বিল নিতে গেলে ৫% টাকা দিতে হয় এলজিইডি সরকারি প্রতিষ্ঠান
আমার বিল ছিল তিন কোটি টাকা ওখানে ১০% টাকা দিয়ে তারপরে আমি বিল নিয়ে আসছি ওখানে মোটামুটি সবাই জড়িত ঢাকা থেকে শুরু করে টাঙ্গাইল অফিস মির্জাপুর অফিস বেশিরভাগ জড়িত aso থানা ইঞ্জিনিয়ার এক্স এন
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
আমার বিল ছিল তিন কোটি টাকা ওখানে ১০% টাকা দিয়ে তারপরে আমি বিল নিয়ে আসছি ওখানে মোটামুটি সবাই জড়িত ঢাকা থেকে শুরু করে টাঙ্গাইল অফিস মির্জাপুর অফিস বেশিরভাগ জড়িত aso থানা ইঞ্জিনিয়ার এক্স এন
২০২০ সালে৷ আমার ইমারজেন্সি মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স করার প্রয়োজন হয়,আমি রানারের জন্য আবেদন করি এবং জমা দেই, আমার পরীক্ষার ডেট পড়ে ছয় মাস পর আমি খুব বিপদে পড়ে যাই তারপর বিআরটিএ তে যোগাযোগ করলে আমার কাছে ৩০০০ টাকা দাবি করে,তাহলে পরীক্ষার তারিখ এক সপ্তাহের মধ্যে নিয়ে আসবে আমি বাধ্য হয়ে তার বিকাশ নাম্বারে টকা পাঠাই এবং পরীক্ষার ডেট এক সপ্তাহের মধ্যেই দিয়ে দেয়।
আমার সকল কাগজপত্র থাকার পরেও তারা সরাসরি আমাদের কাছ থেকে ফাইল জমা নেবে না। আমার ২০১৯ সালের ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সবগুলোই আছে, ইতিপূর্বে ঢাকায় নিজে নিজে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সুবাদে BSP অ্যাকাউন্ট ও ছিল। তারা পরিদর্শনের সময় নাটক শুরু করে দিয়েছিল একা একা রেজিস্ট্রেশন করছিলাম তাই। বারবার বলছিল শোরুম থেকেই করতে পারবেন শুধু। রুম নিবে বাড়তি ৩৮০০ টাকা। পরে সার্জেন্টের ভয়ে বাধ্যগতভাবে বিআরটিএ অফিসের এক দালালের সাথে ২০০০ টাকায় কন্টাক্ট করি। এই হচ্ছে বাংলাদেশের অবস্থা। বিআরটিএ ভূমি অফিস এমন এক বাজে জায়গা যেখানে আপনি সকল কাগজপত্র নিয়ে গিয়েও ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করতে পারবেন না।
থানায় অভিযোগ মীমাংসার জন্য দুই পক্ষ বসেছিলাম। এই মীমাংসার জন্য ওসি, এস ই গোপনে টাকা চাই। টাকা আবার সামনে নেই না গোপনে নেই যাতে কেউ না দেখে আর সি সি ক্যামেরায় না দেখা যাই। আমি পরিশোধ করতে বাধ্য হয়েছি কারণ আমার বিষয়টা মীমাংসার খুব প্রয়োজন ছিল, আমি নিরুপায় ছিলাম। আমি অনুরোধ করবো নাটোর সদর থানাসহ সকল থানায় এই ঘটনা গুলো ঘটতেছে যা ভুক্তভোগী কেউ ভোগাচ্ছে।
মিউটেশন করে দিবে। আপনাকে কিছু করতে হবে না শুধু দলিল খতিয়ান আইডি কার্ড দিবেন বাকি সব কাজ আমাদের ৭/৯ দিন পর মিউটেশন পেয়ে যাবেন সত্যি বলতে পেয়েও গেছি।
সরকারি চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য যখন পুলিশ ভেরিফিকেশন হয় সেই সময় পুলিশ প্রকাশ্যে ঘুষ চায় এবং দপ্তরে কোন ফাইল ফরওয়ার্ডিং বা যে কোন কিছু হালনাগাদ করতে গেলে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা করে দেওয়া লাগে
আমার আব্বুকে কাজের জন্য শিক্ষা সচিবালয়ে ডাকা হয়েছিল। গ্রামের মানুষ কখনো ঢাকায় যায় নাই।আমি নিজেই সরকারি চাকুরী করি।সেই সুবাদে ঢাকায় আমার পরিচিত ব্যক্তি ছিল।আমার আব্বু সচিবালয়ের ভিতরে যেতে চাইলে কর্তব্যরত পুলিশ গেইট দিয়ে প্রবেশের জন্য টাকা চাই।পরে আমার পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে জানতে পারলাম টাকা না দিলে ভিতরে যেতে দিবে না।তখন মোবাইল ফোনে সেই পুলিশের সাথে যোগাযোগ করি এবং বিকাশের মাধ্যমে টাকা দিলে, আমার আব্বুকে ভিতরে প্রবেশ করতে দেয়।
আমি চাকুরীতে যোগদান করি ২০১০সালে। আমার ইউনিয়নে ৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। আমি ধারণা করেছিলাম আমার ইউনিয়নের যে কোনো একটি বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো আমাকে নিয়োগ প্রদান করা হলো আমার উপজেলার একেবারে শেষ সীমানায় অবস্থিত একটি বিদ্যালয়ে। আমার বাড়ীর নিকটতম বিদ্যালয়ে ৩জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলো।আমাকে এখানে নিয়োগ দেওয়া হলো না। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকার কারণে বিদ্যালয়ে যেতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। আমি বদলী হয়েছি মোট দুই বার। টাকা দাবি করেছে শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসের ইউডি। জেলায় দিতে হয়েছে দুই বারে চার হাজার,উপজেলায় দুই বারে ষোলো হাজার টাকা।
পবিত্র্র হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। পবিত্র হজ্বব্রত এ-র কথা বললেও তারা বলে সময় লাগবে। কয়েক দিন ঘুরায়। বাড়ি দুরে হওয়ার যাতায়াতের সমস্যা র কারেন ২-৩দিন হয়রানির পরে বাধ্য হয়ে টাকা পে করতে হয়েছে। তারপর অতি দ্রুতই কাজ হয়েছে। টাকা দেয়ার আগের ব্যবহার ও টাকা দেয়ার পরের ব্যবহার সম্পূর্ণ আলাদা। অবাক দৃশ্য।
রোগি নিয়ে গেলে ট্রলি দরকার সেখানে দালাল রা টাকা ছাড়া ট্রলি দেয় না।
আমি যখন নতুন পাসপোর্ট বানাতে যাই,,ভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়,,আমাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যায়,, যা আমাকে টাকা দিতে বাধ্য করে,, এক পর্যায়ে আমাকে ২৩০০ টাকা দিয়ে পাসপোর্ট বানাতে হয়
আমার জরুরি ভিত্তিতে NID কার্ড বানানো লাগতো সেজন্য উপজেলা গেছিলাম NID বানায় যেখানে। তারপর প্রথমদিন কাগজপত্র কি কি লাগবে সেটা জানায় দেয়।বলে এইগুলো নিয়ে আসতে হবে।যথারীতি এইসব কাগজপত্র ম্যানেজ করে নিয়ে গেছি।তারপর উনাকে বললাম ভাই আমার তো একটু জরুরি দরকার।কতদিন এর মধ্যে হাতে পেতে পারি।উনি বলল সময় লাগবে দেখেন না কতজনের সিরিয়াল আছে।আপনার সিরিয়াল 50 নম্বর । কমপক্ষে তো ৬-৭ মাসের মতো লাগবে । আজকে কাগজপত্র দিয়ে যান তারপর সিরিয়ালি যেদিন সময় আসবে সেদিন এসে ছবি তুলাতে হবে । আমি বললাম ভাই এর আগে করা কি সম্ভব না? আমার ভার্সিটি খুলে দিবে ছুটিতে আসছি। হুট করেই তো আমার আসা সম্ভব না।তারপর উনি অফিস থেকে বের হয়ে বলেছে আপনার কাজ 3-4 দিনের মধ্যেই হবে তবে হাজার পনেরশ টাকা লাগবে।পরে 1000 দিয়ে রাজি করাই।
আমার বাবা একজন খুবই সাধারণ একজন মানুষ। পেশায় কওমী মাদরাসা শিক্ষক। খুব সল্প আয়ে আমাদের সংসার চলে। ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর ট্রাজেডির পরে বিনা কারণে আমার বাবাকে নারায়ণগঞ্জ কাঁচপুর থানা লুটের মামলায় আসামি করে। অথচ আমার বাবা তার জীবনে কখনো নারায়ণগঞ্জ যাননি। দীর্ঘদিন হয়রানি এবং বিভিন্ন মহলে আমরা টাকা দিয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে চলেছিলাম। সর্বশেষ ২০২১ সালে মোদী বিরোধী আন্দোলনে হঠাৎ একদিন আমার বাবাকে পুলিশ বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। তখন আমি নারায়ণগঞ্জে গিয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জামিনের আবেদন করি। পরপর তিনটি হেয়ারিং এ জামিন নামঞ্জুর করার পরে সর্বশেষ আমাদেরকে ৭০ হাজার টাকা মেজিস্ট্রেটকে দেওয়ার শর্তে জামিন দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। অতঃপর এই টাকা ধার নিয়ে বাবার জমিন মঞ্জুর করি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চাইছিলাম পরে ৪৫০০টাকা দাবী করে
গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২২ ২৩ সালের দিকে আমার বাড়ি নিয়ে কোন প্রকার ঝামেলা নেই জায়গা জমি নিয়ে কোন ঝামেলা নেই অথচ আওয়ামী লীগের ভূমি দালালদেরকে ৫৫হাজার টাকা দিতে হয়েছিল। বাড়ির কনস্ট্রাকশন এর কাজ করার সময় তারা আমাকে অনবরত ডিস্টার্ব করত। জায়গাটা হল কেরানীগঞ্জের ছোট ভাওয়ালের খান বাড়ি এলাকা।
আমার চাকরির ক্ষেত্রে আমার মায়ের নামটা সংশোধন করতে গিয়ে অনেক হেনস্থা শিকার হয়েছে এবং কাজটা করে দিবে এজন্য তারা ঘুষ দাবি করে।
আমার মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেন মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, হাইওয়ে পুলিশ আমার কাগজপত্র নিয়ে যায় । ইলেটগঞ্জ থানার সাথে ছোট্ট একটি টং দোকান আছে। সেখানে কাগজপত্র জমা দিয়ে রাখে, কোন মামলার কাগজ ছাড়াই ওই দোকানে টাকা জমা দিলে ওই দোকানদার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র ফিরিয়ে দেয়। সেটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে কুমিল্লা দাউদকান্দিতে ইলেটগঞ্জ থানা
আমি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম যাওয়ার পর । আমার চারটা ভুল ধরছে যেই ভুলগুলা যদি আমি সংশোধন করতে যাই তাহলে । আমার কমসে কম এক মাস ঘোরাঘুরি করা লাগবে । 1) ভুল আমি স্টুডেন্ট ছিলাম এখন কাজ করি না তো বেকার সনদ আলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কিন্তু ইউনিয়নে তো ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাই এখন কি করব 2) ভুল বিদ্যুৎ বিলের কাগজ ২৫ সালের টা নিয়ে গিয়েছিলাম ২৬ সালের টা লাগবে 3) ভুল আমার আব্বুর পুরাতন আইডি কার্ড হওয়ার কারণটা জন্মস্থান লেখা ছিল না এটাকে সংশোধন করতে হবে বলেছে এটাকে যদি সংশোধন করতে যাই কমসেকম এক মাস লাগবে আরো অনেক ভুল ধরেছিলো আরো অনেকের অনেক ভুল ধরেছে অনেকে দুইদিন তিনদিন চারদিন ধরে ঘুরছে কিন্তু সমস্যা সমাধান হচ্ছে না যারা দালাল ধরে টাকা দিচ্ছে তাদের ফিঙ্গার হয়ে যাচ্ছে
আমার নার্সিং এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন কিন্তু আমার কলেজে আসছিল না ,,,, তখন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে গেলাম,,,, ওখানে গিয়ে কথা বললাম পরে বলল যে এক সপ্তাহ সময় লাগবে,, আমার কাছে এত সময়ও ছিল না শুধুমাত্র একদিন সময় ছিল,, সে বললো দেওয়া সম্ভব না,,,, আমি বললাম যে কোন কি উপায় নাই ?সে বলল যে আচ্ছা ঠিক আছে ৩০০০ টাকা দিয়ে বাহির থেকে একটু ঘুরে আসো,,,, পরে আমি বললাম আঙ্কেল আমি তো স্টুডেন্ট একটু যদি কম হতো ভালো হতো,,,,, কিছুক্ষণ ভেবে বললো ঠিক আছে ২০০০ টাকা দেও,,এরপর আমি তিন ঘন্টা পরে আসছি এবং সার্টিফিকেট দিছে,,,, আমার কথা হল যেই কাজটা ৩ ঘণ্টায় হয় সে কাজটার জন্য সাধারণ মানুষকে কেন এক সপ্তাহ টাইম দেওয়া হয়?😔 আমি জানি ,ঘুষ দেয়া এবং নেওয়া দুটাই খারাপ কাজ,, কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি!
জিপিএফ এর লোন এর আবেদন দিয়েছিলাম অনেক দিন পরে ছিলো লোন হচ্ছিলো না টাকা দাবি করে ২০০০ হাজার পরে ১০০০ টাকা দিলে ৩ দিন পর চেক হাতে পাই।