বাড়ীর হোল্ডিং নিতে গিয়ে
ঘুষের টাকা পরিশোধ করার পরও সেবা পাইনি আরও ঘুষ চায়
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ঘুষের টাকা পরিশোধ করার পরও সেবা পাইনি আরও ঘুষ চায়
My father was an employee of RHD Department. After My father's death, to transfer his pension to my mother's name I paid 25000 taka as per their demand.
রাস্তার কাজের জন্য আমাদের বাড়িটি সরকারি নামে দিতে হয় দেওয়ার পর অনেক ঘুড়াঘুড়ি করতে হয় প্রায় ৩ বছর ৩ বছর পর সব মিলিয়ে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার পর আমি আমার টাকা বুঝে পাই শেরপুর সদর জেলা ডিসি অফিস ভুমি অধিগ্রহণ টাকা ছাড়া কোন ফাইলে সাইন হয়না আগে ঘুষ পরে কাজ পিয়ন থেকে শুরু করে সবাই ঘুষখোর খোজ নিয়ে দেখতে পারেন
আমার নামজারি করে ৬০ টাকা খাজনা দিয়েছে টাকা নিয়েছে ২৫০০০ টাকা
আমার বকেয়া বেতন ১ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা তুলতে গেলে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বেতনের ২% মানে ২হাজার টাকা দাবি করে। এবং নানা টালবাহানা করে। অবশেষে আমাকে দিতেই হয়
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ/হাসপাতাল: হাসপাতালে একটি বেড দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স আমার কাছে ৫০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। এছাড়া সরকারি ব্যবস্থায় বিনামূল্যে দেওয়ার কথা থাকা ভ্যাকসিনের জন্যও প্রতি ভ্যাকসিন ২০০ টাকা করে দাবি করা হয়।
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান ট্রাস্ট এ সাধারণ চিকিৎসার জন্য আবেদন করতে বলেছিলাম।অফিস সহকারীকে বিনিময়ে ১০০০ টাকা নিবে।
Passport baniye deyar jonno ghush chaise
একটি নামজারির ক্ষেত্রে ভূমি অফিসের নির্ধারিত সরকারি ফি বাইরে লেখা থাকে মাত্র ১,১০০ টাকা। কিন্তু বাস্তবে নামজারি সম্পন্ন করতে গেলে প্রায় ১২,০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। এই অতিরিক্ত টাকা ছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে কোনোভাবেই কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। উপজেলা ভূমি অফিসের আশেপাশে একটি সিন্ডিকেটের মতো ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি অফিসের দারোয়ান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিরাও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত থাকে বলে মনে হয়। কেউ যদি নির্ধারিত অতিরিক্ত টাকা দিতে না চায়, তাহলে তার ফাইল দীর্ঘদিন পড়ে থাকে এবং কোনোভাবেই কাজ এগোয় না। এখানে যেন একটি অলিখিত ফিক্সড রেট নির্ধারণ করা আছে—প্রায় ১২,০০০ টাকার নিচে নামজারির কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন বা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অধীনে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করি। আমার সন্তানের চিকিৎসার জন্য ভারতে ভিসার জন্য NOC প্রয়োজন হয়। তখন আমি সিটি করপোরেশনের শিক্ষা বিভাগে গিয়ে আমার চাহিদা পত্র দিলে আমাকে জানানো হয় NOC নিতে হলে টাকা দিতে হবে। বাধ্য হয়ে টাকার বিনিময়ে সেবা গ্রহন করতে হলো।
Salary shuru korar jonno chawa hoyechilo
বাংলাদেশের সব জায়গায় গেছে আবেদন করলে ঘুষ দিতে হয় নতুন করে বলার কিছু নাই, আর এটা বলো যে বিচার পাবো তা এখনো গ্যারান্টি নাই, বিস্তারিত আর কি বিবরণ দেব, এসব ঘটনা সবারই জানা, নতুন করে বোঝানোর কিছু নাই
ভূমি অফিসে সবাই ঘুষ দিয়ে কাজ করায়, এই কাজ যাদের ছাড়া করা সম্ভব হয় না, এ কারণে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে, কাগজের কর্তৃক রেকর্ড সংশোধন করার জন্য কথা বলে থাকে, বিভিন্ন লোকের কাছে বিভিন্ন রকম বাহানা বানিয়ে ঘুষ নিয়ে থাকে, এমন ভাবে কাজ করে প্রমাণ করা সম্ভব হয় না, ভূমির কাগজ পেতে বছরের পর বছর লেগে যাওয়ার ভয়ে মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করার লাগে
আমি ঘাটাইল নির্বাচন অফিসে গিয়েছিলাম এনআইডি কার্ড করার জন্য। আমার জন্ম নিবন্ধনের সাথে পাসপোর্ট এর জন্ম সাল মিল ছিল না। আমি বলছিলাম আমার জন্ম নিবন্ধনের ডেট অনুযায়ী আমাকে এন আইডি কার্ড করে দেন। সেকেন্ড অফিসার আমার কাছ থেকে পনের হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন।
জমির নামাজারি আবেদন এর জন্য ১০০০০ টাকা চায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে তার কর্মচারীদের মাধ্যমে । বিকল্প কোনো অপশন না থাকায় দিতে হয়েছে।
আমি ইমার্জেন্সি রোগী নিয়ে সদর হাসপাতালে যাবার পর, সেখানে তাকে স্ট্রেচারে করে ইমারজেন্সি সিচুয়েশনে নেওয়ার জন্য, বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয় আমাকে, এতে করে রোগের জীবন শঙ্কা থাকার কারণে আমি বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে!
পাসপোর্ট নবায়ন করতে দিলে উনারা বলে আপনার ডকুমেন্টে সমস্যা আছে। কিন্ত কি সমস্যা সেটা বলেনা। পরে উনারা ১৫০০ টাকা দাবি করে এবং আমি সেটা পরিশোধ করি। টাকা পরিশোধ করলে আর কোন সাকুমেন্টস লাগেনি।
ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে শুধু গাড়ি দেখবে আর ফিটনেস প্রিন্ট করে দেবে টাকা প্রথমে দিতে না চাওয়য়ায় সারাদিন অপেক্ষায় করাইছে বলে আজ হবে না আগামীকাল আসেন একজন দালাল এর ২০০০ টাকা চায় তখন ১২০০ টাকা দেই তখন ৫মিনিটে কাজ হয়ে যায়।
শেরপুর নির্বাচন অফিস এ নতুন ভোটার যারা আছে কেউ ঘুস ছাড়া nid করতে পারছে না। সব ফাইল জমা দেওয়ার পর ফেছ ও ফ্রিঙ্গার নেওয়া হয় না ঘুস ছাড়া। আমার কাছে থেকে ৫০০০টাকা দাবি করে এবং সেই টাকা পরিশোধ করার পর ফেছ ও ফ্রিঙ্গার নেওয়া হয়। আইনি ভাবে তাদের উপর ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।
এখানে আদলতের কোন পার্ট রাখা হয়নাই,কোর্টে একটা মামলা চলাকালীন সময়ে,ফেসকার, পিয়ন,নথিকারক যে পরিমান প্যারা দেয় টাকার জন্য সেটা বলাবাহুল্য, মামলার একটা নতুন পেপার জমা দিতে গেলে নথিকারককে ৭০০-১০০০ দিতে হয়,স্বাক্ষি বা জবানবন্দি হলে পিয়ন আর ফেসকার কে আলাদা আলাদা টাকা দিতে হয়,না হলে স্বাক্ষর নিবেনা,একটা নথি দেখতে চাইলে ৮০০-১০০০ টাকা দিতে হয় না হলে কথাও বলেনা,এই হলো স্বাধিন দেশের আমরা পরাধিন জাতী,আমার মনে হয়ে একজন বিচারকের থেকে একজন,ফেসকার আর নথিকারক কয়েকগুন বেশি টাকা কামায়,প্রতিদিন মিনিমাম ১০-১৫ টা নথি রিসিভ করলে হিসাব আপনারাই করেন।