নতুন ট্রেড লাইসেন্স
উত্তরা ১২ নং সেক্টর সিটি কর্পোরেশন অফিস ২ কর্মকর্তা নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার উপলক্ষে আমার দোকান ভিজিট করে। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কর ছিলো ২০০০/- টাকা কিন্তু তারা জানালেন ৫৩০০+ ব্যাংক জমা সহ মোট ৯০০০/- দাবি করে।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৬৭ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
উত্তরা ১২ নং সেক্টর সিটি কর্পোরেশন অফিস ২ কর্মকর্তা নতুন ট্রেড লাইসেন্স করার উপলক্ষে আমার দোকান ভিজিট করে। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী কর ছিলো ২০০০/- টাকা কিন্তু তারা জানালেন ৫৩০০+ ব্যাংক জমা সহ মোট ৯০০০/- দাবি করে।
নতুন আইডি কার্ড করতে গেলে সরকারি হিসাব মতে কোনো প্রকার টাকা-পয়সা দিতে হয় না, অর্থাৎ কোনো খরচ নেই। তবে আমি এনআইডি কার্ড করতে যাওয়ার পর আমাকে বলে, টাকা দিতে হবে। আর সেটা ৪ হাজার টাকা না হলে কোনো উপায় নাই। এনআইডি কার্ড করার আবেদন জমা দেওয়া যাবে, তবে সেটা ঝুলে থাকবে মাসের পর মাস। তাই টাকা দিয়ে করাতে হলো।
আমি আমার জমি খারিজ করার জন্য ভূমি আফিস গেলে, তারা আমার সব কাগজ দেখে বলে আপনার দাদার নামের আকার ভুল আছে, এটি হবে না, এটা ঠিক করে নিয়ে আসেন, আমি বললাম, এটা কথায় টিক করে পাওয়া যাই, তখন সেই লোকই আমাকে বলে এটা পৃথিবীর কোথায় ঠিক করে পাবেন না, এগুলো আমরা বাসায় টিক করি, সময় লাগে তার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে, তার পর অনেক ঘুরাঘুরি করে কোন উপায় না পেয়ে তার বাসায় গিয়ে ১৫ হাজার টাকায় খারিজ করে নিয়ে আসি।
কিডনি রোগীদের একটা টেস্ট আছে যেটা কিডনি অপারেশন আগে, পরে করা হয়, যেটার নাম রেনোগ্রাম,যেটা করতে নিউক্লিয়ার মেডিসিন লাগে, এটা করানোর জন্য আগে থেকে সিরিয়াল নিতে হয়, সিরিয়াল নিতে গেলে, যে লোক সিরিয়াল নেয়,সে কোন না কোন ভাবে বুঝাবে এখন মেডিসিন নাই, তাই পরিক্ষা বন্ধ, আপনি আমার সাথে যোগাযোগ রাখবেন,মেডিসিন আসলে আপনাকে আমি বলবো, প্রতি সাপ্তাহিক কল দিতে বলে, কিছুদিন এই ভাবে চলতে থাকে তার পরে বলে, অনেক লাম্বা সিরিয়াল কিছু খরছ পাতি হবে যদি আপনি করতে চান, টেস্ট হচ্চে ৩ হাজার টাকা, তখন ৫ হাজার দিতে বলে, এখন আমার অপারেশন করতে হবে চট্টগ্রাম এই টেস্ট আর কোথাও করানো হয় না, তাই আমি ৫ হাজার দিয়ে এই টেস্ট করতে বাধ্য। এই পযন্ত আমি ৩ বার টেস্ট করছি,৬ হাজার টাকা বেশি দিতে হয়ছে না হলে সিরিয়াল দেয় না। যত রোগী আসে সবার
আমি জমিসংক্রান্ত 42 এ ক মামলার জন্য লিখিত আবেদন কেরেছিলাম আমাকে তারিখ দেবে দেবে বলে দেওয়া হয়নি পরে 10 হাজার টাকা দিলে তারিখ দেওয়া হয় এই সেটেলমেন্ট অফিসে অনেক ঘুষের কারবার হয় আপনি ভুক্তভুগি সেজে পরীক্ষা করতে পারেন
পরিক্ষা পাশ করে দিবে, যেভাবে হয় হোক
আমার চাকুরির ভেরিফিকেশন ছিল।আমার বাবা একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল বলে কর্তব্যরত এস আই ১০০০০ টাকা দাবি করে। আমাকে আমার বাবা কল দেয় বলে এস আই টাকা চাচ্ছে না হলে খারাপ রিপোর্ট দিবে। এস আই আমাকে বলে ভাতিজা টাকাতো অনেক কামাবা আর তোমার বাবার বিষয়টাতো জানো। টাকাটা দিয়ে দিতে বলো না হলে সমস্যা হবে। পরে আমার বাবা তাকে ৫০০০ টাকা দেয়।তবুও নাকি তার মন ভরেনি যাওয়ার সময় বলে গেছে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ভেরিফিকেশনের জন্য দঃ কেরানীগঞ্জ থানায়,কিছু পেপার জমা দিতে ডাকা হয়। গেলে ডি এস বি র একজন পুলিশ কর্মকর্তা আমার কাছে ২০০০ টাকা ঘুষ দাবি করে । পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আমার জরুরী দরকার তাই আমি প্রথমে ৫০০ টাকা দিতে চাই কিন্তু সে কোন কথাই শুনে না অনেক ধরনের ভয়ভীতি দেখায় অবশেষে আমি ১২০০ টাকা ঘুষ দিতে বাধ্য হই।
নামজারি দলিল যাচাই করে খসড়া খতিয়ান প্রস্তুত। আমার সব কাগজ ওকে থাকার পরও নায়েব সাব আমাকে বাহিরে চিপায় নিয়ে কিছু দিতে বলে। আমি বিব্রত হই। এরপর ৫০০ টাকা দিলে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে আরো ৫০০ টাকা সহ মোট ১০০০ টাকা দেই। এরপর কাজ করে দেয়।
সমাজ সেবা কার্যালয় এর অফিস সহকারী শিশু সদনের এতিম শিশুদের সরকারি টাকা নতুন ভাবে বরাদ্দ করার জন্য উক্ত টাকা চান না হলে সমস্তটা বাতিল করে দিবে বলে হুমকি দেয় এই শুনে কমিটি দিতে বাধ্য হয়
আমি অত্যন্ত ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগের সঙ্গে এই লিখিত অভিযোগটি জানাচ্ছি যে, ঢাকা ওয়াসার মিরপুর জোনে আমার বাসার পানির মিটার প্রতিস্থাপনের সময় আমার কাছ থেকে ২৭,০০০ টাকা দাবি করা হয়। এর মধ্যে ২০,০০০ টাকার একটি রসিদ আমাকে প্রদান করা হলেও অবশিষ্ট ৭,০০০ টাকা নেওয়ার পর কোনো রসিদ, চালান বা সরকারি প্রমাণপত্র আমাকে দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি নিম্নরূপ: অর্থ দাবির লিখিত হিসাব ক্রম খাত দাবি করা অর্থ ১ নতুন পানির মিটার ২০,০০০ টাকা ২ অন্যান্য খরচ ৬,০০০ টাকা ৩ Installation Charge ১,০০০ টাকা মোট ২৭,০০০ টাকা আমি ২০,০০০ টাকা পরিশোধ করি এবং তার বিপরীতে রসিদ পাই। কিন্তু অবশিষ্ট ৭,০০০ টাকা রসিদ ছাড়া নেওয়া হয়। এখানে আমার সরাসরি প্রশ্ন হলো—যদি ২৭,০০০ টাকা বৈধ সরকারি খরচ হয়, তাহলে পুরো ২৭,০০০ টাকার সরকারি রসিদ কেন দেওয়া হলো ন
১/ একটা নকল উঠাতে সরকারি ফি ৬০ টাকা আর সে জায়গায় নেই পনেরশো টাকা. ২/আর আমি যদি আমার বাবার সম্পত্তি আমার অংশটুকু বিক্রি করতে চাই .দলিল করতে দলিলের খরচ ছাড়া আরো আট হাজার টাকা বেশি দিতে হয়. ৩/দাদার সম্পত্তির আমার অংশের টুকু বিক্রি করতে গেলে দলিল খরচ ছাড়া আরো দশ হাজার টাকা বেশি দিতে হয় না হলে তারা দলিল করে না. ৪/নামজারি করতে সরকারি ফি ১১৭০ টাকা আর তারা নেই আট হাজার টাকা.
কাজ না করে ঝুলিয়ে রেখে ছিল। টাকার বিনিময়ে হয়েছে।
এখানে ৬০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন খাতে বিভিন্ন রকম ঘুষ নেয়া হচ্ছে ৫০-১০০।৫০০ যার কাছ থেকে যেমন করে
বিষয়টি ছিল খুবই মমাত্নিক । আমার বাবা সিলেট উসমানি মেডিকেল ভর্তি ছিল । পরে অপারেশন হয়। যদিও 3/4 ডেইট তারা মিস করে। তো অনেক বড় বড় সমস্যা হয়েছিল । বাট একটা ছোট সমস্যা শেয়ার করি বিষয় টা ছিল ছোট মাত্র - 250 টাকার কিন্তু আমি অনেক ব্যাতিত হয়েচিলাম। 1। আমার বাবা অপারেশনের দিন সম্বতব 3 তলা তেকে 5 তলায় উটানো লাগে অপরেশনের জন্য । তো আমি সকাল সকাল 5 তালায় উটাতে যাই । । তো এক ভদ্রলোক (টলিম্যান)বাবার ট্রলি নিয়ে যাচ্ছিলো + আমিও ছিলাম যাইহউক অনেক কথা তো 5 তলা উটার পর আমার কাছে 100 টাকা চাইলো আমি বললাম কি অনেক কথা দিয়ে দেই তারে 100 আর অপরেশনের পর রেস্ট রুমে বিছানা পাল্টায়া দিবে + নতুন আরকটি বিছারা দিবে বলে 150 টাকা দাবি কলে অনকে কথা আমি দিয়ে দেই ।
প্রথমে ডিজি (স্বাস্থ্য) থেকে বরখাস্ত হই। তারপরে আদালতে রায় আমার পক্ষে আসে,কিন্তু সেই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য আমাকে দীর্ঘদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। শেষমেষ দাবিকৃত টাকা দিয়ে আমার কার্য্য সম্পাদন করি।
মোটরসাইকেল রেজিষ্ট্রেশন করতে গিয়েছিলাম। আমাকে গাড়ির শোরুমে যাইতে বলে। বিআরটিএ অফিস থাকতে শোরুমে কেন যাব। বাড়ি দুরে হওয়ার যাতায়াতের সমস্যা র কারেন ২-৩দিন হয়রানির পরে বাধ্য হয়ে টাকা পে করতে হয়েছে।
পিয়ন আমার কাছে 2000 টাকা চায় আমার পেপার্স এর ভুল ত্রুটি ঠিক করে দেবে এবং আমার সিরিয়াল আগে দেবে
আমি লাইনে দাঁড়িয়ে পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে গিয়ে আমার ভোটার আইডি কার্ডের ডুপ্লিকেট কপি থাকার কারনে জমা নেয়নি। পরে আনসার সদস্য ২৫০০ টাকা দাবি করেন এবং ১৫০০ টাকায় পাসপোর্ট নবায়ন করে দিতে রাজি হয়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, যিনি লাইনে আমার কাগজপত্র জমা নেননি তিনিই পরবর্তীতে আমার ফিঙ্গার প্রিন্ট, ছবি উঠানো সহ যাবতীয় কাজ করেন।
ইউনিয়ন পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে প্রতি জন্ম নিবন্ধনে ২৫০ টাকা করে দাবি করে,,না দিলে মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করে নানা কথা বলে,,তাদের নাকি অফিসের বিল দিতে হয় এই টাকা দিয়া আর অনেক ইত্যাদি,, তারা ২৫০ টাকার নিচে তারা নিবন্ধন করে না,,ঘটনা টি হল ঈশ্বরগঞ্জ থানা সরিষা ইউনিয়নে