Building permission
Beuecratic pressure , baseless legal notice , the money was flown from top to bottom
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
Beuecratic pressure , baseless legal notice , the money was flown from top to bottom
New passport korte gasilam dalal chara kaj hy na 1200tk dile 1 dinei all ok. Na dile 4 din gurai. Sathe nanan Kahini
নতুন জয়েনিং এ, সার্ভিস বুক, সেলারী চালু করার জন্য দাবী করেছিলো।
ভূমি খারিজ করার উদ্দেশ্যে গেলে তারা টাকা ছাড়া কাজ করতে অপারগতা দেখিয়েছে।অনেকদিন ফাইল আটকে রেখে ছিল।তারপর ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছি
জমির bars সংশোধন করতে যেয়ে সব থেকে বেশি হয়রানি হয় তদন্ত রিপোর্ট করার সময়।জমি আমার দখলে, দলিল আমার,আদালতের রায় থাকার পরেও তদন্ত করে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার। টাকা ছাড়া রিপোর্ট জমা দেয়া হয় না।৬০০০টাকা রিপোর্ট করাই। জানুয়ারি মাস ২০২৬ঘুষের টাকা দেই।সাভার ভূমি অফিসে প্রচুর হয়রানি করে। টাকা না দিলে শুধু গুড়াবে বিভিন্ন ওজুহাত দেখাবে। যাতে আপনি নিজেই বলবেন কত টাকা লাগবে।
আমার একজন রোগীর জন্য ইমারজেন্সি এ পজেটিভ ব্লাড এর প্রয়োজন। তিন ইউনিট ব্লাড এর প্রয়োজন ছিল।যখন আমি ব্লাড ব্যাংকে যাই। আমার ইমারজেন্সি খুব দরকার। বললাম ভাই আমার ব্লাডটা খুবই ইমারজেন্সি দরকার। উনারা বলল ক্রস মেশিনের জন্য দেড় ঘন্টা সময় লাগবে। আর একশত টাকা দিলে দুই মিনিট লাগবে। তারপর ১০০ টাকা দিয়ে দুই মিনিটে করে নিয়ে আসলাম কি করার বলেন। এই হচ্ছে বাংলাদেশ।
টাঙ্গাইল পৌরসভায় কোন আবাসিক ভবন নির্মানের জন্য অবশ্যই ঘুষ দিতে হয় নচেৎ নকশা অনুমোদন সম্ভব নয়। ডিজাইন ঠিক নেই বলা হয়। পরবর্তীতে নকশা অনুমোদন ভিভাগের ইঞ্জিনিয়ারকে টাকা দেওয়া লাগে তার পর তিনি অনুমোদন করতে সম্মত হন এবং ফাইল বা নকশা জমা রাখেন। টাকা দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ফাইল জমা নিতেই অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
গাজীপুর হাইকোর্টে গেছিলাম সেখানে হাইকোর্ট সংলগ্ন একটা মাঠ আছে সেখানে গাড়ি রাখতে ছিলাম তখন আমার কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছে ৫০ টাকা এরকম আর সবার কাছ থেকে টাকা নিতেছে বিএনপির কিছু সদস্য পাতিনেতা মারটা তারা অযত্ন হয়ে গেছে এবং গাঁজা খোরদের আড্ডা বানিয়েছে। সেখানে অনেকগুলো কোয়াটার আছে যা বিএনপির লোকেরা ভেঙ্গেচুরে লুটপাত করে নিয়ে গেছে। তাই প্রশাসনের কাছে দাবি অতি শীঘ্রই গাজীপুর হাইকোর্টের সংলগ্ন কোয়াটার এবং মাঠটাকে যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে
দলিল আনতে গিয়েছিলাম ২০০ টাকা ছাড়া দিবেনা। পরে ২০০ টাকা দিয়ে দলিল আনছি
আমার পৈতৃক সম্পত্তির আমার নামে নামজারি করলে উনারা ১৫০০০ টাকা দাবি করেন অথচ অনলাইনে নাম জারি খরচ দেখাচ্ছে মাত্র ১১৭০৳ টাকা।
Land mituation korar jonno ghush dita hoyasa.bola na hola kaj hoba na.
ঢাকা ওয়াসার পানির গাড়ি ফোন দিলে মাঝে মাঝে পানি নিয়ে আসে কিন্তু পানি নামানোর আগে চলে দর কষাকষি নূন্যতম অতিরিক্ত ৫০০ টাকার নিচে পানি নামায় না,
এই থানায় আমার ভাই বোনের নামে একটা মিথ্যা মামলা হয়েছিল।মামলার রিপোর্ট ও ছিল পজেটিব।কিন্তু এই থানার অসি।আমাদের কে টাকার জন্য খবর দেয়,এবং বলে কি যে টাকা নিয়ে আসলে মামলা টি একেবারে শেষ করে দিবে। তারপর আমরা গেলাম। বলে কি উপর মহলে টাকা দিতে হবে। আমরা বললাম কত টাকা লাগবে? তিনি বললেন প্রায় ৪/৫ লাখ তো লাগব। আরও অনেক কাকুতিমিনতির পর আমাদের কাছে ৩ লাখ টাকা দাবি করেছে। কিন্তু আমরা বললাম যে স্যার আপনারাও তো জানেন যে,এট একটা মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। তাহলে এতো টাকা লাগবে কেন? অবশেষে আড়াই লাখ টাকা দিতে হয়েছে এবং আরও আনুসংগিক ভাবে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে।এবিষয়ে উকলসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে।অথচ ওরাও জানে যে এটা একটা মিথ্যা মামলা
খতিয়ান বাবদ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
যেহেতু আমাকে দলিলটা করতে হবে সেজন্য আমি নয় হাজার টাকা তাদের জরিমানা দিয়েছি। এটা ছাড়া কি হতো না এটা ছাড়া কি সম্ভব ছিল না।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ডেন্টালে দাঁতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে সিরিয়াল দিয়েছে ২০ দিন পর। পরে ডেট এগিয়ে দিতে বলায় এগিয়ে দিয়ে টাকা দাবি করে। ২০ টাকা দিলে নেয়নি, পরে ৫০ টাকা দিতে হয়েছে।
পাসপোর্ট এর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার জন্য । টাকা না দিলে নাকি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে দেরি হবে।
প্রতিটি লাইসেন্স নবায়নের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হয় যা নিয়ে একাধিক বার অভিযোগ রিপোর্টে ও হয়েছে কিন্তু কোন প্রতিকার হয় নাই।
আমার সন্তানের নতুন ভোটার আইডি কাড করার জন্য। আমার কাছে সব ডকুমেন্ট ছিলো স্কুল সাটিফিকেট জন্ম নিবন্ধ, মারক সিট,বিদ্যুৎ বিল,সব থাকা সত্ত্বেও আমি অনেক হয়রানির শিকার হয়েছি।বার বার আমার পেপার রিজেক্ট করা হয়েছে শেমুলি অফিস থেকে। বাড়ি ভাড়া চুক্তি পত্র লাগবে দিলাম।আবার বাড়ি ওয়ালার সব কিছু লাগবে হোল্ডিং ফি,টেক্স পেপার ইত্যাদি। বাড়ি ওয়ালা এগুলো কোন ভাবেই দিবে না।আবার অফিসে গিয়েছি কোন পাত্তাই দিচ্ছে না জাস্ট বল্লো আপনার এলাকায় খোজ নিন।এলাকায় এসে খোজ নিলাম ৩০০০ হাজার টাকা লাগবে ১টাকাও কম হবে না।বাদ্য হয়ে দিলাম কাজ শুরু করেছে ফোনে অফিসের কমকর্তাকে বলে দিয়েছে আগামীকাল একজন যাবে তার কাজ শেষ করে পাঠিয়ে দিবেন তারাতাড়ি। চমৎকার বিষয় হলো পরেরদিন অফিসে জেয়ে পেপার দেয়া হলো ৫মিনিট পর ছবি তুলে ছেড়ে দিয়েছে ২ দিনে ক
বেসরকারি এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী পদে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত হই। এমপিও ভুক্ত হওয়ার আবেদন করলে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে সাবমিট করা ফাইল আটকিয়ে দেয়। উনাদের কে খুশি না করলে ফাইল রিজেক্ট করে দেয়। এভাবে সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের যত কাজ হয় , ততবার ই টাকা লাগে। এই কাজ গুলো আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি।