই কাজ এগোয় না। এখানে যেন একটি অলিখিত ফিক্সড রেট নির্ধারণ করা আছে—প্রায় ১২,০০০ টাকার নিচে নামজারির কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন বা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দেশি প্রজাতির আম জাম কাঁঠাল কদম তুলা ইত্যাদি গাছ, এবং গাছের লাকড়ি ট্রাকে লোড করতে,বিভিন্ন জেলায় পাঠাতে গেলে ফরেস্ট কে ঘুষ দিতে হয়। ফরেস্ট অনুমতি পত্র (টি বি)থাকলেও ঘোষ দিতে হয়।গাড়ি আটকে রাখে, ড্রাইভারকে ভয়,গাছের ভিতরে অবৈধ গাছ আছে ,গাছ নিচে নামাও চেক করবো ইত্যাদি হয়রানির শিকার হচ্ছি,পাশাপাশি হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ সাধারণ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। সবচেয়ে বেশি হয়রানি করছে কুমিল্লার সুয়াগাজি পোস্ট অফিস। গত ২/৩ বছরে আনুমানিক এক লক্ষ টাকারও বেশি ঘুষ দিতে হয়েছে বিভিন্ন ফরেস্ট অফিসে।
আমার এক জায়গার দলিল নিয়ে সমস্যা হচ্ছে আমার দলিল ঠিক আছে কিন্তু জমি পেতে হলে টাকা দিতে হবে বড় জজ ছোট জজকে দিতে হবে এখনো জমি বুঝিয়ে দিচ্ছে না নিয়ে কোন
ফ্লাট ক্রয়ের জন্য, বিক্রেতা হতে ফ্ল্যাট বিক্রয়ের অনুমোদন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিতে হয়। তাদের অনুমোদন না পেলে রেজিস্ট্রি অফিস ফ্লাট রেজিস্ট্রি করে দেয় না। এই জন্য তাদেরকে মানে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কে আলাদাভাবে প্রতিটি ফ্ল্যাটের জন্য এক লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয় । শুধুমাত্র একটি বিক্রয় অনুমোদন (Sale Permission) পাওয়ার জন্য।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পরিক্ষায় আমার ভালো প্রস্তুতি থাকা শর্তেও স্থানীয় বিআরটিএ কর্মকর্তা ও পরিক্ষক আমি সহ সকল পরীক্ষার্থীকে ভয় ভীতি দেখায় ফেল করিয়ে দিবে। এই ভয়ে সকল পরীক্ষার্থী ৩৫০০ করে টাকা ঘুষ দেয়। আমিও দেই। খোঁজ নিয়ে জানলাম এখনো এই লেনদেন চলমান আছে।
প্রবাসীর জন্য ইমার্জেন্সি ড্রাইভিং লাইসেন্স বের করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ কর্মকর্তাকে দিতে হইছে।
সরকারি বাঙলা কলেজ এর অফিস সহকারি আমার একটা কাগজ সিগনেচার করার জন্য ২ ঘন্টা বসিয়ে রাখে তারপর ৫০০ টাকা চায় পরে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এর একটা সিগনেচার করে নিয়ে আসে। আমি তো এই কলেজের ছাত্র ছিলাম তাহলে একটা সিগনেচার করার জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে কেনো?
“বাবা মায়ের পেনশনের টাকা ,উঠানোর জন্য উপজেলা এ জি অফিসে যাই। সেখানে তারা দুই লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করে। অনেকদিন দেনদনবান করে এক লক্ষ টাকা পরিশোধ করি,
আমি গরিব মানুষ, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে রাঙামাটি জেলা আমতুলি মৌজা র হেডম্যান প্রতিবেদন এর জন্য হেডম্যান কে ১২০০০ টাকা দিয়েছি,প্রতিবেদন শীল স্বাক্ষর দিবে বলে আজকাল বলে অনেকদিন গড়াচ্ছে,,এখন আরো ১০০০০টাকা দাবি করে,, হেডম্যান কারবারি মাহিল্যায় রাজত্ব করছে
Salary shuru korar jonno chawa hoyechilo
বাংলাদেশের সব জায়গায় গেছে আবেদন করলে ঘুষ দিতে হয় নতুন করে বলার কিছু নাই, আর এটা বলো যে বিচার পাবো তা এখনো গ্যারান্টি নাই, বিস্তারিত আর কি বিবরণ দেব, এসব ঘটনা সবারই জানা, নতুন করে বোঝানোর কিছু নাই
ভূমি অফিসে সবাই ঘুষ দিয়ে কাজ করায়, এই কাজ যাদের ছাড়া করা সম্ভব হয় না, এ কারণে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে, কাগজের কর্তৃক রেকর্ড সংশোধন করার জন্য কথা বলে থাকে, বিভিন্ন লোকের কাছে বিভিন্ন রকম বাহানা বানিয়ে ঘুষ নিয়ে থাকে, এমন ভাবে কাজ করে প্রমাণ করা সম্ভব হয় না, ভূমির কাগজ পেতে বছরের পর বছর লেগে যাওয়ার ভয়ে মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করার লাগে
আমি ঘাটাইল নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম এনআইডি কার্ড করার জন্য। আমার জন্ম নিবন্ধনের সাথে পাসপোর্ট এর জন্ম সাল মিল ছিল না। আমি বলছিলাম আমার জন্ম নিবন্ধনের ডেট অনুযায়ী আমাকে এন আইডি কার্ড করে দেন। সেকেন্ড অফিসার আমার কাছ থেকে পনের হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
জমির নামাজারি আবেদন এর জন্য ১০০০০ টাকা চায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে তার কর্মচারীদের মাধ্যমে । বিকল্প কোনো অপশন না থাকায় দিতে হয়েছে।
আমি ইমার্জেন্সি রোগী নিয়ে সদর হাসপাতালে যাবার পর, সেখানে তাকে স্ট্রেচারে করে ইমারজেন্সি সিচুয়েশনে নেওয়ার জন্য, বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় আমাকে, এতে করে রোগের জীবন শঙ্কা থাকার কারণে আমি বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে!
পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিলে উনারা বলে আপনার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। কিন্ত কি সমস্যা সেটা বলেনা। পরে উনারা ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করলে আর কোন সাকুমেন্টস লাগেনি।