বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে
আমি বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ৫০০০টাকা টাকা ঘুষ দিয়ে ৮/৯ মাস পরে বিদ্যুৎ পেয়েছি । হয়রানির তো শেষ নেই ।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমি বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে ৫০০০টাকা টাকা ঘুষ দিয়ে ৮/৯ মাস পরে বিদ্যুৎ পেয়েছি । হয়রানির তো শেষ নেই ।
গত আমন মৌসুমে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন রাইস মিলকে সরকারি চাল সরবরাহের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত ক্রয়মূল্য ছিল প্রতি কেজি চাল ৪৮ টাকা। কিন্তু আমাদের অভিযোগ অনুযায়ী, রাইস মিলারদের কাছ থেকে চাল নেওয়ার পর প্রতি কেজিতে ৮ টাকা করে অবৈধভাবে আদায়/কেটে নেওয়া হয়েছে, ফলে মিলাররা প্রকৃতপক্ষে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪০ টাকা পেয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এই অর্থ জেলা খাদ্য অফিস ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য অফিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মিলারদের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির আর্থিক পরিমাণও অত্যন্ত বড়। উদাহরণস্বরূপ, ৪০০ টন চালের ক্ষেত্রে: ৪০০ টন = ৪,০০,০০০ কেজি ৪,০০,০০০ × ৮ টাকা = ৩২,০০,০০০ টাকা (৩২ লাখ টাকা)। অর্থাৎ ৪০০ টন চালের ক্ষেত্রে প্রতি কেজিতে ৮ টাকা করে অবৈধ অর্থ আদায়
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস , পাকুন্দিয়া , কিশোরগঞ্জ । উনারা যেকেনো কাজে গেলে টাকা ছাড়া কিছুই করেনা । উপরন্তু টাকা দিলেও উনারা ব্যবহার খুব খারাপ করে শিক্ষকদের সাথে । মেডিকেল ছুটি নিলেও বলে অফিসারের সই লাগবে ৫০০ টাকা দেন । আবার ছুটি শেষে যোগদান করতে গেলেও বলে বিল ছুটাইতে ২০০০ টাকা লাগবে । কোনো শিক্ষক প্রতিবাদ করতে গেলে তাকে নানা ভাবে হয়রানি করা হয়।
ড্রাইভিং লিখিত ও প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় উত্তির্ন করিয়ে দিবে। ৬০০০ টাকা দাবি করে।যথারীতি এভাবে চলছিল। আমি না দিলে ফেইল দেখানো হতো এমন পরিস্থিতি বিদ্যমান ছিল।
জমির দাগ নাম্বার দেখতে চাইলে বলে যতোবারই দেখবেন ২০০ টাকা করে দিতে হবে আমি পাঁচ বার দেখার জন্য ১০০০ টাকা দিতে হয়েছে।
আমি একজন শিক্ষার্থী গত ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনর একজন সম্মখ সরির যোদ্ধা। ৩৬ জুলাইয়ের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে দূর্নীতিবাজদের উৎখাত করা হয়েছিল.. সেরকমই একটি কার্যক্রমে আমার এলাকার একছোট ভাইয়ের পরামর্শে তাদের আন্দোলনে যোগ দেই। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি পরবর্তীতে ঐ ছেলের সাথে আতাত করে কিন্তু আমরা বাকিরা আমাদের কার্যক্রমে অটুট থাকি। এক পর্যায়ের আন্দোলনে সফল হই কিন্তু ঐ ব্যাক্তি পরর্বতীতে আমাদের ১২ জনের নামে ছিন তাইয়ের মামলা দেওয়ার জন্য আদালতের তদন্তের আবেদন জানায়।পুলিশ ঐ সময় সঠিক তদন্তে তার অভিযোগ খারিজ করে দেন কিন্তু তিনি সিবিআইয়ের কাছে আবেদন করেন পুনরায় তদন্তের.. কিন্তু বিপিআই আমাদের কাছে ৪০০০০ দাবী করে এবং সে জানায় সে একাই সেই টাকা খাবে না.. সবাই মিলে খাবে..এভাবেই চলছে আমাদের নতুন বাং৬
একটা টেস্টের জন্য অনেক সিরিয়াল দিতে হয় পিজিতে, ডাক্তারের এক সহচর (পড়ুন চামচা) ও আনসার বলল টাকা দিলে সিরিয়াল ছারাই কাজ হয়ে যাবে। অথবা সারের অন্য একটি প্রাইভেট হাসপাতালে করান কমে করে দিবে।
মিষ্টি খাওয়ানোর জন্য। সবার কাছ থেকেই টাকা নেয়।
মিরপুর ১৩ নম্বরে বিআরটিএ তে গাড়ির ফিটনেস চেকিং এর নামে মানুষকে হয়রানি করা হয়, ১০ নাম্বার লাইনে প্রথমবার ফেল আসলো, বের হতেই এক ভদ্রলোক এসে বলল, ভাইজান আপনার ফেলে আসছে আমি চাইলে আপনাকে আজকেই হাতে দিতে পারি, অন্যথায় আপনাকে নাভানা থেকে গাড়ির কাজ করিয়ে এনে আবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চেক করাতে হবে, উনি ১৬ হাজার পাঁচশো চাইছে আমি ১১ হাজার টাকায় ওনাকে কন্টাক্ট করেছি, কিছুক্ষণের মধ্যেই উনি আমাকে ফিটনেসের কাগজ নিয়ে হাতে ধরিয়ে দিল। বেশী লেখার অপশন নাই তাই শর্টকাট লিখে দিয়েছি। এভাবেই ফিটনেস চেক করার নামে হয়রানি ও ঘুষ দাবি করে থাকে।
সমস্ত টেবিল ঘুরে যখন এ্যাসিল্যান্ড এর টেবিলে যাবে এই কেস মঞ্জুর করার জন্য অফিস সহকারী ৫০০০ টাকা নিলো।
নাম্বার প্লেট লাগানোর সময় এবং গাড়ির স্মার্ট কার্ড নিতে গেলে পৃথকভাবে ১০০ করে মোট ২০০ টাকা চেয়ে বসে।
আমি একজন সরকারি কর্মচারী। আর্মি পে টু আমাদের টিএ/ডিএ বিল পাশ করানোর জন্য ২০% হারে ঘুষ দিতে হয় তা না হলে আমাদের বিল পাশ হয় না। আমি একজন সরকারি কর্মচারি হয়ে যদি ঘুস দিতে হয় তাহলে সাধারন মানুষের কি অবস্থা হবে। এটা দেখার কেউ নাই।
পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। আমার কাছে চেয়ারম্যান কর্তৃক চারিত্রিক সনদপত্র ছিল না। এইজন্য ৫ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়া লাগছে।
লাইসেন্স করতে গেলে টাকা লাগবেই
আমার সার্টিফিকেট সত্যায়িত করার পিয়নকে দিয়েছিলাম
আমি গিয়েছাম, গাড়ীর ফিটনেস আপডেট করতে । সেই খানে ৫০০০ টাকা দিতে হয়েছে, কারণ সরকার নাকি অফিস খরচ চালায় নাহ ।
নতুন টি সি বি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ে তথন্ত কর্মকর্তাকে দেই 3000 টাকা , উপজেলা পর্যায়ে কর্মকর্তাকে দেই 4000 টাকা, তারপর জেলা ডিসি অফিসে দেই 3000 টাকা যদিও তাদের ডিমান্ড ছিল বেশি, তারপরও কাজটা হবে না, কারন ছুরান্ত পর্যায়ে এম পির ডিও লেটার লাগবে, সো আমি ব্যর্থ।
টিএ এবং ডিএ বিল পাশ করাতে ৫% টাকা দাবী করে।
৭০০০ / বেশি টাকা নিয়েছিল
সরকারি খরচসহ দালালদের পারিশ্রমিক