এমপিও ভুক্তি হওয়া
2022 সালে নতুন এমপিও করার সময় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ১০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে এমপিও এর ফাইল জেলাতে Send করেছিল, প্রথমত না দেওয়ার আমার ফাইলটি ১ম মাসে এমপিও হয়েছিল না! এর সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধানও জড়িত!
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
2022 সালে নতুন এমপিও করার সময় উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার ১০০০০ টাকা ঘুষ নিয়ে এমপিও এর ফাইল জেলাতে Send করেছিল, প্রথমত না দেওয়ার আমার ফাইলটি ১ম মাসে এমপিও হয়েছিল না! এর সাথে প্রতিষ্ঠান প্রধানও জড়িত!
একটি ফটোকপির দোকানের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল।
আমার পাসপোর্ট এর জন্য আমার আইডি কার্ডে নাকি সমস্যা ছিলো ক্লিয়ার না তারা ঠিক করে নিবে
নতুন টি সি বি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথন্ত কর্মকর্তাকে দেই 3000 টাকা , উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাকে দেই 4000 টাকা, তারপর জেলা ডিসি অফিসে দেই 3000 টাকা যদিও তাদের ডিমান্ড ছিল বেশি, তারপরও কাজটা হবে না, কারন ছুরান্ত পর্যায়ে এম পির ডিও লেটার লাগবে, সো আমি ব্যর্থ।
আমার ডকোমেস এর বিভিন্ন বুল দরতো ইচ্ছাকরে টাকার জন্য সব সময় বলতো আগামী কাল অনেক দিন গুড়ার পর আমি টাকা দি টাকা দেওয়ার পর আর কোন কিছু বলে নাই কাজ হয়ে গেছে
আমার বিদেশে যাওয়ার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার।এজেন্সি বলছে দ্রুত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করার জন্য।পরে আবেদন করার ৩দিন পর থানায় যোগাযোগ করার পর ৭দিনে করে দিবে বলে ১৫০০ টাকা বাড়তি দাবি করে।দরকার থাকায় বাধ্য হয়ে ১৫০০ টাকা বাড়তি দিতে হইছে। ১৫০০ টাকা আবেদন আর ১৫০০ টাকা ঘুষ
হাসপাতালের টলি বয় কে দিতে হয়েছে তা ছাড়া টাকা ছাড়া কোন রোগীর বেড পাওয়া যায় না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় টাকা দিলে সকল কিছু পাওয়া যায় হাসপাতালের X rey kora jay
আমার শাশুড়ি মা এর সিজার এ মেয়ে বাবু হয়েছিল। মিটফোর্ড এর সলিমুল্লাহ হাসপাতাল এ আয়া গুলো ১০০০ টাকার নিচে বেবি দিবে না। বেবি কে নিয়ে ওয়ার্ড এ যেতে হলে ১০০০ টাকা তাদের দিতেই হয়। ওদের কে টাকা দেওয়ার পর যখন বেডে ট্রান্সফার করে তখন আবার অন্য আয়াদের টাকা দিতে হয় বেড দেওয়ার জন্য। রিলিজ নিয়ে বাসায় যাওয়ার সময় ও চা নাস্তার টাকা দিতে হয়েছে ।
সময়টা ছিল ২০২২ আমার দাদা-দাদী ও চাচি সহ ওমরা হজ করার জন্য পাসপোর্ট করতে যাই নীলফামারী পাসপোর্ট অফিসে। কিন্তু অফিসে যাওয়ার পরে এটা ওটা ভুল ধরে প্রথম দিনে বাড়িতে ফিরে আসতে হয় আমাদের। পরের দিনে আবার গেলাম সংশোধন করে কিন্তু কাজ হলো না। কোন উপায় না পেয়ে টাকা দিতে হয় ৬০০০ টাকা। অফিসের সামনের কম্পিউটার দোকানের মানুষগুলোর সাথে অফিস স্টাফদের ভালই সম্পর্ক। বেশিরভাগ লেনদেন করে এদের মাধ্যমে কখনো আবার সরাসরি।
আমাদের বাপ দাদার কিছু সম্পত্তি এক ভাই আরেক ভাইকে দিবেন। তো সেটার জন্য কিছু জরুরী কাগজ পত্র ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আনার প্রয়োজন হয়েছে। সেই কাজ করতে নাকি ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে । পরে আমার মা অনেক বলে ৬০০টাকা দিয়ে করে আনেন। সরকারি কোন সেবা নিতে গেলেই এমনি করে। বলে সচিব কে সরকার টাকা দেয় না তাই এভাবে টাকা নেয়
বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি চাকরি তে শিরাই শিরাই দূনীতি ঘূষ ঢুকে গেছে। কাকে ভালো বলবেন সাধারণত আমরা ভাবি ডিফেন্স জব ঘূষ লাগে না।বাস্তবে ওখানে সবচেয়ে বেশি দূনীতি।
অফিসাররা সহজে কথা বলতে চায় না কিংবা কোনো ইনফরমেশনই দিতে চায়না। সিস্টেম এমনভাবে ডেভেলপ করা যাতে যে কেউ দালালের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হয়। অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফিল্ড টেস্টে ফেল করিয়ে দেয়াও হয়। দালাল ধরলে খুব সহজেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে যায়।
মসজিদ চাঁদা বলে বছরের পর বছর সকল জমি ক্রেতা বিক্রেতাদের থেকে ৬০০ করে টাকা নেয়।আমি প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বার দেই। তৃতীয়বার রশিদ চাই। কিন্তু রশিদ চাইলে বলে এখানে ১০০ টাকা মসজিদ চাঁদা বাকিটা খরচা।কিন্তু এই মসজিদ চাঁদা কথাটাও মিথ্যা। সকল সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে বছরের পর পর বছর নিচ্ছে। জমি ক্রয় বিক্রয়ে জমি বাড়ি হলে রেজস্ট্রি খরচা বাইরে ৫০০০ টাকা নেয়।
হিন্দু একটি ছেলে। বাড়ি কাকচিড়া দিয়া ভিতরে। আমাদের বামনা উপজেলায় একটি ইউনিয়ন ভুমি অফিসের অফিস সহায়ক। ঘুষ বানিজ্য করে প্রায় কোটি টাকার সম্পদ করেছে। কিনেছে মাইক্রোবাস পিকআপ এবং এম্বুলেন্স ভাড়া দেওয়ার জন্য।
অভিযোগ বিষয়: জন্ম নিবন্ধনের অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ। আমি আমার ২ বছর বয়সী সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করার জন্য ৬ নং রাজিউড়া ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে যাই। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি আমার কাছে ২০০ টাকা ফি দাবি করেন। আমি সরকারি ফি ৫০ টাকা বললে তিনি রেগে গিয়ে বলেন, “২০০ টাকা না দিলে জন্ম নিবন্ধন বাতিল করে দেব।” বাধ্য হয়ে আমি ২০০ টাকা দিয়ে সন্তানের জন্ম নিবন্ধন করি। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
নবায়ন করতে গিয়া নিদিষ্ট টাকার চেয়ে বেশি চাওয়া হয়েছিলো। পরিশোধ না করলে ট্রেড লাইসেন্স পেতে দেরি বা ভোগান্তি হতো, তাই দিয়ে দিয়েছি।
দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা যায় না। আর যদি কেউ অনলাইনে একা একাই টাকা পরিশোধ করে ,তাহলে তাকে ভাইবাতে ফেল করে দেয়া হয় ।আর যারা টাকা দেয় তারা কিছু না পারলেও পাস করে ।আমার জানা মতে ড্রাইভিং লাইসেন্সের খরচ হয় ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৫ হাজার মোটরসাইকেলের জন্য, কিন্তু আমার লাগছে ৯৫০০ টাকা ।আপনি সরাসরি বিআরটিএ যায়ে কোন কাজ করবেন আপনার কাজ হবে না, দালাল দিয়ে টাকা দিবেন সব হয়ে যাবে।
টাকা ছাড়া বিল পাশ করেনা। দিন শেষ এই টাকার ভাগ ৬০% হিসাবরক্ষণ অফিসার। বাকী ৪০% টাকা ঐ অফিসের অডিটর, সুপার, পিয়ন নেয়। এই ৫% কমিশন প্রতিটি হিসাবরক্ষণ অফিসের অলিখিত নিয়ম। শুধুমাত্র UNO অফিসের বিলে কিছুটা ছাড় দেয়। পেনশন বা কোন উচ্চতর গ্রেড/এককালীন বিল উত্তোলনে ক্ষেত্র বিশেষে ২০%-৪০% টাকা নিয়ে থাকে। যেকোন বিলেই ৫% কমিশন নেয় কিন্তু কেউ প্রকাশ করেনা।
পাসপোর্ট করতে গেলে তারা বলে আমার অস্থায়ী ঠিকানা দেয়া আছে এইটার জন্য থানা থেকে ভ্যারিফিকেশন করে আনতে হবে, আমি বলি বাসা ভাড়া রশিদ দিলে কি হবে? তারা আমার সাথে কোন কথায় বলেনি।পাশে থেকে একজন ডেকে নিয়ে গিয়ে বলে ৩০০০ টাকা দিলে সমাধান।আমি ২০০০ টাকা দিয়ে কাজ করে নেই।এর পর বাইপাল এ পুলিশ ভ্যারুফিকেশন এর জন্য এস বি পুলিশ ১০০০ টাকা নেয়।এর পর আমার স্থায়ী ঠিকানায় পুলিশ ভ্যারিফিকেশন করার জন্য আরো ২০০০ টাকা দিতে হয়। মোট ৫০০০ টাকা ঘুস দিতে আমি বাধ্য হই।
আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম দুইটা সব ঠিক আছে তার পরেও বলে ঠিক নাই পরে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে কম্পিউটার এর দোকান আছে সেই দোকানদার বলে পারপিছ ১৫০০ টাকা লাগবে কি আর করার সয়ও ছিলো না ঢাকা চলে যেতে হবে তাই আর কিছু করার ছিলো না পরে দরদাম করে দুইটা পাসপোর্ট ২৮০০ টাকা দিয়ে করি