লোন উঠানোর জন্য
ব্যাংক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন তুলার জন্য শিক্ষা অফিসারের অনুমোদনের দরকার হয়। এজন্য তিনি আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ নেন।
নাগরিকদের জমা দেওয়া ১৯,০৮৬ টি ঘুষের অভিযোগ — খুঁজুন, ছাঁকুন, তালিকা বা গ্রিড ভিউতে দেখুন।
ব্যাংক থেকে ৫ লক্ষ টাকা লোন তুলার জন্য শিক্ষা অফিসারের অনুমোদনের দরকার হয়। এজন্য তিনি আমার কাছ থেকে ১০০০ টাকা ঘুষ নেন।
আমি যখন পাসপোর্ট করতে যাই তখন ১০ বছর মেয়াদের জন্য সরকারি ফ্রি ৫৮০০ টাকা এর মতো যেটা ৪৮ পৃষ্ঠা কিন্তু আমার থেকে আরও ১৫০০ টাকা বেশি দাবি করা হয় না দিলে বলে পাসপোর্ট আটকে যাবে দেরি হবে ইত্যাদি তারপর আমার যেহেতু জরুরি সেজন্য আমি দিতে বাধ্য হই
আমার নার্সিং এ রেজিস্ট্রেশন করার জন্য সার্টিফিকেট প্রয়োজন কিন্তু আমার কলেজে আসছিল না ,,,, তখন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে গেলাম,,,, ওখানে গিয়ে কথা বললাম পরে বলল যে এক সপ্তাহ সময় লাগবে,, আমার কাছে এত সময়ও ছিল না শুধুমাত্র একদিন সময় ছিল,, সে বললো দেওয়া সম্ভব না,,,, আমি বললাম যে কোন কি উপায় নাই ?সে বলল যে আচ্ছা ঠিক আছে ৩০০০ টাকা দিয়ে বাহির থেকে একটু ঘুরে আসো,,,, পরে আমি বললাম আঙ্কেল আমি তো স্টুডেন্ট একটু যদি কম হতো ভালো হতো,,,,, কিছুক্ষণ ভেবে বললো ঠিক আছে ২০০০ টাকা দেও,,এরপর আমি তিন ঘন্টা পরে আসছি এবং সার্টিফিকেট দিছে,,,, আমার কথা হল যেই কাজটা ৩ ঘণ্টায় হয় সে কাজটার জন্য সাধারণ মানুষকে কেন এক সপ্তাহ টাইম দেওয়া হয়?😔 আমি জানি ,ঘুষ দেয়া এবং নেওয়া দুটাই খারাপ কাজ,, কিন্তু আমি বাধ্য হয়েছি!
বদলির জন্য ক্লার্ক কে দিতে হয়েছিল
পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন নামে পুলিশ টাকা নিয়েছে
কাস্টম 8D RO একটা কেমিক্যাল আইটেমে ২ লাখ টাকা নিয়েছে না হয় HS CODE change করে জরিমানা করে দিবে বলেছে।
পাসপোর্ট এর জন্য লাইভ ভেরিফিকেশন দরকার হয়। তো যিনি এসেছিলেন তাকে সবকিছু কাগজপত্র দেখানোর পরও তিনি কিছু বকশিশ চাচ্ছিলেন। পরে বারোশোর মতন দেয়া হয়েছে। যদিও তিনি আরো চাচ্ছিলেন।
আমি নিজে নিজে দালাল ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে চেয়েছিলাম এর জন্য মুন্সিগঞ্জ বিআরটিএ তে পরিক্ষা দিতে কিন্তু সব বিষয়ে পাশের পরেও মোটরসাইকেল পরিক্ষায় আমাকে ফেইল করিয়ে দেয়া হয় অনেক রিকুয়েষ্ট করেছি কিন্তু পাস দেয়নি অথচ যারা দালাল ধরে এসেছে তারা মোটরসাইকেল চালাতে পারেনা অনেকেই কিন্তু তারা পাশ, তারপর এক লোক ডাক দিয়ে বলে একটা দোকানে যেতে আমি গেলাম পরে তারা প্রথমে ১০হাজার দাবি করে তারপর ৫হাজার নেয় আমার থেকে বলে পাশ করিয়ে দিবে তারপর পরের দিন দেখি আমি পাশ, হায়রে বাংলাদেশের সিস্টেম, প্রত্যেকটা সরকারি সেক্টরে এখন দালাল এর কথায় ও নোটে কাজ হচ্ছে আমাদের সরকার কি এইগুলো দেখছে না? সরকারের কাছে দরখস্ত এদেরকে যেনো ছাটাই করে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়!
আমাদের ইউনিয়নের ভূমি অফিসের পাশের দোকানদার দিয়ে ঘুষ বানিজ্য করা হয়। আমার বাবা কে মিউটেশন করার জন্য পাঠানো হয় ভুমি অফিসে সে দোকান থেকে আবেদন করার পরে বলে যে এটি সম্পূর্ন করার জন্য 5000 টাকা লাগবে তখন আব্বা জিজ্ঞাসা করল কেন 5000 টাকা দিতে হবে সে বলে আপনার আবেদন তারা দেখবে না যদি আপনি তাদের টাকা না দেন। আর এটাই হয় স্বাধারনত যদি টাকা দেয় তাহলে তারা কাজ করে আর না হলে পেন্ডিং রাখে। তবে তারা সরাসরি ঘুষ নেয় না থার্ট পাটি লোকের মাধ্যমে নেয়।
বিল্ডিংয়ের অনুমোদন পাওয়ার জন্য আমাদের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে। তখন বলা হয়েছিল, আপনারা বিল্ডিং নির্মাণ করেন, আমরা পরে বিল্ডিংয়ের অনুমোদন/প্ল্যান পাশ করিয়ে দেব। কিন্তু ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার পরেও এখন আবার নতুন করে টাকা দাবি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি এখন বলা হচ্ছে, রাস্তা নির্ধারিত পরিমাণে প্রশস্ত না হলে এত বড় বিল্ডিংয়ের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। অথচ আমার বিল্ডিংয়ের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গেছে। এখন তারা বলছে, বিল্ডিং অনুমোদনের জন্য কমপক্ষে ৮ ফুট রাস্তা থাকতে হবে। কিন্তু আমার জমির সামনে বর্তমানে প্রায় ৫ থেকে সাড়ে ৫ ফুট রাস্তা রয়েছে। প্রশ্ন হলো, শুরুতেই যদি ৮ ফুট রাস্তার বিষয়টি জানানো হতো এবং এই শর্ত পূরণ না হলে অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট করা হতো, তাহলে আমি এ
আমরা ৪৯৬ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাংলাদেশ রেলওয়ে তে যোগদানের পর পে ফিক্সেশন করতে গেলে তারা ওপেনে জনপ্রতি ৫০০/- করপ নিয়েছে এবং ওপেনে বিকাশে টাকা নিসে।এরপর বকেয়ার বেতন ও টি/এ বিল থেকে ১৫% কমিশন না দিলেও বিল পাশ করে না। অর্থ উপদেষ্টার অফিস, পাকশি বিভাগ পশ্চিম অঞ্চল,রাজশাহী বাংলাদেশ রেলওয়ে
জমির খারিজ করতে এতো গুলু টাকা দিতে হইছে
২০১৯ সালের কথা। পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য আদাবর থানার পুলিশ ইনিয়ে বিনিয়ে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করলো। সম্ভবত ১০০০ এর নিচে নিবে না। কিন্তু আমি ২য় বর্ষের ছাত্র কেবল। পকেটে ছিল ৮০০ টাকা। ৮০০ আছে বলার পর আমাকে চলে যেতে বলে। আমি থানার বাহিরে দাঁড়িয়ে রিকশা খুঁজতে থাকি। পরে আরেক কনস্টেবলকে দিয়ে আমাকে ডাকায় ঐ ৮০০ টাকাই নেয়।
ভাঙ্গা পায়ে ব্যান্ডেজ করতে গেছিলাম। ওখানে যারা ব্যান্ডেজ করে তারা নামাজ আদায় করে এসে বলে 200 টাকা ছাড়া ব্যান্ডেজ করবে না। কোনো কোনো রোগীর থেকে 300-350 ও আদায় করছিল বাধ্য করেছিল।
টাকা নিয়ে কাজ করে নাই
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেছি বলে ব্যংক জমা যা আসবে তার সাথে স্পীড মানি ৩০০০ টাকা দিতে হবে। বললাম স্পীড মানি কী? বলল দ্রুত কাজ হবে?
একজন করদাতা তার রিটার্ন ফাইল এ ভূল করেছিলেন , এবং কর দিতে রাজি ছিলেন, কিন্তু তাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে ২০ লক্ষ টাকা ট্যাক্স ধরবে বলে প্রথমে ২ লক্ষ টা দাবি করা হয় । পরে ১ লক্ষ ৫০ হাজার , তার পরে ১ লক্ষ, শেষে ৮০ হাজার এ নেগুশিয়েষন শেষ হয় । ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে সে রিটার্ন ফাইল রি ওপেন করবে না বলে প্রতিজ্ঞা করে । ৮০ হাজার টাকা একটা কফি শপ এ বসে রিসিব করে ।
টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার ভূমি অফিসে জমির আসল দলিল উত্তোলন করতে যায়। একজন মহিলা অফিস স্টাফ রসিদ এবং 300 টাকা চাই। আমিও তার কথা মত রসিদ ও টাকা দেই তার হাতে, এবং 300 টাকা কোন সার্ভিস চার্জ কিনা তা জানতে চাই এবং এর রশিদ চাওয়াতে সে অনেক খারাপ ব্যবহার করে এবং দারোয়ান দিয়ে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়।
আমাদের জমির খাজনা পরিশোধ করতে যাই। খজনা আসে 5হাজার এর বেশি.. টাকা (নোট: এই টাকা আমি অনেকবার জিজ্ঞাসা করার পরেও জিজ্ঞাসা করার পরেও আমামে মূল টাকা জানানো হয়নি) । আমার কাছে দাবি করা হয় ১৫,০০০ টাকা। বলে এই টাকা দিলে জমির কোন ঝামেলা হবে না। খাজনা / খারিজ সম্পূর্ণ হবে... অনেক অনেক কাতুতি মনতি করে ১২,০০০ এ রাজি করাই। কিন্ত আমাকে শর্ত দেয়, টাকার রিসিট নিয়ে কোন প্রশ্ন করা যাবে না। আমি অনেক অনেক অবাক হই। কিন্তু রাজি হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না!
নারায়ণগঞ্জে এসি ল্যান্ড অফিস, ফতুল্লা সার্কেল এক্সিডেন্ট অফিস, তাদের কাগজের নকল বা সেবা পাওয়ার জন্য দালালের মাধ্যমে আগে ফটোকপির দোকানে গিয়ে টাকা পরিশোধ করে, তারপর ফটোকপির দোকানদার বা দালাল আপনাকে কাজ করিয়ে দেবে। ওখানকার স্টাফরা তাদের নির্দিষ্ট করা ফটোকপির দোকানের রেফারেন্স দিয়ে দেবে