Driving license
চাকরির জন্য বাইক চালানো জরুরী ছিলো। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 12000 দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। তবে এখানে যা বুঝলাম 100 মধ্যে 70 জন টাকা দিয়ে কাজ করেছে...
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
চাকরির জন্য বাইক চালানো জরুরী ছিলো। অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য 12000 দিয়ে কাজটি করতে হয়েছে। তবে এখানে যা বুঝলাম 100 মধ্যে 70 জন টাকা দিয়ে কাজ করেছে...
বিদেশ যাবার উদ্দেশ্যে পাস পোর্ট করতে গিয়েছিলাম কিন্তু নিজে নিজে চেষ্টা করছিলাম এবং সম্পূর্ণ ফরম ফিলাপ নিজে নিজে করেছিলাম প্রতিটা অপশন খুব সুন্দরভাবে পূরণ করেছি তবুও পাসপোর্ট অফিসাররা বারবার ভুল করে আমাকে ফিরিয়ে দিয়েছে এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে দালালের শরণাপন্ন হয় এবং কাজটি সম্পন্ন হয় তবে ফরম ফিলাপে আমার যে ভুলগুলো পাসপোর্ট অফিসাররা ধরেছিল তার থেকে বেশি ভুল করছিল ওই দালালেরা তবুও টাকা দেওয়ার কারণে কোন ভুল ভুল ছিল না তারপর সেটা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করার সময় পুলিশ কেউ টাকা দিতে হয় কি বলবো বাংলাদেশের প্রতিটা জায়গায় সঠিকভাবে কোন কাজ হয় না আর হলেও সে সংখ্যা অনেক কম
আমি আমার বাবাকে সাথে নিয়ে ভূমি অফিসে আমাদের একটা জমির মিটিশন করাতে গিয়েছিল।সব কাগজ জমা দিয়ে সেদিন আমি ঢাকাতে চলে আসি। এর কিছুদিন পরে বাবা যখন খতিয়ান আনতে যায়, সেখানকার দায়িত্বরত কর্মকর্তা আমার বাবার কাছে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে।মিটিশনের সরকারি খরচ ১১৭০ টাকা। বাবাতো গ্রামের মানুষ, আসলে অন্য কোন উপায় না পেয়ে বাবা আমাকে ফোন করে, এরপর আমি ওই কর্মকর্তা সাথে ফোনে কথা বলি, অবশেষে ওই কর্মকর্তা ৫০০০ টাকায় খতিয়ান দিতে রাজি হয়। বাধ্য হয়েই, আমাদেরকে ৫০০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছিল।
জনশক্তি অফিস শুধু বিয়ে-মিটি মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ করার জন্য বলে কিছু খরচা দিতে হবে পরে আমি বলি শুধু মোবাইল নাম্বার চেঞ্জ এর জন্য আমার খরচা তাও ১০০ টাকা দিয়ে দিয়েছি
আমি নামজারি করতে ভূমি অফিসের বিভিন্ন টেবিলে এই টাকা দিয়েছি, অনলাইনে আবেদন করেছিলাম আগে, সেখানে ভুল দেখিয়ে সেটা বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছিল, পরে টাকা দিয়ে সেগুলো পূণরায় আবার করিয়েছি,
জাস্ট মায়ের নামের বানান ভুল ছিলো। তার জন্য পাসপোর্ট কর্মকর্তা পাসপোর্ট অফিসের পাসেই পারভিন স্টোর এই নামের দোকানের সাথে লিংক আপ করে ৮ হাজার টাকা দাবি করে টাকা দেওয়ার কারনে আমার পাসপোর্ট সম্পূর্ণ হয় এছাড়া আরো বলে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এর জন্য আরো এক হাজার দিলে আমার পাসপোর্ট হাতে পেতে আর কোন সমস্যা হবে না। মোট ৯০০০ টাকা আবেদনসহ পাসপোর্ট হাতে পেতে জমা নেন।
নতুন পাসপোর্ট করতে গেলে সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলেও বিভিন্ন বাহানা দেখায়, এটা লাগবে সেটা লাগবে হ্যান ত্যান ইত্যাদি,,,,, তারা এভাবে রিজেক্ট করে দালালের মাধ্যমে ঘুস খায়।
উত্তরাধিকার সনদ পাওয়ার জন্য আবেদন করায় ১৭৫২০ টাকা দাবি করেছে
একটি বি আর এস খতিয়ানে জমী ৩০ একর ২৪ শতাংশ ভূমির মধ্যে ৯২ শতাংশ বাড়ি,এর মধ্যে চেকে লেখা ৯২০ টাকা, কিন্তু নেওয়া হইছে ১২০০০০, এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা।
আমার পরিবারের তিন টি পাসপোর্ট করতে দেই। পাসপোর্টের সরকারি বিল পরিশোধ করার পরেও। অফিসে কর্মরত কর্মচারী বারবার ফাইল ফিরিয়ে দিচ্ছে। ঘরে বাইরে দোকানে লোক ছিল সে বলল প্রতি পাসপোর্ট পনেরশো টাকা করে দিলে সে পাসপোর্ট করে দিতে পারবে। পরে ৪৫০০ টাকা দেওয়ার পর সাথে সাথে কাজ হয়ে যায়।
নিজের নামে জমি রেজিস্ট্রেশন করতে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে কর্মকর্তারা সাহায্য না করে দালাল ধরার পরামর্শ দেন। বিক্রেতাকে সব টাকা দেওয়ায় বাধ্য হয়ে দালাল সিন্ডিকেটের কাছে যাই। তারা সরকারি ফির চেয়ে চার গুণ বেশি টাকা দাবি করে, যার কোনো রসিদ দেয় না। বাধ্য হয়ে সেই টাকা দিয়েই জমি রেজিস্ট্রি করি। পরে জানতে পারি, এই টাকার ভাগ সাব-রেজিস্ট্রারসহ অফিসের সবাই পান।
ময়মনসিংহ আঞ্চলিক অফিস, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর,বাড়ী নং-২৮গগন চৌধুরী বাইলেন,,কালীবাড়ী রোড,ময়মনসিংহ। অফিস থেকে সরকারি যেকোনো অফিসর মালমাল আনতে গেলে টাকা ছাড়া কথা বলে না। এমনকি এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ফাইল উঠাতে টাকা লাগে
নামজারির আবেদন করেছি বহুদিন আগে, এখনো ভুমি অফিসে পড়ে আছে, যা ১১৭০ টাকায় হবার কথা, নতুন আরেকটা করলাম ১০০০০ টাকায়,মাত্র ৭ দিনে হাতে পেলাম।
আমি বাগেরহাট পৌরসভার এক বাসিন্দা। বাগেরহাটে প্রচুর পরিমানে পানির সংকট রয়েছে, লাইনের পানি ঠিকমত আসেনা, যার কারনে অনেকে নিজের খরচে গভীর নলকূপ বসায়, যার যার নিজের জমিতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে এখানে আমরা আমাদের জমিতে ডিপ টিউবয়েল বসালেও পৌরসভার নামধারী কিছু লোক প্রতিটি টিউবয়েলের জন্য ২০ হাজার টাকা করে চাদা চায়, এরকম বাগেরহাটে যত টিউবয়েল বসানো হয়েছে সবার নাকি দিতে হবে, সারা বাংলাদেশে কোথাও এরকম কোনো নিয়ম চালু নাই। তাহলে তারা কত কোটি টাকা আত্নসাৎ করতেছে এখান থেকে তার কোনো হিসেব নাই, এটা দেখার মত কেউ নাই
নামজারি করতে টাকা লাগে সাধারণত ১২৭০৳ নিয়েছো ৬২৭০৳
দলিল ও সরকারের বিভিন্ন নিয়মের জটিলতা উল্লেখ পূর্বক ২ মাস জমি রেজিস্ট্রি আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হয়েছি।
Akta Mr mamlar report dete amer teke 10 hjr tk ghush nease,
চট্টগ্রাম মেডিকেলে ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি করাতে হলে একটি বেড পাওয়ার জন্য ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টাফ/মাসিদেরকে ১০০টাকা করে চাদা দিতে হয়।তারা প্রত্যেক রোগির কাছ থেকে জোর করে এই চাদা আদায় করে থাকে।চাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গালিগালাজ করে।সম্প্রতি আমি ১৯ নং ওয়ার্ডে (নাক,কান, গলা)বিভাগে ভর্তির জন্য গেলে এই ঘটনার সম্মুখীন হয়েছি।এবং বাধ্য হয়ে ১০০ টাকা চাদা পরিশোধ করেছি।যদি চাদা পরিশোধ না করি তাহলে তারা আমাকে বেড দিবে না বলে জানিয়ে দেয় ।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন করার পরে আমাকে থানায় ডাকা হয়। এরপর আমার কাছ থেকে ১২০০ টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। পরবর্তীতে ১০০০ টাকায় নিতে রাজি হয়েছে।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম, আমাকে অনেক ভোগান্তি করেছে,,প্রতিদিন যায় কিন্তু কাজ হয়না, তাই বাধ্য হয়ে টাকাটা দিয়েছি