সনদ সংশোধনীর জন্য, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।
দ্রুত সংশোধনী করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলো। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
দ্রুত সংশোধনী করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছিলো। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে।
Ami Saudi Arabia Riyadh a thaki Amar Ager MRP passport theke ami E passport korte gele passport office a Amar kache 500Riyal 16000K taka dabi kore
আমার সব কাগজ পত্র থাকার পরও ঘুষ নিছে
Govt Pension (Bangladesh Air Force) - taka na dile file open korbe na - call kore bolche taka dite then
ভূমি উন্নয়ন কর/খাজনার আবেদনের পর অনুমোদনের জন্য ৫০০ টাকা করে দিতে হয়, না হলে ৫০-৬০ বছরের খাজনার অনুমোদন দেওয়া হয়
3 Dine passport dibe bole pion taka nieche
মোটর সাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স এর প্র্যাকটিকাল পরিক্ষা এমনভাবে নেয়া হয় যেন কেউ পাস করতে না পারে অথচ রাস্তায় নিরাপত্তার সাথে এই প্রাক্টিকাল এর কোন সম্পর্ক আছে কিনা আমার সন্দেহ আছে । শেষে 4500 টাকাতে সব দফারফা করতে হয়েছে
আমার প্রতিষ্ঠান একটি নীট কম্পোজিট টেক্সটাইল (গার্মেন্টস) ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবছর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। ফায়ার লাইসেন্স নবায়নের দায়িত্বে থাকা ফায়ার অফিসার (পরিদর্শক) সরাসরি সরকারি নির্দিষ্ট ফী পরিশোধ করার পরেও অতিরিক্ত ১ লাখ টাকা দাবী করেন। টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নও হচ্ছিলো না। পরিশেষে আলোচনার মাধ্যমে ৬০ হাজার টাকায় তা মিমাংসা করা হয়। এবং পরবর্তীতে লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। এইটা শুধু আমার প্রতিষ্ঠানে না এই অঞ্চলের সকল প্রতিষ্ঠানেই ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করতে হলে কম বেশী অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ সাপেক্ষে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন হয়। বর্তমান গত এক/দুই মাস আগে অই অফিসার ট্রান্সফার হয়েছেন।
চট্টগ্রাম পোষ্ট অফিসের ডাকঘর সঞ্চয় বিভাগের পোষ্টমাষ্টার সঞ্চয় এর দায়িত্তে বর্তমানে যে কর্মকর্তা আছেন তিনি আমার মেয়াদি সঞ্ছয় এর মালিক মারা যাবার পর নমিনি এর নামে করতে গেলে উনি আমার সব কাগজ পত্র ঠিক থাকার পর ও বলেছে তাকে ১৫০০০ না দিলে সে কাজ ফেলে রাখবেন সে শতকরা হিসাবে ঘুষ চায় , বলে যে মুল টাকার ৩% দিতে হবে । তাকে ১৫০০০ টাকা দেবার পর কাজ টা করে , তারপর যখন মেয়াদ পুরে তখন বলে ৫০০০ টাকা দিতে হবে মিষ্টি খাবার জন্য নাইলে চেক পাইতে দেরি হবে , আমি ৩০০০ তাকা দিছি তার পর ও সে ১০ দিন পর চেক দিছে ,পুরা টাকা ঘুষ দি না তাই, এই ঘুষ খোর টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না !! কাজ করার আগে সরাসরি টাকার কথা বলে।আশা করি রিপোর্টা প্রকাশ করবেন ।
জমিটার ছিল তিনজন মালিক রেকর্ড করাইতে হইলে তাদেরকে 9 হাজার টাকা দিতে হবে । তিনি যেই চেয়ারে বসা ছিলেন ওই চেয়ারে বসেই ঘুষ গ্রহণ করেছেন। এবং তার অফিসের অন্যান্য ব্যক্তিরাও এগুলা জানে ঘুষ না দিলে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য রেকর্ডটা নথিভুক্ত হবে না। তাই বাধ্য হয়ে টাকা দিতে হয়েছে।
To need taka 8000 for Mutation but I Paid taka7,000/- by request
আখাউড়া থেকে চট্রগ্রাম গাড়িতে টিকেট কাটলে ঢাকা চট্রগ্রামের ভাড়া আর টিকেট না কেটে ৩০০ টাকা দিলেই হলো
অনলাইনে বিএড স্কেল এর জন্য আবেদন করেছিলাম, সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ব্বেও ফাইল রিজেক্ট করেছিল, পরে টাকা নেয়ার পর আবার আবেদন করি এবং ফাইল ফরোয়ার্ড হয়। ২০২০ সালের ঘটনা।
আমার নিজের সদ্য ক্রয় করা ১০ শতক জমি নামপত্তন করার জন্য ৩নং ইছালী ইউনিয়ন ভুমি আফিসে সকল কাগজ পত্র নিয়ে গেলে সেটা দেখে শুনে নায়েব সাহেব বলেন ফাইল প্রতি কমপক্ষে ৫০০/- টাকা দিতে হবে। না হলে তিনি ফাইলে স্বাক্ষর দিবে না। তার নিজস্ব লোক দিয়ে তিনি এই টাকা গ্রহন করে। জমিটার নাম পত্তন আমার খুবই জরুরি তাই আমি টাকা দিয়ে দ্রুত ফাইল ছাড় করে নিই। এরপর এসিল্যান্ড অফিসে শুনানি করার জন্য তারিখ নিধারণ করার জন্য গেলে সেখানে যশোর সদর উপজেলা ভুমি অফিসে ১০০০/-- টাকা চায় না হলে নিয়ম অনুসরণ করে হবে তা কত দিন পরে হবে তা বলতে পারে না বাধ্য হয়ে আমি সেই টাকা দিয়ে শুনানি করে নামপত্তন কেসটি শেষ করি। পদে পদে টাকা দিতে হয়।
You have to pay this amount to get a Passport
দুটি ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশন করতে যাই, যাবার পরে তারা আমার কাছ থেকে প্রতিটি ফ্লাট থেকে তিন লাখ টাকা করে মোট 6 লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে, আমাকে ভয় দেখানো হয় যে আমার ফ্ল্যাট এর ক্রয় মূল্য অনেক কম দেখানো হয়েছে, যদি আমি ঘুষ না দেই তাহলে এই মূল্য বাড়াতে হবে।
রাতের বেলা বাসার মালামাল নিয়ে গ্রামের বাড়ি আসতেছি, কাঞ্চন ব্রিজ এর এইখানে টহলরত ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামিয়ে ৫০০ টাকা দাবি করে, এটা আদায় করার পর আবার মদনপুর রোডে আবার আর একদল টহলরত ট্রাফিক পূলিশ ৩০০ টাকা দাবি করে এবং আদায় করে।
ডি-ক্যাটাগরির কারখানা হওয়ায় প্রতিবছর পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়ন করতে হয়। সরকারি চালান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও সংশ্লিষ্ট পরিদর্শক নির্দিষ্ট তারিখে দেখা করতে বলে **প্রায় ২৫,০০০/- টাকা খামে করে দিতে বলেন**। টাকা না দিলে অনলাইনে বিভিন্ন আপত্তি/Show Cause দেওয়া হয় এবং কাগজপত্র পুনরায় জমা দেওয়ার পরও টাকা প্রদান না করা পর্যন্ত ছাড়পত্র ইস্যু করা হয় না। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, এ টাকা অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ে দিতে হয়। এছাড়া বছরে দুইবার পরিবেশ অধিদপ্তরের ল্যাবের জন্য পানি নমুনা সংগ্রহের সময় সংশ্লিষ্ট টেকনিশিয়ান ** ১৫,০০০/- টাকা দাবি করেন**। টাকা না দিলে রিপোর্ট অনুকূলে দেওয়া হবে না এবং টাকা দিলে ভালো রিপোর্ট দেওয়া হবে। সকল টাকা পরিশোধ করেই ছাড়পত্র নিয়েছি । একটি পাওয়ার অপেক্ষায় আছি
আমি জম্ন নিবন্ধন আনতে গেসিলাম। মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ, ফেঞ্চুগঞ্জ এর। সেখানে ৫০০ টাকা তারা দাবি করে। কোনো রিসিট দেই নি। আমি দিতে বাধ্য হই।
চাকরির জন্য বাইক চালানো জরুরী ছিলো। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 12000 দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। তবে এখানে যা বুঝলাম 100 মধ্যে 70 জন টাকা দিয়ে কাজ করেছে...