সব রিপোর্ট

নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।

১৩,৪২৬ টি রিপোর্ট পাওয়া গেছে
ঘুষ রিপোর্ট করুন
ভূমি অফিস

খাজনা

জমির একটা মামলা ছিল। মামলা নিষ্পত্তির পরে খাজনা দিতে গেলেও বলে ঝামেলা আছে। অনলাইনে তথ্য দিলে আমাকে অনুমোদন না দিয়ে বাতিল করা হয়। আমি অফিসে গেলে বলে অফিস খরচ লাগবে তাছাড়া হবে না। চাকুরীর সুবাদে দূরে থাকায় ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
পাবনা ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJM69WHG
মন্তব্য
ভূমি অফিস

ভূমি অধিগ্রহন

সরকার কর্তৃক ভূমি অধিগ্রহণের বিনিময় মূল্যের চেক চুরান্ত অনুমোদন এবং বিভিন্ন কাগজপত্র অনুমোদন ও ফাইল সাক্ষর করতে এই অর্থ দিতে হয়। এখানে অঘোষিত নিয়ম এটা। সকলেই বিভিন্ন অংকে এটি পরিশোধ করতে বাধ্য।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.৩০ লাখ
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJ7R43V7
মন্তব্য
ভূমি অফিস

খতিয়ান খোলার আবেদন

আদালতের ডিগ্রি প্রাপ্ত হইয়া জমির খতিয়ান খোলার আবেদন ছিল।এসিল্যান্ডের সহকারী সম্পূর্ণ ঘুষের টাকা নেয়। এবং এখনও এই কাজটি অসম্পুর্ণ যা দুই বছর যাবৎ গুড়ানো হচ্ছে!!

ঘুষ দিয়েছি
কলমাকান্দা ৳৫০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ MYT7JUSP
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

চক্রাখালী ইউনিয়ন পরিষদ

চক্রাখালী ইউনিয়ন সেবা অফিস প্রতিটা কাজের জন্য 100 থেকে + কাজের ধরণ অনুযায়ী বয়স্ক ভাতা, জন্মনিবন্ধন ইত্যাদি

ঘুষ দিয়েছি
চক্রাখালী ইউনিয়ন ৳১০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHQYJ8EF
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

SI পুলিশ ভ্যারিফিকেশন

এস আই ভ্যারিফিকেশন ছিল, তদন্ত ওসি ৫হাজার টাকা দাবী করে। বলে কয়ে ৩হাজার দিয়ে রাজি করিয়েছিলাম।

ঘুষ দিয়েছি
রাণীশংকৈল,ঠাকুরগাঁও ৳৫.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RNWXKMVS
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

সরকারি চাকরির জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন

আমার নতুন চাকরির ভেরিফিকেশনের জন্য একজন এস আই গ্রাম পুলিশ মারফত আমার এলাকায় খোজ করছিল। আমার বর্তমান চাকরির পোস্টিং দূরে হওয়ায় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ আব্বুকে পাঠাই ঐ এস আইয়ের সাথে দেখা করার জন্য। সবকিছু যাচাই বাছাই শেষে ভাল চাকরি হয়েছে সুবাদে মিষ্টি খাওয়ার জন্য টাকা চায়। আব্বু ২০০০ টাকা দেয়ার পর আরো ১০০০ টাকা চেয়ে নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
ভালুকা ৳৩.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ MYHZKBJS
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

New Passport

আমি পাসপোর্টের জন্য নতুন আবেদন করেছিলাম। কিন্তু নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে গেলে তারা বারবার আমাকে বলছিলো আপনার ডকুমেন্টে এই ভুল সেই ভুল ইত্যাদি। নির্বাচন অফিস যান, উপজেলা অফিস যান ইত্যাদি। এভাবে ৩ দিন ফেরত আসার পর অফিস আওয়ারের একদম শেষের দিকে একজন দালাল আমাকে বলে আমার কাজ তিনি কয়েকমিনিটে করে দিতে পারবে। এবং ২ হাজার টাকা দাবি করে পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ। পরে আমি বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা দিই। তিনি আমার ফাইলে একটা নাম্বার লিখে দেয় এবং আমি সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করি ঐদিনই। এরপর পুলিশ ফোন দিয়ে বলে পাসপোর্ট ভেরিফিকশনের জন্য নীলফামারী যেতে সাথে যেন নাস্তাপানির টাকা নেই। পরে পূর্বে কথা অনুযায়ী দালালকে বললে পুলিশকে তিনি ম্যানেজ করেন। তারা সবাই মিলে একটা ইকোসিস্টেম তৈরী করেছে। না চাইলেও অনেক সময় আমরা ঘুষ দিতে বাধ্

ঘুষ দিয়েছি
Nilphamary ৳২.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RNSJ2CK6
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

মৎস্য ভবনে কাকড়া এবং কুচিয়ার সার্টিফিকেট প্রদান করা

মৎস্য ভবন অধিদপ্তর, রমনা, ঢাকা। এই দপ্তরে কাঁকড়া এবং কুচিয়ার সার্টিফিকেট নিতে গিলে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়, টাকা ছাড়া কোনো কাজ করে না এবং আমাদের কোম্পানি (কাঁকড়া ও কুচিয়ার সার্টিফিকেট সেকশনের) ঘুষ না দেওয়ায় বন্ধ করে দেওয়ার পথে নামিয়ে দিছে।

ঘুষ দিয়েছি
রমনা, ঢাকা ৳২০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKJ9Y4GL
মন্তব্য
ভূমি অফিস

পৈত্রিক জমিজমার দাগ খতিয়ান নম্বর উত্তলোন ও খাজনা প্রদান।

চাকরি সূত্রে আমি ঢাকায় থাকি, আমার বয়স্ক পিতা গ্রামে থাকেন,উনি একদিন বললেন অনেক বছর হয়ে গেছে জমিজমার খাজনা খারিজ দেয়া হয়না,তুমি গ্রামে এসে এগুলো সম্পন্ন করো।আমি আমার পিতার সাথে জাতসাখিনী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে পৈত্রিক জমি জমার সার্চ বা খোজ দিতে অনুরোধ করি,দ্বায়িত্বরত কর্মকর্তা প্রথমেই আমার পরিচয় ও পেশা জানতে চান।আমি বিস্তারিত বলার পরে উনি বলেন ১৫০০ টাকা দেন দেখে দিচ্ছি।আমি ভেবেছিলাম এইটা সরকারি ফি,কিন্তু উনি এই টাকাটা অফিসের বাইরে গিয়ে নিতে চাইলে আমি আপত্তি জানাই।এরপর আমার বাবাকে জানান আপনার ছেলে দুই কলম পড়ালেখা করে ঢাকায় গিয়ে বেশি পাকনা হয়ে গেছে, এরে বাদ দিয়ে আপনি আসেন কাজটা করে দিব।আমি উনার সাথে তর্ক করি পরে আমাকে বলে আপনাদের কাজ করবো না, যেখান থেকে পারেন করুন গিয়ে। এরপর আমার বাবা আমাকে

ঘুষ দিয়েছি
জাতসাখিইউনিয়ন ভূমি অফিস,থানা:আমিনপুর,উপজেলা:বেড়া,জেলা:পাবনা। ৳৩.২ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ RJ6AXESS
মন্তব্য
ভূমি অফিস

নাম জারি / নাম পত্তন করতে

আমার নিজের সদ্য ক্রয় করা ১০ শতক জমি নামপত্তন করার জন্য ৩নং ইছালী ইউনিয়ন ভুমি আফিসে সকল কাগজ পত্র নিয়ে গেলে সেটা দেখে শুনে নায়েব সাহেব বলেন ফাইল প্রতি কমপক্ষে ৫০০/- টাকা দিতে হবে। না হলে তিনি ফাইলে স্বাক্ষর দিবে না। তার নিজস্ব লোক দিয়ে তিনি এই টাকা গ্রহন করে। জমিটার নাম পত্তন আমার খুবই জরুরি তাই আমি টাকা দিয়ে দ্রুত ফাইল ছাড় করে নিই। এরপর এসিল্যান্ড অফিসে শুনানি করার জন্য তারিখ নিধারণ করার জন্য গেলে সেখানে যশোর সদর উপজেলা ভুমি অফিসে ১০০০/-- টাকা চায় না হলে নিয়ম অনুসরণ করে হবে তা কত দিন পরে হবে তা বলতে পারে না বাধ্য হয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে শুনানি করে নামপত্তন কেসটি শেষ করি। পদে পদে টাকা দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
গ্রামে ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KHLSP5WF
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

জন্মসনদে নাম সংশোধন

আমার জন্মসনদে ভুল থাকায় তা সংশোধন করতে যাই। আমার বাবার নাম (ক থেকে ক হোসেন) করি। আর সেজন্য ইউনিয়ন পরিষদের সচিব কাছে যাওয়ার পর প্রথম সে আমার সাথে অনেক তালবাহানা করে। পরে অনেক দিন যাওয়ার পর বলে যে টাকা লাগবে, টাকা ছাড়া হবে না। কারন, এটা না কি অনেক বড় সংশোধন। প্রথম ১০০০ টাকা দাবি করে, পরে আমি কোন উপায় না দেখে তা দিতে রাজি হই৷ সংশোধন হওয়ার পরও আবার ১০০০ টাকা দাবি করে। যা পরে আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে। (মোট ২০০০)

ঘুষ দিয়েছি
১১ নং ইউনিয়ন, ফরিদগঞ্জ, চাদপুর। ৳২.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTAYMGDP
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

কলকারখানা লাইসেন্স

আমাদের নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) এ প্রতিবছর কলকারখানা লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। এই লাইসেন্স নবায়নের জন্য প্রতিবছর সরকারি ফী পরিশোধ করার পরেও নির্দিষ্ট একটা অতিরিক্ত ফী পরিশোধ করা হয়। অন্যথায় লাইসেন্স নবায়ন হয়না। টাকা পরিশোধের পরবর্তী সময়ে তা লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
আমতলা, কাঠগড়া, আশুলিয়া সাভার, ঢাকা। ৳৪০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKN48MBR
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছে। অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং বাইরে দালাল নিলে একটা বিশাল সিন্ডিকেট। এদেরকে টাকা না দিলে লাইসেন্স কোনভাবেই হবে না। আমি ওদের দাবীকৃত টাকা দেয়ার পরবর্তীতেও ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেয়ার জন্য আলাদা টাকা নিয়েছে ছবি তোলার জন্য আলাদা টাকা নিয়েছে। ছবি তুলতে গিয়েছিলাম আমার আইডি কার্ড দেখে বলছে এটা হবে না, এটা সত্যায়িত করে নিয়ে আসতে হবে। ‌ অথচ আমার কাছে মুল আইডি কার্ড ছিল। পরবর্তীতে দালালের মাধ্যমে ৩০০ টাকা নিয়েছে শুধু ছবি তোলার জন্য। বাধ্য হয়ে দিতে হয়েছে। সাথে সাথে আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা আমার টোটাল 7 8 হাজার টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে। এগুলো সব ২০২৩ শেষ ২৪ এর শুরুর দিকের ঘটনা

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳৭.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTYBJF65
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন

আমার নিজের + পরিবারের দুই সদস্যের পাসপোর্ট ইস্যু করার সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য স্থায়ী এবং বর্তমান - দুই ঠিকানার থানায় (কোতয়ালি থানা + দেবিদ্বার থানা) এস আই কে কয়েক ধাপে মোট ৬০০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।

ঘুষ দিয়েছি
কুমিল্লা ৳৬.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CTPAGNBP
মন্তব্য
বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স

ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য বেশ কয়েকবার ঘুরেছি। এটা সমস্যা ঐটা সমস্যা বলে অনেক হ্যাসেল করছে। টাকা ছাড়া পাশ হবে না সবাই বললো। পরেরবার ফিঙ্গার দেওয়ার ডেটে গেলাম...ফজরের পর পরই যেয়ে দেখলাম গেটের বাহিরের প্রায় ৪০-৫০ জনের সিরিয়াল দাড়িয়ে। গেটম্যান চিপায় ডেকে বললো ২০০ টাকা দেন সবার আগে ফিঙ্গার দেয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। পরে নানারকম হ্যাসেল এর শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে দরবেশ(দালাল) ধরে ১০০০০ টাকা দিয়ে লাইসেন্স করছি।

ঘুষ দিয়েছি
ঢাকা ৳১০.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ DKKZ5HW8
মন্তব্য
বিআরটিএ

স্মার্ট কার্ড

আমি যখন স্মার্ট কার্ড নিয়ে আসতে যাই তখন দেখি আনসার সদস্য এবং স্মার্ট কার্ড বিতরণকারী যারা ছিলেন তারা জনপ্রতি মানুষের কাছ থেকে ১০০ টাকা করে নিচ্ছেন। এটা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত ভোগান্তিকর একটি বিষয়।

ঘুষ দিয়েছি
সাতক্ষীরা ৳১০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KH9EFDC4
মন্তব্য
হিসাব রক্ষণ অফিস

ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত নার্সদের যে কোন রকম বিল সংক্রান্ত কাজে ঘুষ নেওয়া হয়

সাধারণত কোন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে হিসাবরক্ষণ অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কম্পিউটার অপারেটর এবং হেড ক্লার্ক অথবা বড় বাবু নামে পরিচিত ব্যক্তির তরফ থেকে জানানো হয় কাজ নিয়ে হিসাব রক্ষণ অফিসে গেলে তাদেরকে মিষ্টি খাওয়া বাবদ টাকা দিতে হয় এই টাকা না দিলে হসপিটাল থেকেও কোন কাজ প্রসেসিং শুরু করে না! অনেক ক্ষেত্রে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করার পর হসপিটাল এর অফিস থেকে কার্যক্রম শুরু করে! এবং আমি নিশ্চিত যে টাকাটা হিসাব রক্ষণ অফিস এবং হাসপাতালের কর্মচারীরা উভয়ের ভাগ করে নিয়ে থাকে। হিসাব রক্ষণ অফিসে টাকা চাওয়ার ব্যাপারে জানতে গেলে তারা উত্তর দেয় কিছু কাজে জটিলতা থাকলে তাদেরকে ঢাকার অফিসে টাকা প্রদান করা লাগে।

ঘুষ দিয়েছি
জেলা: বাগেরহাট থানা: ফকিরহাট ৳১.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ KH845UPY
মন্তব্য
অন্যান্য সরকারি দপ্তর

তদন্ত রিপোর্ট

বিদেশি ভিসার তদন্ত রিপোর্ট। আমাদের কোম্পানি তে বিভিন্ন কাজে বিদেশি নাগরিক ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করে। তদন্ত কারী প্রতিষ্ঠান কে টাকা না দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ দেয়। এসবির তদন্তকারী কর্মকর্তা কে প্রতি রিপোর্টে ১৫০০-২৫০০ টাকা দিতে হয়। এই বিষয় টি উর্ধতন কতৃপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে করে। একটা সিন্ডিকেট এটার সাথে জড়িত। আবার ভারতীয় নাগরিকদের রেজিষ্ট্রেশন এর জন্য টাকা দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম মেট্টো ৳২.৫ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ CT8D27DL
মন্তব্য