TA/DA
I wanted to submit my ta/da bill. But without giving them bribe 5% to 10%, no bill will be submitted there.
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
I wanted to submit my ta/da bill. But without giving them bribe 5% to 10%, no bill will be submitted there.
আমার মায়ের জমানো ২০০০০০ টাকা পোস্ট অফিসে মাসিক মুনাফায় ০৫ বছরের মেয়াদে রেখেছিলাম।মেয়াদ শেষ হলে আমি ও আমার মা সহ বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা(৮৫৩০) পোস্ট অফিস গিয়েছিলাম।০২ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ৫০০ টাকা অনলাইন চার্জ দাবি করে।আমি বলেছিলাম আমি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করি এবং অনলাইনে কিন্তু কোন টাকা তো লাগেনা।তারপরেও টাকা দিয়েছি। আবার টাকাটা যখন পুনরায় রাখতে গেলাম তখন আবার ১০০০ টাকা দাবি করলো,আমি বলেছিলাম কেনো টাকা লাগবে আমিতো টাকা দেবোনা।কোন খাতে টাকা দেবো।ডকুমেন্টস লাগবে।১ ঘন্টা বসিয়ে রেখে ১.২০ মিনিটে বললো অনলাইনে সমস্যা কালকে আসেন আজকে আর কোন টাকা নেয়া হবেনা।আমি জানতে চাইলাম আপনাদের অফিস টাইম কয়টা পর্যন্ত, তখন আমার উপরে খুব রেগে গেলো।
সরকারি নতুন বেতন চালু করতে ৩২ হাজার টাকা চেয়েছে ১৫০০০ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে বেতন চালু করেছি। একই কাজের জন্য আমার কলিকও ২০০০০ টাকা ঘুস দিয়ে বেতন চালু করেছে।
স্বাভাবিকভাবেই মাজার রোডের সিগনাল পার হচ্ছিলাম। গাবতলী বাসস্ট্যান্ডের সামনে ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি আটকায়ে বলে সিগনাল ব্রেক করেছি, উনাদের কাছে প্রমাণ আছে। আমি প্রমাণ দেখতে চাইলে বলে তাহলে গাড়ি থানায় নেওয়ার পর ভিডিও দেখাবে, সেক্ষেত্রে গাড়ি থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য রেকার ভাড়া দিতে হবে আরো ১২০০ টাকা। আমি বাড়তি আর ঝামেলা নিতে চাচ্ছিলাম না দেখে ওদের চাহিদা মোতাবেক ১০০০ টাকা দিয়ে সমস্যা সমাধান করে নিয়েছি। আপনারা আমাকে বলতে পারেন যে আমি কেন মেনে নিলাম ওদের কথা।আসলে এইরকম পরিস্থিতিতে যারা পরে তারাই বুঝে এই ছাড়া উপায় নাই।
ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে চলতি বছরে অনলাইনে আবেদন ও অনলাইন সার্টিফিকেট গ্রহণের জন্য সরকারি ফি/চালানের বাইরে ৩৫,০০০/- (পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা প্রদান করতে হয়েছে। অনলাইন প্রক্রিয়ায় আবেদন ও সার্টিফিকেট সম্পন্ন হলেও সংশ্লিষ্টদের চাহিদা অনুযায়ী উক্ত অতিরিক্ত অর্থ প্রদান ছাড়া কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। টাকা ছাড়া লাইসেন্স পাওয়া যায় না । উনাদের বক্তব্য এসব টাকা দিয়ে উরধতন থেকে ইনেস্পেক্টর অব্ধি লাগে ।
জমি নামজারি করানোর জন্য ফাইল জমা দিলে এসি ল্যান্ড সুনামগন্জ সদর অফিসের অফিস সহকারী ফাইল আটকিয়ে কল্যাণ তহবিলের জন্য ৩০০০ টাকা ঘুষ দাবি করিলে জরুরি থাকায় দিতে বা
গঠনা টি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের,, আমি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম। ৪০ হাজার চাইছিল, ৩০ হাজার দিছি তার পর ২ টি নামজারি কাজ সম্পূর্ণ হয়। অফিস এর একজন কর্মচারী আমার থেকে ঘুষ হাতে হাতে গ্রহন করেছিল অফিসের মূল ভবন এ
আমার প্রতিষ্ঠান একটি নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবছর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের দায়িত্বে থাকা ফায়ার অফিসার (পরিদর্শক) সরাসরি সরকারি নির্দিষ্ট ফী পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা দাবী করেন। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নও হচ্ছিলো না। পরিশেষে আলোচনার মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় তা মিমাংসা করা হয়। এবং পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। এইটা শুধু আমার প্রতিষ্ঠানে না এই অঞ্চলের সকল প্রতিষ্ঠানেই ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে কম বেশী অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন হয়। বর্তমান গত এক/দুই মাস আগে অই অফিসার ট্রান্সফার হয়েছেন।
আবেদন ঠিক থাকার পরেও, আমার বাবার এনআইডি কার্ডে মায়ের স্থানে বউয়ের নাম অর্থাৎ আমার মায়ের নাম দিয়ে দেয়। পরে এটা সংশোধন করতে ৪০০০০ টাকা দাবি করে। ৩৫০০০ টাকায় রফাদফা হয়।
চট্টগ্রাম পোষ্ট অফিসের ডাকঘর সঞ্চয় বিভাগের পোষ্টমাষ্টার সঞ্চয় এর দায়িত্তে বর্তমানে যে কর্মকর্তা আছেন তিনি আমার মেয়াদি সঞ্ছয় এর মালিক মারা যাবার পর নমিনি এর নামে করতে গেলে উনি আমার সব কাগজ পত্র ঠিক থাকার পর ও বলেছে তাকে ১৫০০০ না দিলে সে কাজ ফেলে রাখবেন সে শতকরা হিসাবে ঘুষ চায় , বলে যে মুল টাকার ৩% দিতে হবে । তাকে ১৫০০০ টাকা দেবার পর কাজ টা করে , তারপর যখন মেয়াদ পুরে তখন বলে ৫০০০ টাকা দিতে হবে মিষ্টি খাবার জন্য নাইলে চেক পাইতে দেরি হবে , আমি ৩০০০ তাকা দিছি তার পর ও সে ১০ দিন পর চেক দিছে ,পুরা টাকা ঘুষ দি না তাই, এই ঘুষ খোর টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না !! কাজ করার আগে সরাসরি টাকার কথা বলে।আশা করি রিপোর্টা প্রকাশ করবেন ।
ভূমি অফিসের বাইরে টাইপের দোকান থেকে ডকুমেন্ট অনলাইনে করার পর হার্ড কপি হাতে হাতে জমা দিতে গেলে পাশে ডেকে পূর্বাচলের 5 কাঠা নামজারি 60000 লাগবে জানালো 15 দিনের মধ্যে।পরে ২য় ব্যক্তির সাথে কানে কানে কথা বললে জানালো 45000 এর কমে সম্ভব না। অবশেষে ১ম ব্যক্তি সাথে দর কষাকষি করে 30000 ফাইনাল হলো তবে শর্ত হলো মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে যেদিন হাজিরার ডেট পড়বে ঐ দিন উপস্থিত না হলে আরো 5000 দেওয়া লাগব। নামজারি হলো আবার অনলাইনে খাজনা জন্য আবেদন করলম সব ঠিক আছে কিন্তু টাকার এমাউন্ট দেখায় না আবার যোগাযোগ করলাম বলল 6000 লাগবে দিলাম তাই 30 মিনিটের মধ্য টাকার পরিমান দেখাল। আসলে সব Speed Money এর কেরামতি।
বিদেশে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে আমি ও আমার স্ত্রী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করি। প্রথমে দুজনের আবেদনই বাতিল করে বলা হয়, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। পরে সেটি জমা দিয়ে আবার আবেদন করলে ৩–৫ দিন পর জানানো হয়, কাগজপত্রে স্বাক্ষর ও তারিখ ঠিক নেই। তৃতীয়বার সবকিছু ঠিক করে জমা দেওয়ার পর আমার স্ত্রীর আবেদন আবার বাতিল করা হয়, কারণ হিসেবে তার ঠিকানা নাকি মিল নেই। অথচ আমরা একই উপজেলার দুটি ভিন্ন গ্রামে থাকি। বাধ্য হয়ে আমি থানায় গিয়ে কারণ জানতে চাই। অনেক অজুহাতের পর ডিউটি অফিসারের সামনেই আমাকে বলা হয়, টাকা না দিলে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। এদিকে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সীমা শেষ হয়ে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে কম্পিউটার অপারেটরকে ৩,০০০ টাকা দিই।
আমি ও আমার বাবার পাসপোর্ট করার জন্য পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে যাই।আবেদন ও ফি পরিশোধের পর জমা নিতে তারা অনিহা প্রকাশ করে।এরপর এক আনসার সদস্যকে বললে সে নিচতলায় সিড়িতে উঠার ডানপাশের রুমে নিয়ে ২৫০০ টাকা চায়।২৩০০ ছিল তাই দিয়ে এসেছি।আধাঘন্টার ভিতর কাজ হয়ে গিয়েছে।মজার ব্যাপার হলো সেদিন এক নারী ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিল দুর্ণীতি দেখতে।তো সে সেইখানের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়াই আমাদের জিজ্ঞাসা কাউকে টাকা দেয়া লাগছে কিনা! সবচেয়ে সেদিন খারাপ লাগছে এই ম্যাজিস্ট্রেট কে নিয়া।
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য লিখিত মৌখিক ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করিয়ে দিবে এই মর্মে ৬০০০ টাকা দাবি করা হয়। পরিস্থিতি ঠিক এমনই ছিল। আমি টাকা দিতে ব্যর্থ হলে ফেল দেখানো হবে। অনেকেই এই পন্থায় লাইসেন্স অর্জন করে। অফিসের সকল খরচ মিলিয়ে মোট ১৬০০০ টাকা দি আমি।
চাকরির জন্য বাইক চালানো জরুরী ছিলো। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 12000 দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। তবে এখানে যা বুঝলাম 100 মধ্যে 70 জন টাকা দিয়ে কাজ করেছে...
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
ডি-ক্যাটাগরির কারখানা হওয়ায় প্রতিবছর পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন করতে হয়। সরকারি চালান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক নির্দিষ্ট তারিখে দেখা করতে বলে **প্রায় ২৫,০০০/- টাকা খামে করে দিতে বলেন**। টাকা না দিলে অনলাইনে বিভিন্ন আপত্তি/Show Cause দেওয়া হয় এবং কাগজপত্র পুনরায় জমা দেওয়ার পরও টাকা প্রদান না করা পর্যন্ত ছাড়পত্র ইস্যু করা হয় না। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, এ টাকা অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে দিতে হয়। এছাড়া বছরে দুইবার পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবের জন্য পানি নমুনা সংগ্রহের সময় সংশ্লিষ্ট টেকনিশিয়ান ** ১৫,০০০/- টাকা দাবি করেন**। টাকা না দিলে রিপোর্ট অনুকূলে দেওয়া হবে না এবং টাকা দিলে ভালো রিপোর্ট দেওয়া হবে। সকল টাকা পরিশোধ করেই ছাড়পত্র নিয়েছি । একটি পাওয়ার অপেক্ষায় আছি
রাতের বেলা বাসার মালামাল নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসতেছি, কাঞ্চন ব্রিজ এর এইখানে টহলরত ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে ৫০০ টাকা দাবি করে, এটা আদায় করার পর আবার মদনপুর রোডে আবার আর একদল টহলরত ট্রাফিক পূলিশ ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আদায় করে।
আচমিতা ইউনিয়ন ওয়ারিশান সর্টিফিকেট তুলতে গেলে উক্ত টাকা দাবি করা হয়।চেয়ারম্যান,অপারেটর,ম্যাম্বার জড়িত আছে
করতে গেছি, আমার সকল কাগজ পত্র রেডি করে নিয়ে গেছি ব্যংক ডাব করে গেছি , কিন্তু আমার কাগজ জমা দিতে গেছি তখন আমাকে বলতেছে যে আপনার কাগজে ভুল আছে, আমি বললাম কি ভুল আছে বলেন। বলল আপনার পেশা কি বললাম আমি স্টুডেন্ট, তাইলে পাসপোর্ট অন্য পেশা দেওয়া, এটা হবে না আমি বললাম হবে না কেন আমি যাবো বিদেশ এখানে পেশাই কি সমস্যা করলো, বলল এত কথা বলার টাইম নাই ঠিক করে আনেনে। পরে বাইরে গেলাম দেখা দালাল পিছে পিছে গুরতেছে আর বলতেছে কি সমস্যা ভাই, আমি বললাম ভাই সব ঠিক আছে শুধু পেশার জন্য বের করে দিলো, পরে দালাল বলল লাভ নাই কোন লোক ধরে আরছেন আমি বললাম না তো, লোক কেন ধরবো ওই বলল লোক না ধরলে করতে পারবেন না অরা কোন না কোন সমস্যা ধরবোই, তারপর দালাল কে টাকা দিলাম এর পরে কাগজে কি জানি লিখে দিলো এর পর সাথে সাথে জমা নি